Connect with us

Uncategorized

হোম কোয়ারেন্টাইন তথা সামাজিক বিচ্ছিন্নতায়- আমাদের করনীয়

DENTALTIMESBD.com

Published

on

হোম কোয়ারেন্টাইন তথা সামাজিক বিচ্ছিন্নতায়- আমাদের করনীয়

বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসাব অনুযায়ী, আজ (০৩.০৪.২০২০) বাংলাদেশ সময় রাত ১ টা পর্যন্ত বিশ্বের ২০০ টির ও বেশি দেশ ও অঞ্চল কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছে। এএফপি ও বিবিসি এর সূত্র অনুযায়ী, বৈশ্বিক মৃত্যুর হার ৫ শতাংশ।

পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা-ঃ
•৫১ হাজার ৫৬৩জন,
•২০০টির ও বেশি দেশে আক্রান্ত ১০০৪৫৩৩ জন (জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি)
• সুস্থ হয়েছে ২ লক্ষ ১০ হাজার ৫১৯ জন। এর মধ্যে ইউরোপের (ইতালি ১১৫২৪২) পর বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রে।
(আক্রান্ত ২৩৬২২১ ও ৫৭২১ মৃত) ও যুক্তরাজ্যে।

• ভারতে পালিত হচ্ছে লক ডাউন। ১০০ কোটির বেশি জনসংখ্যার দেশটিতে আজ পর্যন্ত কভিড-১৯- এ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৪১ জনে ও মৃত-৬৮ জন,সুস্থ্য ১৭৭ জন।

করোনা ও হোম কোয়ারেন্টাইন তথা সামাজিক বিচ্ছিন্নতায় আমাদের কি করনীয় তা নিয়েই আজকের আলোচনা

১. বাড়িতে (হোম) কোয়ারান্টাইনে থাকার অর্থ কী?

এর অর্থ হলো কোনও সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবের সময়ে অন্যদের থেকে আলাদা থাকা। আইসোলেশনের সময়ে অসুস্থ মানুষদের সুস্থদের থেকে আলাদা রাখা হয় এবং যাদের সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে তাঁদের পৃথক করা এবং দেখা তারা অসুস্থ হচ্ছেন কিনা।

২. বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে কিভাবে থাকবেন?

বাড়িতে কোয়ারান্টাইন থাকার অর্থ হল কোনও ব্যক্তিকে নিজের বাড়ির খোলামেলা একটি ঘরে বন্ধ রাখা, তাঁর জন্য পৃথক শৌচাগার থাকলে ভাল হয়। যদি পরিবারের অন্য কাউকে সে ঘরে থাকতেই হয়, তাহলে দুজনের মধ্যে অন্তত ১ মিটারের দূরত্ব রাখতেই হবে।

৩. করোনাভাইরাস সংক্রমণ বুঝাতে কী বুঝাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা?

কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বাড়তি ঝুঁকির কথা মনে রাখতে হবে। বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী মহিলা, শিশু এবং বাড়ির মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে এমন কারও কাছ থেকে দুরে থাকতেই হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে শিশুদের সংক্রমণের হার অন্যদের চেয়ে কম।

চীনে ২০ বছরের নিচে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ২ শতাংশেরও কম। তবে, এই ভাইরাস যেহেতু অজানা, সে কারণে সরকার বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশিকায় শিশুদের থেকেও দূরত্ব বজায় রাখবার কথা বলেছে।
সমস্ত সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া ১৪-২৭ দিনের জন্য বন্ধ রাখতে হবে। কোয়ারান্টাইনে থাকা ব্যক্তি ডিশ, জলের গ্লাস, কাপ, তোয়ালে, বিছানা বাড়ির অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না এবং সর্বদা মাস্ক পরে থাকবেন।

রোগীর সেবাযত্নকারী এবং নিকটজন, সকলেই সাধারণ ব্লিচ সলিউশন (৫%) বা সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট সলিউশন (১%) দিয়ে জীবাণুমুক্ত করবেন এবং তারপর অনেকটা গভীরে পুঁতে দিয়ে বা জ্বালিয়ে দিয়ে সেগুলো নষ্ট করে দেবেন।

৪. রোগ ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ করতে এটি কি পরিচিত পদ্ধতি?

কোভিড ১৯ সনাক্তকরণ এবং নজরদারির কাজে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি এটি।

”সাবান-পানিই কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ আটকানোর মোক্ষম অস্ত্র-এটাই মূল কথা। যদি কোনো ব্যক্তি ১৪ দিনের কোয়ারান্টাইনে থাকার সময় রোগের সংস্পর্শে না এসে কাটানোর পর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু করেন এবং আবারো একবার COVID-19 রোগীর সংস্পর্শে আসেন, তাহলে তাঁকে পুনরায় ১৪ দিনের জন্য বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে।

৫. কাদের বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে রাখা প্রয়োজন?

COVID-19 রোগে আক্রান্ত বা সংক্রমণের সম্ভাবনা যুক্ত কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন,
এমন প্রত্যেককে বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে থাকা উচিত। কারণ এরোগ যে অতি সংক্রামক শুধু তাই নয়,তার আরও একটা কারণ হল এই ভাইরাসের ইনকিউবেশনের সময়কাল ১৪ দিন-২৭ দিন। এই ১৪ দিনের মধ্যে কোনও ব্যক্তির কোনও রোগলক্ষণ না দেখা দিলেও তিনি ভাইরাস ছড়াতে পারেন।

৬. COVID-19-এর রোগীদের সঙ্গে সংস্পর্শ বলতে কি বুঝায়?

★COVID-2019 আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস।

★COVID-2019 আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ বা তার ব্যবহৃত জিনিসপত্র প্রয়োজনীয় সুরক্ষা না নিয়েই তা ব্যাবহার।

★বদ্ধ পরিবেশে যে ব্যক্তি COVID-19 সংক্রমিত, সে যদি অন্য কোনো ব্যক্তির মুখোমুখি সংস্পর্শে এসে থাকেন এবং উভয়ের মধ্যে দূরত্ব ১ মিটারের কম ছিল। বিমানযাত্রাও এর অন্তর্ভুক্ত ।

৭. হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার সময়ে পরিবারের লোকজনকে কী ধরনের নিয়ম মেনে চলতে হবে?

★প্রথমতঃ পরিবারের নির্দিষ্ট একজনই মাস্ক ও গ্লাভস পরিহিত অবস্থায় রোগীর সেবা করবে।
সমস্ত রকম শারীরিক সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে, বিছানাপত্রও আলাদা হওয়া উচিত। কেউ দেখতে আসা চলবে না।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “কোনও ব্যক্তি কোয়ারান্টাইনে থাকবার সময়ে যদি তাঁর লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে তাঁর নিকটজনের সকলকেই ১৪ দিনের কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় রোগ বিষয়ে নেতিবাচক রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মেনে চলতে হবে।”

★দ্বিতীয়তঃ বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে থাকার পরো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো “জীবাণুমুক্ত করা “এবং ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা সব কিছু ১ শতাংশ সোডিয়াম হাইপোক্লারাইট দিয়ে পরিষ্কার করা।
শৌচাগার ফিনাইল জাতীয় বা বাড়ির জন্য ব্যবহৃত অন্য কোনও ব্লিচিং সলিউশন দিয়ে পরিষ্কার করা যেতে পারে। জামাকাপড় আলাদা ধুতে হবে।

৮. কোভিড-১৯ নিয়ে শিশুদের মানসিক চাপ মুক্ত রাখতে করনীয় কি?

যেকোনাে মানসিক চাপে শিশুরা বড়দের চাইতে ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়; তারা বাবা-মাকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়, উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে, নিজেকে গুটিয়ে রাখে, রাগ করে, অস্থির হয়ে উঠে কিংবা বিছানায় প্রস্রাব করে।

শিশুর মানসিক চাপজনিত এই প্রতিক্রিয়াগুলাের প্রতি আপনি সাহয্যের হাত বাড়িয়ে দিন, তাদের কথাগুলাে আন্তরিকতার সাথে শুনুন, তাদের প্রতি একটু বেশি মনােযােগী হােন।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শিশুরা বড়দের ভালােবাসা আর মনােযােগ একটু বেশি চায় শিশুদের কথাগুলাে মন দিয়ে শুনুন, তাদেরকে আশ্বস্ত করুন এবং তাদের প্রতি সদয় হয়ে কথা বলুন। যদি সুযােগ থাকে তবে শিশুকে খেলতে দিন এবং তাকে চাপমুক্ত রাখুন।

করােনা ভাইরাস সংক্রমণের সকল পর্যায়ে শিশুকে তার মা-বাবা এবং পরিবারের সাথেই রাখুন এবং তাদেরকে পরিবার বা যত্নপ্রদানকারীদের কাছ থেকে আলাদা করা থেকে বিরত রাখুন। হাসপাতালে ভর্তি, কোয়ারেন্টাইন বা যেকোনাে কারনে যদি আলাদা করতেই হয় তবে টেলিফোন বা অন্য মাধ্যমের সাহায্যে যােগাযােগ রক্ষা করুন এবং শিশুদের নিয়মিত আশ্বস্ত করুন। প্রতিদিনকার নিয়মিত রুটিন আর পরিকল্পনামাফিক কাজগুলাে যতদূর সম্ভব আগের মতই বজায় রাখার চেষ্টা করুন অথবা প্রয়ােজন হলে নতুন পরিবেশে রুটিনমত কাজ করে যেতে শিশুদের সাহায্য করুন।

শিশুকে তার বয়স উপযােগী করে প্রকৃত সত্য তথ্য প্রদান করুন, তাদেরকে প্রতিকূল পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিন এবং কিভাবে সে নিজেকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে পারবে এবং সংক্রমণ থেকে দূরে থাকবে সেগুলাে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলুন।

সংক্রমণের পরিণতি সম্পর্কে শিশুকে আগাম তথ্য জানিয়ে রাখুন এবং নিরাপত্তার বিষয়ে তাকে আশ্বস্ত করুন। যেমন – শিশু বা তার পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ বােধ করে এবং হাসপাতালে ভর্তির প্রয়ােজন হয় তবে সেটি শিশুকে আগে থেকে জানিয়ে দিন, সেই সাথে জানান যে এতে আতংকিত হবার কিছু নেই, তাদের সুস্থতার জন্য চিকিৎসক প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বিশ্লেষক ও তথ্যসূত্রঃ
ডাঃ তাসনোভা রহমান, সহযোগী অধ্যাপক (জনস্বাস্থ্য)

লেখক

DentalTimes

ডাঃ সালাহউদ্দীন আল আজাদ
অধ্যক্ষ, মেন্ডি ডেন্টাল কলেজ
ও মুখপাত্র, গ্লোবাল ডেন্টাল ফাউন্ডেশন।

Continue Reading
Click to comment

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়