Connect with us

আন্তর্জাতিক

উন্নয়নশীল দেশে টিকার ফর্মুলা দিতে রাজি নন গেটস

Published

on

Dental Times

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে টিকার ফর্মুলা দিতে রাজি নন বিল গেটস। টিকা তৈরির জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ফর্মুলা দিতে মেধাস্বত্ব সম্পত্তি আইন পরিবর্তনের বিষয়টিও খুব বেশি কাজে আসবে না বলে মনে করেন মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা। যুক্তরাজ্যের দ্য ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিল গেটসের এ মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় বইছে।

স্কাই নিউজকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে বিল গেটসকে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে টিকা দিয়ে মেধাস্বত্ব আইন পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এর ব্যাখ্যায় বিল গেটস বলেন, ‘বিশ্বে অনেক টিকা কারখানা আছে। মানুষ টিকার নিরাপত্তার বিষয়টিকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আগে কখনো তৈরি করা যায়নি এমন টিকা স্থানান্তরের বিষয়টি অভূতপূর্ব। কারণ, তা কেবল আমাদের অনুদান এবং দক্ষতার কারণেই ঘটতে পারে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যা আমাদের আটকে দিচ্ছে তা মেধাস্বত্ব সম্পদ। এর অর্থ এই নয় যে কোনো টিকা কারখানা অলস বসে আছে, যারা নিয়ন্ত্রকদের অনুমতি নিয়ে জাদুবলে নিরাপদ টিকা তৈরি করে ফেলবে। টিকা তৈরি করতে হলে এসব বিষয় পরীক্ষা করতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষা পদ্ধতিকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখতে হবে।’

বিজনেস ইনসাইডার-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিল গেটস বলেছেন, ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মডার্না ও জনসন অ্যান্ড জনসনের মতো প্রতিষ্ঠান টিকার ফর্মুলা শেয়ারের ঘটনা ইতিমধ্যে ঘটিয়েছে।

বিল গেটস বলেন, ধনী দেশগুলো নিজেদের জন্য টিকাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে, তা দেখে তাঁর আশ্চর্য লাগেনি। তাঁর ভাষ্য, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ৩০ বছর বয়সীদেরও টিকা দিচ্ছি। কিন্তু ব্রাজিল ও দক্ষিণ আমেরিকায় ৬০ বছর বয়সী সবাইকে টিকা দিতে পারিনি, যা যৌক্তিক নয়।’

Advertisement
Click to comment

আন্তর্জাতিক

দুই ধরনের দুই ডোজ টিকায় হতে পারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Published

on

Dental Times

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দুই ধরনের টিকার দুই ডোজ নেওয়া নিয়ে গবেষণা চলছে। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের অধ্যাপক ম্যাথিউ স্ন্যাপ বলছেন, এক ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও আরেক ডোজ ফাইজারের টিকা নিলে প্রাপ্তবয়স্কদের শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা ও মাংসপেশিতে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে এগুলো খুব গুরুতর নয়। খবর বিবিসির।

অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপের অধ্যাপক ম্যাথিউ স্ন্যাপ বলেন, গবেষণায় যে এ ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে, তা তাঁরা আশা করেননি।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দ্য কম-কভ নামে একটি গবেষণা পরিচালিত হয়। তাতে দেখা গেছে, প্রথম ডোজ টিকা নেওয়ার পরে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলে দীর্ঘ মেয়াদে সুরক্ষা পাওয়া যায়। করোনার নতুন ধরন থেকে সুরক্ষা পেতে ও সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ক্লিনিকগুলোকে দুই ধরনের দুই ডোজ টিকা দিতে বলা হয়েছে।
কানাডার ওন্টারিও ও কুইবেক প্রদেশের কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা শিগগিরই মিশ্র টিকা ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষণায় ৫০ ঊর্ধ্ব ৮৩০ জন স্বেচ্ছাসেবককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী জুন মাসে এই গবেষণার পূর্ণ ফলাফল প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গবেষণার প্রাথমিক তথ্য ল্যানসেট মেডিকেল জার্নালে একটি গবেষণা বিবরণীতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই ডোজ টিকা চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়েছেন, তাঁদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনের জ্বর জ্বর ভাব দেখা গেছে।

অন্যদিকে যাঁরা অ্যাস্ট্রাজেনেকার এক ডোজ ও ফাইজারের আরেক ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাঁদের ৩৪ শতাংশের মধ্যে জ্বর জ্বর ভাব দেখা দিয়েছে।

ট্রায়ালের প্রধান তদন্তকারী অধ্যাপক স্ন্যাপ বলেন, যাঁরা দুই ধরনের দুই টিকার ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, অস্থিরতা ও মাংসপেশির ব্যথার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

গত এপ্রিল মাসে ১ হাজার ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর মডার্না ও নোভাভ্যাক্সের মিশ্র টিকার গবেষণা চালানো হয়। দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়ার পরেও অনেকের মধ্যে দুর্বলতার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

অক্সিজেনের জন্য টেন্ডুলকারের ১ কোটি রুপি

Published

on

Dental Times

কেউ আইসিইউতে একটা বেড খুঁজছেন হন্যে হয়ে। কেউবা অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য এ দুয়ার ও দুয়ার করছেন। কারও দরকার ওষুধপত্র, কারও চলছে অর্থের টানাটানি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা ভারতকে একেবারে নুইয়ে দিয়ে যাচ্ছে! প্রতিদিন তিন লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, মারা যাচ্ছেন দু-তিন হাজার। শ্মশানগুলোতে লাশের সারি, রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্সের আওয়াজ, হাসপাতালে স্বজনের আহাজারি…মন খারাপ করে দেওয়া সব দৃশ্য ভাসছে সংবাদমাধ্যমে।

এমন অবস্থায় হাত গুটিয়ে বসে থাকা তো যায় না! করোনার মধ্যে আইপিএল চলতে থাকা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে ঠিকই, তবে আইপিএলের সঙ্গে জড়িত অনেকে ভারত সরকারের করোনা তহবিলে অর্থ সাহায্য দিয়েছেন। কাল আইপিএলে মোস্তাফিজুর রহমানের দল রাজস্থান রয়্যালস ও আরেক দল দিল্লি ক্যাপিটালসও অর্থ সাহায্য করার ঘোষণা দিয়েছেন। তা আইপিএলের সঙ্গে জড়িত না হলেও ভারতের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় নাম শচীন টেন্ডুলকার আর কীভাবে বসে থাকেন!

ভারতীয় কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানও কাল সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এসেছেন। ১ কোটি রুপি দান করেছেন অক্সিজেন সরবরাহের কাজে নেমে পড়া দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘মিশন অক্সিজেন’কে।

Dental Times

এখন পর্যন্ত করোনায় ভারতে দেড় কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত। মারা গেছেন দুই লাখের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩ হাজার ৬৪৫ জন। নির্বাচন, কুম্ভমেলা…কত কারণই আছে ভারতে চলমান করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের। এ ঢেউয়ে টালমাটাল ভারতকে সাহায্য করতে এরই মধ্যে অনেকে তহবিল সংগ্রহ করছেন, দান করে চলেছেন। দাতব্য অনেক প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছে। এরই মধ্যে একটি হচ্ছে মিশন অক্সিজেন।

‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ভীষণ চাপের মুখে ফেলে দিয়েছে। কোভিডে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের বেশি পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করা এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি জরুরি। অন্তত এটা দেখে খুব ভালো লাগছে যে এ মুহূর্তে অনেক মানুষ কীভাবে অন্যের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। ২৫০-এর বেশি তরুণ উদ্যোক্তা মিশন অক্সিজেন চালু করেছেন, যাতে অর্থ সংগ্রহ করে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর আমদানি করা যায়, দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোকে দেওয়া যায়’—কাল টুইটে লিখেছেন টেন্ডুলকার।

এই প্রতিষ্ঠানে দান করার পাশাপাশি টেন্ডুলকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটিকে সাহায্য করার, যাতে প্রতিষ্ঠানটি আরও বেশি অর্থ পায়, তাতে অক্সিজেনের সরবরাহ আরও বেশি দেওয়া যাবে। ‘আমি এই কাজে কিছু অনুদান দিয়ে সাহায্য করেছি। আশা করি, তাদের এই মহৎ প্রচেষ্টা শিগগিরই ভারতজুড়ে আরও অনেক হাসপাতালে পৌঁছে যাবে। যখন মাঠে ক্রিকেট খেলতাম, আপনাদের সমর্থন আমার জন্য অমূল্য ছিল। আমার সাফল্যের বড় কারণ সেটি। আজ এ মহামারির সময়ে যাঁরা এভাবে কঠোর পরিশ্রম করছেন, তাঁদের সমর্থনেও আমাদের সবাইকে এক হতে হবে।’

টেন্ডুলকার তো আর মুখ ফুটে নিজের অনুদানের অঙ্ক জানানোর কথা নয়, সেটি জানা গেছে মিশন অক্সিজেনের বিবৃতিতে, ‘এ প্রয়োজনের সময়ে দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে জীবন বাঁচানো অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সরবরাহ করার লক্ষ্যে মিশন অক্সিজেনের প্রচেষ্টায় তাঁর (টেন্ডুলকার) এক কোটি রুপির অনুদান অনেক অনেক বেশি মন ছুঁয়ে যায়।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, দিল্লিভিত্তিক কয়েকজন উদ্যোক্তার যৌথ উদ্যোগ এ মিশন অক্সিজেন। গতকাল পর্যন্ত হিসাব, এরই মধ্যে সংগঠনটি সাড়ে ১৩ কোটি রুপির বেশি অর্থ জোগাড় করেছে। তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ১৫ কোটি রুপি জোগাড় করা। এ অর্থ দিয়ে ১০ লিটারের ১ হাজার অক্সিজেন কনসেনট্রেটর চীন থেকে আমদানি করবে সংগঠনটি। যেগুলো বিনা মূল্যে দেওয়া হবে হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতে।

এখন পর্যন্ত চীন থেকে ১ হাজার ৩৬৫ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর আমদানির ক্রয়াদেশ দিয়েছে মিশন অক্সিজেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, সেগুলো এরই মধ্যে জাহাজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল থেকে সেগুলো হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ করা শুরু করার কথা ছিল মিশন অক্সিজেনের। দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারতের সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের অনেক পক্ষসহ নানা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ এরই মধ্যে তারা করেছে বলে জানিয়েছে মিশন অক্সিজেন।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

বাতাসের মাধ্যমে মূলত করোনা ছড়িয়ে থাকে

Published

on

Dental Times

“রেস্পাইরেটরি ড্রপলেট নয়, বরং বাতাসে এরোসলের মাধ্যমে মূলত ছড়িয়ে থাকে। তবে অন্য মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।” গত ১৫ এপ্রিল ‘দ্যা ল্যানসেট” জার্নালে “নোবেল করোনা ভাইরাস” সম্পর্কিত একটি রিভিউ প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞগণ এমনটাই দাবী করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা এর ছয় সদস্যদের একটি বিশেষজ্ঞ দল, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিশা গ্রীনহালগের নেতৃত্বে ভাইরাসটির ছড়ানোর উপর বিস্তর গবেষণা করেন।

গবেষণা করে তারা দশটি প্রমান উপস্থাপন করেন, যা খুবই জোরালো ভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, নোবেল করোনা ভাইরাসটি বাতাসে এরোসলের মাধ্যমে ছড়ায়। বিশেষজ্ঞ দল, বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ কে এই বিষয়টি কে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আহবান করেছেন। নোবেল করোনা ভাইরাসে এখন অব্দি বিশ্বের প্রায় ১৪ কোটির ও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন আর মৃত্যুবরণ করেছেন প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

ল্যাব নয়, বাদুড় থেকেই ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস: ডব্লিউএইচও প্রতিবেদন

Published

on

Dental Times

করোনাভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও চীনের একটি যৌথ তদন্ত প্রতিবেদনের খসড়া হাতে পেয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।  এতে বলা হয়েছে, ল্যাব থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই বরং এটি বাদুড় থেকেই মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধানের এই ফলাফল মোটামুটি প্রত্যাশিতই ছিল। তবে অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা থেকে গেছে। ল্যাব থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়া তত্ত্ব ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে আরও গবেষণার প্রস্তাব দিয়েছেন ডব্লিউএইচও এবং চীনা বিজ্ঞানীদের দলটি।

বিশ্বজুড়ে মহামারির আকার নেওয়া করোনাভাইরাস ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এ বিষয়ে কোনও প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানান। তবে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করে থাকেন, ভাইরাসটি উহানের একটি বণ্যপ্রাণী বিক্রি হওয়া বাজার থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাপক বিতর্কের পর ডব্লিউএইচও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি দলকে চীনে তদন্ত চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়। এই বছর দলটি চীনের উহান শহর ছাড়াও বেশ কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় বারবার পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে গত সপ্তাহে ডব্লিউএইচও’র একজন কর্মকর্তা জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য প্রস্তুত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সোমবার ডব্লিউএইচওর সদস্য একটি দেশের জেনেভাভিত্তিক কূটনীতিকের কাছ থেকে প্রতিবেদনের প্রায় চূড়ান্ত সংস্করণটি পেয়েছে মার্কিন বার্তাসংস্থা এপি। তবে এই রিপোর্টে পরিবর্তন আনা হবে নাকি এটিই প্রকাশ করা হবে তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে ওই কূটনীতিক দাবি করেছেন, এটিই চূড়ান্ত সংস্করণ। দ্বিতীয় আরেক কূটনীতিকও একই প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে তারা কেউই নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি।

করোনাভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে সম্ভাব্য চারটি পরিস্থিতির ক্রম সাজিয়েছেন তদন্ত করা গবেষকরা। তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভাইরাসটি বাদুড় থেকে দ্বিতীয় আরেকটি প্রাণীর মারফত মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়েছে-এমন অনুমান। তারা বলছেন বাদুড় থেকে সরাসরি মানুষের শরীরে এই ভাইরাসের বিস্তার ঘটা সম্ভব। তবে  কোল্ড চেইন খাদ্য পণ্যের মাধ্যমে ভাইরাসের বিস্তারের সম্ভাবনা থাকলেও তা হয়নি। 

বাদুড় করোনাভাইরাসের বাহক হিসেবে পরিচিত। আর কোভিড-১৯ রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটির ঘনিষ্ঠ আত্মীয়গোত্রীয় একটি ভাইরাস বাদুড়ের শরীরে পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বাদুড় ভাইরাস এবং সার্স-কোভ-২ এর মধ্যে বিবর্তনীয় দূরত্ব রয়েছে; যা কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান বলে ধারণা করা হয়। তবে এর মধ্যে সংযোগকারীর অনুপস্থিতি দৃশ্যমান।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

পাঁচ মাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ভারতে, বেসামাল মহারাষ্ট্র

Published

on

পাঁচ মাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ভারতে, বেসামাল মহারাষ্ট্র

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত একদিনে ভারতে নতুন করে প্রায় সাড়ে ৫৩ হাজার মানুষের শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে; যা গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

গত বছরের ২৩ অক্টোবরের পর এটিই একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেশটিতে। বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সকালে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি।

এর মধ্যে ভয়াবহ অবস্থা হলো দেশটির মহারাষ্ট্র রাজ্যে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা এখনো পর্যন্ত সর্বোচ্চ। করোনা মহামারির প্রথম পর্বেও একদিনে কোনো রাজ্যে এত সংখ্যক মানুষ এর আগে আক্রান্ত হননি। মহারাষ্ট্রে নতুন করে ৩১ হাজার ৮৫৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে কেবল মুম্বাইয়ে আক্রান্ত ৫ হাজারের বেশি। এছাড়া রাজ্যের পুনে, নাগপুর, থানে, আওরঙ্গাবাদের মতো জেলাগুলোতেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৭৬ জন। এ নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ১৭ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৫১ জনের। এ নিয়ে ভারতে করোনা প্রাণ কেড়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৯২ জনের।

শুধু মাত্র মহারাষ্ট্র নয়, ভারতের আরও কয়েকটি রাজ্যের পরিস্থিতি ক্রমে খুব খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সে তালিকায় শুরুতেই রয়েছে পঞ্জাব, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু। এছাড়া ছত্তিশগড়ের অবস্থাও খারাপ হয়েছে। সেখানে দৈনিক সংক্রমণ ফের দুই হাজার ছাড়াচ্ছে। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশেও দেড় হাজার ছাড়াচ্ছে। দিল্লিতে দৈনিক সংক্রমণ আবার এক হাজার ছাড়িয়েছে।

সংক্রমণ রুখতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন। কেন্দ্র ইতোমধ্যেই রাজ্যগুলোকে জানিয়েছে, প্রয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউন জারি করতে পারবে তারা। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে আংশিক লকডাউন বা বিভিন্ন বিধি-নিষেধ নতুন করে জারি করা হয়েছে।

দিল্লি, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলোতে ইতোমধ্যেই প্রকাশ্যে হোলি উৎসব পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বেঙ্গালুরু পৌর এলাকায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মাস্ক না পরলে ২৫০ রুপি জরিমানা করার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া লকডাউনের পথেও হাঁটতে শুরু করেছে বেশ কয়েকটি রাজ্য। মহারাষ্ট্রের নাসিকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন জারি হয়েছে। আওরঙ্গাবাদেও ১১ এপ্রিল অবধি লকডাউন জারি রয়েছে।

Continue Reading
Dental Times
জাতীয়7 hours ago

দেশে ডেন্টাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি – অধ্যাপক ডা. বুলবুল

Dental Times
জাতীয়1 week ago

একদিনে ঢাকায় আরও ৭৯ ডেঙ্গু রোগী

Dental Times
জাতীয়1 week ago

করোনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন শতাধিক

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইল বাংলাদেশ জাসদ

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

দেশে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

‘জীবনে অনেকবার ঈদ আসবে, যদি বেঁচে থাকি’

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

‘মানুষ করোনাকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ভাবছে’

Dental Times
স্বাস্থ্য প্রশাসন2 weeks ago

কাল সিনোফার্ম, পরশু মডার্নার টিকা দেওয়া শুরু

Dental Times
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 weeks ago

১৪ দিনের মধ্যে করোনা নিয়ন্ত্রণে না এলে শয্যার সংকট হতে পারে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের করোনা টেস্ট ও নিবন্ধন বুথের উদ্বোধন

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

কোয়ারেন্টিন অব্যবস্থাপনায় মা ও বাবাকে হারিয়ে ক্ষুদ্ধ সরকারি চিকিৎসক

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

অক্সিজেন সিলিন্ডার না আনতে পারায় বাবার মৃত্যু : পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

ব্যাংকে সেবা নিয়ে ফেরার সময় জানালেন তিনি ‘করোনা পজিটিভ’

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

চট্টগ্রামে রেকর্ড ৭৮৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১০

Dental Times
BSMMU2 weeks ago

করোনার ভ্যাকসিন ট্রায়ালের জন্য প্রস্তুত বিএসএমএমইউ – ভিসি

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 weeks ago

আবারও করোনা আক্রান্ত শনাক্তে রেকর্ড : ১৯৯ জনের মৃত্যু

Dental Times
অর্জন2 weeks ago

কান দর্শকদের ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ : দর্শকের করতালিতে কাঁদলেন বাঁধন

Dental Times
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 weeks ago

কর্মীদের দাপ্তরিক পরিচয়পত্র ব্যবহারের নির্দেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

Dental Times
BSMMU3 weeks ago

বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য নিয়োগ

Dental Times
BSMMU3 weeks ago

‘ডেন্টাল ও প্যারাক্লিনিক্যাল’ বিভাগ খোলা হলো বিএসএমএমইউ তে

Advertisement

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks