Connect with us

স্বাস্থ্য

টেলিমেডিসিন : দূর্যোগে টেলিমেডিসিনের ভুমিকা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

বর্তমান সময়ে চিকিৎসাক্ষেত্রে খুবই জনপ্রিয় একটি শব্দ টেলিমেডিসিন। সাধারনভাবে টেলিমেডিসিন বলতে সবাই টেলিফোন বা মোবাইলে কল দিয়ে চিকিৎসা নেওয়া বুঝালেও পারিভাষিকভাবে “Telemedicine” এর অর্থ” দূর-চিকিৎসা”। চিঠিপত্র, ম্যাগাজিন, পত্রিকা, ফ্যাক্স, রেডিও, টিভি, টেলিফোন, ই-মেইল, মোবাইল, কম্পিউটার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষজন এ সেবা নিচ্ছে।।

খ্রীস্টপূর্ব ৫০০ বছর পূর্বেও গ্রীক, রোমানরা ডাক্তার এবং রোগীর শধ্যে চিঠিপত্রের মাধ্যেমে এ ধরনের চিকিৎসা নিতো। সে সূত্রানুসারে আজও এটি চলছে। তবে বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে এটিরও বেশ উৎকর্ষ সাধন হয়। বিশেষ করে টেলিফোন আবিষ্কার এর সাথে টেলিমেডিসিন এর খুব গুরুত্ব আমাদের সামনে চলে আসে।

সর্বপ্রথম ১৯৫৯ সালে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে University of Nebraska Medical School এবং State Mental Hospital আধুনিক পদ্ধতিটি নিয়ে আসে আমাদের সামনে। পরবর্তিতে NASA তাদের নভোচারীদের চিকিৎসার জন্য১৯৬০সালে এটি ব্যবহার করে। ১৯৭০-১৯৮০ এই সময়ে উন্নত বিশ্বে এটির ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে, বিশেষ গ্রামের লোকজনের চিকিৎসায়, সমুদ্রে অবস্থিত বিভিন্ন শীপের কর্মচারী -যাত্রীদের, নভোচারীদের, বিভিন্ন দুর্যোগকালীন সময়ে ছবি,পরীক্ষার রিপোট ইত্যাদির মাধ্যমে চিকিৎসায়।

আমাদের বাংলাদেশে ১৯৯৯সালে Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP) in Dhaka এবং ইংল্যান্ডের Royal Navy Hospital এর মধ্যে সর্বপ্রথম এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়। জুলাই ১৯৯৯সালে TRCL (Telemedicine Referance Centre Limited) এবং গ্রামীণ ফোন এটি নিয়ে আসে। ২০০০সালের দিকে শুরু হয় তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যে এই সেবা। এপ্রিল ২০০১ সালে Bangladesh Telemedicine Association) গঠিত হয়। ২০০৩ সালে BUET এবং Comfort Nursing Home এর মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৫ সালে গ্রামীন টেলিকম এবং বারডেম (BIRDEM) এ সুবিধা নিয়ে আসে সাধারন মানুষের জন্য। পরবর্তিতে এ কোম্পানি টি তাদের হেল্থলাইন নাম্বার ৭৮৯ নিয়ে আসে তাদের ব্যবহারকারূদের জন্য।

বর্তমানে দেশের ১৮টি সরকারি হাসপাতাল, অসংখ্য প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, গ্রুপ, , ডেন্টিস্ট ২৪ঘন্টা ধরে এ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বিনামূল্যে। বন্যা,ঘূণিঝড়,মহামারী ইত্যাদি দুর্যোগের সময় এটি বেশ ফলপ্রসু হয়। দ্রুত সময়ে রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে জরুরী অবস্থায় রোগীর প্রাথমিক সেবা দেওয়া সম্ভবপর হয়ে উঠছে।

এ সেবায় চিকিৎসক তার রোগীকে ক্লিনিক্যাল এক্সামিনেশন করে দেখতে পারে না , তাই অনেক সময় সঠিকভাবে রোগ বোঝা সম্ভব হয় না। তবে রোগী বা তার স্বজন যদি তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে পারে তবে প্রথমিক চিকিৎসা বা জরুরী মুহুর্তে করনীয় নির্ধারণ করতে পারে।

এ ধরনের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রথমেই রোগীকে নিচের তথ্যাদি দিতে হয়

রোগীর নাম,বয়স, পেশা, ওজন। শারীরিক সমস্যার বিস্তুরিত বর্ণনা যেমন: ব্যথা হলে, ব্যথার অনভূতি কেমন বেশি নাকি মোটামুটি, সহনীয় নাকি অসহনীয়, কত দিন ধরে, কখন বাড়ে বা কমে, ঔষধ খেলে কেমন লাগে ইত্যাদি। জ্বর, কাশি,শ্বাস কষ্ট, ফোলা,বমি, অচেতন ইত্যাদি উপসর্গেও বিস্তারিত বর্ণানা দিতে হয়।

রোগী সিগারেট,তামাকপাতা,জর্দা,গুল, সুপারি, এলকোহল ইত্যাদি নেশাদ্রব্য পান করেন কিনা। অন্য শারীরীক সমস্যা যেমন ডায়া্বেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হাইপারটেনশন, কিডনী, হা্ট, ফুসফুস, লিভারের কোনো রোগ, স্ট্রোক, ডায়ালাইসিস, অপারেশন, হরমোন, হেপাটাইটিস, এইডস, ক্যান্সার সহ ইত্যাদির কোনো রোগের হিস্টরি থাকলে তা বিস্তারিত জানানো খুবই জরুরী।

বর্তমানে কি কি ঔষধ খাচ্ছে?

প্রেগনেন্ট কিনা, ব্রেস্ট ফিডিং করাচ্ছেন কিনা(মহিলাদের জন্য)
কোনো ওষধে পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে নাকি ইত্যাদি তথ্য বিস্তারিতভাবে চিকিৎসক কে জানাতে হয়। তা নাহলে অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে চিকিৎসা দেয়া কঠিন হয়ে যায়।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আপনি ছোটখাটো প্রয়োজনে হাসপাতালে না গিয়েই বাসায় বসেই প্রযুক্তির আশীর্বাদস্বরূপ এই সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তাতে আপনিও নিরাপদ থাকলেন এবং গুরুত্বতর রোগীরা সেবা পেতে সহজ হয়।

লেখক

DentalTimes

ডাঃ মুহাম্মদ শোয়াইবুল ইসলাম অভি

গ্রন্থাগার ও প্রকাশনা বিষয়ক সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি, চট্রগ্রাম জেলা
সভাপতি, ডেন্টাল টাইমস সিআইডিসি শাখা
কনসালটেন্ট- অভি ডেন্টাল এন্ড ওরাল ট্রিটমেন্ট,চট্রগ্রাম

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

স্বাস্থ্য

সুবিধাবঞ্চিত মানুষের করোনা সচেতনতায় মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের ক্যাম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes
ছবি : ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একাংশ

নিসা আলী

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে চিকিৎসা সেবা পৌছে দিতে এবং তাদের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের সনামধন্য মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে অধ্যয়নরত কক্সবাজার জেলার শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত ২২ অক্টোবর, রোজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত হলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।

করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে তিন বেলা আহার জোটানো মুস্কিল, চিকিৎসা সেবা সেইখানে অপ্রত্যাশিত।কিন্তু চিকিৎসা সেবা পাওয়ার অধিকার, মৌলিক চাহিদা গুলোর মধ্য অন্যতম। এই অসহায় মানুষদের মধ্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তাই মেডিকেল শিক্ষার্থীদের এ আয়োজন।

আয়োজিত ক্যাম্পে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ,সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ,কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ এবং ডেন্টাল কলেজ গুলোর মধ্যে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ডেন্টাল,রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিট সহ আরো অনেক স্বনামধন্য মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে মেডিকেলে পড়ুয়া এসব শিক্ষার্থীরা প্রায় ৩০০ জনের ব্লাড গ্রুপিং, ৯০ জনের রেন্ডম ব্লাড স্যুগার, ২০০ জনের মতো ব্লাড প্রেসার এবং প্রায় ৩০০ জন কে ফ্রি মাস্ক বিতরন করে।

তাদের এই আয়োজনে অসহায় মানুষের সুবিধার জন্যে চোখে পড়ার মতো দুইটি বুথ ছিল। যেখানে একটি বুথে ছিল করোনা সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার এবং অপর একটি বুথে গ্রামের অসচেতন নারীদের মাঝে নারী স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা নিয়ে কাউন্সিলিং।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুর রহিম এবং ভেন্যু স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শফি উল্লাহসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

এদিকে কক্সবাজার জেলা থেকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল এন্ড ডেন্টালে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের এমন মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয়রা। এছাড়া, অসচেতন গ্রামের মানুষকে সচেতন করে গড়ে তুলার লক্ষ্যে যতবেশি এই ধরনের আয়োজন করা যায় তত ভালো হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

আরব আমিরাতে সবার আগে টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল রহমান আল ওয়াইস দেশটিতে জরুরি ভিত্তিতে দেওয়া করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।এ টিকা তৈরি করেছে চীনা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম। টিকাটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে। সেখানকার হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরীক্ষা করার পর টিকার ডোজ তৈরি করা হয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার দেশটিতে চীনা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের তৈরি টিকা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়।করোনার টিকা পরীক্ষা শুরু করার ছয় সপ্তাহ পরই তা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমতি দিয়েছে দেশটি।গত জুলাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোভিড-১৯ টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু করে সিনোফার্ম। এখনো টিকাটির পরীক্ষা শেষ হয়নি।

দেশটির ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি এক টুইটে বলেছে, টিকাটি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রতিরক্ষাকাজে নিয়োজিত প্রথম সারির নায়কদের দেবে তারা। পরীক্ষাধীন থাকা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ২১ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরীক্ষা চালানোসহ কয়েকটি মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে।দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএম সোমবার জানিয়েছে, টিকাটি শুরুতে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে টিকাটি নেন।আল ওয়াইস বলেছেন, আরব আমিরাত সম্মুখসারির নায়কদের জন্য সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে থাকার কারণে যেকোনো বিপদ থেকে তাঁদের রক্ষা করা হবে।সোমবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাটি সম্পূর্ণ আইন ও নিয়ম মেনে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণ হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর পরীক্ষার এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।আরব আমিরাতে চালানো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৩১ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে যুক্ত করা হয়।আরব আমিরাতে বসবাসকারী ১২৫টি দেশের নাগরিকেরাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।দেশটির চিকিৎসক নাওয়াল আল কাব্বি বলেছেন, পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফল উৎসাহব্যঞ্জক। এতে খুব সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে দেখা গেছে।আরব আমিরাতের চিকিৎসকেরা বলছেন, টিকা পরীক্ষার সময় বিভিন্ন রোগ ও জটিলতায় ভুগতে থাকা এক হাজার ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

তাঁদের কোনো মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এতে কেবল সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের মতো গলাব্যথার মৃদু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সিনোফার্ম প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের টিকা পরীক্ষা চালিয়েছিল চীনে। পরের ধাপের পরীক্ষার জন্য আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানকে বেছে নেয়।

সিনোফার্মের পক্ষ থেকে গত জুলাই মাসে আরব আমিরাতে টিকা পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পরীক্ষামূলক টিকাটির প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ সফল হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ সময় ২৮ দিনের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পর শতভাগ স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়।সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন হিসেবে যে টিকা তৈরি করা হয়, এতে মৃত ভাইরাস বা ভাইরাস থেকে সংগৃহীত প্রোটিন ব্যবহৃত হয়। টিকা তৈরির এ প্রক্রিয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ও হামের বিরুদ্ধে পরীক্ষিত।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

মুখ গহ্বরের কিছু বিরল রোগ: Angina Bullosa Haemorrhagica

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

ANGINA_BULLOSA_HEMORRHAGICA

এটা খুব বিরল ধরনের মুখ গহ্বরের রোগ।শতকরা ০.৫%মানুষের এই রোগ হয়ে থাকে।এই রোগে হঠাৎ করে মুখ গহ্বরের soft tissu তে কিছু রক্তপূর্ণ ফোস্কা দেখা যায় যা কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়,তারপর স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ফেটে যায় যা খুবই কষ্টদায়ক।

এটা সাধারণত বয়ষ্ক মানুষদের (৪৫বছরের উপরে) বেশি হয়ে থাকে।নারী পুরুষ উভয়ের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা সমান।

এটা মূলত তালুতে(soft palate),গালে(buccal mucosa)এবং জিহ্বায় (tongue) এ দেখা যায়।

আক্রান্ত স্থানটিতে প্রথমে পোড়ারমত জ্বলতে থাকে,তারপর এতে রক্তপৃর্ণ ফোস্কা দেখা যায় যা কয়েক মিনিট বাদে নিজে থেকেই ফেটে যায়।এটা আক্রান্ত স্থানে ছোট্ট একটা ক্ষত রেখে যায় যা খুবই কষ্টদায়ক।

এটার প্রধান কারন….

  • *অ্যালার্জী জাতিয় খাবার খাওয়া।
  • *vitamin-B complex এবংvitC এর অভাবে।
  • *মাড়িতে বা গালে অসাবধানতাবশত কামড় লেগে গেলে।
  • *oral herpes virus এর জন্য।

Continue Reading

জনপ্রিয়

Enable Notifications From DentalTimesBD    Ok No thanks