Connect with us

Uncategorized

ডেন্টাল সার্জারী পেশার উন্নয়নের জন্যই মুখস্থ বুলি থেকে বের হয়ে আশা জরুরী

Published

on

Dental Times

ত ব্যস্ততাই থাকুক না কেন আমি বরাবর চেষ্টা করি যেন আমার যতটুকু সীমিত জ্ঞান আছে, তার থেকে যদি কেউ কিছু শিখতে পারে, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়ার যথার্থ প্রয়োগের ক্ষেত্রে অন্তত একটা উদাহরণ সৃষ্টি হতে পারে। সেটা পেশাগত হোক, কিংবা শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি বা বহির্বিশ্ব – এর যে কোন বিষয়েই হোক। আমি যে গ্রুপগুলায় অংশগ্রহণ করি, সেখানে আপনারা নিশ্চয়ই তা’ প্রত্যক্ষ করেছেন। একইভাবে আমি নিজেও আমার সতীর্থ থেকে শুরু করে অনুজ এবং অগ্রজের কাছ থেকে জ্ঞানাহরণের জন্য সদাপ্রস্তুত থাকি। কারণ সবার মত আমিও এই কথা বিশ্বাস করি যে জ্ঞান ভাগ-বাটোয়ারার মাধ্যমেই বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

ফেইসবুকের পাতায় পাতায় আমাদের অনেক ডেন্টাল সার্জনকে গর্বের সাথে তাদের কাজের প্রদর্শনী করতে দেখি। অনেক পোস্ট দেখে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি। কারণ একটা ডেন্টাল ফোরামে যদি শুধুমাত্র ডেন্টাল সার্জনদের মধ্যে পেশাগত মত বিনিময় হোত, সেখানে গঠনমূলক সমালোচনা করতে অসুবিধা থাকতো না। তাতে চিকিৎসক থেকে শুরু করে রোগী, সবাই লাভবান হোত। সর্বোপরি আমাদের পেশারই মান উন্নত হোত। কিন্তু সেটা যখন সাধারণ জনগণের দৃষ্টিগোচর হয়, তখন ব্যক্তি-পর্যায়ে সেইরকম নিরপেক্ষ আলোচনা করার সুযোগ থাকে সীমিত। আমার আজকের এই ভাবনাও তাই আমি কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করে লিখছি না।

যাই হোক, ফেইসবুকে দেখা বেশীরভাগ ক্রাউন এবং ব্রীজের কাজে যাকে বলা হয় ‘ইমার্জেন্স প্রোফাইল’ ঠিকমত করা হয় না। তাই অসম্ভব রকমের গজালি মার্কা দাঁতের হাসি দেখতে পাই। নিজের পদযুগল যেন তেন জুতা দিয়ে ঢেকে সুরক্ষিত করার চেয়ে সঠিক জুতা জোড়া নির্বাচনের ক্ষেত্রে মনোযোগী হওয়া যেমন জরুরী, ঠিক তেমনি দাঁত শুধু ঢেকে দিয়ে সমস্যা আড়াল করার মাঝেও আসলে কোন কৃতিত্ব নাই।

আরেকটু গভীরে আলোচনা করতে হলে অন্য বিষয়গুলার উপরেও আলোকপাত করা বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়ে। যেহেতু আমি নিজে বড় রকমের ওরাল সার্জিক্যাল কাজ করি না, তাই সেই ব্যাপারে বড় মুখ নিয়ে কিছু বলতেও চাই না। এখানে সবধরণের কাজের জন্য স্পেশ্যালিস্ট নির্ধারণ করা আছে। তাই একটু জটিল কেইস হলেই রেফার করে দিতে হয়। তার কারণ হলো এখানে দায়বদ্ধতার ব্যাপারটা সুনিশ্চিত। জ্ঞানের স্বল্পতার কারণে কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণেও চিকিৎসায় কোন ত্রুটি হলে আমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অবশ্যই নেওয়া হবে। সেইক্ষেত্রে মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়াও অস্বাভাবিক কিছু না। এই একই কথা অন্যান্য সাব-স্পেশ্যাল্টির ব্যাপারেও প্রযোজ্য।

তবে বাংলাদেশের ব্যাপারে আমি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি, যে হাতেগোনা কিছু খাঁটি ওরাল সার্জন বা
অন্যান্য স্পেশ্যালিস্ট থাকলেও শুধুমাত্র কয়েকদিনের সংক্ষিপ্ত কোর্স করে অনেকেই স্পেশ্যালিস্ট হয়ে
উঠেছেন বা উঠছেন!! আর তারপর হাত পাকানোর জন্য গিনিপিগ হিসাবে ভুরি ভুরি রোগী পেতে কখনই
তো অসুবিধা হয় না। এটা মনে রাখা জরুরী যে আমি শুধুমাত্র অনুমানের উপর ভিত্তি করে এই কথা বলছি না। ২ দশকের বেশী সময় ধরে বিদেশে অবস্থান করলেও আমি নিয়মিত দেশের খোঁজখবর রাখি।

তারপরও বলবো, যে বাংলাদেশে যে ভাল কাজ একদম হচ্ছে না, তা নয়। ভাবতে গর্ব অনুভব হয় যে সেই আশির দশকের চেয়ে দেশের সর্বাঙ্গীন চিকিৎসার মান এখন অনেক উন্নত। পুরা দুনিয়ার সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশেও এখন ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্টের কাজ হচ্ছে। অথচ আমাদের সময় বাংলাদেশ যে কোন বিষয়ে বহির্বিশ্ব থেকে কম করে হলেও এক দশক পিছিয়ে থাকতো! কিন্তু এখনও অনেক কাজ বাকী আছে। শুধু বড় বড় কেইস করে ফেললেই হবে না। “ঝড়ে বক মরে আর ফকিরের কেরামতি বাড়ে“ জাতীয় চিকিৎসক কারো কাছে কাম্য না। আমরা চাই এমন চিকিৎসক সমাজ, যেখানে প্রত্যেকে সুনিশ্চিতভাবে ন্যুনতম মানের সেবা প্রদানে হবে সক্ষম। শুধু তাই না। প্রয়োজনে তারা নিজেরাই একজন আরেকজনকে উন্নতমানের কাজ শিখানোর মত যথোপযুক্ত জ্ঞানের অধিকারী হবে।

আগেই বলেছি যে ফেইসবুকের উপস্থিতি অর্থবহ করার জন্য প্রতিদিন আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকে। আর নিজের পেশার উন্নতির জন্য আরও অনেকের মত আমি নিজেও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সর্বদা নিয়োজিত। ২০১২ সালে একটা ডেন্টাল ফোরামের সাথে যুক্ত হয়েছিলাম। সময়ের স্বল্পতা এবং আরও আনুষঙ্গিক কারণে সেখান থেকে সরে এসেছিলাম। তবে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে শুরুতে বছরখানেক বা তার একটু বেশী সময়ে যে পরিমাণ তথ্য নিয়ে সেই ফোরামে আলোচনা করেছিলাম, তার সিকিভাগও গত দেড় বছরে হয়েছে বলে মনে হয় না।

এখানে উল্লেখযোগ্য, যে ফোরামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ না করলেও গত সাড়ে ৩ বছর ধরে আমি নেপথ্যে থেকে কর্তব্যনিষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তাদের পড়ার জন্য নিয়মিতভাবে ওদের চাহিদামত সাম্প্রতিক বিদেশী জার্নালের অনেক তথ্য সরবরাহ করে আসছি। কিন্তু সেই ‘কর্তব্যনিষ্ঠা’ ক’জনের মাঝে পাওয়া যায়? হাজারো ছাত্রছাত্রীর মধ্যে মাত্র ১ জন কিংবা ২ জনের মাঝে !! আমি একাইবা বিদেশে বসে কয়জনকে সাহায্য করবো? এভাবে তো একটা পেশার উন্নতি সামগ্রিকভাবে কোনদিন হবে না! তাই আমার উদ্দেশ্য যতই মহৎ হোক না কেন, আমি যদি মুখ বুজে এই অবস্থাই সয়ে যাই এবং একই রেওয়াজ বজায় রাখি, তাহলে নিজেই আমার পেশার উন্নয়নের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবো। এর চেয়ে আমার মূখ্য দায়িত্ব হওয়া উচিৎ সর্বাঙ্গীনভাবে পেশার মানোন্নয়ন কিভাবে করা সম্ভব, সেই ব্যাপারে প্রস্তাব পেশ করা বা আলোকপাত করা। আজকে আমি তেমনই এক অনুজের সাথে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে এই স্ট্যাটাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ওকে আমি সেই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েই আজকের এই ভাবনা লিখতে বসেছি।

আমরা ফেইসবুককে অহরহ ধর্মপ্রচারের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করে থাকি এবং এই কথা অনস্বীকার্য যে মুসলমানদের মধ্যেই এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশী। এটা হয়তো আমার ভ্রান্ত ধারণা, কিন্তু ফেইসবুক থেকে আহরিত তথ্য অনুযায়ী এটা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা। অনেক সময় আমি ধর্মীয় বিধি-বিধান সঠিকভাবে পালন না করেও নিজেকে মুসলমান হিসাবে দাবী করার মত অপরাধ করে ফেলি। সেইজন্যই আমার কথায় কোন ভুল থাকলে আপনারা তা’ দয়া করে আমার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিবেন বলে আমার বিশ্বাস।

ধর্মের প্রতিটা কথা অক্ষরে অক্ষরে আউড়াতে না পারলেও এইটুকু আমি জানি যে আল্লাহ্ সেই বান্দাকেই সাহায্য করেন, যে নিজেকে সাহায্য করে। অতএব, আমি মনে করি বাংলাদেশের ডেন্টাল সার্জারী পেশার উন্নয়নের সেই দায়িত্ব আরও ব্যাপক অর্থে সেখানকার পথিকৃৎদেরকেই পালন করতে হবে।

Dental TimesDental TimesDental TimesDental TimesDental Times

কিছুক্ষণ আগে সাম্প্রতিক তথ্যসমৃদ্ধ বিদেশী জার্নালের কথা উল্লেখ করেছি। আমি বরাবর ‘সাম্প্রতিক’ কথাটার উপর খুব গুরুত্ব আরোপ করি। সাধারণত ৫ বছরের পুরানো কোন আর্টিকেল বিজ্ঞান বা চিকিৎসাশাস্ত্রে ‘আধুনিক’ বলে গণ্য হয় না, যদি না সেটা চরম আলোড়ন সৃষ্টিকারী একক আবিষ্কার হয়! পুরানো তথ্যের উপর ভিত্তি করে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, বা কনভেনশন করলে অনেক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারিত হয়, যা কিনা রোগীদের জন্য অকল্যাণকর এবং পেশাকে আরও দু’ধাপ পিছিয়ে দেয়। এমনই এক অভিযোগ নিয়ে ক’দিন আগেই জনৈক এক দন্ত চিকিৎসকের সাথে আলাপ হয়েছে। সুতরাং, আবারও সময়োপযোগী তথ্য সম্বলিত জার্নাল আর্টিকেল পড়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছি।

ফিরে যাই ধর্মীয় আলাপে। প্রতিদিন না হলেও কয়েকদিন পরপর নজরে পড়ে আরেক ধরণের পোস্ট। সেই কথার সারমর্ম আমার নিজের ভাষায় বলছি। নারী অনেক বেশী মূল্যবান সম্পদ বলেই পর্দার পিছে তাকে আড়াল করে রাখা হয় বা রাখা আবশ্যক। আমাদের পেশার উন্নয়নের ব্যাপারেও সেই কথা মনে রেখেই আমাদেরকে এগুতে হবে। আপনারা হয়তো জিজ্ঞাসা করবেন যে সেটা কি করে সম্ভব? আর নাহয় ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গ করার জন্য আমাকে তিরস্কার করবেন। কিন্তু একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে এই উপমা বোধগম্য না হওয়ার প্রশ্নই উঠে না।

যতটুকু জানতে পেরেছি, তাতে বাংলাদেশের শুধুমাত্র কয়েকটা হাতেগোনা [যদিও তা বললেও ভুল হবে] শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক জার্নাল পড়ার জন্য অনলাইনে প্রবেশাধিকার আছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগ্যানাইজেশন কর্তৃক অনুমোদিত ‘হিনারি’ [HINARI Research in Health] ডাটাবেস। এইটুকু আমাদেরকে মাথায় রাখতে হবে যে বিনা পয়সায় প্রদত্ত সুবিধাদি শুধুই মৌলিক শিক্ষা প্রদান করবে। সেখানে বেশীরভাগ সময় পুরা বিশ্বের সাথে টেক্কা দেওয়ার মত একচেটিয়া জ্ঞান বা তথ্য সরবরাহ করা হবে না। ‘হিনারি’-তে তালিকাভুক্ত সিংহভাগ জার্নাল হচ্ছে ‘ওপেন এক্সেস’ জাতীয় জার্নাল; যা’ কিনা বিনামূল্যে পড়া যায়। না চাইতেই বেপর্দা হয়ে গেলে সেই নারীর যেমন কোন মূল্য থাকে না, ঠিক তেমনি বিনা পয়সায় বা সস্তায় পাওয়া ‘মাল’ কতটুকু সমৃদ্ধ হবে? এই শব্দচয়নের জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত। কিন্তু মানুষ যখন নিজের ভালমন্দ নিজে বুঝতে অপারগ হয়, তখন এভাবেই মাথায় বাড়ি দেওয়া লাগে।

বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে শিক্ষিত করার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিটি শিক্ষকের শুধু মুখস্থ বুলি আউড়ালে চলবে না। একবিংশ শতাব্দীতে এসে অন্তত এইটুকু বুঝতে হবে যে পেশাগত জীবনে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো শিক্ষা / জ্ঞান। সেখানে কত দামী বাড়ি বা গাড়ি কিনলাম, কতবার বিদেশে পাড়ি জমালাম, কত ঘনঘন পার্টি-ডিনার করলাম, কিংবা কতগুলা উৎসব পার্বণে কত হালফ্যাশনের জামাকাপড় পরলাম, সেই প্রদর্শনীতে পেশার কোন কল্যাণ নিহিত নাই। আর প্রকৃত জ্ঞান মহার্ঘ বলেই সস্তায়, চোরাপথে বা শর্টকাটে তা অর্জন করা সম্ভব না।

Dental Times

প্রতি বছর শুধুমাত্র একক বিশাল আয়োজন হিসাবে লাখ লাখ টাকা খরচ করে সামাজিকতা, উপঢৌকন, খাওয়া-দাওয়া এবং সাথে কয়েকটা লেকচার এবং আন্তর্জাতিক ‘ওয়েবিনার’ করতে পারলে ভাল। কিন্তু দয়া করে তার আগে প্রতিটা সরকারী এবং বেসরকারী ডেন্টাল কলেজে এর চেয়ে অনেক কম খরচে ‘ScienceDirect’, ‘Sage’, ‘Wiley’, ‘Medline’, ‘OVID’, ‘EBSCO’ – এই জাতীয় উন্নতমানের ডাটাবেসে ছাত্রছাত্রীদেরকে অত্যাধুনিক রিসার্চ পেপার সারাবছর পড়ার সুযোগ করে দিন। কারণ, পরবর্তী প্রজন্ম উপকৃত হলে আমরাই হবো লাভবান। সবাই মিলে এই পেশাকে আমরা নিঃসন্দেহে আমাদের জীবদ্দশাতেই আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো বলে আমি এখনও আশাবাদী।

 

                                              লেখক                                               

Dental Times

Dr. Fahmida Hussain
Clinical Associate Professor, Temple University dental school.
Chairperson of Level 1 Grievance Committee,
Aetna Better Health of Pennsylvania.

Advertisement

Uncategorized

‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে’ – জাহিদ মালেক

Published

on

Dental Times

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখীতে দেশে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন আসতে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘আজই হয়তো এর ডিক্লিয়ারেশন আসতে পারে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে।’

সেটা কেমন হবে জানতে চাইলে বলেন, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দারবানে যাওয়া আসা বন্ধ হবে। বিয়ের অনুষ্ঠান, পিকনিক, ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করার নির্দেশনা আসতে পারে। যেখানে জনসমাগম হয় সেসব জায়গায় রেস্ট্রিকশন আসতে পারে-এভাবেই বিভিন্ন ধরনের রেস্ট্রিকশন আসবে। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রাণলয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ের প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে ২২ দফার যে প্রোপোজাল গেছে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব রয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দেখে যেটা ভালো মনে করবেন সে অনুযায়ী নির্দেশনা জারি করবেন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন থাকবে।’

প্রস্তাবানার মধ্যে আছে:

১. সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। কমিউনিটি সেন্টার/কনভেনশন সেন্টারে বিয়ে/জন্মদিন/সভা/সেমিনার ইত্যাদি অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা।

২. বাড়িতে বিয়ে/জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

৩. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ন্যূনতম উপস্থিতি নিশ্চিত করা (ওয়াক্তিয়া নামাজে ৫-এর অধিক নয় এবং জুমার নামাজে ১০-এর অধিক নয়)।

৪. পর্যটন/বিনোদন কেন্দ্র/সিনেমা হল/থিয়েটার ও সব ধরনের মেলা বন্ধ রাখা।

Continue Reading

Uncategorized

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এআই টুল ‘ বিটকরোনা ‘

Published

on

Dental Times

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ‘বিটকরোনা’ নামের করোনা শনাক্তকারী কৃত্তিম বৃদ্ধিমত্তা টুল তৈরি করেছে দেশি সফটওয়্যার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন । তাদের দাবি, করোনাবট এবং এক্স-রে ইমেজ অ্যানালাইসিস টুল উন্নত উপায়ে ও দ্রুতগতিতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না, তা নিজে থেকে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

ইজেনারেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবহারকারী নিজেই কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত কি না, সেই সিদ্ধান্ত যাতে নিতে পারেন, এ জন্য ইজেনারেশন করোনাবটকে সেলফ-টেস্টিং টুলস হিসেবে তৈরি করেছে। এটি ব্যবহারকারীকে নিজে থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে আইসোলেশনে থাকতে উৎসাহ দেয়।

এটি স্বাস্থ্যকর্মীদের সময় বাঁচাতে পারে। ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন বুঝতে পারা এবং সেটির যথাযথ উত্তর দেয়ার জন্য করোনাবটটিতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করা হয়েছে। বটটি ইংরেজি, বাংলা এবং বাংলা ভাষাকে ইংরেজি অক্ষরে লেখা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

এর পাশাপাশি ইজেনারেশন মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এক্স-রে ছবি বিশ্লেষণী টুল তৈরি করেছে যা বুকের এক্স-রে ছবি দেখে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণে কার্যকর হতে পারে। এই টুল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা সুস্থ আছেন কিনা, মৃদু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কিনা অথবা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটি জানা যাবে। ইজেনারেশন বিটকরোনা (http://beatcorona.egeneration.co/) ওয়েবসাইটে গিয়ে এক্স-রে ছবি আপলোড করলে টুলটি ফলাফল দেখাবে

ইজেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, ‘ইজেনারেশন বিগত দুই বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা সফটওয়্যার ও অ্যানালিটিক্স নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির যে সক্ষমতা আমাদের তৈরি হয়েছে, সেটি ব্যবহার করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের এই সল্যুশনগুলি আমরা স্বল্প সময়ে তৈরি করতে পেরেছি।’

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

মির্জাপুরে নারীসহ আরও দুইজনের করোনা পজিটিভ

Published

on

মির্জাপুরে নারীসহ আরও

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারীসহ আরও দুইজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের কামাড়পাড়া গ্রামের ৫৫ বছরের এক নারী ও জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা গ্রামের ৩০ বছরের এক যুবক।

আক্রান্ত ওই নারী ঢাকায় বোনের বাসায় এবং যুবক ঢাকায় জুয়েলারি দোকানে থাকতেন। ২৬ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মীরা ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান। এরমধ্যে তাদের ওই দুইজনের করোনা পজিটিভ ও চারজনের নেগেটিভ আসে বলে স্বাস্থ্যকর্মী এজাজুল হক হাসান রাত সাড়ে এগারোটায় জানিয়েছেন।

এর আগে ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের পলি ক্লিনিকের সিনিয়র ওটি বয় অখিল চন্দ্র সরকারের করোনা পজিটিভ হলে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে ২৪ এপ্রিল বাড়ি আসেন।

এ পর্যন্ত মির্জাপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫২ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরমধ্যে ১৪৯ জনের করোনা নেগেটিভ ও ৩ জনের পজিটিভ আসে।

উপজেলা প্রশাসন রাতেই তাদের ঢাকায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো এবং আশপাশের অর্ধশত বাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

করোনা আক্রান্তের ১১ ভাগ স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা

Published

on

চিকিৎসক-নার্সসহ ৬৬০ জন স্বাস্থ্যকর্মী মরণব্যাধী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

Dental Times

সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক করোনা মহামারীতে বাংলাদেশও গভীর সংকটের সম্মুখীন। আজ সোমবার পর্যন্ত দেশের করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১৩ জন এবং মারা গেছেন ১৫২ জন। 

এতে আরও বলা হয়েছে, করোনা যুদ্ধের সম্মুখ সারির যোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ সেবাদানকারীগণ আশঙ্কাজনকভাবে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত ২৯৫ জন চিকিৎসক, ১১৬ জন নার্স ও ২৪৯ জন অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬০, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। 

চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবাদানকারী ব্যক্তিগণ এই হারে আক্রান্ত হতে থাকলে আগামীতে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। 

তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত প্রস্তাবনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানায় বিএমএ। এগুলো হলো:

১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড হাসপাতালে নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য সঠিক মানের পিপিই, এন-৯৫ বা এর সমমানের মাস্ক প্রদান করা জরুরি। 
২. নন-কোভিড হাসপাতালের প্রবেশদ্বারে ট্রায়াজ সিস্টেম চালু করে সেখানে কর্মরত সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপযুক্ত পিপিই, এন-৯৫ বা সমমানের মাস্ক প্রদান নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। 
৩. সকল সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন, প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ ও হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

Continue Reading

Uncategorized

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াল, আক্রান্ত আরও ৪৯৭

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামাহারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৫২ জনের মৃত্যু হলো। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৯৭ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ১৯২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে তিন হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪০১টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪৯৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও সাতজন, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫২ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩১ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ সাত হাজার। তবে পৌনে নয় লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

দেশে করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট (27.04.2020)

Continue Reading
Dental Times
Tooth Fairy2 days ago

টুথ ফেইরি ফাউন্ডেশনের ৩য় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পোস্টার উন্মোচন

Dental Times
পড়ালেখা3 weeks ago

বিএসএমএমইউর রেসিডেন্সি ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

Dental Times
BSMMU3 weeks ago

৬২৬ জন আবেদন করেছেন এমডি ও এমএস পরীক্ষায়

Dental Times
জাতীয়3 weeks ago

ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

Dental Times
অর্জন3 weeks ago

চিকিৎসক পদক ২০২১ পেলেন অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা

Dental Times
জাতীয়4 weeks ago

‘আপনাদের জুরিসডিকশনের বাইরে কিছু করলে আমরা ততক্ষনাৎ একশনে যাবো’

Dental Times
জাতীয়4 weeks ago

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসকের পরকীয়া তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন

Dental Times
বিএমডিসি4 weeks ago

মামলা নিষ্পত্তির আগে ডেন্টাল ডিপ্লোমাদের রেজিস্ট্রেশন সম্ভব নয় – বিএমডিসি

Dental Times
জীবন ও কর্ম1 month ago

সমাজকল্যাণের অগ্রযাত্রায় ফিমেল ডেন্টাল সার্জন অব বাংলাদেশ

Dental Times
জাতীয়1 month ago

‘ওমিক্রন’ কেন বিপজ্জনক? এর উপসর্গ কী কী?

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি1 month ago

ওমিক্রন ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৫ দফা নির্দেশনা

Dental Times
জাতীয়1 month ago

সরকারি ডেন্টালে ৪৭ আসন ফাঁকা

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 month ago

মিয়ানমারে ১৪ চিকিৎসাকর্মী গ্রেপ্তার

Dental Times
ছবি ও গল্প1 month ago

অভিনেত্রী ডাঃ বাঁধনকে নিয়ে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ দেখলেন ডেন্টাল সার্জনবৃন্দ

Dental Times
শিক্ষাঙ্গন2 months ago

সিআইএমসিতে বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ পালন

Dental Times
জাতীয়2 months ago

আপিল নিষ্পত্তির আগে ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাকটিসের অনুমতি না দেওয়ার অনুরোধ

Dental Times
ফিচার2 months ago

ন্যানো ডেন্টিস্ট্রি

Dental Times
জাতীয়2 months ago

ভয়াবহ শিক্ষক সংকটে শেবামেক ডেন্টাল ইউনিট: ৩৮ পদে কর্মরত ৬

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি2 months ago

মলনুপিরাভিরঃ কোভিডের ১ম মুখে খাওয়ার ঔষধ এখন বাংলাদেশে

চট্টগ্রামে পুর্ণাঙ্গ ডেন্টাল কলেজ স্থাপনের জন্য জমি পরিদর্শন
জাতীয়2 months ago

চট্টগ্রামে পুর্ণাঙ্গ ডেন্টাল কলেজ স্থাপনের জন্য জমি পরিদর্শন

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification