Connect with us

জীবন ও কর্ম

ডেন্টাল কমিউনিটির লিজেন্ডদের গল্প নিয়ে আসছে Dentalegend’s Tale

Published

on

সময়টা ১৯৬১ সাল। স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশে তখন ডেন্টাল ট্রিটমেন্ট অনেকটা সোনার হরিণের মতো। এমনই প্রতিকূল অবস্থায় তৎকালীন সময়ে ডেন্টাল ট্রিটমেন্টকে সর্বসাধারণের নাগালে নিয়ে আসতে একদল সৎ, স্বপ্নবাজ ও সচেতন বিডিএস ছাত্রদের হাত ধরে এ অঞ্চলে যাত্রা শুরু করে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ। এরপর ধীরে পেরিয়ে গেছে প্রায় ৬০ বছর। সেই থেকে প্রায় ৬০ বছরের পথচলায় ডেন্টিস্ট্রি এখন এক আধুনিক চিকিৎসা কাঠামোতে রূপ নিয়েছে। একে একে এদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৩৫ টিরও বেশি ডেন্টাল কলেজ এবং ডেন্টাল ইউনিট, যেখান থেকে প্রতিবছর প্রায় ২০০০ জনের অধিক ছাত্র-ছাত্রী একজন পরিপূর্ণ ডেন্টিস্ট হিসেবে বের হয়ে আসে, ভূমিকা রাখে মানবসেবায়। এই সফলতা অর্জনে সময়ে সময়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে অসংখ্য নিবেদিত প্রাণ ডেন্টিস্ট। তাদের তিল তিল পরিশ্রমে ও দিক নির্দেশনায় আমরা আজ এসে পৌঁছেছি এই অবস্থানে।

মানবসেবা ও দেশপ্রেমের এক যুগল মিশ্রণ আর আধুনিতকতার ছোঁয়ায় ডেন্টিস্ট্রি এখন স্বাস্থ্যসেবার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। পৃথিবীজুড়ে উত্তরোত্তর এগিয়ে চলেছে ডেন্টিস্ট্রি। একইসাথে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের এই দেশেও। যাদের হাত ধরে আমদের এই সামনের দিকে ছুটে চলা সেই জীবন্ত কিংবদন্তীরা শৈশব থেকে আজ পর্যন্ত কীভাবে যাপন করেছেন তাদের জীবন, তাদের সফলতার পেছনের গল্পটা কি, তারা কী ডেন্টিস্ট্রি প্র্যাকটিস করার সময় কোন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিলেন, হয়ে থাকলে তা উৎরে গেছেন কিভাবে, এমন নানা প্রশ্ন আমাদের নিজেদের বহমান জীবনে মাঝেমধ্যেই মনের কোনে উঁকি দেয়।

আমরা সীমাহীন আনন্দিত যে, সেই সময়ের যুগান্তিকারী ভূমিকা পালন করা অনেক জীবন্ত কিংবদন্তী এখনও আমাদের সাথে আছেন। এমন সব জীবন্ত কিংবদন্তীদের নিয়েই বিশ্বখ্যাত টুথপেস্ট ব্র্যান্ড Sensitive Expert by Pepsodent এবং Dental Times-এর যৌথ উদ্যোগে আমরা তাই আয়োজন করতে চলেছি লাইভ ওয়েবিনার Sensitive Expert by Pepsodent Presents Dentalegends Tale, Powered by Dental Times, যেখানে সেইসব জীবন্ত কিংবদন্তীগণ তাদের জীবনের নানা অজানা গল্প আমাদের বলবেন, তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে আমাদের দিকনির্দেশনা দিবেন, যেন আমরা আমাদের পেশাগত জীবনে এবং সেই সাথে একজন মানুষ হিসেবে সফল হতে পারি।

Dentalegend’s Tale নামকরণটি সহজভাবে বুঝিয়ে বলতে গেলে যা বলতে হয়, Dental Community এর Living Legend যারা আছেন তাদেরই আমরা Dentalegend উপাধিতে ভূষিত করে তাঁদের জীবনের গল্পগুলো নিয়েই সাজিয়েছি আমাদের এই আয়োজন Dentalegend’s Tale

সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার রাত ৯.০০ টায় Dental Times-এর ফেইসবুক পেইজ এ অনুষ্ঠিত হবে লাইভ ওয়েবিনার Sensitive Expert by Pepsodent Presents Dentalegends Tale.

আমাদের প্রথম পর্বটিকে আলোকিত করতে উপস্থিত থাকবেন সম্মানিত অতিথি প্রফেসর ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন। একইসাথে Guest of Honor হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবেন বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির মাননীয় সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক ডাঃ হুমায়ূন কবির বুলবুল।

ডেন্টাল কমিউনিটির লিজেন্ডদের গল্প নিয়ে আসছে Dentalegend’s Tale

১ম পর্ব:

Sensitive Expert by Pepsodent Presents
Dentalegends Tale
Powered by- Dental Times

  • তারিখ: ১৪ অগাস্ট, ২০২০
  • সময়: রাত ৯.৩০ টা

Advertisement
Click to comment

অর্জন

কান দর্শকদের ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ : দর্শকের করতালিতে কাঁদলেন বাঁধন

Published

on

Dental Times

কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের পরিচালনায় সিনেমাটি কানে প্রদর্শীত হওয়ার পর ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ পেয়েছে। এসময় কেঁদে ফেলেন চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা আজমেরী হক বাঁধন।

এখন একটি সিনেমা মুক্তির পর হলে প্রথম শোতে কতজন দর্শক আশা করা হয়? প্রশ্নটি যদি আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে হয় উত্তর হবে এক-দেড়শ। আর যদি বাংলাদেশী ছবি বিদেশী কোনো প্রদর্শনীতে হয় তাহলে তো দর্শক আরো কমে যাবে। কিন্তু চলচ্চিত্রের বিশ্বকাপখ্যাত কান উৎসবে বাংলাদেশের ছবি রেহেনা মরিয়ম সব হিসাব উল্টে দিয়েছে। ৭৪তম আসরের আঁ সার্তে রিগা বিভাগে প্রথম প্রদর্শনীতে এক হাজার ৬৮ জন দর্শক পিনপতন নীরবতায় সিনেমাটি উপভোগ করেন।

কানের ডবসি থিয়েটারে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৩টা ১৫ মিনিট) সিনেমাটির প্রদর্শনী শুরু হয়।

Dental Times

সিনেমাটি শেষ হওয়ার পর দর্শক দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন এবং হাততালিতে মুখরিত করেন ডবসি থিয়েটার। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিল ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ এর পুরো টিম।

আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ নির্মিত ছবিটি দেখতে আগে থেকেই বেশ লম্বা লাইন ছিল ডেবুসি হলের সামনে। প্রদর্শনীতে সিনেমাটির পরিচালক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ছাড়াও অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, ছবিটির সিঙ্গাপুরের প্রযোজক জেরেমি চুয়া, চিত্রগ্রাহক তুহিন তমিজুল, প্রডাকশন ডিজাইনার আলী আফজাল উজ্জল, শব্দ প্রকৌশলী শৈব তালুকদার, কালারিস্ট চিন্ময় রয় এবং নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক বাবু উপস্থিত ছিলেন।

দর্শক প্রতিক্রিয়ায় অভিভূত রেহানা মরিয়ম নূর চরিত্র রূপদানকারী অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এ সময় আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বাঁধন বলেন, ‘এখানে আসার মতো এত বড় স্বপ্ন দেখার সাহসও আমার ছিল না। যে সম্মান পেলাম তার পুরো কৃতিত্ব টিমের ও পরিচালকের। আমি শুধু তাকে বিশ্বাস করেছি আর তার কথামতো পরিশ্রমটা করেছি। আজ যে রেসপন্স পেয়েছি, আমি জানি না এরপর আমার আর কী পাওয়ার থাকতে পারে।’

দর্শক যখন দাঁড়িয়ে সম্মান জানাচ্ছিল, সে মুহূর্তের অনুভূতি সম্পর্কে বাঁধন বলেন, ‘এত সম্মান, আমি জানি না…আমি সত্যিই সম্মানিত, অনেক আনন্দিত। এই সম্মানটা শুধু তো আমাদের নয়, আমাদের দেশের সম্মান। সবাই যখন দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিল, তখন…আসলে তো আমরা আমাদের দেশটাকে সাথে করে নিয়ে এসেছিলাম। এটা দেশের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে দর্শক আমাদের স্ট্যান্ডিং ওভেশন দিয়েছে। সেই সঙ্গে সবার হাততালিতে মুখরিত ছিল হল রুম। এটা অসাধারণ এক অনুভূতি, বলে বোঝাতে পারব না। নিজের অজান্তে গর্বে আমার চোখে পানি চলে এসেছে।’

Dental Times

এই উৎসবে যোগ দেয়া একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, সিনেমাটির প্রদর্শনী শেষে তিনি দর্শকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। দর্শকরা একবাক্যে সিনেমাটি নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। ইংরেজি সাবটাইটেল দেয়া ছবিটি বুঝতে তাদের কোনো সমস্যা হয়নি বলেও জানিয়েছেন। হলভর্তি পুরো অডিয়েন্স যেভাবে বাংলাদেশের সিনেমাটিকে স্বাগত জানিয়েছে, তা অভাবনীয়।

কান চলচ্চিত্র উৎসবকে ‘সিনেমার অলিম্পিক’ হিসেবেও ধরা হয়। দক্ষিণ ফ্রান্সের কান শহরের সাগর উপকূলে পালে দে ফেস্টিভাল ভবনে গত মঙ্গলবার ৭৪তম উৎসবের পর্দা উঠেছে। উৎসব চলবে ১৭ জুলাই পর্যন্ত।

উৎসবের মূল পর্বে দেখানো হবে ৪৪টি চলচ্চিত্র। প্রতিযোগিতা বিভাগে ২৪টি। আঁ সার্তে রিগা বিভাগে ২০টি চলচ্চিত্র স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’।

বাস্তব জীবনও ডাঃ আজমেরী হক বাঁধন একজন চিকিৎসক (ডেন্টাল সার্জন), অভিনয় করেছেন একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেহানা মরিয়ম নূর চরিত্রে। যাকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির গল্প। কর্মস্থলে ও পরিবারে তাল মেলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয় তাঁকে। শিক্ষক, চিকিৎসক, বোন, কন্যা ও মা হিসেবে জটিল জীবন যাপন করেন তিনি। এক সন্ধ্যায় একজন অধ্যাপকের কক্ষ থেকে এক ছাত্রীকে কাঁদতে কাঁদতে বের হতে দেখেন রেহানা। এ ঘটনার পর ক্রমে একরোখা হয়ে ওঠেন তিনি। ওই ছাত্রীর পক্ষ হয়ে সহকর্মীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। একই সময়ে তার ছয় বছর বয়সী মেয়ের বিরুদ্ধে স্কুল থেকে রূঢ় আচরণের অভিযোগ ওঠে। অনড় রেহানা তথাকথিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী ও নিজের মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারের লড়াই করতে থাকেন।

একটি মেডিক্যাল কলেজে পুরো চলচ্চিত্রের শুটিং হয়েছে। পুরো সিনেমাতেই এক ধরনের অনুজ্জ্বল নীলাভ-সাদা আলো বেছে নেওয়া হয়েছে। ভবনের ভেতরে বা বাইরে কোথাও কখনো উজ্জ্বল আলো দেখা যায়নি। আলো-আঁধারির যে খেলা সিনেমায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা রেহানার গল্পের সাথেও মানানসই। পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও যত্ন করে আলোর বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। কোনো চরিত্রই তেমন উজ্জ্বল কাপড় পরেনি। বরং সমাজে নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন এবং এ নিয়ে যে লুকোচুরি এবং হুশ-হাশ চুপ-চুপের অবতারণা করা হয়, সিনেমার লাইটিং তাকে দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে গেছে। ভালো একটি দৃশ্যের জন্য ক্যামেরার যে কয়টি নিয়ম মানার কথা বলা হয়ে থাকে, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার কোনোটির ধার ধারেননি সাদ। রেহানা মরিয়ম নূরে ট্রাইপড বা অন্য কোনো ডিভাইস ব্যবহার করে দৃশ্যকে স্থিতিশীল করার কোনো চেষ্টাই করা হয়নি।

বাংলা ভাষায় নির্মিত এক ঘণ্টা ৪৭ মিনিটের এই ছবিতে ইংরেজি সাবটাইটেল দেয়া হয়েছে। চলচ্চিত্রটি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে মুক্তি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন চলচ্চিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক বাবু।

৩৭ বছর বয়সী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের হাত ধরেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে কোনো চলচ্চিত্র অফিশিয়াল সিলেকশনে জায়গা পেল। এর আগে ১৯৯৪ সালে ‘আঁ সার্তে রিগা’ বিভাগে ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র ‘উত্তরণ’ নির্বাচিত হয়েছিল। কানের অফিশিয়াল সিলেকশনের চার বিভাগের বাইরে প্যারালাল বিভাগের ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটে ২০০২ সালে উৎসবের ৫৫তম আসরে নির্বাচিত হয়েছিল প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ পরিচালিত ‘মাটির ময়না’। ছবিটি সেবার পুরস্কৃত হয়েছিল।

Continue Reading

অর্জন

গবেষণায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা

Published

on

Dental Times

করোনার জিনোম সিকোয়েন্স উদ্ভাবনের স্বীকৃতি স্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণা ক্যাটাগরিতে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (অনুষ্ঠান) অসীম কুমার দে স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক চলতি বছর (২০২১) একুশে পদক পাচ্ছেন। 

ড. সমীর কুমার সাহা ১৯৫৫ সালে নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা চন্দ্রকান্ত সাহা ও মা দুলালী প্রভা সাহা। চন্দ্রকান্ত সাহা ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। পেশাগত কারণে চন্দ্রকান্ত সাহাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকতে হতো। সেই সুবাদে ড. সমীর কুমার সাহার শৈশব ও স্কুলজীবন কেটেছে রাজশাহীতে। রাজশাহীর চারঘাট থানার আড়ানী গ্রামের মনমোহিনী হাইস্কুলে স্কুলজীবন করেন। চৌমুহনীর মদনমোহন হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করার পর চন্দ্রকান্ত সাহা সপরিবারে চাঁদপুর চলে আসেন। সেখানে জেলার সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন সমীর কুমার সাহা। কলেজে পড়াকালীন সময়ে তিনি রামকৃষ্ণ আশ্রমে থাকতেন। 

১৯৭৫ সালে এইচএসসি শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৮৩ সালে উদ্ভিদবিজ্ঞানে স্নাতক করার পর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। 

এরপর তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজিতে যোগ দেন। ১৯৮৯ সালে ভারতের বানারসে ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স থেকে মেডিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে আবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে ফিরে আসেন।

ঢাকা শিশু হাসপাতালে ফিরে আসার পর এখানে সীমিত পরিসরে গবেষণার জন্য দল গঠন করেন তিনি। সেই সময় শিশুরা ডায়রিয়ার থেকে বেশি মারা যেতো নিউমোনিয়া, টাইফয়েড ও মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে। তখন তিনি নিউমোনিয়ার নির্দিষ্ট দুটি জীবাণু নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। একই সঙ্গে টাঙ্গাইলে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতাল, রাজধানীর মিরপুরের শিশু স্বাস্থ্য হাসপাতাল, চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতাল এবং সিলেটের বালুচরের গবেষণাগার থেকেও তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করেন।

তাঁর গবেষণার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সরকার শিশু মৃত্যু হার কমানোর জন্যে বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে ভ্যাকসিন ‘হিব পেন্টাভ্যালেন্ট’ ও ‘নিউমোকক্কাস’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। শিশু মৃত্যুহার কমানোর স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭ সালে তিনি ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে প্রথম এশীয় হিসেবে জে. ফিনলে পুরস্কার অর্জন করেন ডা. সমীর। একই সঙ্গে অণুজীববিজ্ঞানীদের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সংগঠন আমেরিকান সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজির পক্ষ থেকে সম্মানসূচক পুরস্কার পান। যুক্তরাষ্ট্র আর কানাডার বাইরে এই পুরস্কার আগে দেওয়া হয়নি। 

মেডিভয়েস

Continue Reading

অর্জন

একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান

Published

on

সমাজসেবায় একুশে পদক পাচ্ছেন অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান

এবার একুশে পদক পাচ্ছেন ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ও চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ কাজী কামরুজ্জামান । সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিতে এবার একুশে পদক পাচেছন তিনি।

বৃহস্পতিবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (অনুষ্ঠান) অসীম কুমার দে স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিল্পকলা, সাংবাদিকতা, সাহিত্য, শিক্ষা, অর্থনীতিসহ নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য একুশে পদক দেওয়া হয়ে থাকে।

এতে বলা হয়, ‘সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২১ সালের একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

Dental Times

সাধারণ মানুষের আয়-সীমার মধ্যে একটি টেকসই, নিরাপদ এবং সংহত চিকিৎসা সেবা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট ৩ দশকের বেশি সময় ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসা প্রদান ছাড়াও চিকিৎসা শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচীর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ট্রাস্ট ইতিমধ্যে একটি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল ইউনিট, নার্সিং কলেজ এবং প্যারামেডিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।

সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবার অঙ্গীকার থেকে গ্রামের গরীব জনগণের জন্য চালু করেছে গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচী, বিভিন্ন শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের জন্য শিল্প স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচী এবং দরিদ্র শিশু-কিশোরদের জন্য স্কুল স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচী ।

স্কুল স্বাস্থ্য কর্মসূচী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দরিদ্র ও শ্রমজীবী শিশু কিশোরদের জন্য সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম যা ২ দশকেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত আছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের “যখন তখন শিক্ষা” নামে পরিচালিত ৬ টি স্কুল, মহিলা সমিতি পরিচালিত শিশুদের স্কুল, সুলতান-ছফা পাঠশালা, ইউসুফ স্কুল, শিশু স্বর্গ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে এই সেবাটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে।

এছাড়া, পিতৃমাতৃহীন বা পিতৃহীন এতিম শিশুদের ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং উপযুক্ত মর্যাদায় সমাজে পুনর্বাসনের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে সরকারি শিশু পরিবার পরিচালনা করছে। দৃষ্টি , শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী দরিদ্র শিশু-কিশোরদের জন্য পরিচালনা করছে আবাসিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সমূহ ।

গত ডিসেম্বর’২০ মাস থেকে সমাজ সেবা অধিদপ্তর পরিচালিত ঢাকা শহরের অনাথ, উদ্বাস্তু ও প্রতিবন্ধী শিশু কিশোরদের ৭টি স্কুল ডিসিএইচ ট্রাস্টের স্কুল স্বাস্থ্য সেবা কর্মসূচীর সাথে যুক্ত হয়েছে। স্কুল গুলো হলো সরকারী শিশু পরিবার (বালক), সরকারী শিশু পরিবার (বালিকা), ছোট মনি নিবাস, দিবাকালীন শিশু যতকেন্দ্র, সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রম, সরকারী বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও সরকারী আশ্রয় কেন্দ্র।

Continue Reading

গুণীজন

গুগল ডুডলে স্মরণ প্রথম বাঙালি মুসলিম নারী চিকিৎসককে

Published

on

গুগল ডুডলে স্মরণ প্রথম বাঙালি মুসলিম নারী চিকিৎসককে

আজ গুগলের সার্চ পেজে গেলেই চোখে পড়বে গুগল লেখাটির মাঝে একজন নারী চিকিৎসকের প্রতিকৃতি। তিনি জোহরা বেগম কাজী। আজ ১৫ অক্টোবর তাঁর ১০৮ তম জন্মদিন। গুগল বিশেষ ডুডল তৈরির মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করছে। গুগলের ডুডল পেজে তাঁর জীবনী তুলে ধরা হয়েছে।

সার্চ পেজে দেখানো ডুডলটিতে ক্লিক করলে কাজী জোহরা বেগম সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুসন্ধান ফলাফল দেখাচ্ছে গুগল।

বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে গুগলে (www. google. com) গেলে কিংবা সরাসরি (www. google. com. bd) ঠিকানায় ঢুকলে চোখে পড়বে জোহরা কাজীকে নিয়ে করা ডুডলটি। এতে গুগলের অক্ষরগুলোকে সাজানো হয়েছে বিশেষভাবে। যেখানে দেখা যাচ্ছে জোহরা বেগম কাজীর গলায় স্টেথোসকোপ এবং মাথার ওপর গাছের ছায়া। গায়ে জড়ানো হলুদ রঙের একটি পোশাক।

বিশেষ দিন, ঘটনা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানাতে বা স্মরণ করতে গুগল তাদের হোমপেজে বিশেষ লোগো প্রদর্শন করে। এটা ডুডল হিসেবে পরিচিত। গুগল সার্চের মূল পাতায় প্রদর্শিত লোগোটির নিচে থাকে সার্চ বার। এখানে জোহরা কাজী সংক্রান্ত নানা তথ্য পাওয়া যাবে।

এর আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, প্রখ্যাত স্থপতি এফ আর খান, হুমায়ুন আহমেদের জন্মদিনসহ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ডুডল প্রকাশ করেছে গুগল।

Dental Times

ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজনানগাঁওয়ে ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আদি পৈতৃক নিবাস বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার গোপালপুর গ্রামে। ‘ব্রিটিশ খেদাও’ আন্দোলনের পুরো সময়টাতে মহাত্মা গান্ধী প্রতিষ্ঠিত সেবাশ্রম ‘সেবাগ্রাম’-এ মানবতাবাদী বাবা ডা. কাজী আব্দুস সাত্তারের কর্মস্থলে তাঁর শৈশব-কৈশোর কাটে। কাজী আব্দুস সাত্তার ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী একজন আধুনিক মানুষ। মা আঞ্জুমান নেসা ছিলেন খুব সাদাসিধে কর্মিষ্ঠ এক নারী। তিনি রায়পুর পৌরসভার প্রথম নারী কমিশনার নিযুক্ত হয়েছিলেন।

ভারতবর্ষকে ভাগ করে পাকিস্তান নামক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধী মৌলানা আবুল কালাম আজাদের আদর্শের প্রতি তাঁর বাবা আব্দুস সাত্তারের পূর্ণ সমর্থন ছিল। মানুষে মানুষে ভেদাভেদের রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন না। ফলে সমকালীন ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী রাজনৈতিক মূল্যবোধ গ্রন্থিত হতে থাকে অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ত কিশোরী জোহরার মানবিক বোধ ও চেতনায়। ডা. জোহরা বেগম কাজীর মেধা-মননে ধীরে ধীরে রূপ পেতে থাকে ভবিষ্যতের আধুনিক চিন্তা-চেতনাসমৃদ্ধ কর্মিষ্ঠ এক চিকিৎসাবিজ্ঞানী। রাজনানগাঁওয়ের রানি সূর্যমুখী প্রতিষ্ঠিত মেয়েদের টোল ‘পুত্রিশালায়’ ডা. জোহরার হাতেখড়ি হয়। পড়ালেখায় ছিলেন তুখোড়। ক্লাসে সব সময় প্রথম হতেন। ১৯২৯ সালে তিনি আলীগড় মুসলিম মহিলা মহাবিদ্যালয় থেকে কলেজের পড়া শেষ করেন। দিল্লির লেডি হার্ডিং মেডিকেল কলেজ ফর ওমেন থেকে প্রথম বাঙালি মুসলিম ছাত্রী হিসেবে ১৯৩৫ সালে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করে এমবিবিএস পাস করেন।

গুগল ডুডলে স্মরণ প্রথম বাঙালি মুসলিম নারী চিকিৎসককে

সাতচল্লিশ-পরবর্তী সময় মানবকল্যাণমূলক সমাজ গঠন-প্রক্রিয়ার একটা উল্লেখযোগ্য সময়। এই কালপর্বটিকে বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞান শাস্ত্রের গঠনপর্ব বললে অত্যুক্তি হবে না। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রূপরেখা নির্মাণের সেই অসাধারণ কালপর্বে চিকিৎসাশাস্ত্রে বাঙালি নারী চিকিৎসকদের অগ্রপথিক মানবতাবাদী, সমাজ-সংস্কারক যেসব নারীর নাম সর্বাগ্রে সবার মানসপটে ভেসে ওঠে, তাঁদের মধ্যে জোহরা বেগম কাজী একজন। ১৯৪৮ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে যোগদান করেই স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিভাগটি গড়ে তোলেন। গর্ভবতী মায়েরা যাতে হাসপাতালে এসে চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন, সে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনিই প্রথম নারীদের পৃথকভাবে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি গাইনোকোলজি বিভাগের প্রধান ও অনারারি প্রফেসর ছিলেন।

পশ্চাৎপদ নারীসমাজের জাগরণে বিশেষ করে চিকিৎসাশাস্ত্রে নারীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্র প্রস্তুত করার অনন্যসাধারণ ভূমিকা পালন করেন জোহরা বেগম কাজী।

আজ ডাঃ কাজী প্রদর্শিত আদর্শের পথে অগ্রসর হয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য নারী তাঁদের অসাধারণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। জীবনের প্রাথমিক কালপর্ব থেকে শুরু করে সময়ের ধারাপাতে কর্মমুখর জীবনে মহাত্মা গান্ধী ও তাঁর পত্নী কন্তুরাবার অশেষ স্নেহধন্য জোহরা কাজী পরবর্তীকালে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, কবি কাজী নজরুল ইসলাম, কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ, ডা. কাজীর অগ্রজ অধ্যাপক কাজী আশরাফ মাহমুদ, অনুজা ডা. শিরিন কাজী, অধ্যাপক কাজী মোতাহার হোসেন, মহাত্মা গান্ধীর অনুসারী কংগ্রেসের অন্যতম কর্মী ডা. সুশীলা নায়ার প্রমুখ মানবতাবাদী সংগ্রামী মানুষের সান্নিধ্য লাভ করেছেন।

ভাষা আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা প্রমাণ করে যে তিনি শুধু একজন চিকিৎসকই ছিলেন না; মাতৃভূমি, মাতৃভাষার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ সেই আগুনঝরা দিনগুলোর সক্রিয় আন্দোলনকারীদের একজন হিসেবেই নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। একজন ইতিহাস-সচেতন মানুষ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন। তাঁর কাছে মহাত্মা গান্ধীর লেখা ব্যক্তিগত পত্র সুদীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত সযতনে স্মৃতি-স্মারক হিসেবে রক্ষা করেছিলেন। বাংলাদেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস বিনির্মাণে এটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান দলিল। ২০০১ সালের ১১ জুলাই অধ্যাপক কাজী তাঁর কাছে গচ্ছিত মহাত্মা গান্ধীর ব্যক্তিগত ঐতিহাসিক পত্র, ভাইসরয় পদক, সনদসমূহ এবং আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি-স্মারক জাতীয় জাদুঘরকে সংরক্ষণের জন্য উপহার হিসেবে দান করেন।

বিভিন্ন সংগঠন তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে অসংখ্য পদকে ভূষিত করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য রোকেয়া পদক, বিএমএ স্বর্ণপদক। ২০০৮ সালে সরকার জোহরা কাজীর আজীবন সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক একুশে পদক (মরণোত্তর, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮) প্রদানে সম্মানিত করে।

২০০৭ সালের ৭ নভেম্বর ৯৫ বছর বয়সে এই মহাপ্রাণ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Continue Reading

জীবন ও কর্ম

Dentalegends Tale এর দ্বিতীয় পর্বে থাকছেন অধ্যাপক ডাঃ মতিউর মোল্লা

Published

on

ভাবুন তো, আজ থেকে ৪৫-৪৫ বছর আগে বাংলাদেশের মানুষ তার দাঁতের সমস্যায় কি ধরনের অন্ধ বিশ্বাসে ডুবে ছিল? গা শিউরে উঠার মতই তখনকার অনেক মানুষই ভাবত দাঁতে পোকা হয়। পোকা নামিয়ে দেয়ার একদল পেশাজীবীও ছিল তখন। ডেন্টিস্ট খুঁজে পাওয়া তো দুষ্কর তখন। এমন একটা পরিবেশ থেকে আজকের এই উন্নত ও আধুনিক ডেন্টিস্ট্রির ধারায় নিয়ে আসা স্বপ্ন তখন খুব কম মানুষই দেখতে পেয়েছিলো। সেই স্বপ্নবাজ মানুষগুলো অক্লান্ত পরিশ্রম, দিক নির্দেশনায় ডেন্টাল ট্রিটমেন্ট এখন সহজলভ্য।

তাদের এই পথচলায় পেরিয়ে আসতে হয়েছে নানা বন্ধুর পথ। তবু তারা থেমে থাকেন নি। অনুজদের দেখিয়েছেন পথ, ক্রমে ক্রমে ডেন্টাল ট্রিটমেন্ট পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণ মানুষের হাতের কাছে। আমরা সেইসব সাহসী মানুষদের বলি কিংবদন্তী। এমন কিংবদন্তী ডেন্টিস্টদের জীবনে শৈশব থেকে এই পর্যন্ত নানা সময়ে ঘটে গেছে নানা ঘটনা। কখনো নিজের স্বপ্নের পিছনে ছুটে চলা, কখনো সহকর্মীদের সাথে বা পরিবারের সাথে স্মরণীয় কিছু, কত ঘটনাই না আছে তাদের জীবনে।

আমাদের উচ্ছ্বাস বাধা মানে না, আমরা যখন সেই সময়ের যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করা কাউকে আমাদের সাথে পাই। এই কঠিন কাজটি সফল করতেই Sensitive Expert by Pepsodent এবং Dental Times-এর যৌথ উদ্যোগে আমরা আয়োজন করছি লাইভ ওয়েবিনার Sensitive Expert by Pepsodent Presents Dentalegends Tale, যেখানে সেইসব জীবন্ত কিংবদন্তী ডেন্টিস্টগণ তাদের নানা মজার মজার অভিজ্ঞতার কথা আমাদের শেয়ার করবেন, তাদের দেখানো সেই পথে আমরা যেন আমাদের জীবনে সচেতন ও সফল হতে পারি।

Sensitive Expert by Pepsodent Presents Dentalegends Tale Powered by Dental Times
২৮ আগস্ট, রোজ শুক্রবার,
রাত ৯.৩০ টায়

এবারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন
Prof. DR. MD. MOTIUR RAHMAN MOLLA,
BDS, PhD, FCPS (fellowship), FICS, FICD

চোখ রাখুন ডেন্টাল টাইমসের ফেইসবুক পেইজে।

Continue Reading
ঘাতক ড্রাইভারের শাস্তি চেয়ে পথে সরব ইউডিসি শিক্ষার্থীরা
ঢাকা20 hours ago

ঘাতক ড্রাইভারের শাস্তি চেয়ে পথে সরব ইউডিসি শিক্ষার্থীরা

Dental Times
Dental Admission1 month ago

সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা ১০ সেপ্টেম্বর

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 month ago

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের পর এবার নতুন আতঙ্ক কলম্বিয়ান ভ্যারিয়েন্ট

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

সিনোফার্মের ৩০ লাখ টিকা ঢাকায়

Dental Times
জাতীয়2 months ago

‘পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভাইভা ছাড়া ডাক্তার নার্স নিয়োগ হবে’

Dental Times
জাতীয়2 months ago

দেশে ডেন্টাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি – অধ্যাপক ডা. বুলবুল

Dental Times
জাতীয়2 months ago

একদিনে ঢাকায় আরও ৭৯ ডেঙ্গু রোগী

Dental Times
জাতীয়2 months ago

করোনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন শতাধিক

Dental Times
জাতীয়2 months ago

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইল বাংলাদেশ জাসদ

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

দেশে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

‘জীবনে অনেকবার ঈদ আসবে, যদি বেঁচে থাকি’

Dental Times
জাতীয়2 months ago

‘মানুষ করোনাকে স্বাভাবিক জ্বর-সর্দি ভাবছে’

Dental Times
স্বাস্থ্য প্রশাসন2 months ago

কাল সিনোফার্ম, পরশু মডার্নার টিকা দেওয়া শুরু

Dental Times
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

১৪ দিনের মধ্যে করোনা নিয়ন্ত্রণে না এলে শয্যার সংকট হতে পারে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের করোনা টেস্ট ও নিবন্ধন বুথের উদ্বোধন

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

কোয়ারেন্টিন অব্যবস্থাপনায় মা ও বাবাকে হারিয়ে ক্ষুদ্ধ সরকারি চিকিৎসক

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

অক্সিজেন সিলিন্ডার না আনতে পারায় বাবার মৃত্যু : পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

ব্যাংকে সেবা নিয়ে ফেরার সময় জানালেন তিনি ‘করোনা পজিটিভ’

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

চট্টগ্রামে রেকর্ড ৭৮৩ জন শনাক্ত, মৃত্যু ১০

Dental Times
BSMMU2 months ago

করোনার ভ্যাকসিন ট্রায়ালের জন্য প্রস্তুত বিএসএমএমইউ – ভিসি

Advertisement

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks