Connect with us

পড়ালেখা

ঘরে বসেই ক্লিনিক্যাল ডেন্টিস্ট্রি ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন প্রস্তুতি

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব ও বিস্তার ঠেকাতে সবাই সীমিত আকারে বাহিরে বের হচ্ছেন। জনসমাগম এড়াতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে নেয়া হচ্ছে অনলাইন ক্লাস। পোস্ট গ্রাজুয়েশন বা স্নাতোকোত্তর পড়াশুনা চিকিৎসকদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর সেটির জন্য প্রয়োজন প্রচুর পড়াশোনা এবং অধ্যবসায়।

কিন্তু গ্রাজুয়েশন বা স্নাতক পাশ করার পর অনেক চিকিৎসক কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন তাই সময় নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই অনলাইনে প্রস্তুতির জন্য গত ০৬ ই নভেম্বর পিওর ব্যসিক তাদের এন্ড্রয়েড অ্যাপ “Pure Basic” প্রকাশ করে । উদ্বোধন আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক ডাঃ সারওয়ার বিপ্লব এবং প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য মেন্টারগণ।

প্রতিষ্ঠানটির অফিসেই কেক কেটে অ্যাপটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ সারওয়ার বিপ্লব। পরবর্তীতে পিউর বেসিকের যাত্রার শুরু গল্প সহ অ্যাপটির বিভিন্ন ফিচার তুলে ধরেন ।

তিনি বলেন, “পোস্ট গ্রাজুয়েশন পরীক্ষা যেমন এফসিপিএস, ডিডিএস, এমএস পরীক্ষার প্রস্তুতির সহায়ক হিসেবে এই অ্যাপটিতে থাকছে অনলাইন রেকর্ডেড ক্লাস যেই ক্লাসগুলো শিক্ষার্থীরা যেকোন সময় স্মার্টফোন থেকে দেখতে পারবেন ঘরে বসেই। পাশাপাশি PDF আকারে ক্লাসনোট, সাপ্তাহিক জুম লাইভ ক্লাস, এছাড়াও প্রয়োজনীয় রেফারেন্স বই এর ডাউনলোড করার সুযোগ, পাশাপাশি অনলাইনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোন সময় যেকোন টপিকে পরীক্ষা দেয়া ও ফলাফল এর ব্যবস্থা।”

এছাড়াও Pure Basic অ্যাপ এ BDS চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থী, ইন্টার্নী ও চিকিৎসক সবার জন্য ক্লিনিক্যাল ডেন্টিস্ট্রি বিষয়ক আলোচনামূলক ভিডিও থাকবে। Pure Basic ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে অন্যান্য তথ্যসমূহ।

Pure Basic অ্যাপটি গুগোল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

নোটিশ

FCPS এবং MCPS পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বাড়লো

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

মে এফসিপিএস পার্ট-১, এফসিপিএস মিড টার্ম, প্রিলিমিনারি এফসিপিএস পার্ট-২, এফসিপিএস পার্ট-২ (ফাইনাল), এফসিপিএস (সাব-স্পেশালিটি) ও এমসিপিএস পরীক্ষার অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও ফি জমা দেয়ার সময় আগামী ১৯ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গতকাল ১৫ নভেম্বর রবিবার, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স এন্ড সার্জনস এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটিতে আরো জানানো হয়, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এর হার্ড কপি জমা দেয়ার শেষ সময় আগামী ২২ নভেম্বর ২০২০ বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এছাড়া, ব্যাংক মারফত ফি জমা দেয়া কোনো পরীক্ষার্থী যদি ফি জমা দেয়ার ব্যাংক স্লিপ সময়মত অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সফটওয়ারে আপলোড দিতে অপারগ হন তাহলে তাঁরা কলেজ ক্যাশ সেকশন এ ১০০০ টাকা বিলম্ব ফি প্রদান পূর্বক কলেজের পরীক্ষা বিভাগে ব্যাংক স্লিপ আপলোড করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে নিয়ে যোগাযোগ করে পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি গ্রহণ করতে পারবেন।

এই সুযোগ গ্রহণের শেষ সময় আগামী ২২ নভেম্বর ২০২০ বিকাল ৩:০০টা পর্যন্ত।

DentalTimes

Continue Reading

জাতীয়

অ্যাপসের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার চিন্তা বিশ্ববিদ্যালগুলোর

Avatar

Published

on

DentalTimes

পরীক্ষা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। অনলাইন মাধ্যমে এ ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। একটি অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে বা অফলাইনে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে।

শনিবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম। রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল ওই সভায় দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অংশগ্রহণ করেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, করোনা মহামারির কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অনার্স পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপাচার্যরা।

উপাচার্যদের সংগঠন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম শনিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোনাজ আহমেদ নূরের উদ্ভাবিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা নেয়া কঠিন হওয়ায় উপাচার্যরা অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার দিকে জোর দিয়েছেন। আজকের সভায় পরীক্ষা নেয়ার মতো উপযোগী একটি ডামি (নমুনা) সফটওয়্যার উপস্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। সফটওয়্যারটি তৈরির কাজ শেষ হলে সেটি সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে অনুমোদন নিয়ে তা কার্যকর করা হবে।

বৈঠক সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিলের পর জিপিএর ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যে দাবি উঠেছিল সেটি নাকচ করে দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সশরীরে পরীক্ষা না নিয়ে অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোনাজ আহমেদ নূর জাগো নিউজকে বলেন, সমন্বিত পদ্ধতিতে কৃষি, প্রকৌশলী এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভাবে পাঁচটি ধাপে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। তার মধ্যে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং মানবিক বিভাগের জন্য তিনটি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা নেয়ার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। এটির নামকরণ করা হয়েছে ‘প্রক্টর রিমোট এক্সাম সিস্টেম (প্রোকয়াস)’। এটি ব্যবহার করে ভর্তি পরীক্ষা ও অভ্যন্তরীণ একাডেমিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে অনলাইনে বা অফলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এ জন্য একটি অ্যাপস তৈরি করা হবে। সেটি মোবাইল বা কম্পিউটারে ডাউনলোড করতে হবে। পরীক্ষা শুরুর আগে অটোমেটিক পরীক্ষার্থীর অবস্থান ভিডিও, অডিও এবং স্টিল ছবি উঠে যাবে। সকল কিছু রেকর্ড ধারণ হয়ে থাকবে বলে কোনো ধরনের অসাধুপন্থা অবলম্বন করা সম্ভব হবে না। যদি কেউ তা করার চেষ্টা করে তবে ভিডিও ও অডিও ধারণের মাধ্যমে তা ধরা পড়বে। এ ধরনের প্রমাণ মিললে তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

মোনাজ আহমেদ বলেন, সম্পূর্ণ দেশীও প্রচেষ্টায় সফটওয়্যার এবং অ্যাপস তৈরি কর হবে। এতে খুব বেশি ব্যয় হবে না। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি বিনামূল্যে দেয়া হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও এর মাধ্যমে পরীক্ষা নিতে পারবে। এর মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা এবং শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেয়াও সম্ভব। এটি তৈরিতে যা ব্যয় হবে তা ইউজিসির কাছে চাওয়া হবে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভায় সকল সিদ্ধান্ত ইউজিসির সঙ্গে সভা করে উপস্থাপন করা হবে। সেখানে যে সিদ্ধান্ত হবে তা নিয়ে আবারও উপাচার্যরা বৈঠক করে ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

এমএইচএম/বিএ/জেআইএম

Continue Reading

পড়ালেখা

উন্নত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশে গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করা উচিত

