Connect with us

Uncategorized

আমরা শুধুমাত্র প্রযুক্তি ও নিয়মানুবর্তীতার অভ্যাসে পিছিয়ে আছি – ডাঃ সন্তোষ রবিন্দরণ

DENTALTIMESBD.com

Published

on

শান অল কমিউনিটি ক্লাবে হয়ে গেল  Predictable restorative dentistry and hands on fixed tooth replacement in 30 minutes বিষয়ক সেমিনার। সেমিনারটি পরিচালনা করেন ভারতের মুম্বাইয়ের প্রখ্যাত ডেন্টাল সার্জন ডাঃ সন্তোষ রবিন্দরণ। সেমিনারে অংশ নেন ৪০০ এর ও অধিক ডেন্টাল সার্জন। ডেন্টাল টাইমসের সাথে স্বল্প সময়ের জন্য কথা বলেছেন ডাঃ সন্তোষ রবিন্দরণ। অনিরুদ্ধ মাখদুমকে সাথে নিয়ে সাৎক্ষাতকারটি নিয়েছে শাহ সাইফ জাহান। ক্যামেরায় ছিলেন তাসনিম আলম সিয়াম।

  • ডেন্টাল টাইমস: কেমন আছেন স্যার?
    ডাঃ সন্তোষ: বেশ ভালো। তোমাদের কি অবস্থা?
  • ডেন্টাল টাইমস: আমরাও অনেক ভালো আছি স্যার। আপনি যদি আপনার ব্যক্তিগত ও শিক্ষা জীবন সম্পর্কে আমাদের সাথে শেয়ার করতেন।
    ডাঃ সন্তোষ: আচ্ছা। আমি বোম্বে গভঃ ডেন্টাল কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন করেছি। ১৯৯১ সাল থেকে প্রাইভেট প্র‍্যাক্টিসে আছি। আমার স্ত্রীও একজন ডেন্টিস্ট। আমার ২ ছেলে মেয়ে। গ্রাজুয়েশনের পর রেস্টোরেশন, এস্থেটিক, প্রস্থোডন্টিক্স ও এন্ডোডন্টিক্সে কিছু কোর্স করেছি নিজের স্কিল ডেভেলপ করার জন্য। গত ১৫ বছর ধরে আমি ভারত, শ্রীলংকা, দুবাই নেপাল সহ বিভিন্ন দেশে সেমিনার ও হ্যান্ডস অন কোর্স করাচ্ছি। আমেরিকার মায়ামিতে স্পেশাল অলিম্পিকের ডেন্টিস্ট হিসাবে ছিলাম।
  • ডেন্টাল টাইমস: বাংলাদেশ কেমন লাগছে স্যার?
    ডাঃ সন্তোষ: আসলে আমি প্রথমবারের মতন বাংলাদেশে এসেছি। যদিও ট্রাফিক জ্যাম অনেক কিন্তু একটা গ্রোয়িং মেট্রোপলিটন সিটির জন্য এটা স্বাভাবিক। এছাড়া বাংলাদেশ খুব ই অতিথিপরায়ণ দেশ
  • ডেন্টাল টাইমস: উপমহাদেশের ডেন্টিস্ট্রি নিয়ে আমাদের যদি বলতেন।
    ডাঃ সন্তোষ: আমি পাকিস্তান ছাড়া মোটামুটি সব দেশেই গিয়েছি। ভারতের কাশ্মীর ছাড়া সব জায়গায় সেমিনার ও করেছি। সব জায়গায় ডেন্টিস্ট্রির প্রেক্ষাপট এক না। আমার কাছে শ্রীলংকার ডেন্টিস্টদের সবচেয়ে বেস্ট মনে হয়েছে। বিশেষ করে কলম্বোর ডেন্টিস্টরা তাদের কাজ, স্কিলের দিক থেক অনেক বেশি এগিয়ে। কিছু জায়গায় মানুষ কাজ খুবই আগ্রহী। সকাল ১১ টায় সেমিনার শেষ হবার কথা তা রাত পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। আবার কোথাও ডেন্টিস্টরা তাদের স্কিল ডেভেলপ নিয়ে মোটেও আগ্রহী না। তাদের যা আছে তাতেই সন্তুষ্ট।
  • ডেন্টাল টাইমস: সেমিনারে এসে বাংলাদেশীদের আগ্রহ কেমন মনে হচ্ছে?
    ডাঃ সন্তোষ: আমি কিছুটা হতাশ। ৯ টা থেকে সেমিনার শুরু হবার কথা থাকলেও তারা আসতে আসতে সাড়ে ১০ টা থেকে ১১ টা বাজেছে। নিজেদের মধ্যে গল্প করছে সেল্ফি তুলছে। তিতা হলেও সত্য মনে হচ্ছে রিফ্রেশমেন্টের জন্য এসেছে। এরকম আচরণ থাকলে পেশাগত জীবনে উন্নতি করা কষ্টকর। আবার অনেকে মনোযোগ দিয়ে লেকচারও শুনেছে।

  • ডেন্টাল টাইমস: তাহলে কি স্যার আমাদের উন্নতির মুখ্য অন্তরায় আমাদের আচরণগত সমস্যা?
    ডাঃ সন্তোষ: না তা বলব না। তবে এরকম অভ্যাস থাকল কিন্তু প্রাকটিস ভালো হবে না। প্রাক্টিস ভালো না হলে আয় কমবে। আমরা কোন কর্পোরেট জব করি না। আমাদের আয় অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের আচরণের উপর।
  • ডেন্টাল টাইমস: আমরা জানি এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি নিয়ে আপনার অনেক বিখ্যাত লেকচার আছে। আমাদের যদি সহজ ভাষায় এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রি নিয়ে বুঝিয়ে বলতেন।
    ডাঃ সন্তোষ: এস্থেটিক ডেন্টিস্ট্রির মূলত ২ টা অংশ। প্রিভেন্টিভ ও রেস্টোরেটিভ। যখন প্রিভেন্টিভে সম্ভব হবে না তখন যাবো আমরা রেস্টোরেটিভে। আমাদের প্রধান কাজ স্মাইল ডিজাইন। এখনকার রোগীরা তাদের হাসি নিয়ে অনেক বেশি সচেতন। এমনকি পেছনের দাত ফিলিং দেয়ার জন্য তারা টুথ কালার ম্যাটেরিয়াল পছন্দ করেন। আমার জন্য যেটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। ইনসিসর টুথের অর্ধেক কম্পোজিট দিয়ে বিল্ডাপ করার পর যদি দেখা যায় সেটা দাতের কালারের সাথে ম্যাচ করছে না সেটা রোগীরা ভালো চোখে নেয় না। আমি যদি বিস্তারিত বলতে চাই একটি তবে একটি সেমিনারে বলা সম্ভব না। ম্যাটেরিয়াল সাইন্স নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন।
  • ডেন্টাল টাইমস: উপমহাদেশে ডেন্টিস্ট্রি উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় আপনি কি বলে মনে করেন। কারিকুলাম, ডেন্টিস্টদের স্কিল কিংবা রোগীদের আচরণ।
    ডাঃ সন্তোষ: রোগীরা সবসময় বেস্ট ট্রিটমেন্ট টাই চায়। ম্যানেজ করতে পারলে রোগীদের দিয়ে খরচ করানো সম্ভব। আর রোগী ব্যয়ভার বহন না করতে পারলে সাধ্যের মধ্যে যতটুকু করানো যায়। আমি বরং কারিকুলামকে দোষ দিব। কারিকুলামে আমাদের প্রাকটিসে প্যাশেন্ট ম্যানেজ করানোর চাইতে তাত্ত্বিক জ্ঞানের প্রতি বেশি জোর দেয়া হয় যা অনেক সময় কোন কাজেই আসে না।
  • ডেন্টাল টাইমস: রোগীদের কমন অভিযোগ ডেন্টাল ট্রিটমেন্ট অনেক বেশি ব্যয়বহুল। এজন্য ডেন্টাল ট্রিটমেন্ট তৃণমূলে পৌছানো সম্ভব হচ্ছে না। আপনি কি এটার সাথে একমত?
    ডাঃ সন্তোষ: ডেন্টিস্ট্রি কোন ইলেক্ট্রনিকস গ্যাজেট না যে সময়ের সাথে সাথে খরচ কমবে। কোয়ালিটি ট্রিটমেন্ট চাইলে কোয়ালিটি টাকা লাগবে। নতুন নতুন প্রযুক্তি আসছে। আমাদের চিন্তা ট্রিটমেন্টের মান উন্নত করা। খরচ সেখানে মুখ্য না। ডেন্টিস্ট্রি একটা আর্ট। ভালো আর্ট কেও নিতে চাইলে অবশ্যই ভালো দাম দিতে হবে না।
  • ডেন্টাল টাইমস: কিন্তু ৩য় বিশ্বের জনগন কি এই খরচ বহন করতে পারছে?
    ডাঃ সন্তোষ: এ জন্য প্রয়োজন প্রিভেন্টিভ ডেন্টিস্ট্রির দিকে আগানো। মানুষ যদি ওরাল হাইজিন নিয়ে সচেতন হয় তাহলে ডেন্টাল রোগ কম হবে। এজন্য প্র‍য়োজন সচেতনতা। যেটা সরকারের দায়িত্ব। ভারতের সরকারি হাসপাতালে পোস্টার আছে পেরিওডন্টাল ডিজিজ অকাল গর্ভপাতের অন্যতম কারণ। এরকম যদি সচেতনতা মূলক কার্যক্রম যদি চলে অবশ্যই ভালো ফলাফল আসবে।
  • ডেন্টাল টাইমস: আমরা কিভাবে ডেন্টাল মডার্ন টেকনিকগুলো নব্য ডেন্টিস্টদের কাছে পৌছে দিতে পারি বিশেষ করে যারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন?
    ডাঃ সন্তোষ: আসলে এক্ষেত্রে ডেন্টাল সার্জনদের শেখার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। মেঘালয়ে মাত্র ১৫-২০ জন ডেন্টিস্ট আছেন। যাদের অনেকেই অনেক দুর্গম অঞ্চলে থাকেন। তবু যে কোন সেমিনার হলে তারা সবাই আসেন। নতুন নতুন টেকনিক নিয়ে আলোচনা করেন। নিয়মিত সায়েন্টিফিক সেমিনার এবং নিজের মধ্যে নলেজ শেয়ার ভালো কাজে দিতে পারে।
  • ডেন্টাল টাইমস: অনেক ডেন্টিস্ট পোস্ট গ্রাজুয়েশনে চান্স নিয়ে হতাশ। সিট অনেক কম। ভালো ডেন্টিস্ট হতে কি পোস্ট গ্রাজুয়েশন জরুরী?
    ডাঃ সন্তোষ: একদমই না। ভালো প্রাকটিশনার হতে পোস্ট গ্রাজুয়েশন প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে বেশি দরকার ভালো ডেন্টিস্ট হবার ইচ্ছা। পোস্ট গ্রাজুয়েশন জেনারেলের বদলে স্পেসিফিক কিছু বিষয়ে স্কিল বাড়াচ্ছে। আমাদের উপমহাদেশে প্রয়োজন ভালো জেনারেল প্রাক্টিশনার। এজন্য প্রয়োজন নতুন নতুন টেকনিকগুলো আত্মস্থ করা। সায়েন্টিফিক সেমিনার হ্যান্ডস অন আছে।ইউটিউব আছে। নিজের ইচ্ছা থাকলে দেশি বিদেশি জার্নালগুলো অনেক সাহায্য করে। ভারতের বেশিরভাগ বিখ্যাত ডেন্টিস্ট ও জেনারেল প্রাক্টিশনার নয়।
  • ডেন্টাল টাইমস: আমরা জানি স্যার আপনি স্পেশাল অলিম্পকের ডেন্টাল সার্জন হিসাবে ছিলেন। স্পেশাল অলিম্পিকের অভিজ্ঞতা যদি আমাদের বলতেন।
    ডাঃ সন্তোষ: এটা মূলত ফিজিক্যাল ও মেন্টাল হ্যান্ডিক্যাপড, অটিস্টিক দের নিয়ে আয়োজিত অলিম্পিক।কেনেডি পরিবার এর উদ্যোক্তা। মূলত বেশিরভাগ অটিস্টিকদেরই ডেন্টাল প্রবলেম থাকে। এই জন্যই অলিম্পিকে ডাক। অলিম্পিক থেকে আমাকে একটা স্পেশাল রিবন দেয়া হয়েছে যেটা দিয়ে আমি বিনা ইমিগ্রিশনে আমি আমেরিকার যে কোন এয়ারপোর্ট পার হয়ে যেতে পারি।
  • ডেন্টাল টাইমস: আমেরিকা ও উপমহাদেশের ডেন্টাল সার্জনদের মধ্যে কি কি স্কিলগত পার্থক্য দেখেন?
    ডাঃ সন্তোষ: আমেরিকানরা প্রটোকল অনুসরণ করে। সাধারন দাঁত তুলতেও সেখানে একজন এনস্থেশিওলজিস্ট, ওটি লাগে। সেখানে সবাই স্পেসিফিক কাজ করে। সে তুলনায় আমাদের ডেন্টিস্টরা অনেক স্কিলফুল। তারা যে কোন প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে পারে আমাদের ডেন্টিস্টরা অনেক বেশি মেধাবী ও পড়ুয়া। তারা বাইরে গেলে খুবই ভালো করবে। আমরা শুধুমাত্র প্রযুক্তি ও নিয়মানুবর্তীতার অভ্যাসে পিছিয়ে আছি।
  • ডেন্টাল টাইমস: ডেন্টাল সার্জন ও স্টুডেন্টদের উদ্দেশ্যে যদি আপনার কোন ম্যাসেজ থাকে?
    ডাঃ সন্তোষ: আমি বলব নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে। ডেন্টিস্ট্রিতে সেল্ফ কনফিডেন্স অনেক বড় একটা বিষয়। সব সময় মর্ডান টেকনোলজির সাথে আপ টু ডেট থাকতে হবে। টাকার জন্য কাজের কোয়ালিটির সাথে কখনোই আপোষ করা যাবে না। কোয়ালিটি কাজ জানলে ডেন্টিস্ট্রিতে তার উন্নতি কেউ ঠেকাতে পারবে না।
  • ডেন্টাল টাইমস: অনেক ধন্যবাদ স্যার আমাদের এত ব্যস্ততার মাঝে কষ্ট করে সময় দেয়ার জন্য।
    ডাঃ সন্তোষ: তোমাদেরও ধন্যবাদ। তোমাদের উদ্যোগটা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশে আসলে আবার দেখা হবে।

Continue Reading

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়