Connect with us

Uncategorized

এমবিবিএস ও বিডিএস কেন আলাদা ডিগ্রি?

DENTALTIMESBD.com

Published

on

এমবিবিএস ও বিডিএস কেন আলাদা ডিগ্রি?

মুনসুরা ফাতিমা 

অনেকের মনেই এই প্রশ্ন জাগে দাঁত তো শরীরেরই একটি অংশ – তবে কেন এটি সাধারণ এমবিবিএস এর অংশ নয়? কেন ডেন্ট্রিস্ট্রি/বিডিএস একটি আলাদা ডিগ্রি? কোন ডিগ্রির গুরুত্ব কেমন – কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ – শুধু দাঁতের পেছনে এতগুলো টাকা খরচ করবো? – এসব প্রশ্ন-তর্ক-বাকবিতণ্ডা যাই বলি না কেন, তা আজকের নতুন নয়।

প্রথমে আসি দুই ডিগ্রির ভিন্নতার জায়গাগুলো নিয়েঃ একজন চিকিৎসক সাধারণভাবে পুরো শরীরেরই তত্ত্বাবধায়ন করেন। কিন্তু যদি শরীরের বিশেষ কোন অঙ্গের কোন বিশেষ অসুখ হয় এবং এজন্য আলাদা অভিজ্ঞতার দরকার হয়, তখন তিনি এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোনো চিকিৎসক এর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। যেমনঃ চোখের সমস্যায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ, একি ভাবে মা ও প্রসুতি রোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিশেষজ্ঞ, নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি।

তেমনই দাঁতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হলেন ডেন্টিস্ট/দন্ত বিশেষজ্ঞ/সবচেয়ে বহুল প্রচলিত শব্দে বললে দাঁতের ডাক্তার!একজন দাঁতের ডাক্তার যেমন আপনার চোখের সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন না, তেমনি চোখের ডাক্তারও পারবেন না আপনার দাঁতের চিকিৎসা দিতে!

Stay Home Stay Safe - Dental TImes

আমাদের পুরো মানবশরীরকে একটি যন্ত্রের সাথে তুলনা করা যায়।যন্ত্রের কোন একটি অংশের সমস্যা যেমন পুরো যন্ত্রের কার্যকালাপে বাঁধা দেয়, একই ভাবে মানুষের শরীরের সব অঙ্গপ্রতঙ্গই পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।সে হিসেবে মানবদেহ হলো দুনিয়ার সবচেয়ে জটিল যন্ত্র! তাই দুর্ভাগ্যবশত একজন মানুষের এক মানবজীবনে এই জটিল যন্ত্রের প্রতিটি অঙ্গে-প্রতঙ্গের সব ঘুরপ্যাঁচ নিয়ে পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না।একথা সহজেই বোধগম্য, কারণ শুধুমাত্র যে কোন এক অংশ নিয়ে পড়াশুনা করেই ডাক্তার সমাজ বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ ছাত্রজীবন কাটান! আর পুরো মানবদেহের সবকিছুর বিশেষজ্ঞ হতে হলে তাকে ডাক্তারি ছেড়ে হয়ত সারাজীবন ধরে কলেজের গন্ডিতেই থাকতে হবে!!এই মুশকিলে আহসান হলোঃ প্রতি বিষয়ের আলাদা বিশেষজ্ঞ আর নিজের বিষয়ের বাইরে সমস্যায় দায়িত্ব হস্তান্তর করা সে বিষয়ের বিশেষজ্ঞের কাছে! ডেন্টিস্ট্রির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে দাঁত ও মুখের নানান সমস্যা। এর বাইরেও সৌন্দর্যবোধ ডেন্ট্রিস্টির একটা বড় অংশ জুড়ে আছে। বেশির ভাগ সময় মানুষ ডাক্তারের কাছে যায় যখন তারা অসুস্থ কিংবা রোগাক্রান্ত হয়।আর ডেন্টিস্ট্রিতে মানুষ দাঁতের ব্যাথা, মুখের রোগ ছাড়াও আসেন সৌন্দর্যববর্ধনের জন্য, একটি জন্মগত ত্রুটিহীন সুন্দর চেহারা কিংবা সুস্থ, সুন্দর হাসির জন্য!

পড়াশুনার ক্ষেত্রে বেসিক সাব্জেক্টগুলো একই!অতিরিক্ত বলতে ডেন্টিস্ট্রিতে প্রথম বর্ষ থেকেই দাঁত ও মুখের চিকিৎসা সংক্রান্ত আলাদা বিষয় থাকে, যা এমবিবিএস ডিগ্রিধারীদের জন্য পাঠ্য নয়! আবার এমবিবিএস ডিগ্রিতেও কয়েকটি নিজস্ব সাব্জেক্ট আছে যা ভবিষ্যৎ ডেন্টাল সার্জেনদের জন্য পাঠ্য নয়।এমবিবিএস এর ক্ষেত্রে, এইচএসসি পাস করার পর কোন একটা মেডিকেল কলেজে পড়াশুনে করে পাস করে ইন্টার্ন সম্পূর্ণ হলে তিনি প্রাইভেট প্র‍্যাক্টিস করতে পারেন। এরপর (যদি তারা চান) যে কোন একটি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হন।বিডিএস এর ক্ষেত্রে, এইচএসসি পাসের পর মেডিকেল কলেজ ইউনিট/ডেন্টাল কলেজে পড়াশুনা করেন। তাঁরা পাসই করেন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে এবং একইসাথে তখন থেকেই তারা প্র‍্যাক্টিস করতে পারেন।পরবর্তীতে তারা চাইলে ডেন্টিস্ট্রির যে কোনো একটি নির্দিষ্ট শাখায় যেতে পারেন যেমনঃ Periodontics, Prosthodontics, Oral & Maxillofacial Surgery, Orthodontics, Endodontics, Pedodontics etc. প্রতিটা শাখা একদমই স্বতন্ত্র এবং চ্যালেঞ্জিং!

মানুষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মুখের রোগে আক্রান্ত হবার আগ পর্যন্ত মুখের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব উপলব্ধি করে না (মুর্খ, অশিক্ষিত লোকদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারটা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ থেকে এমন আচরণ আসলেও হজম করতে কষ্ট হয়!)এর ফলশ্রুতিতে অনেক মানুষই দাঁতের ব্যথায় অস্থির হবার আগে ডেন্টিস্টের মুখদর্শনও করেন না! ফলে অনেক সময়ই মুখের জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়!( এর একটা মুখ্য কারণ অবশ্য কোনভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না যে, ডেন্টাল চিকিৎসা একটু ব্যয়বহুল যা অনেকের পক্ষেই বহন করা সম্ভব হয়ে উঠে না! এবং এক্ষেত্রে ইন্সুরেন্স কম্পানিগুলোরও সহয়তা পাওয়া না। যেহেতু মুখের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ শরীর সম্পর্কযুক্ত, ডেন্টাল চিকিৎসাকেও মেডিকেল ইন্সুরেন্সের আওতাভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। )

সম্প্রতি গবেষকরা দাঁতের রোগের সঙ্গে হৃদরোগের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন। এমন আরো অনেক সংযোগ খুঁজে পাওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা!তাই একথা নির্দিধায় বলা যায়, যখন আপনি দাঁত কিংবা মুখের যত্ন নিচ্ছেন, পরোক্ষভাবে আপনি আপনার পুরো স্বাস্থ্যরই খেয়াল রাচ্ছেন! আর সাথে বোনাস হিসেবে তো একটি সুস্থ-সুন্দর হাসি থাকছেই, যা আপনার আত্মবিকাশকে বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ!সবশেষে আপনার প্রশ্নটা যদি হয় ‘বিডিএস আর এমবিবিএস কোনটি গুরুত্বপূর্ণ!!’আমি আপনাকে পাল্টা প্রশ্ন করব আপনার জন্য কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ? ডান হাত না কি বাম হাত?

ডান হাত আর বাম হাতের মধ্যে যেমন তুলনা চলে না, দুইয়ে মিলে সহযোগীতার সম্পর্ক হয়, একসাথে কাজ করে যায়! ঠিক তেমনি চিকিৎসাবিজ্ঞানের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ডিগ্রি হলো এমবিবিএস এবং বিডিএস, এদের মধ্যেও আর যাই হোক, তুলনা চলে না!’

Continue Reading

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়