DENTALTIMESBD.com

Published

on

মাহিদলে নিজের অভিজ্ঞতা ও সাম্প্রতিক বিষয়ে আলোচনা

ডেন্টিস্ট্রির উচ্চতর ডিগ্রী নেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রচুর চিকিৎসক দেশে থেকে বিদেশের মাটিতে পাড়ি জমান । ভাষাগত জটিলতার কারণে বাংলাদেশ থেকে গিয়ে থাইল্যান্ডে পড়ালেখা বা চিকিৎসা সেবা দেয়ায় অনেকের আগ্রহ্য কম। কিন্তু থাইল্যান্ডে ডেন্টিস্ট্রিতে ক্যারিয়ার তৈরীর অনেক সুযোগ রয়েছে এমনটাই ডেন্টাল টাইমসকে জানান, বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও কলেজটির এলামনাই এসোসিয়েশনের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নাদিয়া সুলতানা সূবর্ণা। যিনি ২০১৭ সালে বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডে পাড়ি জমান। ডেন্টাল টাইমসের সাথে থাইল্যান্ডের মাহিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা, কর্মজীবন, শিক্ষাব্যবস্থা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপের মূলঅংশ তুলে ধরেছেন আফিয়া মাহমুদা খান

১.আপনার শৈশব ও শিক্ষা জীবন সম্পর্কে আমরা জানতে আগ্রহী ।

প্রথমেই আমি ধন্যবাদ দিতে চাই ডেন্টাল টাইমসকে আমাকে এত সুন্দর একটা প্লাটফর্মে এসে আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আমার শৈশব কেটেছে পুরান ঢাকায়। বলতে গেলে হৈচৈ উৎসব আমেজের মধ্যে ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছি। আমি এসএসসি পাস করেছি অগ্রণী স্কুল থেকে এবং এইচএসসি পাস করেছি বদরুন্নেসা কলেজ থেকে। যৌথ পরিবার থেকে আমার বেড়ে ওঠা। আমার বড় ভাই বোনেরা পড়াশোনার প্রতি যথেষ্ট সিরিয়াস ছিল। তখনকার সময়ে তারা স্ট্যান্ড করত। তাদেরকে দেখেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহটা জমে ওঠে।

২. বর্তমানে আপনি বাংলাদেশ থেকে শিক্ষাবকাশ নিয়ে থাইল্যান্ডে পড়াশোনা করছেন আমরা সবাই জানি। থাইল্যান্ডে আপনার শিক্ষা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে শেয়ার করুন পাঠকদের সাথে৷

আমি যখন বাইরে পড়ালেখা করার কথা ভাবছিলাম তখন এমন ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ খুঁজছিলাম, যেখানে উন্নত মানের ক্লিনিক্যাল প্রাক্টিস করা সম্ভব। পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম যে মাহিদল ইউনিভার্সিটি সাউথ এশিয়ার মধ্যে ক্লিনিক্যাল কাজের জন্য ওয়ান অফ দা বেস্ট ইনস্টিটিউশন। কারণ এখানে শিক্ষার জন্যে এত সুন্দর বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে যে, তুমি যদি কাজ করতে আগ্রহী হও তাহলে তোমাকে যথেষ্ট কাজ করার সুযোগ দেয়া হবে। এখানকার প্রফেসর, লেকচারার, স্টাফরা তোমাকে কাজের সময় খুবই সহজ করে নিবে এবং যথাসাধ্য সাহায্য করবে।

৩. পোস্টগ্র্যাজুয়েশন করতে গিয়ে থাইল্যান্ডে কেমন প্রতিবন্ধকতার স্বীকার হতে হয়েছে? কিভাবে ওভারকাম করলেন?

প্রথমেই আমি বলব থাই ভাষা একটা বিশাল প্রতিবন্ধকতার কারণ। তুমি এখানে কাজ করতে পারবে তখনই যখন তুমি থাই ভাষায় কথা বলতে পারবে। সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা পরিবেশে পেশেন্টের উপর কাজ করা প্রথমদিকে একটু কষ্টকর ছিল। আমাদের দেশের সাথে এ দেশের প্র্যাক্টিস করার ধরণটা একটু ভিন্ন। কাজগুলো খুব কাছ থেকে অবজার্ভ করে করতে হয়েছে। যেহেতু আমার আগের কিছু অভিজ্ঞতা ছিলো কনসাল্ট ডিপার্টমেন্টে কাজ করে, তাই পরবর্তীতে আমার জন্য এখানে কাজ করাটা একটু সহজ হয়ে গিয়েছিল।

৪. বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ড দুই দেশের মধ্যে ভালো ক্যারিয়ারের সুযোগ কোথায় বলে মনে হয়? কেন?

ভালো ক্যারিয়ারের প্রসঙ্গ আসলে আমি বলব বাংলাদেশ পোস্টগ্রাজুয়েশনের জন্য যে ডিগ্রীগুলো আছে যেমন এফসিপিএস, এমএস,ডিডিএস এগুলোতে একটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে চান্স পাওয়া এবং পরবর্তীতে পাস করে বের হয়ে আসা কম কষ্টসাধ্য নয়।

অন্যদিকে, থাইল্যান্ডে ক্যারিয়ার গঠন করতে চাইলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। এখানে ক্লিনিক্যাল এবং গবেষণা দুইদিকে সমভাবে ক্যারিয়ার তৈরি করা সম্ভব। ক্লিনিক্যাল কাজের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তবে হ্যাঁ, গবেষণাভিওিক পড়ালেখার ক্ষেত্রে আমি বলব বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে আছে। এক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশে গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপর গুরুত্বারোপ করা উচিত

DentalTimes

৫.থাইল্যান্ড – এ ক্লিনিক্যাল প্র্যাক্টিস করার সময় মজার কোন অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

আসলে মাহিদলের প্রত্যেকটা দিনের ক্লিনিকই আমার কাছে একটা মজার অভিজ্ঞতার। আমি যখন থাইদের স্বরভঙ্গি করে থাই ভাষায় কথা বলতাম তখন রোগীরা আমার দিকে অবাক করে তাকিয়ে থাকতো আর ভাবতো, যে কিভাবে একজন বহিরাগত ব্যাক্তি থাই ভাষায় এত সুন্দর করে স্বরভঙ্গি কথা বলতে পারে। এই বিষয়টা আমার কাছে খুব মজার লাগতো।

আর হ্যাঁ টিমওয়ার্কের অভিজ্ঞতাটাও খুব মজাদার ছিল আমি বলব। কারণ তারা কখনোই আমাকে বহিরাগত হিসেবে মনে করেনি। সব সময় একটা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে কাজ করেছি আমি।

৬. থাইল্যান্ডের মানুষ ডেন্টিস্ট্রি এর ব্যাপারে কেমন সচেতন? এর পেছনের কারণ কি?

থাইল্যান্ডের মানুষ যথেষ্ট দন্ত স্বাস্থ্য সচেতন। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সেবা প্রদান এবং জনস্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে এখানকার স্বাস্থ্যবিদগণ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। এখানকার রোগীরাও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে গাফিলতি করে না। কিন্তু বাংলাদেশের আর্থসামাজিক দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় যে রোগীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া চিকিৎসা সেবা নিতে ইচ্ছা পোষণ করে না। আমাদের দেশে এই বিষয়টিতে সচেতনতা জোরদার করা উচিত।

DentalTimes

৭. থাইল্যান্ডের ডেন্টিস্ট্র শিক্ষাব্যাবস্থা সম্পর্কে সংক্ষেপে ধারণা দিন।

থাইল্যান্ডের প্রথম সারির ইউনিভার্সিটি গুলোর মধ্যে রয়েছে – Mahidol University, Walailak University, Chulalongkorn University, Chiang Mai University। এরমধ্যে Mahidol এবং Walailak University তে ব্যাচেলর এবং পোস্ট গ্রাজুয়েশন দুটো প্রোগ্রামই আছে।

পোস্ট গ্রাজুয়েশনের ভর্তি হওয়ার জন্য:

  • IELTS ৬-৬.৫ স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ধরা হয়,
  • ২ টা রিকমেন্ডেশন লেটার,
  • ইন্টার্নশিপ শেষ করে সংশ্লিষ্ট ফিল্ডে ছয় মাস বা এক বছরের ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা দরকার হবে।মাহিদল সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে এটির ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। Mahidol University তে মেজর সাব্জেক্ট গুলোর মধ্যে রয়েছে:
  1. Advanced General Dentistry,
  2. Oral and Maxillofacial Surgery,
  3. Endodontics,
  4. Community Dentistry,
  5. Oral Medicine,
  6. Oral and Maxillofacial Radiology,
  7. Prosthodontics,
  8. Pediatric Dentistry

অ্যাডভান্সড জেনারেল ডেন্টিস্ট্রি তে সবক্ষেত্রেই জেনারেল প্র্যাকটিস করতে পারবে।রুট ক্যানেল থেকে শুরু করে ইমপ্ল্যান্ট, এক্সট্র্যাকশন, ইম্প্যাকশন, অর্থডোনটিক ট্রিটমেন্ট এর মধ্যে মৌলিক কিছু কাজ করানো হয়। সাউথ এশিয়ার মধ্যে সর্ববৃহৎ এন্ডোডোনটিক্স মাইক্রোস্কোপিক ট্রেনিং এর কাজ শেখানো হয় এখানে।

কেউ যদি অ্যাডভান্সড জেনারেল ডেন্টিস্ট্রিতে পোস্টগ্রাজুয়েশন করতে চায়, তবে সে এখানে সব ফিল্ডের জেনারেল প্র্যাকটিস করতে পারবে। রুট ক্যানেল থেকে শুরু করে ইমপ্ল্যান্ট, এক্সট্রাকশন, ইম্প্যাকশন অর্থডোনটিক ট্রিটমেন্ট এর মত মৌলিক কিছু কাজগুলো করানো হয়। এখানে ওরাল রেডিওলজিতে ডিজিটাল ইমেজিং, এক্সট্রাওরাল এবং ইন্ট্রাওরাল ইমাজিনেশন টেকনোলজি, আল্ট্রাসাউন্ড অ্যাডভান্স ইমেজিং,থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং,ফেসিয়াল স্ক্যান এগুলোর ওপর পড়াশোনার পাশাপাশি হাতের কাজ শেখানো হয়।

মাস্টার্স ইন ইমপ্ল্যান্টোলোজী তিন বছরের একটা প্রোগ্রাম যেখানে দুই বছর মাহিদলে থেকে পরে ফাইনাল ইয়ারের সময় জার্মানিতে নিয়ে যাওয়া হয় ক্লিনিক্যাল কাজগুলো শেখানোর জন্য। এই প্রোগ্রামটি কিছুটা ব্যয়বহুল হওয়ায় কারো পক্ষে যদি ইমপ্ল্যান্টোলোজীর উপর মাস্টার্স করা সম্ভব না হয় তাহলে সে এন্ডোডোনটিক্স এর ওপর মাস্টার্স করতে এসে ইমপ্ল্যান্ট বেসড কোন থিসিস ওয়ার্ক করতে পারবে। এতে এন্ডোডোনটিক্স এবং ইমপ্ল্যান্টের একটা কম্বাইন্ড কোর্স করা হয়ে যাবে।

৮. মাহিদল ইউনিভার্সিটিতে কোর্স খরচের ব্যাপারে বিস্তারিতভাবে আমরা জানতে চাই আপনার কাছ থেকে।

মেজর সাবজেক্টগুলোর মধ্যে ক্লিনিক্যাল কাজের পাশাপাশি থিসিস ওয়ার্ক এবং ইন্টারভেনশনাল কাজগুলো যেহেতু এখানে বিস্তৃতভাবে করানো হয় তাই কোর্সের খরচ গড়ে ১৮ থেকে ২৫ লাখ টাকা লেগে যায়। ইমপ্লান্টওলজি কোর্স কিছুটা এক্সপেন্সিভ হওয়ায় মোট ৪০ লাখ টাকা খরচ পরে। ওরাল বায়োলজির উপর কোর্স খরচ হলো ১৭-১৮ লাখ টাকা।

আর শর্ট কোর্স বলতে অবজারভেশনাল কোর্স বোঝায় যেখানে সরাসরি রোগীর উপর ক্লিনিক্যাল কাজ করতে দেয়া হয় না এবং কোর্সের খরচও ৬-৭ লাখ টাকা লেগে যায়। কোর্সের সময়কাল হিসেব করলে দেখা যায় যেহেতু টাকার পরিমানটা বেশি, তাই আমাদের বাংলাদেশিদের জন্য এখানে শর্ট কোর্স করা খুব একটা লাভজনক বলে আমি মনে করিনা। আর স্টুডেন্টসদের জন্য   থাকা খাওয়া এবং অন্যান্য খরচ সহ প্রতিমাসে মোট ১৮০০০-২০০০০ থাই বাতের মতো খরচ হবে।

৯. থাইল্যান্ডের পোস্টগ্র্যাজুয়েশন অথবা পিএইচডি শেষ করে থাইল্যান্ড/বাংলাদেশ /অনান্য দেশে কাজের সুযোগ কেমন?

থাইল্যান্ডের পোস্টগ্রাজুয়েশন শেষ করে যেকোন জায়গায় অ্যাপ্লাই করা যাবে। কারণ এখানকার সার্টিফিকেটকে যথেষ্ট প্রাধান্য দেয়া হয়। থাইল্যান্ডে ক্লিনিক্যাল প্রাক্টিস করার লাইসেন্স সাধারণত দেয়া হয় না কারণ লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে হলে থাই ভাষাটাকে ওদের স্বরভঙ্গিতে ভালো করে রপ্ত করতে হবে। যেটা বহিরাগতদের পক্ষে সম্ভবপর হয় না। কিন্তু এখানে একাডেমিক ফ্যাকাল্টিতে লেকচারার, রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ও কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

১০. শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ করে ক্লিনিক্যাল ভিত্তিক পড়ালেখায় উন্নতর প্রযুক্তি ব্যবহারে থাইল্যান্ড কতটুকু এগিয়ে?

থাইল্যান্ডে শুধুমাত্র চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নয় যেকোনো ক্ষেত্রে তারা সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রাখে। এখানে প্রতিটি ক্ষেত্রে হাইলি রিসোর্সফুল অ্যাডভান্স টেকনোলজি ব্যবহার সর্বত্র বিদ্যমান। অর্থগনেথিক সার্জারিতে উন্নত প্রযুক্তির সফটওয়্যার, থ্রিডি বায়োপ্রিন্টিং, ফেসিয়াল স্ক্যান , যথেষ্ট উন্নতর টেকনোলজির সাপোর্টের ব্যবহার বলাই বাহুল্য। আমাদের মাহিদলে এক্সপেরিয়েন্সড স্পেশালিস্ট, অ্যাডভান্সড টেকনোলজি, হাইলি প্রফেশনাল অ্যাটিটিউড সবকিছু মিলে একটা প্যাকেজের সুবিধা পাওয়া যাবে।

১১. থাইল্যান্ডে পারমানেন্ট রেসিডেন্সি পাওয়ার কি কোনো সুযোগ আছে?

থাইল্যান্ডের পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি পাওয়া কিছুটা কমপ্লিকেটেড কারণ এখানে তিন বছর একনাগাড়ে থাকা লাগবে, সাথে থাই ভাষা শিখতে হবে এবং পরিবারের প্রতি জনের জন্য টাকার একটা অ্যামাউন্টও দেয়া লাগবে।

ফ্রান্সে ডেন্টিস্ট্রির উচ্চশিক্ষা : যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন

১২. বাংলাদেশের ডেন্টিস্ট্রি এবং ডেন্টাল পড়ালেখায় কোন কোন দিকগুলোতে নীতিনির্ধারকদের বিশেষ দৃষ্টি দেয়া জরুরী বলে আপনি মনে করেন৷

আমি বলব

  • ডেন্টিস্ট্রি শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে কিনা এই বিষয়টা খতিয়ে দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে দক্ষ নীতিনির্ধারকদের শিক্ষাব্যবস্থার নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান যাতে বজায় থাকে এই বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে।
  • যে যেই ফিল্ডে স্পেশালাইজড সে যেন সংশ্লিষ্ট ফিল্ডে তার জ্ঞান বাস্তবায়ন করে। আমি যেমন ওএমএসে স্পেশালাইজড। আমি সার্জারি ফিল্ডে আমার জ্ঞানটাকে ভালো করে কাজে লাগাতে পারবো, কনজারভেটিভ বা প্রস্থডোনটিকস ফিল্ডে নয়।
  • আমাদের কিছু বাঙালীদের মধ্যে স্বজনপ্রীতি খুব জোরালোভাবে কাজ করে। নীতিনির্ধারকদের এই বিষয়টিতে একটু পর্যবেক্ষণ করে দেখা উচিত। নিজস্ব পেশায় সৎ থেকে যদি এগিয়ে যাওয়া যায় তাহলে দিন শেষে স্বজনপ্রীতির ট্যাগ লাগানোর কোন প্রয়োজন পড়ে না।
  • আমাদের দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার কথা চিন্তা করে ডেন্টিস্ট্রি ফিল্ডে অনেক উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলেও যাতে বেসিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়। না হলে আমরা উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না।
  • আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ফিল্ডের শিক্ষকদের সাথে সম্পর্ক ভালো করে পাস করার টেনডেনসি দেখা যায়। একজন শিক্ষক যদি তার প্রফেশনাল অ্যাটিটিউড বজায় রাখে তাহলে এই সমস্যা গুলো দেখা যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
  • পড়াশোনা বা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতিবান্ধব দুর্নীতিকে প্রাধান্য দেয়ার পরিবর্তে যদি সঠিক জ্ঞান কে প্রাধান্য দেয়া হয় তাহলে হয়তো সবাইকে এক কাতারে সামিল করা যাবে।

১৩. দন্ত চিকিৎসার ব্যপারে বাংলাদেশের মানুষদের সচেতনতার প্রচুর ঘাটতি রয়েছে৷ এই অসচেতনতার কারণ কি বলে মনে হয়?

সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আমাদের নীতিনির্ধারক এবং স্বাস্থ্যবিদগণদের এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যবিদগণ যদি কমিউনিটি বেসড স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি এবং সাশ্রয়ী মূল্যে দন্ত চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এগিয়ে আসেন তাহলে হয়তো জনসাধারণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

১৪. আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সার্জারি ফিল্ডে কাজ করতে যেয়ে মেয়েদের অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সেখানে স্বামী সন্তান থাকা সত্ত্বেও আপনি এই ফিল্ডে স্পেশালাইজড ডিগ্রি নিয়ে সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিবন্ধকতাগুলো কাটিয়ে উঠতে মেয়েদের কী করা উচিৎ বলে আপনি মনে করেন?

প্রথমেই আমি বলব প্রবল ইচ্ছাশক্তির কথা। প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি আমাকে সব সময় তাড়া করত। সবসময় মনে রাখতাম সামনে যতই প্রতিবন্ধকতা আসুক না কেন হাসি মুখে সব বাধা পেরোতে হবে। আজকালকার মেয়েদের মধ্যে ধৈর্যশক্তির খুব অভাব দেখা যায়। আমি নিজেও একজনের স্ত্রী এবং দুইটা ছেলের মা। নিজের পড়ালেখা এবং কাজের পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেওয়া দিতে হয় আমার। আমি বলব কখনো হাল ছেড়ে দিবেনা। প্রতিকূল পরিবেশকে ধৈর্য ধরে অনুকূলে আনতে হবে। পারিবারিকভাবেও অনেক প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে। অর্ধৈয হয়ে হাল ছেড়ে দিয়ে আসলে কখনো সফলতা অর্জন করা যায় না। পরিবার যদি তোমার ইচ্ছাকে প্রাধান্য না দেয় তাহলে ধৈর্য ধরে পরিবারকে বোঝাতে হবে। দেখবে একটা সময় পর এসে ঠিকই তোমাকে বুঝবে।

১৫. সচেতনতা বৃদ্ধিতে মিডিয়ার ভুমিকা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ?

সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ডেন্টিস্ট্রি ফিল্ডে নয় বরং সব ফিল্ডেই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে মিডিয়া। মিডিয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির সাথে সাথে স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ মানুষের কাছে সহজলভ্য উপায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।

১৬. ডেন্টাল টাইমস নিয়ে আপনার মূল্যায়ন।

ডেন্টিস্ট্রি ফিল্ডের স্বাস্থ্যশিক্ষা ও চিকিৎসা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো তাদের নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে চমৎকার উপায়ে প্রকাশ করে যাচ্ছে ডেন্টাল টাইমস যা যথেষ্ট প্রশংসার দাবিদার।

তিন কথা

৩ জন ডেন্টিস্ট্রির বন্ধু যাদের সাথে যোগাযোগ নেই কিন্তু এখনো মিস করেন।

  • ডাঃ শাফিন , নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে এমপিএইচ করে এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মরত আছেন।
  • ডাঃ শম্পা, আর্মি মেডিকেল মেডিকেল কলেজের লেকচারার হিসেবে কর্মরত আছেন।
  • ডাঃ নুসরাত কবির মিশুকা , জাপানের পিএইচডি করে ওখানে ফ্যাকাল্টি মেম্বার হিসেবে কর্মরত আছেন।

ডেন্টিস্ট্রিতে ৩ জন কিংবদন্তি ব্যক্তির কথা বলুন যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছে।

অনেকেই আছেন যারা আমাকে সার্জারি পেশায় কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছেন। তবে প্রথমেই আমি বলব

  • ডাঃ রাজন কর্মকার স্যারের কথা। স্যারের মারা গিয়েছেন দেড় বছর হল। বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজে ওএমএস এর ডিপার্টমেন্টাল হেড ছিলেন। স্যারের কাছেই আমার সার্জারি পেশায় হাতেখড়ি হয়েছিল।
  • ওএমএসের লিভিং লিজেন্ড ডাঃ মতিউর রহমান মোল্লা স্যারের কথা।
  • ডাঃ গোলাম মহিউদ্দিন স্যার । স্যারকে আমি যথেষ্ট সম্মান করি এবং আমি নিজেও অনেক অনুপ্রানিত হই স্যারের কাজ দেখে।

৩টি পয়েন্টে – বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডে পোষ্টগ্র্যাজুয়েশনের ক্ষেত্রে কি কি বিশেষ সুবিধা রয়েছে?

  • ক্লিনিক্যাল এবং গবেষণা দুটো ক্ষেত্রেই সমান তালে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ।
  • দক্ষ স্পেশালিস্ট, হাইলি প্রফেশনাল অ্যাটিটিউড অ্যাডভান্সড টেকনোলজিকাল সাপোর্ট, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে পড়ালেখা করার সুযোগ।
  • একাডেমিক এবং ক্লিনিক্যাল শিক্ষার পাশাপাশি সিপিআর, ফায়ার ফাইটিং, অ্যাডভান্সড ডিজিটাল লিটারেসি, এফেক্টিভ প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি বিষয়ে সফট স্কিল ট্রেনিং পাওয়ার সুযোগ।

৩টি পয়েন্টে – পোস্টগ্র্যাজুয়েশনের জন্য বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের করণীয়।

  • থার্ড এবং ফাইনাল ইয়ার থেকেই নিজের লক্ষ্যস্থির করতে হবে যে কোন ফিল্ডে স্পেশালাইজ ডিগ্রি অর্জন করতে চাই। ইন্টার্নশিপের সময়টাকে খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়ে ক্লিনিক্যাল কাজগুলো শিখতে হবে।
  • চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে ফ্রেশ মাইন্ডে ধৈর্যসহকারে পড়ালেখা করতে হবে । একবার চান্স না পেলে ও দুই তিনবার অন্তত চেষ্টা করা উচিত। হাল ছেড়ে দেয়া যাবে না।
  • বাইরের দেশে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করতে চাইলে আগে লক্ষ্য স্থির করতে হবে যে কোন ফিল্ডে কাজ করতে চাই। তারপর সেই সংশ্লিষ্ট ফিল্ডে ভালো মানের পোস্টগ্রাজুয়েশন কোন দেশে করানো হয় সেটা খোঁজ নেওয়া উচিত। কোন শর্টকাট পন্থা অবলম্বন না করে একটু দেরি হলেও সঠিকভাবে খোঁজখবর নিয়ে যায় তারপর বাইরের জন্য এপ্লিকেশন করা উচিত।

Continue Reading

জনপ্রিয়

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks