Connect with us

জাতীয়

উত্তরাধিকার বলে মামার পর ‘ভাগ্নে’ও এখন চিকিৎসক !

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

পাস করে নয়, আবার ট্রেনিং নিয়েও নয়। চট্টগ্রাম নগরীজুড়ে অন্তত শতাধিক ‘দাঁতের ডাক্তার’ আছেন, যারা ‘ডাক্তার’ সেজে বসেছেন উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ‘দেখে দেখে’। মুদি দোকানের কর্মচারী কিংবা ক্লিনিকের পিয়ন যেমন দেখে দেখে ‘ডাক্তার’ বনে গেছেন, তেমনি ‘ডাক্তার’ দাদার চেয়ারে এখন নাতনিই ডাক্তার সেজে বসছেন, বাবার পর ছেলে নিয়েছেন ‘ডাক্তারির’ গুরুদায়িত্ব। পারিবারিক এই অদ্ভূত চিকিৎসা-ব্যবসায় মামার চেম্বারে ভাগ্নে, চাচার ক্লিনিকে ভাতিজাই রীতিমতো ডাক্তার বনে ‘দাঁতের চিকিৎসা’ দিয়ে চলেছেন।

এদের বেশিরভাগই পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে এখন ‘দন্ত চিকিৎসক’— সাধারণভাবে ‘ডেন্টিস্ট’ হিসেবেই পরিচিতি তাদের। একই পরিবার থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে আসা এসব ‘ডেন্টিস্ট’ চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে করে যাচ্ছেন দন্তচিকিৎসার রমরমা ব্যবসা। চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘি, পতেঙ্গা, ইপিজেড, আগ্রাবাদ, চকবাজার, মুরাদপুর, জামালখানসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এরকম বহু কথিত ডেন্টিস্টের খোঁজ মিলেছে— চিকিৎসার নামে যারা দাঁতের রোগীদের পকেট কাটছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এদের বেশিরভাগেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা বড়জোর এসএসসি। কয়েকজন আছেন এইচএসসি পাশ। অনেকে আবার স্কুলের গণ্ডিও পেরোতে পারেননি। কিন্তু তারাই ‘দাঁতের ডাক্তার’ সেজে নগরীতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

এদের অপচিকিৎসার শিকার হয়ে দাঁতের চিকিৎসা করাতে এসে সহজ-সরল অনেক মানুষ ট্রান্সমিশন ডিজিসের শিকার হয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন হেপাটাইসিস বি ও সি-তে।

দাদার চেম্বারে নাতনিই ‘ডেন্টিস্ট’

নগরীর লালদিঘি জেবি টাওয়ারের সরু গলির মধ্যে দোকান সাজিয়ে বসেছে ‘সুমন ডেন্টাল ক্লিনিক’। ছোট দুটি ঘরের একটিতে রোগী বসার জায়গা। অন্যটিতে রোগী দেখেন সুপ্রিয়া দেবী। তিনি সুমন ডেন্টাল ক্লিনিক মালিক সুমনের নাতনি। এইচএসসি পাস করার পর ফিরিঙ্গিবাজারের ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজির অধীনে ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স শেষে তিনি এখন দাঁতের চিকিৎসা দিচ্ছেন। সুপ্রিয়া দেবীর সহকারী টিনা চৌধুরী। নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা তার। দাঁত বাঁধানো, ক্যাপ, ব্রিজ, ক্যাপল, স্ক্যানিং, ফিলিংসহ আকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসা করা হয় সুমন ডেন্টাল ক্লিনিকে— জানান সুপ্রিয়া দেবী।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় ওই ‘ডেন্টাল ক্লিনিকে’ গিয়ে দেখা গেল, আজাদ নামে একজন এসেছেন দাঁতের রুট ক্যানেল করাতে। সুপ্রিয়া দেবী জানান, রুট ক্যানেলে খরচ পড়ে প্রথমে ৩ হাজার টাকা। এটি করতে রোগীকে ৪ থেকে ৫ বার আসতে হয়। প্রথমে দাঁত ওপেন বা খোলা, তিনদিন পর ড্রেসিং, দ্বিতীয় বার এক্সরে করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে রোগীদের ড্রেসিং, ক্যালসিয়াম ড্রেসিং, অ্যান্টিবায়েটিক ড্রেসিং দেওয়া হয়। তারপর রোগীর দাঁতে পরানো হয় ক্যাপ।

মুদি দোকানের চাকরি ছেড়ে ‘ডেন্টাল ক্লিনিক’

লালদিঘিতেই শুধু নয়, নগরীর অন্য জায়গাতেও আছে এমন দন্তচিকিৎসকের উপদ্রব। নগরীর আগ্রাবাদের চৌমুহনী ‘শেফা ডেন্টাল কেয়ারে’ দাঁতের চিকিৎসা দেন কামাল হোসেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী। তিনি আগে কর্ণফুলী মার্কেটে মুদি দোকানে সাড়ে চার হাজার টাকার বেতনে চাকরি করতেন তিনি। ওই মুদি দোকানের মালিকের মেয়ে জামাইয়ের ডেন্টাল ক্লিনিক ছিল লালদিঘিতে। ১৫-১৬ বছর আগে পরিচয়ের সেই সূত্র ধরে ওই ক্লিনিকে তার আসা-যাওয়া। সেখানে কিছুদিন হাতেকলমে শিখে তিনি চৌমুহনীতে ‘শেফা ডেন্টাল কেয়ার’ নামের ক্লিনিক খুলে বসেন। এখন তিনি দাঁত তোলা, বাধাই ও স্কেলিং ও ফিলিংয়ের কাজ করে থাকেন। তার ভিজিট প্রথমবার ৩০০ টাকা এবং পরে আসলে ২০০ টাকা।

নগরীর আসকারাবাদ পার হয়ে ঈদগাঁও কাঁচা রাস্তার মোড়ে ১০ বছর ধরে দাঁতের ডাক্তারি করছেন সুজা ইসলাম। তিনিও হাইস্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। ঢাকায় এক ডেন্টাল কেয়ারে একসময় চা-পানি আনার কাজ করতেন। সেখানে থাকতে থাকতেই তার দাঁতের ডাক্তার হওয়া— জানান সুজা ইসলাম। ছোট্ট একটা ঘরে বসে রোগী দেখেন তিনি। রোগীদের দাঁত তোলা ও বাঁধাইয়ের কাজ করেন। পাশেই একটি মুদি দোকান। সেটি তার ছোট ছেলে রায়হানের।

মামার পর ভাগ্নেও এখন ‘ডাক্তার’

লালদিঘি পাড়ের সুমন ডেন্টাল ক্লিনিকের পাশেই প্রাইম ডেন্টাল ক্লিনিক। এখানে ৭ থেকে ৮ বছর ধরে রোগী দেখেন রমেন বড়ুয়া। তিনি টেকনিশিয়ান। আগে এখানে ‘চিকিৎসা’ দিতেন দিলীপ চৌধুরী। দিলীপ সম্পর্কে রমেনের মামা। মামার পর এখন উত্তরাধিকারসূত্রে ভাগ্নে অবতীর্ণ হয়েছেন ডাক্তারের ভূমিকায়। রমেন বড়ুয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস। তবে রমেন দাবি করেছেন, দাঁত বাঁধাই, রুট ক্যানেল, স্কিলিং, ফিলিংসহ দাঁতের যাবতীয় চিকিৎসার কাজই তিনি জানেন। তবে প্রাইম ডেন্টাল ক্লিনিকে দাঁতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় কোনো যন্ত্রপাতিই দেখা যায়নি।

অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে ‘ডেন্টিস্ট’ দিলীপের আধঘন্টার অপেক্ষা

লালদিঘির এই একই মার্কেটে পাওয়া গেল দন্তচিকিৎসার আরও একটি দোকান— দন্তসেবা প্লাস ক্লিনিক। ঢাকা থেকে ডিপ্লোমা করেছেন দাবি করে এর মালিক দিলীপ বড়ুয়া জানান, এখানে বয়স্ক ব্যক্তিদের দাঁত তুলে দাত বাঁধানোর কাজ করা হয়। চিকিৎসা পদ্ধতি বলতে গিয়ে তিনি জানান, প্রথমে বৃদ্ধ রোগী আসলে তার রোগ সম্পর্কে জানেন। তারপর নিজেই অ্যানেসথেসিয়া (সার্জারির সময় অজ্ঞান করা) দিয়ে রোগীকে অজ্ঞান করেন। আধঘন্টা অপেক্ষা করার পর রোগীর শরীর অবশ হয়ে গেলে তিনি তখন বৃদ্ধ রোগীর দাঁত তুলে ফেলেন। তবে যেসব বয়স্ক ব্যক্তি মদ্যপান করেন, আনেসথেসিয়া দেওয়ার পরও তারা অজ্ঞান হন না বলে জানান ‘ডেন্টিস্ট’ দিলীপ। এমন রোগীদের তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। তবে অন্য রোগীদের জ্ঞান ফেরে ঘন্টাখানেক পর— এমন তথ্য জানিয়ে দিলীপ জানান, রোগীর জ্ঞান ফেরার পর রোগীর হাতে প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দেন তিনি। ৭ থেকে ১০ দিনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখে দেন প্রেসক্রিপশনে। দুই মাস পর আবার রোগীকে আসতে বলেন। পরে রোগী আসলে তারপর রোগীর দাঁত বানিয়ে লাগিয়ে দেন মাড়িতে। পুরো এই চিকিৎসা প্রক্রিয়া চালিয়ে নিতে রোগীর কাছ থেকে বড় একটা অংকের অর্থ নেন বলে জানান দিলীপ বড়ুয়া। সাধারণত ১৫ থেকে ১৭ হাজারের মধ্যে দাঁতের এই চিকিৎসা হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।

লালদিঘিতেই কেবল জনাত্রিশেক ‘দন্ত চিকিৎসক’

জানা গেছে, লালদিঘির পাড়ে ২৮ থেকে ৩০ জন টেকনিশিয়ান রয়েছেন যারা নিয়মিত দাঁতের রোগী দেখে থাকেন। তারা যে ছোট ঘরটাতে রোগী দেখেন তাকে ‘ক্লিনিক’ বলে চালালেও দাঁতের চিকিৎসায় যেসব যন্ত্রপাতি দরকার তার ন্যূনতম কিছুই নেই।

সরেজমিন ঘুরে এসব চেম্বারে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অধিকাংশ টেকনিশিয়ান নিজেদের ‘ডেন্টিস্ট’ পরিচয় দিলেও কাজের কাজ তারা কিছুই বোঝেন না। রোগীকে রুট ক্যানেল না করিয়ে দাঁতের ক্যাপও লাগিয়ে দেন বলে অভিযোগ রোগীদের।

‘চীনা ডাক্তারের পুরাতন লোক’

লালদিঘির পশ্চিম পাড়ের স্মৃতি ডেন্টাল কেয়ারে রোগী দেখেন নুর হোসেন। তার ভিজিটিং কার্ডে লেখা তিনি সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। কার্ডে আরও লেখা নূর হোসেন মো. মানিক ‘চীনা ডাক্তারের পুরাতন লোক’।

আমানত ডেন্টাল কেয়ারে রোগী দেখেন মো. ইমরান। তার নেমপ্লেটে লেখা আছে ‘চাইনিজ ডাক্তার টেকনিশিয়ান’। এর কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে ইমরান জানান, তার বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ লালদিঘি মোড়ে চাইনিজ ডেন্টাল ক্লিনিকের টেকনিশিয়ান ছিলেন। তার বাবা মারা গেছেন ১০ থেকে ১২ বছর হবে। এসএসসিতে ফেল করার পর তিনি বাবার চেম্বারে বসতে শুরু করেন। দাঁত বাঁধাইয়ের কাজ করেন তিনি। যেসব রোগীর দাঁত পড়ে যায়, তাদেরকে তিনি ফলস (নকল) দাঁত লাগিয়ে দেন। প্রথমে দাঁতের আকৃতি নিয়ে ডাইস বানিয়ে রাসায়নিক পাউডার মিশিয়ে ফলস দাঁতগুলো গরম পানিতে সেদ্ধ করেন। এরপর দাঁত লাগিয়ে দেন রোগীকে।

‘এমবিভিডিএডিডি’ ডিগ্রি মানে ‘মেম্বার অব ভিলেজ ডক্টর’

লালদিঘির পশ্চিম পাড়ে নবগ্রহ বাড়ি মন্দিরের পাশে পূবালী ডেন্টাল ক্লিনিকে রোগী দেখেন জিকে বড়ুয়া। তার ভিজিটিং কার্ডে লেখা আছে ‘এমবিভিডিএডিডি’। জিকে বড়ুয়ার কাছ থেকে এর পূর্ণ রূপ হিসেবে জানা গেছে— ‘মেম্বার অব ভিলেজ ডক্টর’।

এই দোকানের ঠিক পাশেই পূরবী ডেন্টাল কেয়ারে রোগী দেখেন ডেন্টিস্ট প্রকৃত রঞ্জন বড়ুয়া। তিনি বলেন, এই চেম্বারটি আগে ছিল তার জেঠা বা বাবার বড় ভাইয়ের। জেঠার সহকারী হিসেবে তিনি কাজ করতে গিয়ে দাঁতের চিকিৎসা শিখে ফেলেছেন। তার ফি ৩০০ টাকা। তিনি দাঁত বাঁধাই, স্কেলিং ও ফিলিংয়ের কাজ করেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা তার এসএসসি।

দূরত্ব ১০০ গজ, তবু নেই অ্যাকশন

সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে লালদিঘির দূরত্ব প্রায় ১০০ গজ। তবু কেন কথিত ডেন্টিস্টদের বিরুদ্ধে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না— সে বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি জানান, ‘এর আগে কথিত ডেন্টিষ্টদের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে অ্যাকশনে যাওয়া হয়েছিল। মোটা অংকের টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল। কিন্তু করোনার সময়ে বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে বিষয়টি নিয়ে কিছু করা হয়নি।’ তবে এদের বিরুদ্ধে আবারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি।

ট্রান্সমিশন ডিজিসের শিকার হচ্ছে অনেকেই

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ডা. সরওয়ার কামাল মুঠোফোনে চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘ডাক্তার বলে দাবি করলেও এসব কথিত দাঁতের ডাক্তার যথাযথ চিকিৎসা জানে না। যেমন একজন রোগীর দাঁতে রুট ক্যানেল করা যাবে না। কিন্তু তারা সেটাই করে। অনেক ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল না করেও প্রাথমিক পর্যায়ে ফিলিং করে দিলে হয়। কিন্তু তারা রুট ক্যানেল করায় কিছুদিন পর রোগীর ক্ষত স্থানে ইনফেকশন তৈরি হয়। পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে রোগীর মাড়িকে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

তিনি বলেন, ‘লালদিঘী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, আগ্রাবাদ, চকবাজার, মুরাদপুরসহ নগরীর যেখানে-সেখানে গড়ে উঠা এসব কথিত দাঁতের ডাক্তারের চেম্বারে এমনকি স্টেরিলাইজেশন কিংবা অটোক্ল্যাপ মেশিনও নেই। ফলে রোগীরা দাঁতের চিকিৎসা করাতে এসে ট্রান্সমিশন ডিজিসের শিকার হয়ে হেপাটাইসিস বি ও সি-তে আক্রান্ত হন।’

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলে (বিএমডিসি) নিবন্ধিত চট্টগ্রামের চিকিৎসক ডা. খোরশেদুল ইসলাম চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘যারা বিএমডিসি কর্তক নিবন্ধিত চিকিৎসক, তারাই ডেন্টিস্ট। অলিগলির এসব কথিত ডেন্টিস্টের কোনো লাইসেন্সও নেই। কথিত এই ডাক্তারদের কাছে গিয়ে রুট ক্যানেলের পর ইনফেকশন হয়, মাড়ি ফুলে যায়। অনেক সময় ক্ষত স্থান থেকে রোগীর দাঁতে ক্যান্সারেরও সৃষ্টি হয়।’

ডেন্টিস্ট্রি পড়ানো হয় শুধু ৩৫ টি ডেন্টাল কলেজ/মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় – ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর চিকিৎসা অনুষদে ডেন্টিস্ট্রি অধিভুক্ত আছে। যার অধীনে বাংলাদেশের ৯টি সরকারি ও ২৬টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ/ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারী (বিডিএস) পড়ানো হয়। বিডিএস ডিগ্রী অর্জনের পর প্র্যাকটিস করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে সনদ নিতে হয়। এর জন্য সফলভাবে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হয়।

চট্টগ্রাম প্রতিদিন থেকে পরিমার্জিত

Advertisement
Click to comment

জাতীয়

দেশে করোনায় প্রাণহানি আবারও বেড়েছে

Avatar

Published

on

Dental Times

দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫৬ জন। এ নিয়ে দেশে মোট প্রাণহানি হলো ১১ হাজার ৯৩৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৮.১৯ শতাংশ। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯১৫টি।

রোববার (৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৩৮৬ জনের শরীরে। হিসেব অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৩২৯ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলো ৭ লাখ ১০ হাজার ১৬২ জন।

উল্লেখ্য, দেশে করোনার প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল, সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল

চট্টগ্রামে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকাদান কেন্দ্রগুলোয় আজ রোববার সকাল থেকে মানুষ ভিড় করেছেন। কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ায় নগরের মেমন জেনারেল হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করেন টিকা নিতে আসা মানুষ। অবশ্য কিছুক্ষণ পরে পুলিশ এসে তাঁদের সড়ক থেকে তুলে দেয়।

একইভাবে নগরের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রেও সকাল থেকে নারী-পুরুষ টিকার জন্য ভিড় করেন। টিকার স্বল্পতার কারণে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়। তারপরও মানুষ টিকার জন্য বাইরে ভিড় করছিলেন।

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল

জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘টিকার সংকট রয়েছে। আজ দেওয়ার জন্য আমরা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ১০০ ভায়াল এনেছি। তাতে এক হাজার মানুষকে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু যাঁদের মোবাইলে কোনো এসএমএস যায়নি, তাঁরাও টিকা নিতে ভিড় করেছেন। এখন আমি তো তাঁদের দিতে পারব না।’

জানা গেছে, এখন টিকার ঘাটতি থাকায় মুঠোফোনে এসএমএস ছাড়া দ্বিতীয় ডোজ না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। তারপরও নগরের বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে সকাল থেকে এসএমএস না আসা মানুষও ভিড় করতে থাকেন। সিটি করপোরেশন মেমন জেনারেল হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রে সকাল থেকে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে হাতাহাতিও হয় কয়েক দফা। এ ছাড়া বেলা ১১টার দিকে টিকাকেন্দ্রে ঢুকতে না দিলে ১৫ মিনিটের জন্য সড়ক অবরোধ করেন টিকা নিতে আসা মানুষ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, ‘টিকার সংকট আছে। এখন রেশনিং করে দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের এসএমএস যায়নি, তাঁদের টিকা দেওয়া সম্ভব নয়। এ নিয়ে কিছু মানুষ হট্টগোল শুরু করেছে। তাই আমাদের পুলিশ ডাকতে হয়েছে।’

Continue Reading

জাতীয়

কোটি কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পথে!

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

দেশের অনেক সরকারি হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসার জন্য ডেডিকেটেড করা হয়েছে। রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে হাসপাতালও। করোনার কারণে এসব হাসপাতালে সাধারণ রোগীর আনাগোনা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এ অবস্থায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে মজুদ থাকা ওষুধ পড়ে  আছে অব্যবহৃত অবস্থায়। যার কারণে কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, দেশের সকরারি হাসপাতালগুলোতে ৪৭ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এর মধ্যে করোনা ডেডিকেটেড ৮৬টি হাসপাতালের মধ্যে কিছু হাসপাতালে কোভিড রোগীর পাশাপাশি নন-কোভিডের চিকিৎসাও চলে। মহামারির আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, ‍কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে সারাদেশ থেকে সব ধরনের রোগীরাই আসতেন। অভিযোগ থাকলেও দেশের সিংহভাগ মানুষের ভরসা এখন এই সরকারি হাসপাতালগুলোই। কিন্তু করোনার সময় এগুলোয় নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসা সংকুচিত হয়েছে। মানুষ খুব বিপদে না পড়লে এসব হাসপাতালে আসছে না। 

রাজধানীর একটি করোনা ডেডিকেডেট হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চিকিৎসক বলেন, ‘প্রতিটি বিভাগের ওষুধ পড়ে আছে। এ বছর কেবল একটি বিভাগেরই প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই হিসাবে অন্যসব হাসপাতাল মিলিয়ে কত কোটি কোটি টাকার ওষুধ যে মেয়াদোত্তীর্ণ হবে তা আঁচ করা যাচ্ছে না।’  ‘এই হাসপাতালে ডায়ালাইসিসের জন্য যে পরিমাণ জিনিস কেনা হয়েছিল, সেগুলোর ব্যবহার হচ্ছে না। প্যাথলজি বিভাগের জন্য ‍যে পরিমাণ রি-অ্যাজেন্ট কেনা হয়েছিল সেগুলো নষ্ট হওয়ার পথে।’ জানালেন ওই ডাক্তার।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালের বিশেষায়িত বিভাগগুলোর সে সেবা সাধারণ মানুষের জন্য করোনার আগে দেওয়া হতো, সেটা এখন শূন্যর কোঠায়। হৃদরোগ বিভাগ, ক্যান্সার বিভাগ, নেফ্রোলজি বিভাগসহ বিশেষায়িত বিভাগগুলোতে রোগী সংকটের কারণে ওষুধ ও প্যাথলোজির রি-অ্যাজেন্ট অব্যবহৃত থেকে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

প্রসঙ্গত, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কোনও সরকারি হাসপাতালে যদি কোনও ওষুধ অব্যবহৃত অবস্থায় থাকে তখন আরেক সরকারি হাসপাতালে সেটা হস্তান্তর করা যায়।

রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের একটি সূত্র জানায়, যখন আরেকটি হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগ থেকে তাদের অব্যবহৃত ওষুধ দিতে চাইলো তখন ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে বলা হয়েছিল, তাদের নিজেদের ওষুধই পড়ে আছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, লকডাউনসহ বিভিন্ন কারণে ঢাকায় অন্য রোগী আসছে খুব কম। এই সমস্যা দেশের সব সরকারি হাসপাতালেই। বিশেষ করে যেগুলো করোনা ডেডিকেটেড ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর অন্যতম করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। এই হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, ‘মহামারির আগে এ  হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতেন। ভর্তি থাকতেন ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী। এসব রোগীদের জন্য ওষুধ কেনা থাকতো। অন্যদিকে করোনার চিকিৎসায় কিছু নির্দিষ্ট্ ওষুধই লাগে, খুব বেশি নয়। এ কারনে এসব হাসপাতালগুলোতে সাধারণ ওষুধ পড়ে আছে।’

করোনা ডেডিকেটেড আরেকটি বড় হাসপাতাল মুগদা জেনারেল হাসপাতাল। এই হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বলেন, ‘হাসপাতালের সব ওষুধ করোনা রোগীদের দরকার হয় না। সেগুলো পড়ে আছে। অন্য হাসপাতালগুলোর সঙ্গে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ বিনিময় করছি।’

তিনি আরও জানালেন, ‘মেয়াদ ঘনিয়ে আসছে, এমন ওষুধ যে হাসপাতালগুলোতে দরকার হচ্ছে তাদের পাঠিয়ে দিচ্ছি। কুর্মিটোলা, কুয়েত মৈত্রী, ডিএমসি, সোহরাওয়ার্দী ও সলিমুল্লাতেও ওষুধ পাঠানো হয়েছে।’

‘ওষুধ শেষ করে ফেললে জবাবদিহি করতে হয় না। কিন্তু কোনও ওষুধের যদি ডেট ওভার হয়ে যায় এবং বেশিরভাগই বাকি রয়ে যায়, তখন জবাবদিহি করতে হয়।’ বলেন তিনি।

এ অবস্থায় গতবছরের মে’তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ডা. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়। সরকারি হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ওষুধের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ শীর্ষক ওই চিঠিতে বলা হয়, কোভিডকালীন পরিস্থিতিতে হাসপাতালে নন-কোভিড রোগীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় হাসপাতালে মজুদ থাকা ওষুধ অব্যবহৃত থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা প্রদানের নিমিত্তে দেশের সকল হাসপাতালে অব্যবহৃত ওষুধ বিধি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে।’

এ নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভাগীয় এবং সিভিল সার্জনদের ওষুধ সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে করোনায় ৯০ শতাংশ দেশে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় অর্ধেক দেশে করোনার কারণে সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিভিন্ন অসুখের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে। ২০ শতাংশ দেশ বলেছে, জীবন রক্ষাকারী জরুরি সেবা, জটিল ও সার্জিক্যাল কেয়ারের সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৪৩ শতাংশ দেশে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হওয়ার পেছনে বড় কারণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাও দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া টিবি, এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি ও সি, ক্যানসার স্ক্রিনিং, ডায়াবেটিস, পরিবার পরিকল্পনা, দন্তচিকিৎসা ও অপুষ্টির মতো রোগের চিকিৎসাও ব্যাহত হচ্ছে।

কতো ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হতে পারে, সে হিসাব আছে কীনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনও হিসাব নেই। তবে চিঠি পেয়েছি মন্ত্রণালয় থেকে। সে চিঠি সব জায়গায় পাঠিয়ে পুরো বিষয়টি সমন্বয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকার বড় বড় সরকারি হাসপাতালগুলোতে নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসা চলতো। করোনার চেয়ে নন-কোভিডই বেশি ছিল। এখন নন-কোভিড রোগীরা খুব সিরিয়াস না হলে হাসপাতালে আসছেন না। আউটডোর ও ইনডোর-দুই জায়গাতেই তাদের সংখ্যা কমেছে।’

Continue Reading

জাতীয়

দেশে শনাক্ত করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টঃ আইইডিসিআর

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট। আজ শনিবার (৮ মে) দুপুরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

আইইডিসিআর জানায়, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের একটি নমুনা পরীক্ষায় এ ভারতীয় ধরণ ধরা পড়েছে। যা জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটাতে (জিএসআইডি) প্রকাশিত হয়েছে।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, “দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এ ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীরা ভারত থেকে ফিরেছেন। তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিলেন এবং বর্তমানে যশোরে অবস্থান করছেন।”

এ প্রসঙ্গে আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এএসএম আলমগীর বলেন,” এভারকেয়ার হাসপাতালে একটি নমুনা পাওয়া গিয়েছে। সেটি আমি দেখেছি। আর ধরা পড়ছে বলেই এ ধরনের তথ্য তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।”

যশোরে ৪ জন রোগীর দেহে এ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Continue Reading

জাতীয়

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করেন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘ঈদ উপলক্ষে করোনাভাইরাস যাতে সারা দেশে ছড়িয়ে না পড়ে’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করেন’।

আজ বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার অবকাঠামো ও শতাধিক জলযান উদ্বোধনকালে এ অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনাকালীন আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে বেঁচে থাকলে তো দেখা হবে। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঈদ উপলক্ষে সবাই ছোটাছুটি না করি। যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদটা উদযাপন করেন।

তিনি বলেন, করোনাটা যাতে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সবার কাছে আমার অনুরোধ- স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলা, আর এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাতায়াত একেবারে অতি প্রয়োজন না হলে আপনারা করবেন না।

শেখ হাসিনা বলেন, এই যাতায়াতটা করতে গেলেই কে যে সংক্রমিত আপনি জানেন না। কিন্তু সে যখন অন্য জায়গায় যাবে অনেক লোককে করোনায় সংক্রমিত করবে এবং তাদের জীবন নিয়ে সমস্যা দেখা দেবে। সেটা যাতে না হয় সেজন্য আমরা এই যাতায়াত সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছি। একই সঙ্গে মানুষের জীবনে যেন আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডগুলো অব্যাহত থাকে, সেটাও সীমিত আকারে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে যেন করে তার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।

করোনা মহামারির এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বিত্তবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর যারা বিত্তশালী আছেন তারা দুস্থদের একটু সহযোগিতা করেন। সেটা আরও বেশি সওয়াবের কাজ হবে বলে আমি মনে করি।

শেখ হাসিনা বলেন,  যারা ক্ষতিগ্রস্ত, অতি দরিদ্র, কর্মহীন বা দিনমজুর বা এখন যারা কাজ করতে পারছেন না- রিকশা-ভ্যান, পরিবহন শ্রমিকসহ স্বল্প আয়ের মানুষ, ইতোমধ্যে ৩৬ লাখ ৫০ হাজার অসহায় মানুষের জন্য আমরা আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দিয়েছি। তাছাড়া এই রোজার মধ্যেও আমাদের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্নভাবে আমরা সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে বিআইডব্লিউটিএর ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ ‘টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই)’, বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ ‘পরিদর্শী’, নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেজ, বিআইডব্লিউটিসির দু’টি উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৫শ পাকা বাড়ি বিতরণ এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি উদ্বোধন করেন।

Continue Reading
Dental Times
জাতীয়13 hours ago

দেশে করোনায় প্রাণহানি আবারও বেড়েছে

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল
করোনা পরিস্থিতি14 hours ago

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল, সড়ক অবরোধ

Dental Times
জাতীয়15 hours ago

কোটি কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পথে!

Dental Times
জাতীয়2 days ago

দেশে শনাক্ত করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টঃ আইইডিসিআর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতীয়3 days ago

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করেন: প্রধানমন্ত্রী

Dental Times
জাতীয়3 days ago

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতীয়6 days ago

বেসরকারী মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ খসড়া আইন এর অনুমোদন

Dental Times
ছবি ও গল্প1 week ago

প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

Dental Times
জাতীয়1 week ago

ঈদের আগে গণপরিবহন চালুর কথা ভাবছে সরকার

Dental Times
জাতীয়1 week ago

ঈদ পর্যন্ত ‘লকডাউন’ পর্যালোচনায় সরকার

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 week ago

অক্সিজেনের জন্য টেন্ডুলকারের ১ কোটি রুপি

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 week ago

উন্নয়নশীল দেশে টিকার ফর্মুলা দিতে রাজি নন গেটস

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি1 week ago

করোনায় এক দিনে ৫৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৭৭

Dental Times
ঢাকা1 week ago

‘বিডিএস পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রকাশ করা হবে’

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

“ঢাকার অধিকাংশ করোনা টেস্টই তাঁর ল্যাবে”

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

এনআইএলএমআরসির পরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান আর নেই

Dental Times
আন্তর্জাতিক3 weeks ago

বাতাসের মাধ্যমে মূলত করোনা ছড়িয়ে থাকে

Dental Times
শিক্ষাঙ্গন1 month ago

পিডিসি এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের ফল

Dental Times
জাতীয়1 month ago

১৪ এপ্রিল থেকে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’

Dental Times
ঢাকা1 month ago

আগামীকাল পিডিসি এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ নির্বাচন

Dental Times
ছবি ও গল্প1 week ago

প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

Dental Times
ঢাকা1 week ago

‘বিডিএস পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রকাশ করা হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতীয়6 days ago

বেসরকারী মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ খসড়া আইন এর অনুমোদন

Dental Times
জাতীয়2 days ago

দেশে শনাক্ত করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টঃ আইইডিসিআর

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি1 week ago

করোনায় এক দিনে ৫৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৭৭

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 week ago

উন্নয়নশীল দেশে টিকার ফর্মুলা দিতে রাজি নন গেটস

Dental Times
জাতীয়1 week ago

ঈদের আগে গণপরিবহন চালুর কথা ভাবছে সরকার

Dental Times
জাতীয়3 days ago

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতীয়3 days ago

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করেন: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল
করোনা পরিস্থিতি14 hours ago

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল, সড়ক অবরোধ

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 week ago

অক্সিজেনের জন্য টেন্ডুলকারের ১ কোটি রুপি

Dental Times
জাতীয়15 hours ago

কোটি কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পথে!

Dental Times
জাতীয়13 hours ago

দেশে করোনায় প্রাণহানি আবারও বেড়েছে

Dental Times
জাতীয়1 week ago

ঈদ পর্যন্ত ‘লকডাউন’ পর্যালোচনায় সরকার

Advertisement

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks