Connect with us

শিক্ষাঙ্গন

এক শিক্ষার্থীর আর্তচিৎকার : পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ ইতিবৃত্ত

Published

on

ইশফাক আহমদ: আমাদের দাবির কিছু দাবি কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছেন। এজন্য সবাইকে সাধুবাদ। আন্দোলন মাত্র ৩ ঘন্টায় সফল। আমার নিজস্ব কিছু চিন্তাধারা সবার সামনে তুলে ধরছি, এতে আমরা শিক্ষার্থী, শিক্ষক এমনকি প্রতিষ্ঠানও হয়ত সমৃদ্ধ হবে।

প্রতিবাদ মানেই গুড়িয়ে দাও, খেয়ে দাও, মেরে ফেলো, জেলে ভরো, ভরিয়ে দাও এসব নয়। প্রতিবাদ হয় যখন কোন কিছু লাগামের বাইরে চলে যায় তাকে লাগামবদ্ধ করতেই।

আগেই বলে নিই, এটা একটা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এখানে জীবন্ত মানুষের দেহ নিয়ে কাজ করা হয়, এখানে সেসব স্টুডেন্ট পড়তে আসে যারা অল্প টাকাতে স্বপ্ন কিনতে পারে(যারা ছিলো হতাশ)। এখানে টাকার বিনিময়ে পড়ানো হয়, পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়। এমনকি অর্ধেক টাকা দিয়েই নিজের দাঁত সারাতে হয়। নিজের টাকা খরচ করে পেসেন্ট ম্যানেজ করে সাইন করাতে হয়। নিজের ইন্সট্রুমেন্ট দিয়ে পেসেন্টের ট্রিটমেন্ট করতে হয়। নিজের টাকা দিয়ে টিফিন খেতে হয়। নিজের টাকা দিয়ে সাবান কিনে বাথরুমে বসতে হয়। সব কিছু হয় নিজের টাকায়। এখানে কিছুই ফ্রি নাই।

আমার টাকা আমাকে ধার দিয়ে পরীক্ষায় বসার টাকা ম্যানেজ করে পরীক্ষায় বসে আমার কলেজের ইন্টার্নালের কাছে ফেল করে আবারো একই টাকা দিয়ে ২য় বার পাশ করতে হয়। অসপির নামে ১০০টাকা দেওয়া, ভুয়া রোগীকে টাকা দেওয়া, সেখানেও কাহিনী আছে ৩বার ফেল করলে আমাকেই ১ বছর বসতে দেওয়া হয় না। বসলেও ১৫ বসিয়ে ফেল করানো হয়। যেই পার্সেন্টিজের জন্য আমাকে পেন্টাল্টি দেওয়া হয় সেটা নিয়েই ভাইভাবে ত্যানা পেচানো হয়। তাহলে বাপ টাকা নিবে কেন?

আমার টাকা দিয়ে প্রাইভেট পড়ার পরেও আমি ভাইভাতেই ফেল করি!

আমার প্রশ্ন ২০১০ সালে ভর্তির সময় সাড়ে পাচ লক্ষ টাকা ( চেক ইচ্ছাকৃত ডিসওনার করিয়ে ৯ লক্ষ টাকা), বেতনের ৭ বছরে জরিমানা সহ প্রায় ২ লক্ষ টাকা, পরীক্ষা- পেনাল্টি বাবদ আরো কয়েক লক্ষ, খাবার থাকা খাওয়া বাবদ মিলিয়ে দেখলাম ২৩ লক্ষ পানিতে ফেলেছে আমার পরিবার। আমি এই দাঁতের ডাক্তারি না পড়ে যদি সাস্টের ওই নৃবিজ্ঞানে পড়তাম তাও মনে হয় গর্ব লাগত।

পিডিসির সাথে ৪ বছরে ১২ লক্ষ টাকায় বের করে দেওয়ার চুক্তিতে কেন আমার ৭ বছর লাগছে? আমি কেন ভাইভাতে আগের বার পাশ করার পরেও এবার ফেল করবো? কোন যুক্তিতে মাসের পর মাস জরিমানার টাকা দেওয়ার পরেও আমাকে দেড় বছর পরীক্ষা দিতে দেওয়া হলো না? কেন এমন রুবায়েতের মত মানুষ রাখে যারা স্টুডেন্টদের হ্যারাস করার মত সাহস পায়? আমাকে পাশ করানোর জন্য কেন কলেজের কোন মাথাব্যাথা নাই? আমাকে কেন তারা স্পেশাল ক্লাস নিয়ে আমার দুর্বলতা কোথায় বের করল না? আমার বাবা, মা, বোন আসার পরেও কেন তারা এতটা নিরব? তাচ্ছিল্য করল?

যেখানে আমার ২০১৫ তেই বের হবার কথা সেখানে আজ ২০১৭ তেও আমি ৩য় বর্ষের ৪র্থ বারের মত সাপ্লি দিচ্ছি? সেখানেও আমার আবার বেতন কিসের? এই টাকা দিয়ে কি করেছেন? আমাকে একটা হিসাব দেখান।  টাকা দিচ্ছি আমরা আমাদের পাশ করাচ্ছেন না কেন? সাপ্লির ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করানো যায় অন্তরের বদদোয়া থামাতে পারবেন?

টাকা খাইয়ে আত্মহত্যার কেস থামিয়ে দিতে পারেন। আমার দেওয়া ৫ লাখের ২ লাখ খাইয়ে আমাকে পাশ করাতে পারেন না? যদি না পারেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর অনুমতি যে দিয়েছে তার সাথে বোঝাপড়া হবে। আমি গিয়েছিলাম কন্ট্রোলার এর কাছে, উনি বলেছেন, আবার ফেল করালে আমার কাছে এসো। আমি যাবো। এবার একা নয়। ২০১৫ তে পাশ করে যাওয়া ছেলেটাকে কোন যুক্তিতে পরীক্ষায় বসতে দিচ্ছেন না তার জবাব প্রস্তুত করুন। ভুল বানানে ধূমপান লেখা নিষেধের স্থানে সিগারেট ধরানো কতটা সভ্যতা সেটাও হিসাব হবে।

যদি ছাত্রছাত্রীদের পাশ করাতে না পারেন। প্রতিষ্ঠান বন্ধ হোক। যদি টাকা দেওয়ার পরেও আমি ফেল করি আমার ডিগ্রির দরকার নাই। বিসিএস এর সময় শেষ, যখন বয়স ছিলো ২১ তখন ভর্তি হই আজ ২৭ পারবেন ফিরিয়ে দিতে?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেভাবে চলে পিডিসি চলুক সেভাবেই। আমি রাজউক দেখেছি, আমি সিলেট ক্যান্ট দেখেছি, আমি সাস্ট দেখেছি, এবার পিডিসি দেখছি। পিডিসি লাইনে আনতে শুধুমাত্র ১৭ তম ব্যাচ এনাফ। সাথে দুনিয়া পড়ে আছে। অনেক অনেক সহ্য করেছি, অপবাদ শুনেছি। এবার শোনানোর পালা।

আমার নিজস্ব দাবিগুলো হচ্ছে:

১) ২ বারের বেশি কোন ছাত্রছাত্রী একই বিষয়ে সাপ্লি খেলে তাকে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে পাশ করাবে। অবশ্যই স্টুডেন্টকেও যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।
২) হাসপাতাল লিখে দিয়েছেন, এম্বুলেন্স কোথায়? ২৪/৭ একজন ভালো মানের ডাক্তার দরকার।
৩) আমি চাইনা আমার কলেজ থেকে কাউকে অন্যস্থানে যান এই কথা বলার। আমি চাই আমার কলেজ যেন সেরা সেবাটা প্রদান করে। সেবার মান ১০০ গুণ বাড়ুক।
৪) মানবিক দিক বিবেচনা করা দরকার। মানুষ রোবট নয়। যারা কর্মচারী তাদের বেতন সময়মত দিন তাদের ছুটিও ঠিকমত দিন।
৫) এই বেতন আমি কেন দিবো? কোন কাজে লাগছে? যদি লাগতো দিতাম। যাদের শিক্ষাবর্ষ শেষ তাদের কোন বেতন নেওয়া হবেনা।
৬) চক্রবৃদ্ধি হারে বেতনের জরিমানা নিয়ে কি লিফট বসেছে? তাহলে কেন দিবো? যারা অধ্যয়নরত তাদের জরিমানা।
৭) রোবায়েতের মত ক্লার্ক কীভাবে একাউন্টস ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার পরেও আমাদের ফর্ম আটকে দেওয়ার অধিকার পায়? এসব হয়রানি বন্ধ হোক।
৮) একটা সাপ্লি দেওয়া শিক্ষার্থী আগের বার ভাইভাতে পাশ করলে পরের বারও যেন তার আগের বারের রেজাল্টকে মূল্যায়ন করা হয়।

প্রতিষ্ঠান আমাদের ডাক্তার বানাবে। তারা চলতে পারেনা বলে আমাদের বেতন নিয়ে চলে। তারা সেরা বলেই আমরা বেশি টাকা দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করি। আমাদের বেশির ভাগ ফেল আসে ভাইভাতেই। যদি নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ নিজের স্যারের কাছে নিজেরাই ফেল করি, এবং সেটা বারবার। মানসিক, আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবার পরেও যখন আমরা মনোবল নিয়ে পরীক্ষার হলে ঢুকি, পরীক্ষা দেই আর সেই পরীক্ষায় মাত্র ৩ মার্কের অভাবে ফেল করি। শুধু ফেল নয় সবগুলো বিষয়ে ফেল করি। ৮ বার একটা সাবজেক্ট এ সাপ্লি দেওয়ার পরেও যখন কলেজের মাথাব্যথা ধরেনা তখন বিনিশারা নিজেরা ঝুলে পড়ে। কারণ বিনিশা তো নেপালি। তার মা নাই, বাবা অসুস্থ। হায় বিনিশা তুমি ঝুলে গেলে সেই লাশটাও নামানো হলো ৩ ঘন্টা পর। একটা হাসপাতালে নেই ইমার্জেন্সি সেবা, নেই এম্বুলেন্স নেই নেই সামান্য বিবেকবোধ। শুধু আছে ডাক্তার বানানোর কিছু শর্টকাট ধুরন্ধর বুদ্ধি।

আমার কারো প্রতি অভিযোগ নেই। শুধু চাই আমার কলেজ নিয়ে মাথা উঁচু করে বলতে। আমিও পিডিসি থেকে পাশ করেছি। এখন তো লজ্জা লাগছে।

লেখক পরিচিতি :
ইশফাক আহমদ,
ব্যাচ – ১৭তম, পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ। 

Advertisement

ক্যারিয়ার

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজন -(নিপসম)

Published

on

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজনঃ

ডেন্টাল পাবলিক হেলথ বিডিএস কারিকুলামে অন্তর্ভূক্ত থাকলেও জাতীয় পর্যায়ে গবেষণা ও বিশেষজ্ঞ তৈরীর ক্ষেত্রে এই বিষয়টি বহুকালব্যাপী অবহেলিত অবস্থায় ছিল।

এর অবসান ঘটিয়ে ১৭ ই জুলাই ২০২২ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ একটি জিও(সরকারী আদেশ) প্রকাশ করে যেখানে “জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি” বিভাগ এবং সেই বিভাগে “সহকারী অধ্যাপক” ও “প্রভাষক” এর পদসৃজন এর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ এর অধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির মহাসচিব জনাব হুমায়ূন কবীর বুলবুল ডেন্টাল টাইমসকে জানান – “বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির অংগীকার ও প্রতিশ্রুতি ছিল ডেন্টাল পাবলিক হেলথ বিষয়টিকে নিপসমে ডিপার্টমেন্ট হিসাবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতীয় গবেষণায় অন্তর্ভূক্ত করা৷ এরই অংশ হিসেবে আমরা নিপসম এর সম্মানিত পরিচালক অধ্যাপক (ডাঃ) বায়েজীদ খুরশীদ রিয়াজের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করে কোর্স কারিকুলামের প্রস্তাবনাও প্রদান করি৷ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় অবশেষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও বিভাগ (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় এর সম্মতিতে জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রির পদসৃজন হয়েছে।

আমি মনে করি আমাদের ডেন্টাল সার্জনদের জন্যে বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের। আপাতত ডেন্টাল পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট চালু হলেও ভবিষ্যতে প্রস্তাবিত নিপসম বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়িত হলে ডেন্টাল পাবলিক হেলথ একটি অনুষদ হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাবে বলে পরিচালক মহোদয় আমাদের আশাবাদ প্রদান করেছেনএবং তাতে খুলে যাবে ডেন্টাল প্রফেশনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার৷ “

উল্লেখ্য, নিপসমে বর্তমানে ৯ টি বিষয়ে মাস্টার্স ইন পাবলিক হেলথ কোর্সটি চলমান রয়েছে৷ যেগুলো হলো –
১) Health Service Management & Policy
২) Hospital Management
৩) Community Medicine
৪) Epidemiology
৫) Reproductive & Child Health
৬) Health Promotion & Health Education
৭) Reproductive & Child Health
৮) Occupational & Environmental health.
৯) Non-Communicable Disease

এছাড়াও অধ্যাপক ডাঃ হুমায়ূন কবীর বুলবুল ডেন্টাল টাইমসকে জানান, ঢাকা ডেন্টাল কলেজ সহ সরকারী মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটসমূহেও ইতিপূর্বে আমরা ডেন্টাল পাবলিক হেলথ বিভাগের পদসৃজন করেছি।

Continue Reading

সিলেট বিভাগ

চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে ডেন্টাল চেম্বারে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি!

Published

on

এক চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করলেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের এক সহ-সভাপতি। পরে চাপের মুখে তা অবশ্য ফেরত দিয়েছেন। এর পর থেকে এলাকায় তোলপাড় চলছে।

গত শনিবার সুনামগঞ্জের ছাতক পৌর শহরের আশা ডেন্টাল কেয়ারে এই ঘটনা ঘটে।

ডেন্টাল কেয়ারের চিকিৎসক সুধীর চন্দ্র রায় জানান, গত শনিবার সন্ধ্যায় ছাতক পৌর শহরের মেডিকেল রোড এলাকার বাসিন্দা সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নয়ন দাশ অপু ও জেলা ছাত্রলীগের সদস্য হাসান আহমদসহ ছাত্রলীগের ৬-৭ জন ক্যাডার নিয়ে নিয়ে তার ডেন্টাল কেয়ারে হানা দেয়। এ সময় নয়ন দাশ অপু তার সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদ সম্বলিত একটি ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অপু তার পকেট থেকে ছুরি বের করে তাকে হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তিনি জিম্মি হয়ে পরিস্থিতি বুঝে ১১ হাজার টাকা দিয়ে বিদায় দেন।

সুধীর চন্দ্র রায় আরও জানান, ঘটনাটি জানাজানি হলে ওইদিন তিনি আইনের আশ্রয়ের প্রস্তুতি নেন। পরে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাপস চৌধুরী বিষয়টি আপোষ মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে তার উদ্যোগে ১১ হাজার টাকা ফেরত এনে দেন।

এ ব্যাপারে ছাতক পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাপস চৌধুরী জানান, প্রথমে নয়ন দাশ অপু ঘটনাটি অস্বীকার করে, পরে আমি নয়নকে মারধর করলে স্বীকার করে। বিস্তারিত সুধীর চন্দ্র রায় বলবেন এর বেশি তিনি বলতে রাজি হননি।

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দীপংকর কান্তি দে যুগান্তরকে বলেন, এ রকম অভিযোগ পাইনি, তবে কেউ অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নয়ন দাশ অপু জানান, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা সব মিথ্যা। ডেন্টাল কেয়ারের ডেন্টিস্ট সুধীর চন্দ্র রায়ের বিএমডিসির কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। তার (নয়ন দাশ অপু) রাজনৈতিক ছোট ভাইয়ের মায়ের দাঁতের ভুল চিকিৎসা করেন। এ জন্য তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Continue Reading

শিক্ষাঙ্গন

রংপুর মেডিকেলের ‘অসুখ’ সারবে কে?

Published

on

বেশিরভাগ ল্যাবরেটরিতে টেস্টই হয় না। নষ্ট হয় বাক্সবন্দি কোটি কোটি টাকার মেশিনপত্র। ইন্টার্নরাই ভরসা, ডাক্তার মেলে না ওয়ার্ডে। নার্সদের সেবা নিয়েও অভিযোগের শেষ নেই।

অন্যদিকে কতিপয় কর্মচারী আর দালালদের দৌরাত্ম্যে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবার মান প্রায় তলানিতে। বিশিষ্টজনদের মতে, প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে অসুস্থ হাসপাতালটি নিজেই। যদিও এ পরিস্থিতি পরিবর্তনের অঙ্গীকারের কথা জানালেন, সদ্য যোগ দেয়া পরিচালক।

বছরে ৬ মাসে পুলিশি অভিযানে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ে দালাল ও প্রতারকচক্রের সদস্যরা। কিন্তু কিছু দিন জেলে থেকে বেরিয়ে এসেই দ্বিগুণ উৎসাহে আবারও নামছে পুরোনো ধান্দায়। বাইরের বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরির এজেন্ট হিসেবে রোগী শিকারি এ দালালদের দৌরাত্ম্যে প্রতারিত ও সর্বশান্ত হচ্ছে গ্রাম থেকে আসা মানুষ।

তবে এদের থেকে বেশি ভয়ঙ্কর কর্মচারীদের কেউ কেউ। স্ট্রেচারে করে রোগীদের হাসপাতালে আনা নেয়াসহ নামমাত্র সেবা দিয়েই জোর জবরদোস্তি করে টাকা আদায় করছে অসহায় রোগী ও তাদের স্বজনদের কাছ থেকে। ৩০ টাকা ফিয়ের বদলে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা দিতে হয় তাদের। ভুক্তভোগীরা বলেন, ট্রলিতে আনতে গেলেই টাকা লাগে। না দিলে কোনোভাবেই ট্রলি দেবে না তারা।

ভুক্তভোগীরা জানান, উল্লেখযোগ্য ল্যাবরেটরিতে টেস্ট হয় না এই হাসপাতালে। হয় নষ্ট, না হয় বাক্সবন্দি কোটি কোটি টাকার মেশিনপত্র। ইন্টার্নরাই ভরসা, ডাক্তার মেলে না ওয়ার্ডে। নার্সদের সেবা নিয়েও অভিযোগের শেষ নেই। তারা আরও বলেন, যত টেস্ট হয়েছে সেগুলো কোনো মেডিকেল থেকে হয়নি সব বাইরে থেকে হয়েছে।

বিব্রত সরকার দলীয় নেতা, ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও। এই অবস্থার জন্য হাসপাতাল প্রশাসনের বরাবরের নতিস্বীকার প্রবণতাকেই দায়ী করছেন।

জেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফকরুল আনাম বলেন, দীর্ঘদিন থেকে দেখে আসছি এখানে সেবার নামে প্রতারণ হচ্ছে। সেবা পাওয়ার জন্য অসহায় হয়েই হাসপাতালে যায়। সেখানে ট্রলি থেকে শুরু করে সুস্থ হয়ে বের হয়ে আসা পর্যন্ত প্রত্যেক পর্যায়ে টাকা দিতে হচ্ছে।

রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিউর রহমান বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য সেবা কমিটির প্রধান। উনি এই বিষয়ে খোঁজ রাখেন কিনা এ বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমরা যা দেখছি এখানে কোন স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছি না।

পরিস্থিতি পরিবর্তনের অঙ্গীকার করলেন সদ্য যোগ দেয়া হাসপাতালের নবনিযুক্ত পরিচালক। রংপুর মেডিকেলের নবনিযুক্ত পরিচালক ডা. শরীফুল হাসান বলেন, ৮টা বিভাগ শনাক্ত করেছি যেখানে কেউ এক মাসের বেশি থাকতে পারবে না।

১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালটি ২০১০ সালে ১ হাজার শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেও এখনও চলছে ৫শ’ শয্যার লোকবলে। গড়ে প্রতিদিন আউটডোরে ৩ হাজার এবং ১৮শ’ থেকে ২২শ’ রোগী ভর্তি থাকছে ইনডোরে।

Continue Reading

BSMMU

ত্রুটিযুক্ত আবেদনে নিয়োগ বিএসএমএমইউতে

Published

on

ডা. মাহমুদুল হাসান ৩২তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর উচ্চতর শিক্ষাগ্রহণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ওএসডি কর্মকর্তা হিসেবে কোর্সে যুক্ত হন তিনি। এমন সময়ে বিএসএমএমইউতে সহকারী অধ্যাপকের শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে তিনি সেখানে আবেদন করেন। তার ওই আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর প্রতি পদক্ষেপে ত্রুটি থাকলেও বর্তমানে তিনি ওই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০২১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন পত্রিকায় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আবেদনপত্র জমাদানের শেষ সময় ছিল একই বছরের ২ মার্চ। ডা. মাহমুদ বিএসএমএমইউর সহকারী অধ্যাপক পদে আবেদন করতে ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বরাবর অনুমতি চান। তার ওই আবেদন ফরোয়ার্ডিং করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কাজী বিল্লুর রহমান। অথচ মজার বিষয় হলো, অধ্যাপক বিল্লুর ওই আবেদন ফরোয়ার্ডিং করেন ২০২০ সালের পহেলা মার্চ তারিখ উল্লেখ করে। অর্থাৎ আবেদনের তারিখের প্রায় এক বছর আগের তারিখে ফরোয়ার্ডিং করা হয় এবং এই ত্রুটিপূর্ণ আবেদন গৃহীতও হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে অধ্যাপক ডা. কাজী বিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি দেশের বাইরে থাকায় সেটি সম্ভব হয়নি। একই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. আলী আসগর মোড়লকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

জানা গেছে, ডা. মাহমুদ ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএসএমএমইউর ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগ থেকে এমএস পাস করেন। অথচ আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি এমএস সম্পন্ন করেছেন ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে। আবেদনপত্রের সংযুক্তিতে তিনি নিজের তিনটি প্রকাশনা থাকার কথা উল্লেখ করেছেন; যার একটি প্রকাশিত হয়েছে ‘জে ডেন্ট ওরাল হেলথ’ নামের জার্নালে। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ওই নামে কোনো জার্নাল নেই। এ ছাড়া একটি কেস প্রেজেন্টেশনও তিনি পাবলিকেশন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যা গ্রহণযোগ্য নয়।

মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের আবেদন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম বলেন, ওএসডি কোনো চিকিৎসক কর্মকর্তাকে কোথাও আবেদন করতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। অধিদপ্তরের ফরোয়ার্ডিংয়ের মাধ্যমে আবেদন সচিবের দপ্তরে পৌঁছাবে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছাড়া অন্য কারও ফরোয়ার্ডিং করার সুয়োগ নেই।

ডা. মাহমুদের আবেদনপত্রের কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, তার ওরাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি এমএস কোর্সের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শর্তানুসারে বিএমডিসির হাল নাগাদ নিবন্ধন জমা দিতে হবে। সেই শর্ত পূরণে তিনি বিএমডিসির সনদ পেয়েছেন ২০২১ সালের ১ মার্চ। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুসারে তিনি একই দিনে অর্থাৎ ২০২১ সালের ১ মার্চ পূবালী ব্যাংকের অনুকূলে এক হাজার টাকার ব্যাংক ড্রাফট করেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মকর্তা ডা. মাহমুদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার আবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফরোয়ার্ডিং করতে পারেন না। তা ছাড়া এই আবেদনকারীর কাগজ দেখে মনে হচ্ছে, তাকে আবেদন করার সুযোগ দিতেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ এবং বিএমডিসির নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার ও নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নানের সঙ্গে। তিনি বলেন, একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সম্পন্ন হয়। একটি দল আবেদনকারীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে। একদল পরীক্ষা গ্রহণ ও মূল্যায়ন করে। তারপর মূল্যায়ন হয় এবং নির্বাচিতদের তালিকা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়। তবে এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে তিনি বর্তমান রেজিস্ট্রারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান রেজিস্ট্রার ডা. স্বপন কুমার তপাদার বলেন, তিনি সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র না দেখে কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে ডা. মাহমুদুল হাসানের মোবাইল ফোনে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Continue Reading

চট্রগ্রাম বিভাগ

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

Published

on

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কোরিয়ার ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময় সভা রোববার (৭ আগস্ট) ফৌজদারহাটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান ও ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় হেলথ সিস্টেম এর অধ্যাপক ডা. সিনকি অন মতবিনিময় সভায় নেতৃত্ব দেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান বাংলাদেশের মেডিক্যাল ও নার্সিং কারিকুলাম এবং শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের কেইপিজেড এলাকায় বড় পরিসরে মেডিক্যাল হাসপাতাল ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে সভায় অবহিত করা হয়।  

অধ্যাপক সিনকি অন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা  করেছে। এখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় তারা কাজ করতে আগ্রহী। ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় নার্সিং এর অধ্যাপক টুই লি, অধ্যাপক সু জিং লি, অধ্যাপক জে ওই কিম ছাড়াও ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা সভায় উপস্থিত ছিলেন। ইয়ং ওয়ান গ্রুপের জেনেরাল ম্যানেজার কর্নেল (অব.) শাহজাহান সভায় যোগ দেন।
 
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আখতার, বেসিক সাইন্স এর ডিন অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম, নার্সিং ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনোয়ারুল হক শামীম, ডেন্টাল ফ্যাকাল্টির ডিন অধ্যাপক ডা. আকরাম পারভেজ চৌধুরী, মা ও  শিশু মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোশতাক হোসেন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ডা. অনিরুদ্ধ জয়, অধ্যাপক ডা. নুরুল হুদা, বিআইটিআইডির পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাসিরউদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ডা. দেলোয়ার হোসেন, রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. হাসিনা নাসরিন, উপ-পরিচালক ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, উপ-কলেজ পরিদর্শক ডা. আইরিন সুলতানাসহ সংশ্লিষ্টরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।  

Continue Reading
সংগঠন1 week ago

জিডিএফ বর্ষপূর্তি ও সাইন্টিফিক সেমিনারের পোস্টার উন্মোচন

জাতীয়2 weeks ago

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট

জাতীয়1 month ago

প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি করলে ফার্মেসির লাইসেন্স বাতিল

ক্যারিয়ার1 month ago

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজন -(নিপসম)

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়1 month ago

অ্যান্টিবায়োটিকের মোড়ক হবে লাল, যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে হচ্ছে আইন

জাতীয়1 month ago

দাউদকান্দিতে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের রমরমা বাণিজ্য

জাতীয়2 months ago

৭ ছাত্র নিরুদ্দেশ: চিকিৎসক শাকিরের সহযোগী ভিলার স্বীকারোক্তি

সিলেট বিভাগ2 months ago

চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে ডেন্টাল চেম্বারে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি!

সংগঠন2 months ago

ডা: মোত্তাকিন আহমেদ স্মরণে বিএসপিডি’র দোয়া মাহফিল

সংগঠন2 months ago

চিকিৎসকদের জন্য লিডারশীপ এক্সেলেন্সি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কলাম2 months ago

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব

জাতীয়2 months ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়2 months ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়2 months ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়2 months ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়2 months ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ2 months ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়2 months ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification