Connect with us

Uncategorized

এক শিক্ষার্থীর আর্তচিৎকার : পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ ইতিবৃত্ত

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

ইশফাক আহমদ: আমাদের দাবির কিছু দাবি কর্তৃপক্ষ মেনে নিয়েছেন। এজন্য সবাইকে সাধুবাদ। আন্দোলন মাত্র ৩ ঘন্টায় সফল। আমার নিজস্ব কিছু চিন্তাধারা সবার সামনে তুলে ধরছি, এতে আমরা শিক্ষার্থী, শিক্ষক এমনকি প্রতিষ্ঠানও হয়ত সমৃদ্ধ হবে।

প্রতিবাদ মানেই গুড়িয়ে দাও, খেয়ে দাও, মেরে ফেলো, জেলে ভরো, ভরিয়ে দাও এসব নয়। প্রতিবাদ হয় যখন কোন কিছু লাগামের বাইরে চলে যায় তাকে লাগামবদ্ধ করতেই।

আগেই বলে নিই, এটা একটা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এখানে জীবন্ত মানুষের দেহ নিয়ে কাজ করা হয়, এখানে সেসব স্টুডেন্ট পড়তে আসে যারা অল্প টাকাতে স্বপ্ন কিনতে পারে(যারা ছিলো হতাশ)। এখানে টাকার বিনিময়ে পড়ানো হয়, পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়। এমনকি অর্ধেক টাকা দিয়েই নিজের দাঁত সারাতে হয়। নিজের টাকা খরচ করে পেসেন্ট ম্যানেজ করে সাইন করাতে হয়। নিজের ইন্সট্রুমেন্ট দিয়ে পেসেন্টের ট্রিটমেন্ট করতে হয়। নিজের টাকা দিয়ে টিফিন খেতে হয়। নিজের টাকা দিয়ে সাবান কিনে বাথরুমে বসতে হয়। সব কিছু হয় নিজের টাকায়। এখানে কিছুই ফ্রি নাই।

আমার টাকা আমাকে ধার দিয়ে পরীক্ষায় বসার টাকা ম্যানেজ করে পরীক্ষায় বসে আমার কলেজের ইন্টার্নালের কাছে ফেল করে আবারো একই টাকা দিয়ে ২য় বার পাশ করতে হয়। অসপির নামে ১০০টাকা দেওয়া, ভুয়া রোগীকে টাকা দেওয়া, সেখানেও কাহিনী আছে ৩বার ফেল করলে আমাকেই ১ বছর বসতে দেওয়া হয় না। বসলেও ১৫ বসিয়ে ফেল করানো হয়। যেই পার্সেন্টিজের জন্য আমাকে পেন্টাল্টি দেওয়া হয় সেটা নিয়েই ভাইভাবে ত্যানা পেচানো হয়। তাহলে বাপ টাকা নিবে কেন?

আমার টাকা দিয়ে প্রাইভেট পড়ার পরেও আমি ভাইভাতেই ফেল করি!

আমার প্রশ্ন ২০১০ সালে ভর্তির সময় সাড়ে পাচ লক্ষ টাকা ( চেক ইচ্ছাকৃত ডিসওনার করিয়ে ৯ লক্ষ টাকা), বেতনের ৭ বছরে জরিমানা সহ প্রায় ২ লক্ষ টাকা, পরীক্ষা- পেনাল্টি বাবদ আরো কয়েক লক্ষ, খাবার থাকা খাওয়া বাবদ মিলিয়ে দেখলাম ২৩ লক্ষ পানিতে ফেলেছে আমার পরিবার। আমি এই দাঁতের ডাক্তারি না পড়ে যদি সাস্টের ওই নৃবিজ্ঞানে পড়তাম তাও মনে হয় গর্ব লাগত।

পিডিসির সাথে ৪ বছরে ১২ লক্ষ টাকায় বের করে দেওয়ার চুক্তিতে কেন আমার ৭ বছর লাগছে? আমি কেন ভাইভাতে আগের বার পাশ করার পরেও এবার ফেল করবো? কোন যুক্তিতে মাসের পর মাস জরিমানার টাকা দেওয়ার পরেও আমাকে দেড় বছর পরীক্ষা দিতে দেওয়া হলো না? কেন এমন রুবায়েতের মত মানুষ রাখে যারা স্টুডেন্টদের হ্যারাস করার মত সাহস পায়? আমাকে পাশ করানোর জন্য কেন কলেজের কোন মাথাব্যাথা নাই? আমাকে কেন তারা স্পেশাল ক্লাস নিয়ে আমার দুর্বলতা কোথায় বের করল না? আমার বাবা, মা, বোন আসার পরেও কেন তারা এতটা নিরব? তাচ্ছিল্য করল?

যেখানে আমার ২০১৫ তেই বের হবার কথা সেখানে আজ ২০১৭ তেও আমি ৩য় বর্ষের ৪র্থ বারের মত সাপ্লি দিচ্ছি? সেখানেও আমার আবার বেতন কিসের? এই টাকা দিয়ে কি করেছেন? আমাকে একটা হিসাব দেখান।  টাকা দিচ্ছি আমরা আমাদের পাশ করাচ্ছেন না কেন? সাপ্লির ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করানো যায় অন্তরের বদদোয়া থামাতে পারবেন?

টাকা খাইয়ে আত্মহত্যার কেস থামিয়ে দিতে পারেন। আমার দেওয়া ৫ লাখের ২ লাখ খাইয়ে আমাকে পাশ করাতে পারেন না? যদি না পারেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানোর অনুমতি যে দিয়েছে তার সাথে বোঝাপড়া হবে। আমি গিয়েছিলাম কন্ট্রোলার এর কাছে, উনি বলেছেন, আবার ফেল করালে আমার কাছে এসো। আমি যাবো। এবার একা নয়। ২০১৫ তে পাশ করে যাওয়া ছেলেটাকে কোন যুক্তিতে পরীক্ষায় বসতে দিচ্ছেন না তার জবাব প্রস্তুত করুন। ভুল বানানে ধূমপান লেখা নিষেধের স্থানে সিগারেট ধরানো কতটা সভ্যতা সেটাও হিসাব হবে।

যদি ছাত্রছাত্রীদের পাশ করাতে না পারেন। প্রতিষ্ঠান বন্ধ হোক। যদি টাকা দেওয়ার পরেও আমি ফেল করি আমার ডিগ্রির দরকার নাই। বিসিএস এর সময় শেষ, যখন বয়স ছিলো ২১ তখন ভর্তি হই আজ ২৭ পারবেন ফিরিয়ে দিতে?

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেভাবে চলে পিডিসি চলুক সেভাবেই। আমি রাজউক দেখেছি, আমি সিলেট ক্যান্ট দেখেছি, আমি সাস্ট দেখেছি, এবার পিডিসি দেখছি। পিডিসি লাইনে আনতে শুধুমাত্র ১৭ তম ব্যাচ এনাফ। সাথে দুনিয়া পড়ে আছে। অনেক অনেক সহ্য করেছি, অপবাদ শুনেছি। এবার শোনানোর পালা।

আমার নিজস্ব দাবিগুলো হচ্ছে:

ক) ২ বারের বেশি কোন ছাত্রছাত্রী একই বিষয়ে সাপ্লি খেলে তাকে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে পাশ করাবে। অবশ্যই স্টুডেন্টকেও যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।

খ) হাসপাতাল লিখে দিয়েছেন, এম্বুলেন্স কোথায়? ২৪/৭ একজন ভালো মানের ডাক্তার দরকার।

গ) আমি চাইনা আমার কলেজ থেকে কাউকে অন্যস্থানে যান এই কথা বলার। আমি চাই আমার কলেজ যেন সেরা সেবাটা প্রদান করে। সেবার মান ১০০ গুণ বাড়ুক।

ঘ) মানবিক দিক বিবেচনা করা দরকার। মানুষ রোবট নয়। যারা কর্মচারী তাদের বেতন সময়মত দিন তাদের ছুটিও ঠিকমত দিন।

ঙ) এই বেতন আমি কেন দিবো? কোন কাজে লাগছে? যদি লাগতো দিতাম। যাদের শিক্ষাবর্ষ শেষ তাদের কোন বেতন নেওয়া হবেনা।

চ) চক্রবৃদ্ধি হারে বেতনের জরিমানা নিয়ে কি লিফট বসেছে? তাহলে কেন দিবো? যারা অধ্যয়নরত তাদের জরিমানা।

ছ) রোবায়েতের মত ক্লার্ক কীভাবে একাউন্টস ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার পরেও আমাদের ফর্ম আটকে দেওয়ার অধিকার পায়? এসব হয়রানি বন্ধ হোক।

জ) একটা সাপ্লি দেওয়া শিক্ষার্থী আগের বার ভাইভাতে পাশ করলে পরের বারও যেন তার আগের বারের রেজাল্টকে মূল্যায়ন করা হয়।

প্রতিষ্ঠান আমাদের ডাক্তার বানাবে। তারা চলতে পারেনা বলে আমাদের বেতন নিয়ে চলে। তারা সেরা বলেই আমরা বেশি টাকা দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করি। আমাদের বেশির ভাগ ফেল আসে ভাইভাতেই। যদি নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ নিজের স্যারের কাছে নিজেরাই ফেল করি, এবং সেটা বারবার। মানসিক, আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবার পরেও যখন আমরা মনোবল নিয়ে পরীক্ষার হলে ঢুকি, পরীক্ষা দেই আর সেই পরীক্ষায় মাত্র ৩ মার্কের অভাবে ফেল করি। শুধু ফেল নয় সবগুলো বিষয়ে ফেল করি। ৮ বার একটা সাবজেক্ট এ সাপ্লি দেওয়ার পরেও যখন কলেজের মাথাব্যথা ধরেনা তখন বিনিশারা নিজেরা ঝুলে পড়ে। কারণ বিনিশা তো নেপালি। তার মা নাই, বাবা অসুস্থ। হায় বিনিশা তুমি ঝুলে গেলে সেই লাশটাও নামানো হলো ৩ ঘন্টা পর। একটা হাসপাতালে নেই ইমার্জেন্সি সেবা, নেই এম্বুলেন্স নেই নেই সামান্য বিবেকবোধ। শুধু আছে ডাক্তার বানানোর কিছু শর্টকাট ধুরন্ধর বুদ্ধি।

আমার কারো প্রতি অভিযোগ নেই। শুধু চাই আমার কলেজ নিয়ে মাথা উঁচু করে বলতে। আমিও পিডিসি থেকে পাশ করেছি। এখন তো লজ্জা লাগছে।

লেখক পরিচিতি : ইশফাক আহমদ, ব্যাচ – ১৭তম, পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ। 

Continue Reading

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়