Connect with us

জাতীয়

চার দফা দাবীতে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

পরীক্ষা বাতিলসহ সেশনজটের প্রতিবাদে আন্দোলন করেছেন সাধারণ মেডিকেল এবং ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর মহাখালীতে কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনের রাস্তা, আমতলী মোড় অবরোধ করেন। মেডিকেলের ১ম, ২য় ও ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আদায়ে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পেশাগত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বিশ্বব্যাপী যখন করোনার সেকেন্ড ওয়েভ (দ্বিতীয় ঢেউ) চলছে তখন পরীক্ষায় বসলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি হবে। এ কারণে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে রাজি নন।

Dental Times

শিক্ষার্থীরা বলছেন, শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করলেও তারা পুলিশের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। তবুও যথাযথ কর্তৃপক্ষ হতে দাবি আদায়ের লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল শিক্ষা বিভাগের পরিচালক জানান, “ এই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে আগামী সপ্তাহের মধ্যে জানিয়ে দেয়া হবে ।”

রাজধানী ছাড়াও টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই আন্দোলন কর্মসূচি পালন হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই চর দফা দাবীতে গত ১ নভেম্বর রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। তাদের চারটি দাবী গুলো হলো:

  • করোনাকালীন সময়ে ঝুঁকি নিয়ে সেকেন্ড ওয়েভ এর মহামারীর মধ্যে প্রফ নয়।
  • সেশনজট নিরসন করে যথা সময়ে কোর্স সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • প্রাইভেট মেডিকেল কলেজগুলোয় করোনায় কার্যক্রম বন্ধ থাকাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৬০ মাসের অতিরিক্ত বেতন নেওয়া যাবে না।
  • করোনাকালীন সময়ে আমরা শিক্ষার্থীরা কোনভাবেই স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিতে রাজি নই। কোন শিক্ষার্থী প্রফ দিতে এসে করোনায় আক্রান্ত হলে এর দায়ভার কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।
Dental Times

আন্দোলনে অংশ নেয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া সেকেন্ড ওয়েভের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় মেডিকেলের পেশাগত পরীক্ষা ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা দেয়ার আগে আবাসিক হলগুলোতে এক মাস অবস্থান করার বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, প্রতিটি হলে একটি রুমে তিন-চারজন করে শিক্ষার্থী থাকেন। এ অবস্থায় তারা কেউ আক্রান্ত হলে এর দায়ভার কর্তৃপক্ষ নেবে না। কেউ আক্রান্ত হলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ফলে শিক্ষার্থীরা ছয় মাস পিছিয়ে পড়বে। তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য দাবি জানান।

বেসরকারি মেডিকেলের একজন শিক্ষার্থী জানান, গত সাত মাসে ক্লাস বন্ধ থাকার পরও স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশের পর প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধের নোটিশ দেয়া হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) শর্তানুসারে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নকালে ৬০ মাসের বেতন পরিশোধ করতে হবে। সেক্ষেত্রে করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও বেতন আদায় এবং পরে অতিরিক্ত ক্লাস করানো হলে সেজন্য টাকা আদায় করবে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। একদিকে সেশনজট অন্যদিকে অতিরিক্ত বেতন পরিশোধ, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি-এসব কারণে পরীক্ষা দিতে চান না তারা।

Advertisement
Click to comment

জাতীয়

উত্তরাধিকার বলে মামার পর ‘ভাগ্নে’ও এখন চিকিৎসক !

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

পাস করে নয়, আবার ট্রেনিং নিয়েও নয়। চট্টগ্রাম নগরীজুড়ে অন্তত শতাধিক ‘দাঁতের ডাক্তার’ আছেন, যারা ‘ডাক্তার’ সেজে বসেছেন উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ‘দেখে দেখে’। মুদি দোকানের কর্মচারী কিংবা ক্লিনিকের পিয়ন যেমন দেখে দেখে ‘ডাক্তার’ বনে গেছেন, তেমনি ‘ডাক্তার’ দাদার চেয়ারে এখন নাতনিই ডাক্তার সেজে বসছেন, বাবার পর ছেলে নিয়েছেন ‘ডাক্তারির’ গুরুদায়িত্ব। পারিবারিক এই অদ্ভূত চিকিৎসা-ব্যবসায় মামার চেম্বারে ভাগ্নে, চাচার ক্লিনিকে ভাতিজাই রীতিমতো ডাক্তার বনে ‘দাঁতের চিকিৎসা’ দিয়ে চলেছেন।

এদের বেশিরভাগই পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে এখন ‘দন্ত চিকিৎসক’— সাধারণভাবে ‘ডেন্টিস্ট’ হিসেবেই পরিচিতি তাদের। একই পরিবার থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে আসা এসব ‘ডেন্টিস্ট’ চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন স্থানে করে যাচ্ছেন দন্তচিকিৎসার রমরমা ব্যবসা। চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘি, পতেঙ্গা, ইপিজেড, আগ্রাবাদ, চকবাজার, মুরাদপুর, জামালখানসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এরকম বহু কথিত ডেন্টিস্টের খোঁজ মিলেছে— চিকিৎসার নামে যারা দাঁতের রোগীদের পকেট কাটছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এদের বেশিরভাগেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা বড়জোর এসএসসি। কয়েকজন আছেন এইচএসসি পাশ। অনেকে আবার স্কুলের গণ্ডিও পেরোতে পারেননি। কিন্তু তারাই ‘দাঁতের ডাক্তার’ সেজে নগরীতে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

এদের অপচিকিৎসার শিকার হয়ে দাঁতের চিকিৎসা করাতে এসে সহজ-সরল অনেক মানুষ ট্রান্সমিশন ডিজিসের শিকার হয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন হেপাটাইসিস বি ও সি-তে।

দাদার চেম্বারে নাতনিই ‘ডেন্টিস্ট’

নগরীর লালদিঘি জেবি টাওয়ারের সরু গলির মধ্যে দোকান সাজিয়ে বসেছে ‘সুমন ডেন্টাল ক্লিনিক’। ছোট দুটি ঘরের একটিতে রোগী বসার জায়গা। অন্যটিতে রোগী দেখেন সুপ্রিয়া দেবী। তিনি সুমন ডেন্টাল ক্লিনিক মালিক সুমনের নাতনি। এইচএসসি পাস করার পর ফিরিঙ্গিবাজারের ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজির অধীনে ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স শেষে তিনি এখন দাঁতের চিকিৎসা দিচ্ছেন। সুপ্রিয়া দেবীর সহকারী টিনা চৌধুরী। নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা তার। দাঁত বাঁধানো, ক্যাপ, ব্রিজ, ক্যাপল, স্ক্যানিং, ফিলিংসহ আকাবাঁকা দাঁতের চিকিৎসা করা হয় সুমন ডেন্টাল ক্লিনিকে— জানান সুপ্রিয়া দেবী।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় ওই ‘ডেন্টাল ক্লিনিকে’ গিয়ে দেখা গেল, আজাদ নামে একজন এসেছেন দাঁতের রুট ক্যানেল করাতে। সুপ্রিয়া দেবী জানান, রুট ক্যানেলে খরচ পড়ে প্রথমে ৩ হাজার টাকা। এটি করতে রোগীকে ৪ থেকে ৫ বার আসতে হয়। প্রথমে দাঁত ওপেন বা খোলা, তিনদিন পর ড্রেসিং, দ্বিতীয় বার এক্সরে করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে রোগীদের ড্রেসিং, ক্যালসিয়াম ড্রেসিং, অ্যান্টিবায়েটিক ড্রেসিং দেওয়া হয়। তারপর রোগীর দাঁতে পরানো হয় ক্যাপ।

মুদি দোকানের চাকরি ছেড়ে ‘ডেন্টাল ক্লিনিক’

লালদিঘিতেই শুধু নয়, নগরীর অন্য জায়গাতেও আছে এমন দন্তচিকিৎসকের উপদ্রব। নগরীর আগ্রাবাদের চৌমুহনী ‘শেফা ডেন্টাল কেয়ারে’ দাঁতের চিকিৎসা দেন কামাল হোসেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী। তিনি আগে কর্ণফুলী মার্কেটে মুদি দোকানে সাড়ে চার হাজার টাকার বেতনে চাকরি করতেন তিনি। ওই মুদি দোকানের মালিকের মেয়ে জামাইয়ের ডেন্টাল ক্লিনিক ছিল লালদিঘিতে। ১৫-১৬ বছর আগে পরিচয়ের সেই সূত্র ধরে ওই ক্লিনিকে তার আসা-যাওয়া। সেখানে কিছুদিন হাতেকলমে শিখে তিনি চৌমুহনীতে ‘শেফা ডেন্টাল কেয়ার’ নামের ক্লিনিক খুলে বসেন। এখন তিনি দাঁত তোলা, বাধাই ও স্কেলিং ও ফিলিংয়ের কাজ করে থাকেন। তার ভিজিট প্রথমবার ৩০০ টাকা এবং পরে আসলে ২০০ টাকা।

নগরীর আসকারাবাদ পার হয়ে ঈদগাঁও কাঁচা রাস্তার মোড়ে ১০ বছর ধরে দাঁতের ডাক্তারি করছেন সুজা ইসলাম। তিনিও হাইস্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। ঢাকায় এক ডেন্টাল কেয়ারে একসময় চা-পানি আনার কাজ করতেন। সেখানে থাকতে থাকতেই তার দাঁতের ডাক্তার হওয়া— জানান সুজা ইসলাম। ছোট্ট একটা ঘরে বসে রোগী দেখেন তিনি। রোগীদের দাঁত তোলা ও বাঁধাইয়ের কাজ করেন। পাশেই একটি মুদি দোকান। সেটি তার ছোট ছেলে রায়হানের।

মামার পর ভাগ্নেও এখন ‘ডাক্তার’

লালদিঘি পাড়ের সুমন ডেন্টাল ক্লিনিকের পাশেই প্রাইম ডেন্টাল ক্লিনিক। এখানে ৭ থেকে ৮ বছর ধরে রোগী দেখেন রমেন বড়ুয়া। তিনি টেকনিশিয়ান। আগে এখানে ‘চিকিৎসা’ দিতেন দিলীপ চৌধুরী। দিলীপ সম্পর্কে রমেনের মামা। মামার পর এখন উত্তরাধিকারসূত্রে ভাগ্নে অবতীর্ণ হয়েছেন ডাক্তারের ভূমিকায়। রমেন বড়ুয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস। তবে রমেন দাবি করেছেন, দাঁত বাঁধাই, রুট ক্যানেল, স্কিলিং, ফিলিংসহ দাঁতের যাবতীয় চিকিৎসার কাজই তিনি জানেন। তবে প্রাইম ডেন্টাল ক্লিনিকে দাঁতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় কোনো যন্ত্রপাতিই দেখা যায়নি।

অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে ‘ডেন্টিস্ট’ দিলীপের আধঘন্টার অপেক্ষা

লালদিঘির এই একই মার্কেটে পাওয়া গেল দন্তচিকিৎসার আরও একটি দোকান— দন্তসেবা প্লাস ক্লিনিক। ঢাকা থেকে ডিপ্লোমা করেছেন দাবি করে এর মালিক দিলীপ বড়ুয়া জানান, এখানে বয়স্ক ব্যক্তিদের দাঁত তুলে দাত বাঁধানোর কাজ করা হয়। চিকিৎসা পদ্ধতি বলতে গিয়ে তিনি জানান, প্রথমে বৃদ্ধ রোগী আসলে তার রোগ সম্পর্কে জানেন। তারপর নিজেই অ্যানেসথেসিয়া (সার্জারির সময় অজ্ঞান করা) দিয়ে রোগীকে অজ্ঞান করেন। আধঘন্টা অপেক্ষা করার পর রোগীর শরীর অবশ হয়ে গেলে তিনি তখন বৃদ্ধ রোগীর দাঁত তুলে ফেলেন। তবে যেসব বয়স্ক ব্যক্তি মদ্যপান করেন, আনেসথেসিয়া দেওয়ার পরও তারা অজ্ঞান হন না বলে জানান ‘ডেন্টিস্ট’ দিলীপ। এমন রোগীদের তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। তবে অন্য রোগীদের জ্ঞান ফেরে ঘন্টাখানেক পর— এমন তথ্য জানিয়ে দিলীপ জানান, রোগীর জ্ঞান ফেরার পর রোগীর হাতে প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দেন তিনি। ৭ থেকে ১০ দিনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ লিখে দেন প্রেসক্রিপশনে। দুই মাস পর আবার রোগীকে আসতে বলেন। পরে রোগী আসলে তারপর রোগীর দাঁত বানিয়ে লাগিয়ে দেন মাড়িতে। পুরো এই চিকিৎসা প্রক্রিয়া চালিয়ে নিতে রোগীর কাছ থেকে বড় একটা অংকের অর্থ নেন বলে জানান দিলীপ বড়ুয়া। সাধারণত ১৫ থেকে ১৭ হাজারের মধ্যে দাঁতের এই চিকিৎসা হয়ে থাকে বলে জানান তিনি।

লালদিঘিতেই কেবল জনাত্রিশেক ‘দন্ত চিকিৎসক’

জানা গেছে, লালদিঘির পাড়ে ২৮ থেকে ৩০ জন টেকনিশিয়ান রয়েছেন যারা নিয়মিত দাঁতের রোগী দেখে থাকেন। তারা যে ছোট ঘরটাতে রোগী দেখেন তাকে ‘ক্লিনিক’ বলে চালালেও দাঁতের চিকিৎসায় যেসব যন্ত্রপাতি দরকার তার ন্যূনতম কিছুই নেই।

সরেজমিন ঘুরে এসব চেম্বারে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অধিকাংশ টেকনিশিয়ান নিজেদের ‘ডেন্টিস্ট’ পরিচয় দিলেও কাজের কাজ তারা কিছুই বোঝেন না। রোগীকে রুট ক্যানেল না করিয়ে দাঁতের ক্যাপও লাগিয়ে দেন বলে অভিযোগ রোগীদের।

‘চীনা ডাক্তারের পুরাতন লোক’

লালদিঘির পশ্চিম পাড়ের স্মৃতি ডেন্টাল কেয়ারে রোগী দেখেন নুর হোসেন। তার ভিজিটিং কার্ডে লেখা তিনি সিভিল সার্জন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। কার্ডে আরও লেখা নূর হোসেন মো. মানিক ‘চীনা ডাক্তারের পুরাতন লোক’।

আমানত ডেন্টাল কেয়ারে রোগী দেখেন মো. ইমরান। তার নেমপ্লেটে লেখা আছে ‘চাইনিজ ডাক্তার টেকনিশিয়ান’। এর কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে ইমরান জানান, তার বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ লালদিঘি মোড়ে চাইনিজ ডেন্টাল ক্লিনিকের টেকনিশিয়ান ছিলেন। তার বাবা মারা গেছেন ১০ থেকে ১২ বছর হবে। এসএসসিতে ফেল করার পর তিনি বাবার চেম্বারে বসতে শুরু করেন। দাঁত বাঁধাইয়ের কাজ করেন তিনি। যেসব রোগীর দাঁত পড়ে যায়, তাদেরকে তিনি ফলস (নকল) দাঁত লাগিয়ে দেন। প্রথমে দাঁতের আকৃতি নিয়ে ডাইস বানিয়ে রাসায়নিক পাউডার মিশিয়ে ফলস দাঁতগুলো গরম পানিতে সেদ্ধ করেন। এরপর দাঁত লাগিয়ে দেন রোগীকে।

‘এমবিভিডিএডিডি’ ডিগ্রি মানে ‘মেম্বার অব ভিলেজ ডক্টর’

লালদিঘির পশ্চিম পাড়ে নবগ্রহ বাড়ি মন্দিরের পাশে পূবালী ডেন্টাল ক্লিনিকে রোগী দেখেন জিকে বড়ুয়া। তার ভিজিটিং কার্ডে লেখা আছে ‘এমবিভিডিএডিডি’। জিকে বড়ুয়ার কাছ থেকে এর পূর্ণ রূপ হিসেবে জানা গেছে— ‘মেম্বার অব ভিলেজ ডক্টর’।

এই দোকানের ঠিক পাশেই পূরবী ডেন্টাল কেয়ারে রোগী দেখেন ডেন্টিস্ট প্রকৃত রঞ্জন বড়ুয়া। তিনি বলেন, এই চেম্বারটি আগে ছিল তার জেঠা বা বাবার বড় ভাইয়ের। জেঠার সহকারী হিসেবে তিনি কাজ করতে গিয়ে দাঁতের চিকিৎসা শিখে ফেলেছেন। তার ফি ৩০০ টাকা। তিনি দাঁত বাঁধাই, স্কেলিং ও ফিলিংয়ের কাজ করেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা তার এসএসসি।

দূরত্ব ১০০ গজ, তবু নেই অ্যাকশন

সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে লালদিঘির দূরত্ব প্রায় ১০০ গজ। তবু কেন কথিত ডেন্টিস্টদের বিরুদ্ধে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না— সে বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি জানান, ‘এর আগে কথিত ডেন্টিষ্টদের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে অ্যাকশনে যাওয়া হয়েছিল। মোটা অংকের টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল। কিন্তু করোনার সময়ে বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে বিষয়টি নিয়ে কিছু করা হয়নি।’ তবে এদের বিরুদ্ধে আবারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি।

ট্রান্সমিশন ডিজিসের শিকার হচ্ছে অনেকেই

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল ডেন্টাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ডা. সরওয়ার কামাল মুঠোফোনে চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘ডাক্তার বলে দাবি করলেও এসব কথিত দাঁতের ডাক্তার যথাযথ চিকিৎসা জানে না। যেমন একজন রোগীর দাঁতে রুট ক্যানেল করা যাবে না। কিন্তু তারা সেটাই করে। অনেক ক্ষেত্রে রুট ক্যানেল না করেও প্রাথমিক পর্যায়ে ফিলিং করে দিলে হয়। কিন্তু তারা রুট ক্যানেল করায় কিছুদিন পর রোগীর ক্ষত স্থানে ইনফেকশন তৈরি হয়। পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে রোগীর মাড়িকে ক্ষতিগ্রস্থ করে।

তিনি বলেন, ‘লালদিঘী, পতেঙ্গা, ইপিজেড, আগ্রাবাদ, চকবাজার, মুরাদপুরসহ নগরীর যেখানে-সেখানে গড়ে উঠা এসব কথিত দাঁতের ডাক্তারের চেম্বারে এমনকি স্টেরিলাইজেশন কিংবা অটোক্ল্যাপ মেশিনও নেই। ফলে রোগীরা দাঁতের চিকিৎসা করাতে এসে ট্রান্সমিশন ডিজিসের শিকার হয়ে হেপাটাইসিস বি ও সি-তে আক্রান্ত হন।’

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলে (বিএমডিসি) নিবন্ধিত চট্টগ্রামের চিকিৎসক ডা. খোরশেদুল ইসলাম চট্টগ্রাম প্রতিদিনকে বলেন, ‘যারা বিএমডিসি কর্তক নিবন্ধিত চিকিৎসক, তারাই ডেন্টিস্ট। অলিগলির এসব কথিত ডেন্টিস্টের কোনো লাইসেন্সও নেই। কথিত এই ডাক্তারদের কাছে গিয়ে রুট ক্যানেলের পর ইনফেকশন হয়, মাড়ি ফুলে যায়। অনেক সময় ক্ষত স্থান থেকে রোগীর দাঁতে ক্যান্সারেরও সৃষ্টি হয়।’

ডেন্টিস্ট্রি পড়ানো হয় শুধু ৩৫ টি ডেন্টাল কলেজ/মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে চারটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় – ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর চিকিৎসা অনুষদে ডেন্টিস্ট্রি অধিভুক্ত আছে। যার অধীনে বাংলাদেশের ৯টি সরকারি ও ২৬টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ/ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারী (বিডিএস) পড়ানো হয়। বিডিএস ডিগ্রী অর্জনের পর প্র্যাকটিস করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে সনদ নিতে হয়। এর জন্য সফলভাবে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করতে হয়।

চট্টগ্রাম প্রতিদিন থেকে পরিমার্জিত

Continue Reading

জাতীয়

শিক্ষার দক্ষতা যাচাইয়ে ফ্রেমওয়ার্কের অনুমোদন দিল মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

দেশের সব ধরনের শিক্ষাব্যবস্থার দক্ষতা নিশ্চিত ও যাচাইয়ের জন্য ‘ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক’র অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই ফ্রেমওয়ার্কে দেশের সব শিক্ষাব্যবস্থাকে দুটি অংশের মাধ্যমে মোট ১০ ধাপে ভাগ করে একীভূত শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নের কাজ করা হবে।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে বাংলাদেশ কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্কের স্টিয়ারিং কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্কের অনুমোদন দেয়া হয়।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, উচ্চশিক্ষার জন্য ইউজিসি কর্তৃক ২০১৯ সালে প্রণীত ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক অব বাংলাদেশ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক ২০২০ সালে প্রণীত বাংলাদেশ কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্কের সমন্বয়ে একটি অভিন্ন ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। এটিকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে অবিহিত করা হবে।

কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক অনুমোদন লাভের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল তার কার্যক্রমে গতিশীলতা পাবে। সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষাকে একীভূত করা হবে। প্রথম ভাগে শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধারার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংশোধনী সম্পন্ন করে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে বলে ইউজিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (মাউশি) সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান দুলাল কৃষ্ণ সাহা, ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী প্রমুখ সভায় যুক্ত ছিলেন।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

কওমি মাদ্রাসা বাদে দেশের অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করোনাকালীন ছুটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার৷ শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়৷

সেখানে বলা হয়, ‘‘শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করে ছু‌টি বাড়া‌নোর সিদ্ধান্তের কথা জানান৷ ছুটি চলাকালে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে৷’’

বাংলাদেশে করোনাভাইসের কারণে কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ আছে৷ করোনা প্রকোপ কিছুটা কমে আসায় এবং এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করে গত ২৩ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে বলেছিল৷

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, গতবছর এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হওয়ায় সংসদে আইন সংশোধনের সময় গত ২৪ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর প্রাথমিকভাবে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস হবে৷ বাকিরা সপ্তাহে এক দিন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্লাস করবে৷

কিন্তু সরকারের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে স্কুল খোলার সবুজ সংকেত পেতে অন্তত ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে৷ কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে গতবছর পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি৷

তবে শনিবার অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে৷ জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে এই ফল ঘোষিত হবে৷

Continue Reading

জাতীয়

বিএসএমএমইউতে টিকা নিলেন প্রতিমন্ত্রী সহ ১২৫ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আনন্দমুখর পরিবেশে করোনা টিকাদান কর্মসূচি চলছে। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টালের বিপরীতে বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স সেন্টারে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া প্রথম টিকা নিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক টিকা নেন। এরপর বেলা ১১টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান ও তথ্য সচিব খাজা মিয়া টিকা নেন।

বিএসএমএমইউয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার বেলা সোয়া ১১টায় জানান, ‘এখন পর্যন্ত ১২৫ জন করোনা টিকা নিয়েছেন।’

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. রফিকুল আলম (প্রশাসন), অধ্যাপক ডা. শাহানা আক্তার (শিক্ষা) ও অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন (গবেষণা), কোষাধক্ষ্য মো. আতিকুর রহমান এবং হাসপাতাল পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ আমিনও করোনা টিকা নিয়েছেন।

Dental Times

সকালে টিকা নেয়ার পর ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘টিকা নেয়াটা আমার সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব। আমাকে দেখে মানুষ আস্থা পাবে, সাহস পাবে। এখানে আজ অনেক লোক জড়ো হয়েছেন। গতকাল (বুধবার) পর্যন্ত মানুষের মনে সংশয় ছিল টিকা নেবেন কি-না। সংশয় কেটে যেতে শুরু করেছে। আমরা এটাই চাই।’

এদিকে টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বিপরীত পাশে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে সুসজ্জিত ভবনে করোনার টিকাদান কেন্দ্রে ৪টি বুথ সাজানো হয়েছে। টিকাদানে কয়েকটি বেডও বসানো হয়েছে। টিকাদান নিবন্ধনের জন্য বেশ ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে। করোনা ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে টিকা দেয়া হচ্ছে।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঁচজনকে টিকা দেয়া হয়। প্রথম টিকা নেন কুর্মিটোলা হাসপাতালের নার্স রুনু বেরুনিকা কস্তা।

এ দিন রুনু ছাড়া টিকা নিয়েছেন- চিকিৎসক আহমেদ লুৎফুল মোবেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের মতিঝিল বিভাগের কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ। সবমিলিয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে বিভিন্ন পেশার মোট ২৬ জনকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়।

Continue Reading

জাতীয়

বিএসএমএমইউতে প্রথম টিকা নিলেন উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রথম টিকা নিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দেশের দ্বিতীয় কেন্দ্র হিসেবে বিএসএমএমইউয়ে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি সুশৃঙ্খল করতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রথম টিকা নেওয়ার কারণ ব্যাখা করে অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, করোনার টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে, মানুষের মধ্যে ভীতি কাজ করছে। এ ভীতি দূর করতে স্বেচ্ছায় টিকা নিয়েছি।  

এদিকে, টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বিপরীত পাশে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে সুসজ্জিত ভবনে কভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রে ৪টি বুথ সাজানো হয়েছে। টিকাদানে কয়েকটি বেডও বসানো হয়েছে। টিকাদান নিবন্ধনের জন্য বেশ ভিড়ও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ কেন্দ্রে প্রথমে টিকা নেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। তারপর সকাল ১০টায় এ কেন্দ্রে টিকা নেওয়ার কথা রয়েছে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের।

এর আগে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে করোনা টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। সব মিলিয়ে প্রথম দিন ২৬ জনকে করোনার টিকা দেওয়া হয়।

Continue Reading
নর্থ ইস্ট মেডিকেল ডেন্টাল ইউনিটে ২য় ব্যাচের ইন্টার্ন শুরু
শিক্ষাঙ্গন2 hours ago

নর্থ ইস্ট মেডিকেল ডেন্টাল ইউনিটে ২য় ব্যাচের ইন্টার্ন শুরু

Dental Times
Dental Admission2 days ago

বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল

অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা
অর্জন4 days ago

গবেষণায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা

সমাজসেবায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান
অর্জন4 days ago

একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান

Dental Times
Dental Admission5 days ago

এপ্রিলের আগে ভর্তি পরীক্ষা নয় : ৩০ এপ্রিল ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তাব

Dental Times
জাতীয়5 days ago

উত্তরাধিকার বলে মামার পর ‘ভাগ্নে’ও এখন চিকিৎসক !

Dental Times
জাতীয়7 days ago

শিক্ষার দক্ষতা যাচাইয়ে ফ্রেমওয়ার্কের অনুমোদন দিল মন্ত্রণালয়

Dental Times
শিক্ষাঙ্গন1 week ago

খুলনায় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিল পাস

Dental Times
ঢাকা1 week ago

সাফেনা উইমেন্স ডেন্টাল কলেজে Intern Induction Program 21

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি1 week ago

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

বিএসএমএমইউতে টিকা নিলেন প্রতিমন্ত্রী সহ ১২৫ জন

Dental Times
পড়ালেখা2 weeks ago

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদনে ৪৩তম বিসিএসে আবেদন করা যাবে

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

বিএসএমএমইউতে প্রথম টিকা নিলেন উপাচার্য

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি স্কুল-কলেজ খোলা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে লিগ্যাল নোটিশ

Dental Times
ফিচার2 weeks ago

দাঁত ব্যথা : নিদারুণ এক যন্ত্রণার ইতিহাস

Dental Times
আন্তর্জাতিক3 weeks ago

বাংলাদেশে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষা চালাতে চায় ভারত: রয়টার্স

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি3 weeks ago

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিঠি

Dental Times
আন্তর্জাতিক3 weeks ago

দিল্লিতে করোনা টিকায় ৫২ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Dental Times
শিক্ষাঙ্গন3 weeks ago

স্যাসমেক ডেন্টাল ইউনিটে Intern Induction Program আয়োজন

Dental Times
ঢাকা1 week ago

সাফেনা উইমেন্স ডেন্টাল কলেজে Intern Induction Program 21

Dental Times
জাতীয়5 days ago

উত্তরাধিকার বলে মামার পর ‘ভাগ্নে’ও এখন চিকিৎসক !

অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা
অর্জন4 days ago

গবেষণায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা

Dental Times
Dental Admission2 days ago

বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল

Dental Times
জাতীয়7 days ago

শিক্ষার দক্ষতা যাচাইয়ে ফ্রেমওয়ার্কের অনুমোদন দিল মন্ত্রণালয়

সমাজসেবায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান
অর্জন4 days ago

একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান

Dental Times
শিক্ষাঙ্গন1 week ago

খুলনায় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিল পাস

Dental Times
Dental Admission5 days ago

এপ্রিলের আগে ভর্তি পরীক্ষা নয় : ৩০ এপ্রিল ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা প্রস্তাব

নর্থ ইস্ট মেডিকেল ডেন্টাল ইউনিটে ২য় ব্যাচের ইন্টার্ন শুরু
শিক্ষাঙ্গন2 hours ago

নর্থ ইস্ট মেডিকেল ডেন্টাল ইউনিটে ২য় ব্যাচের ইন্টার্ন শুরু

Advertisement

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks