Connect with us

Uncategorized

করোনা চিকিৎসা : মঙ্গলবার চালু হচ্ছে ‘চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল’

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিদিনই প্রাণ কাড়ছে মানুষের। দিন দিন অবনতি হচ্ছে চট্টগ্রামের করোনা পরিস্থিতিও। এর মাঝেই এই অঞ্চলের মানুষের জন্য সু-সংবাদ শোনালেন চট্টগ্রামের সন্তান ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া। তার উদ্যোগ ও নাভানা গ্রুপের সহায়তায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) চালু হচ্ছে ‘চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল’।

রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মুঠোফোনে চট্টগ্রামবাসীকে এ সু-সংবাদ দেয়ার কথা জানান হাসপাতালের উদ্যোক্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া।

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসীর জন্য সু-সংবাদ হলো, স্বল্প সময়ে হলেও রাতদিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করে আমরা করোনা চিকিৎসায় আমাদের ফিল্ড হাসপাতালের প্রস্তুতি শেষ করেছি। আজ দুপুরে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হাসান শাহরিয়ার কবির ও নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম হাসপাতালের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন। ইতোমধ্যে হাসপাতালের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সেটআপ ও প্রশাসনিক আরও কিছু কাজ আগামীকালের মধ্যে শেষ করে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) চালু হচ্ছে ‘চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল’। সেদিন থেকে আমরা রোগী ভর্তি নেব।’

কারা দেবেন চিকিৎসা

চট্টগ্রামের কয়েকজন তরুণ চিকিৎসক নিজেদের উদ্যোগেই এই হাসপাতাল পরিচালনা করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাদের সহায়তা করবেন একঝাঁক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী।

ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া বলেন, ‘করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে আমরা ইতোমধ্যে ১০ সদস্যের চিকিৎসক টিম গঠন করেছি। এছাড়া পাঁচজন নার্স ও তিনজন চিকিৎসা সহকারী আমাদের সহায়তা করবেন। এর বাইরে আনুষঙ্গিক কাজে সহায়তা করতে তৈরি আছে ১০০ জনের একটি স্বেচ্ছাসেবক দল।’

jagonews24

তিনি বলেন, ‘এসব চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবকরা করোনা রোগীদের স্বেচ্ছায় চিকিৎসাসেবা দেবেন। যেহেতু এ যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে নিজের জীবনের ওপর আসতে পারে চরম ঝুঁকি, তাই কোনো ক্ষতি হলে বা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবার এবং আমি বাধ্য থাকব। এক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট কাউকে দায়ী করা যাবে না- এমন অঙ্গীকার দিয়েই তারা সেবা দিতে আসছেন।’

কতজন পাবেন চিকিৎসা

করোনা চিকিৎসায় চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় নাভানা গ্রুপের পক্ষ থেকে ভূমি ও ভবনসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে সহযোগিতা করছে। এছাড়া বিভিন্ন শিল্প গ্রুপ এবং সাধারণ মানুষের সহায়তা নিয়েই ফিল্ড হাসপাতালের প্রস্তুতি চলছে।

jagonews24

ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া বলেন, ‘আপাতত আমরা ৩৭টি বেড স্থাপন করছি। এছাড়াও থাকছে ৫টি ভেন্টিলেটর। একটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি মাইক্রোবাস আছে রোগী ও চিকিৎসক পরিবহনে। ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে। ইতোমধ্যেই আমরা চিকিৎসক, নার্স ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছি। আপাতত আমরা রোগীদের আইসিইউ সুবিধা দিতে পারব না। তবে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জন মহোদয়ের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। প্রয়োজনে জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ সুবিধা নিতে পারবেন রোগীরা।’

উদ্যোগের পেছনের কথা জানাতে গিয়ে নাভানা গ্রুপের ব্যবস্থাপক আরফাদুর রহমান বলেন, ‘২৯ মার্চ বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রামে হাসপাতাল করার প্রস্তাব দেন নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি আপনারা পারেন তাহলে দেখেন। এরপর আমরা ডা. বিদ্যুৎ দাদার সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগকে সঙ্গে নিয়ে ফিল্ড হাসপাতাল চালুর জন্য কাজ করছেন।’

পাবলিক হেলথ ফ্যাকাল্টি হিসেবে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করা ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া উদ্যোগের শুরুর সময়কার ভাবনা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঢাকায় যখন আকিজ ও বসুন্ধরা ফিল্ড হাসপাতাল করার ঘোষণা দিল, তখন অনুভব করলাম আমার চট্টগ্রামেও এমন কিছু হওয়া প্রয়োজন। কারণ করোনা এক বা দুদিনের বিষয় নয়। তাই সাধারণ হাসপাতালগুলোতে এর চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। যদি এসব হাসপাতালে করোনা রোগীকে সেবা দেয়া হয় তবে সাধারণ রোগীরা সেবা বঞ্চিত হবেন।’

jagonews24

‘সেই চিন্তা থেকেই চট্টগ্রামে বিভিন্নজনের সঙ্গে আলাপ শুরু করলাম। পরে ফেসবুকে দেয়া আমার একটি স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে নাভানা গ্রুপ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমি বিত্তবানের কাছে যাইনি। ইতোমধ্যেই আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হয়েছেন লক্ষাধিক ব্যবহারকারী। একশ টাকা করে দিলে এক লাখ সাধারণ মানুষে এক কোটি টাকা হয়, খুব অসম্ভব কি? সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগের প্রাণশক্তি। তারাই সাহস জুগিয়েছে সবচেয়ে বেশি। এগিয়ে এসেছে মানুষ, নানা রকমের চিকিৎসা উপকরণ পাঠাচ্ছে সহযোগিতা হিসেবে’- বলেন ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া।

আবু আজাদ

আরো পড়ুন

Advertisement
Click to comment

Uncategorized

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এআই টুল ‘ বিটকরোনা ‘

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ‘বিটকরোনা’ নামের করোনা শনাক্তকারী কৃত্তিম বৃদ্ধিমত্তা টুল তৈরি করেছে দেশি সফটওয়্যার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন । তাদের দাবি, করোনাবট এবং এক্স-রে ইমেজ অ্যানালাইসিস টুল উন্নত উপায়ে ও দ্রুতগতিতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না, তা নিজে থেকে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

ইজেনারেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবহারকারী নিজেই কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত কি না, সেই সিদ্ধান্ত যাতে নিতে পারেন, এ জন্য ইজেনারেশন করোনাবটকে সেলফ-টেস্টিং টুলস হিসেবে তৈরি করেছে। এটি ব্যবহারকারীকে নিজে থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে আইসোলেশনে থাকতে উৎসাহ দেয়।

এটি স্বাস্থ্যকর্মীদের সময় বাঁচাতে পারে। ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন বুঝতে পারা এবং সেটির যথাযথ উত্তর দেয়ার জন্য করোনাবটটিতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করা হয়েছে। বটটি ইংরেজি, বাংলা এবং বাংলা ভাষাকে ইংরেজি অক্ষরে লেখা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

এর পাশাপাশি ইজেনারেশন মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এক্স-রে ছবি বিশ্লেষণী টুল তৈরি করেছে যা বুকের এক্স-রে ছবি দেখে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণে কার্যকর হতে পারে। এই টুল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা সুস্থ আছেন কিনা, মৃদু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কিনা অথবা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটি জানা যাবে। ইজেনারেশন বিটকরোনা (http://beatcorona.egeneration.co/) ওয়েবসাইটে গিয়ে এক্স-রে ছবি আপলোড করলে টুলটি ফলাফল দেখাবে

ইজেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, ‘ইজেনারেশন বিগত দুই বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা সফটওয়্যার ও অ্যানালিটিক্স নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির যে সক্ষমতা আমাদের তৈরি হয়েছে, সেটি ব্যবহার করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের এই সল্যুশনগুলি আমরা স্বল্প সময়ে তৈরি করতে পেরেছি।’

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

মির্জাপুরে নারীসহ আরও দুইজনের করোনা পজিটিভ

DENTALTIMESBD.com

Published

on

মির্জাপুরে নারীসহ আরও

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারীসহ আরও দুইজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের কামাড়পাড়া গ্রামের ৫৫ বছরের এক নারী ও জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা গ্রামের ৩০ বছরের এক যুবক।

আক্রান্ত ওই নারী ঢাকায় বোনের বাসায় এবং যুবক ঢাকায় জুয়েলারি দোকানে থাকতেন। ২৬ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মীরা ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান। এরমধ্যে তাদের ওই দুইজনের করোনা পজিটিভ ও চারজনের নেগেটিভ আসে বলে স্বাস্থ্যকর্মী এজাজুল হক হাসান রাত সাড়ে এগারোটায় জানিয়েছেন।

এর আগে ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের পলি ক্লিনিকের সিনিয়র ওটি বয় অখিল চন্দ্র সরকারের করোনা পজিটিভ হলে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে ২৪ এপ্রিল বাড়ি আসেন।

এ পর্যন্ত মির্জাপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫২ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরমধ্যে ১৪৯ জনের করোনা নেগেটিভ ও ৩ জনের পজিটিভ আসে।

উপজেলা প্রশাসন রাতেই তাদের ঢাকায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো এবং আশপাশের অর্ধশত বাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

করোনা আক্রান্তের ১১ ভাগ স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

চিকিৎসক-নার্সসহ ৬৬০ জন স্বাস্থ্যকর্মী মরণব্যাধী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

Dental Times

সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক করোনা মহামারীতে বাংলাদেশও গভীর সংকটের সম্মুখীন। আজ সোমবার পর্যন্ত দেশের করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১৩ জন এবং মারা গেছেন ১৫২ জন। 

এতে আরও বলা হয়েছে, করোনা যুদ্ধের সম্মুখ সারির যোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ সেবাদানকারীগণ আশঙ্কাজনকভাবে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত ২৯৫ জন চিকিৎসক, ১১৬ জন নার্স ও ২৪৯ জন অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬০, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। 

চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবাদানকারী ব্যক্তিগণ এই হারে আক্রান্ত হতে থাকলে আগামীতে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। 

তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত প্রস্তাবনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানায় বিএমএ। এগুলো হলো:

১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড হাসপাতালে নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য সঠিক মানের পিপিই, এন-৯৫ বা এর সমমানের মাস্ক প্রদান করা জরুরি। 
২. নন-কোভিড হাসপাতালের প্রবেশদ্বারে ট্রায়াজ সিস্টেম চালু করে সেখানে কর্মরত সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপযুক্ত পিপিই, এন-৯৫ বা সমমানের মাস্ক প্রদান নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। 
৩. সকল সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন, প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ ও হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

Continue Reading

Uncategorized

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াল, আক্রান্ত আরও ৪৯৭

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামাহারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৫২ জনের মৃত্যু হলো। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৯৭ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ১৯২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে তিন হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪০১টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪৯৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও সাতজন, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫২ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩১ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ সাত হাজার। তবে পৌনে নয় লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

দেশে করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট (27.04.2020)

Continue Reading

Uncategorized

করোনা ঠেকাতে চীন থেকে আসছে ৪ সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম

DENTALTIMESBD.com

Published

on

চীন থেকে আসছে ৪ সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম

বাংলাদেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ঠেকাতে চীন থেকে চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম ঢাকায় আসছেন। দেশে মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম (এপিডেমিক প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম) তৈরির জন্য এই দলটি রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং সরকারের অন্যান্য এজেন্সির সঙ্গে কাজ করবে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) চীনে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান গণমাধ্যকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এই দলটির সবাই চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিনোভাশিও সংস্থায় কর্মরত। এই সংস্থাটি মহামারি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য চীন সরকারকে সফলভাবে সহায়তা করেছিল।’ ইতোমধ্যে তারা ভিসা পেয়ে গেছেন এবং বাংলাদেশে তারা তিন মাস অবস্থান করবেন।

মাহবুব উজ জামান জানান, এপিডেমিক প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের কাজ হচ্ছে মহামারির তথ্য সংগ্রহ করে একটি দ্রুত মডেলিং তৈরি করা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণ এজেন্সি ও স্থানীয় পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের কাছে গবেষণালব্ধ তথ্য পৌঁছে দেওয়া। এর মাধ্যমে নব্য আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার পদ্ধতিও আছে।

এর আগে রোববার চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘চিকিৎসক, নার্স এবং প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞদের একটি চীনা চিকিৎসা দল ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার জন্য বাংলাদেশে আসছে।’ শুধু তাই না, পুরোপুরি চীনা অর্থায়নে গড়া চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রকে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য একটি অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তর করা হবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

চীনা চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ দল ইতোমধ্যে ইরান, ইরাক, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, পাকিস্তান এবং আফ্রিকার অন্যান্য মুসলিম দেশে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন অদ্যাবধি নিরীক্ষা কিট, টিউব, ভেন্টিলেটর, মাস্ক, থার্মোমিটার, গগলস এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার সরঞ্জামসহ লাখ লাখ চিকিৎসা সামগ্রী ও উপকরণ প্রদান করেছে।’

বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা আরও একবার!’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীনা কোম্পানিগুলো এবং জ্যাক মা ফাউন্ডেশন ও আলিবাবা ফাউন্ডেশনের মতো দাতব্য সংগঠনগুলোও বাংলাদেশকে বিপুল সংখ্যক চিকিৎসা সামগ্রী ও উপকরণ দিয়েছে। রোহিঙ্গা ভাই- বোনদের জন্য টনকে টন চালবাহী কার্গোগুলো চট্টগ্রাম পৌঁছেছে। বাংলাদেশে বৃহৎ প্রকল্পগুলোতে সংশ্লিষ্ট চীনা কোম্পানিগুলো করোনা পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সব অসুবিধা ও হতাশার পরেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমি আপনাদের আবারও নিশ্চিত করছি যে, আরও ভালো ও অংশীদারিত্বমূলক ভবিষ্যতের জন্য এই মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চীন বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বের পাশে দাঁড়িয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাবে।’

Continue Reading

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks