Connect with us

Uncategorized

চিকিৎসক ছাড়াই দাঁতের চিকিৎসা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

মাহবুবুর রহমান টিপু, দোহার (ঢাকা): দোহারে দাঁতের চিকিৎসায় এক শ্রেণির লোকজন রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা সদরের যত্রতত্র গড়ে উঠেছে দাঁতের চিকিৎসার ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকে চিকিৎসার বদলে দাঁত স্কেলিং রুট ক্যানেল করা সহ সার্জারিও করছেন টেকনোলজিস্টরা। এসব অনিয়মের ব্যাপারে প্রশাসনের সংশ্নিষ্টদের কোনো তদারকি নেই বলে অভিযোগ করেছেন রোগীরা।

সরেজমিনে ও অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলা সদরে গড়ে ওঠা দাঁতের ক্লিনিকগুলোর অধিকাংশের চিকিৎসা সেবা নিম্নমানের। এসব ক্লিনিকে দন্ত চিকিৎসক ছাড়াই চলছে চিকিৎসা সেবা। পৌর এলাকার জয়পাড়ার আটটি দন্ত ক্লিনিক ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ চেম্বারে সেবা দিচ্ছেন ডেন্টাল টেকনোলজিস্টরা। চিকিৎসালয়গুলোতে দেখা মেলেনি ‘বিডিএস’ ডিগ্রিধারী কোনো চিকিৎসকের। অনেকগুলোর চেম্বার ঘুপচি, ঘরদোরও নোংরা।

জয়পাড়া হাইস্কুলের বিপরীতে অবস্থিত ‘ঢাকা ডেন্টাল কেয়ার-১’ এ গিয়ে দেখা হয় নাহিদ উদ্দিন এবং মো. মাহফুজ নামে দুই ব্যক্তির সঙ্গে। সেখানে বিডিএস ডাক্তার আছেন কি-না জানতে চাইলে মাহফুজ নাহিদকে দেখিয়ে বলেন, উনি বিডিএস ডাক্তার। কিন্তু নাহিদকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি বিডিএস ডাক্তার নই, আমাদের এখানে সপ্তাহে দুদিন ঢাকা থেকে বিডিএস ডাক্তার আসেন। তারাই রোগী দেখেন। আমরা শুধু হালকা কিছু কাজ করি। যেমন দাঁত তোলা, স্কেলিং করা ইত্যাদি।’ অপরদিকে জয়পাড়া মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের নিচতলায় অবস্থিত ‘সবুজ ডেন্টাল কেয়ার’ নামে আরেকটি ক্লিনিকে গিয়ে জানা গেল, সেখানে নেই কোনো চিকিৎসক। সেখানে বসে থাকা অনুপ দাস নামে এক ব্যক্তিকে আপনাদের এখানে বিডিএস ডিগ্রির চিকিৎসক সেবা দেন কি-না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই শাখায় কোনো বিডিএস চিকিৎসক নেই। কিন্তু অন্য শাখায় আছেন। তার কথামতো তাদের অন্য শাখা উপজেলা মার্কেটের দোতলায় গেলে সেখানেও পাওয়া যায়নি কোনো বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক। সেখানকার দায়িত্বে থাকা শেখর রায় নামে একজন জানালেন, ‘তিনি একজন ডেন্টিস্ট, ডিপ্লোমা কোর্স করেছেন। কিন্তু তিনি বিডিএস ডিগ্রিধারী নন।’ তিনি আরও জানান, সপ্তাহে দু’দিন ঢাকা থেকে বিডিএস চিকিৎসক আসেন। তারাই রোগীদের চিকিৎসা করেন। আর তিনি শুধু দাঁত স্কেলিং করেন। জয়পাড়া মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের পাশেই আরেকটি ক্লিনিক ‘মুক্তা ডেন্টাল কেয়ার-২’। দেখা গেল, সেখান থেকে সেবা নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন ৩ জন মধ্য বয়সী রোগী। সেখানে ঢুকে পাওয়া গেল নেপাল রায় নামে একজনকে। বিডিএস চিকিৎসক আছেন কি-না জানতে চাইলে তিনি তাদের প্রথম শাখায় যেতে বলেন। তার কথা মতো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রোডে অবস্থিত ‘মুক্তা ডেন্টাল কেয়ার-১’-এ গিয়ে দেখা যায় ঘুপচি একটি ঘরে দাঁতের চিকিৎসার দুটি চেয়ার বসানো। রোগী চেয়ারে বসার পর শুধু চিকিৎসকের দাঁড়ানোর জায়গাটুকু থাকে। চেম্বারটির মালিক গোপাল চন্দ্র রায় নিজে দাঁতের চিকিৎসক নন। বিডিএস চিকিৎসক আছেন কি-না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দাঁতের সার্জন রফিক উদ্দিন এখানে রোগী দেখেন।’ জয়পাড়ায় আরও অনেক ক্লিনিকে গিয়ে একই অবস্থা জানা গেল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের হিসাব বলছে, দোহারে দাঁতের ক্লিনিক আছে মোট ১৫টি, এর ১০টিই দোহার পৌর এলাকায় অবস্থিত। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, যাচাই-বাছাই করে শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারের ইউএনও কে.এম. আল-আমীন বলেন, এর আগে দাঁতের ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছিল। আবারও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়