Connect with us

Uncategorized

ডেন্টিস্টদের এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতনতা – ডাঃ শওকত মামুন

Published

on

এন্টিবায়োটিক রেসিসটেন্স আমাদের দেশের জন্য একটা বড় হুমকি।আমাদের যে স্বাভাবিক ইমিউনিটি আছে, আমরা যদি বেশি মাত্রায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করি তাহলে স্বাভাবিক এই ইমিউন সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা কমে আসে। এই ইমিউন রেসপন্সটা কমে আসে। এন্টিবায়োটিক লেখার উপর আমদের কোন কন্ট্রোল নাই। কে এন্টিবায়োটিক লিখতে পারবে কে পারবে নাহ সেটির সুনির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। কি পরিমান এন্টিবায়োটিক বানানো হচ্ছে কি পরিমান এন্টিবায়োটিক ডাক্তাররা লিখছে এ বিষয়ে আমাদের কোন নীতিমালা নাই এবং এমন কোন নীতিমালা নেই যে এই এন্টিবায়োটিকগুলো প্রেসক্রিপশন ছাড়া লিখা যাবে নাহ। উন্নত বিশ্বে সাধারন মানুষজন প্রেস্কিপশন ছাড়া ফার্মেসী থেকে কোন এন্টিবায়োটিক নিতে পারে নাহ এবং প্রেসক্রিপশনে যে পরিমাণ এন্টিবায়োটিক সেবনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এর বেশি পরিমান এন্টিবায়োটিক কাউকেই দেয়া হয় নাহ৷ পুনরায় একই এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন ব্যতীত কখনোই সাধারণ মানুষজনকে দেয়া হয় নাহ। কিন্তু আমাদের দেশে সাধারণ মানুষের মাঝে একটি প্রবণতা কাজ করে, অনেকেই আছেন যারা ডাক্তার এর কাছে না গিয়ে সরাসরি ফার্মেসীতে চলে যায় এবং ফার্মেসী তে বসা ফার্মাসিস্ট নিজের ব্যবসার সুবাদে তাকে দামী এন্টিবায়োটিক দিয়ে দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর ডোজ বা পরিমান এবং কোর্স সঠিক থাকে নাহ৷ রোগী সেই এন্টিবায়োটিক ইচ্ছে মত সেবন করলো এবং কিছু সময়ের জন্য আরোগ্য লাভ করলো৷ কিন্তু যে পরিমাণ সেবনের প্রয়োজন ছিল সেটি সঠিক পরিমানে না হওয়ায় সেই এন্টিবায়োটিক একটি সময়ের পর আর কাজ করে নাহ। যাকে মেডিক্যালীয় পরিভাষায় বলে এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট। উদাহরণস্বরুপ, কারো শরীরে ১০০০ ব্যাকটেরিয়া আছে, তার জন্য অবশ্যই ১০০০ এর সমপরিমান এন্টিবায়োটিক লাগবে৷ সেখানে ৪০০/৫০০ পরিমান এন্টিবায়োটিক সেবন করলো তাহলে কিছুদিন হয়তো রোগী ভাল থাকবে। কিন্তু বাকি ৪০০/৫০০ ব্যাক্টেরিয়া তারা মৃত ব্যাকটেরিয়ার জিনোম কোড মিউটেশন এর মাধ্যমে নতুনভাবে আক্রমন করবে৷ ফলে নতুন মিউটেশন হওয়া ব্যাক্টেরিয়াগুলো সেই এন্টিবায়োটিক দ্বারা ধ্বংস হবে নাহ। তখন সেই রোগীর শরীরে এন্টি বায়োটিক রেসিন্টেন্স তৈরী হবে৷ এছাড়া এন্টিবায়োটিক প্রদানে একজন হেলথ প্রফেশনাল এর অবশ্যই ইনফেকশন এর ধরন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে। রোগীর জন্য শুধু সঠিক এন্টিবায়োটিক নির্ধারন ই নয় বরং সঠিক পরিমানটিও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরুপ কোন রোগীর ৫০০ মিলিগ্রাম প্রয়োজন, অথচ সেখানে ২৫০ মিলিগ্রাম দেয়া হলো বা কোন রোগীর ৭ দিন সেবন করতে হবে তাকে ৫ দিন দেয়া৷ হলো। পাশাপাশি রোগীকে ৫ দিন দেয়া সত্ত্বেও সে ৩ দিন খেয়ে ভাল হয়ে আর খেল নাহ৷ এটিই মূলত ক্ষতির কারন। উদাহরণস্বরুপ – কোন রোগী দাঁতের গোড়ায় পূঁজ বা ওডোন্টোজেনিক কোন ইনফেকশন নিয়ে এসেছে তখন তাকে এন্টিবায়োটিক এর কোর্স সহ দিয়ে দেয়া হলো৷ সে কিছুদিন সেবন করার পর ভাল বোধ করার আর সেবন করলো নাহ৷ এই অসম্পূর্ণ কোর্সের পর যখন রোগী পরবর্তীতে ১/২ মাস পর পুনরায় একই ইনফেকশন নিয়ে আসে তখন আর সেই একই এন্টিবায়োটিক দেবার সুযোগ থাকে নাহ। সেই এন্টিবায়োটিক তখন ভালো কাজ করার সম্ভাবনা কমে আসে এবং নতুন আরো উন্নত উপরের গ্রেডে এবং আগের চেয়ে দামী কোন এন্টিবায়োটিক তাকে প্রদান করতে হয়৷ তখন রোগীর খরচ ও বৃদ্ধি পায় এবং তার চিকিৎসা আরো জটিল হয়। হয়তো প্রাথমিকভাবে এবসেস ড্রেইনেজ করে দিলেই হতো৷ কিন্তু এন্টিবায়োটিক এর এমন ব্যবহার প্রাথমিকভাবে তার ইনফেকশনকে স্বাভাবিক করলে ও পরবর্তীতে পরিবর্তিত হওয়া সেই ব্যাক্টেরিয়া সেই ইনফেকশকে আরো জটিল ভাবে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে দেয় এবং সেটির চিকিৎসার জন্য হয়তো বড় ধরনের কোন সার্জারীর প্রয়োজন হয়। একজন ফিজিশিয়ানকে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক পছন্দের ক্ষেত্রে সচেতন হতে এবে এবং কোথায় এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন, কোথায় এন্টিবায়োটিক না দিলেও চলবে সে জায়গাগুলো সঠিকভাবে নিরুপন করতে হবে৷ উদাহরণস্বরুপ, কোন দাঁত এর কাছাকাছি মাড়ি ফুলে গেছে, ব্যাথা আছে, এক্স-রে করে এবং ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সেখানে পুঁজ আছে সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু এন্ডোডন্টিক চিকিৎসায় হরহামেশা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়৷ যেটি উচিত নয়। এন্ডোডন্টিক চিকিৎসায় যদি কোন ধরনের ইনফেকশন পাওয়া যায়, তাহলে সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের উপযোগিতা রয়েছে। অনেকে স্টেরিলাইজেশন এর দোহাই দিয়ে রোগিকে এন্টিবায়োটিক প্রদান করছেন৷ কিন্তু নিজে থেকেই স্টেরিলাইজেশন নিশ্চিত না করে বরং রোগীকে সেই স্টেরিলাইজেশন এর অভাবের দরুন কোন ইনফেকশন হবার সুযোগ আছে এরকম ধারণা প্রদান করে এন্টিবায়োটিক প্রদান করা কোনভাবেই উচিত নাহ। যেকোন প্রফেশনাল এর কোনভাবেই নিজে থেকে রোগীর মুখে অর্গানিজম কে ইন্টোডিউস করায় দেয়ার কোন যুক্তি থাকতে পারে নাহ। বরংচ স্টেরিলাইজেশনকে সুনিশ্চিত করে এন্টিবায়োটিক এর এমন অপব্যবহারকে কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব থাকা উচিত। যত্রতত্র অযোক্তিকভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার ই এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্স এর মূল কারন। আসলে উচিত হচ্ছে প্রতিটা সময়ই কালচার এবং সেনসেটিভিটি টেস্টের মাধ্যমে রোগীর জন্য সর্বাপেক্ষা কম মূল্যের সঠিক এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার।কিন্তু আমাদের ডেন্টাল এর ক্ষেত্রে স্টেফাইলোকক্কাল ও স্ট্রেপটোকক্কাল ইনফেকশন বেশি হয়। এগুলোর মধ্য বিটা ল্যাক্টাম রিং থাকে। এই রিং যেই এন্টিবায়োটিক ভাংতে পারে সেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলেই হয়। আমরা এমক্সিসিলিন ব্যবহার করে থাকি। উদাহরণস্বরূপ রোগী এমক্সিসিলিন আগে সেবন করেছে সেক্ষেত্রে আমরা যদি সরাসরি সেফুরক্সিম এ চলে যাই, সেটি ঠিক নয়, এমক্সিসিলিন এর পর ক্লাভুলানিক এসিড, সেফ্রাডিন, মেট্রোনিডাজল ব্যবহার করা যেতে পারে।আবার মেট্রোনিডাজল এবং এমক্সিসিলিন এর কম্বিনেশন ও করা যায়, ক্লাভুলানিক এসিড ও কম্বিনেশন করে ব্যবহার করা যায়৷ এন্টবায়োটিক ব্যবহারে জেনারেশন মেনে ঔষধ দেয়া উচিত। এন্ডোডন্টিক ট্রিটমেন্টে সবক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই লিখাও উচিত নাহ্৷ যেখানে ইনফেকশন আছে, পূঁজ আছে, সাইনাস আছে, ফোলা আছে, সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু যেখানে ক্যানেল খুলে দেখা গেল পূঁজ আছে দেখা যাচ্ছে, পর্যাপ্ত ইরিগেশন দরকার সেখানে পর্যাপ্ত সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড দিয়ে ইরিগেশন করে দিলেই হয়ে যায়। আর সার্জিকেল সাইট ইনফেকশনে আমরা রাবার ড্যাম ব্যবহার করি নাহ৷ এটি আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে নাহ৷ আর স্টেরিলাইজেশনের সাথে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কোন সম্পর্ক নাই। আরেকটি ব্যাপার আসলে না বললেই নয় এন্টিবায়োটিক কখনোই হিলিং করে নাহ। কাজেই হিলিং এর সাথে এন্টিবায়োটিক এর কোন সম্পর্ক নেই। উদাহরণস্বরুপ কোন ডায়াবেটিক রোগী দাঁতে ব্যাথা নিয়ে এসেছে। দাঁত ফেলে দিতে হবে৷ তার ইমিউনিটি কমপ্রোমাইজড। নিউট্রোপেনিয়া বা লেইজি নিউট্রোফিল থাকার কারনে তার শ্বেতরক্তকণিকা ভালভাবে কাজ করে নাহ। যার জন্য তার ইনফেকশন হবার সুয়োগ থাকে বেশি, সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও মুখে রক্তসঞ্চালন ভাল হবার কারনে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হিলিং হয়ে যায়। কিন্তু একজন স্বাভাবিক মানুষ কোন প্যাথলজী ছাড়া কোন দাঁত ফেলার ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর প্রয়োজন হয় নাহ। অর্থাৎ, এন্টিবায়োটিক এর সাথে হিলিং এর সাথে সম্পর্ক নেই। যদি কোন কারনে ইমিউনিটি কম থাকে, বয়ষ্ক রোগী হয়, কোমরবিডিটি থাকে, অন্য কোন কারনে দেরীতে হিলিং হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে এবং ইনফেকশন হবার সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত। কাজেই ইনফেকশন এর ধরন অনুযায়ী, নূন্যতম ৫ দিন থেকে শুরু করে ৭ দিন এবং ক্ষেত্রবিশেষে ১৪ দিনের জন্যও এন্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দিতে হবে। পাশাপাশি পেরিওডন্টোলজি তে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ও এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার রয়েছে। যেমন – ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস এর জন্য প্রোফাইলেকটিক এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। যদি কারো এন্ডোকার্ডিয়ামে কোন ধরনের সংক্রমনের সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক দিতে হবে। কিন্তু স্বাভাবিক স্কেলিং এবং যদি ডিপ পকেট কিউরেট না করা হয় তাহলে সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার প্রয়োজন নেই। যেখানে ডিপ পকেট কিউরেট করা হবে বা প্রচুর রক্তপাত হবার সম্ভাবনা আছে সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার প্রয়োজনীয়। যেমন- এনাগ বা একিউট আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস এর ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের এন্টিবায়োটিক রেসিসটেন্স এর পেছনে কিছুটা হলেও আমাদের দেশের ঔষধ কোম্পানীরা দায়ি। ওনাদের প্রতিনিধিরা দামী ঔষধ লেখার জন্য অনেক সময় ডেন্টাল প্রফেশনালদের অনুরোধ করে। যেখানে এমক্সিসিলিন কাজ করবে সেখানে সেফুরক্সিম লিখার জন্য তাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ আসে। তাই আমরা যারা ফিজিশিয়ান আছি তাদের অবশ্যই এই ব্যাপারে সতকর্তা অবলম্বন করা উচিত। তাই  আশা করি ফিজিশিয়ান, রোগী, ফার্মাসিস্ট সকলের সচেতনতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল মানুষ এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহারে সচেতনতা অবলম্বন করবে।

ডাঃ শওকত মামুন
এমএস(ওএমএস), বিডিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), ওটিসি(অস্ট্রেলিয়া)
সহকারী অধ্যাপক
ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী বিভাগ
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ, ঢাকা

Advertisement

Uncategorized

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩৭১ চিকিৎসক, শীর্ষে ঢাকা

Published

on

চিকিৎসক

রাজধানীসহ সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকরাই আক্রান্ত হচ্ছেন প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে। শীর্ষে ঢাকা ।

ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজের (এফডিএসআর) তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে মোট ৩৭১ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৩০৫ জন চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে- বরিশালে ৯ জন, চট্টগ্রামে ১৫, সিলেটে ৫, খুলনায় ১০, রংপুরে তিন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২৪ জন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হন।

ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজ নামক একটি সংগঠনটি সারাদেশের চিকিৎসকদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪৫ জনে। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪১৮ জন। এতে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪১৬। এছাড়া নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১২২ জনে।

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

উত্তপ্ত ইউএসটিসি , ৩৪ স্বাস্থ্যকর্মীকে চাকুরিচ্যুতের প্রতিবাদে ধর্মঘট

Published

on

করোনাভাইরাসের থাবায় যখন সবাই দিশেহারা হয়ে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিতদের দিকে চেয়ে আছে, ঠিক সেই সময়ে চট্টগ্রামের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউএসটিসির অধীন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল থেকে ১৯ জন নার্স এবং ১১ জন ক্লিনার ও ৪ জন আয়াকে আকস্মিক চাকরিচ্যূত করেছে কর্তৃপক্ষ। চাকরিচ্যূতির কোন ব্যাখ্যা না দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে ‘কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে’।

চাকুরিচ্যুত করার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটিসি)’ প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা।

জানা গেছে, গত ৮ এপ্রিল ১৯ জন নার্স এবং ১৫ জন আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে প্রথমে বেতন ভাতাও আটকে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে অবশ্য বেতন পরিশোধ করা হলেও চাকুরিচ্যুত করার নির্দেশনা জারি রাখা হয়।

ইউএসটিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান চট্টগ্রামের একটি গণমাধ্যমে বলেন, ইউএসটিসিতে কোন শৃঙ্খলা নেই। এখানে দুই বার দুইজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডিরেক্টর হিসেবে এসেছিলেন। মালিকপক্ষের এসব অনিয়মের কারণে উনারা চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর থেকে মালিকপক্ষ তাদের পোষা লোকজনকে চেয়ারে বসায়, যাদের কোন ব্যক্তিত্ব নেই। মালিকের কথায় উঠবে, বসবে। এখন তারা অভিজ্ঞ নার্স, আয়া, স্টাফদেরকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বিদায় করার নোটিশ দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে অনেককে চাকরিচ্যূত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ৮ এপ্রিল চাকরিচ্যূতির নোটিশে আমরা অবাক হয়েছি। নোটিশে কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এভাবে কাউকে চাকরিচ্যূত করা যায় না। চাকরিচ্যূতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমরা এর প্রতিবাদে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর পুলিশের কমিশনার, জেলা প্রশাসক, খুলশী থানাসহ, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছি। করোনা পস্থিতিতে আমরা এই মুহুর্তে আন্দোলনে যেতে না পারলেও আমরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্রসর হবো।

চাকরিচ্যূত নার্স হামিদা আক্তার বলেন, ‘আমরা ডিপ্লোমাধারী না হলেও আমাদের দিয়েই ইউএসটিসি সৃষ্টি। সরকারতো ডিপ্লোমা ছাড়া নার্স নিয়োগ দিতে নিষেধ করেছে। আমাদেরকে তো চাকরি থেকে বাদ দিতে বলেনি।’

চাকরিচ্যূতির শিকার আরেক নার্স রেহানা আক্তার বলেন, ‘আমার চাকরির বয়স ১৯ বছর। আমি বাইরে ডিপ্লোমা করেছি। নার্সিং কাউন্সিলের নাম্বার ছিল না। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা করেছি তাদের নাম্বার ছিল। সেটা ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি।’

এদিকে হাসপাতালের পরিচালক ডা. কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের মোট ৭৮ জন নার্স কর্মরত আছেন। যাদের বিদায়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী তাদের যোগ্যতায় ঘাটতি আছে। আগ থেকেই এদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আপত্তি ছিল। গত ডিসেম্বর থেকে তাদের বিদায় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিপরীতে ডিপ্লোমাধারী ২২ জন নার্স আমরা নিয়োগও দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, নার্স-আয়া-স্টাফ মিলে যে ৩৪ জনকে বিদায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের যাবতীয় পাওনা দিয়ে আমরা বিদায় দিচ্ছি। তাদের যে এসোসিয়েশনগুলো আছে ওগুলোর সাথে আমরা আগে বসেছি, তাদের সাথে বসেছি যে তারা কোন শর্তে যে চায়। সে সব শর্ত মেনেই তাদের আমরা বিদায় দিচ্ছি। তারা যাবতীয় পাওনা নিয়েই যাবেন। আর একমাস সময় আমরা হাতে রেখেছি। এই এক মাসের বেতনও তারা পাচ্ছেন।

জানা গেছে, ইউএসটিসির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ইফতেখার ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের ছেলে। তার স্ত্রী ডা. সাবা কাশ্মীরের নাগরিক। ৬ মাস আগে একই প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস করে তিনিও ডিরেক্টর হিসেবে হাসপাতালে জয়েন করেছেন। এই আদেশের বিষয়ে অনেকে আঙ্গুল তুলছেন ডাঃ সাবা’uর দিকে। কিন্তু আরেক চিকিৎসক ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, এসব সিদ্ধান্ত চেয়ারম্যান, নার্সিং ইন্সটিটিউটসহ অন্য অথরিটির সম্মতিতে গ্রহণ করা হয়। একজনের ওপর চাপানোর কোন সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মিনহাজুর রহমান বলেন, কোন কারণ দর্শানো নোটিশ এবং যৌক্তিক কারণ ছাড়া কথায় কথায় চিকিৎসক, নার্স স্টাফ চাকরিচ্যূত করা ইউএসটিসির জন্মগত স্বভাব। করোনা সংকটে তারা অসচ্ছল স্টাফদের চাকরিচ্যূত করাটা অন্যায়। আমরা এই আদেশ প্রত্যাহার চাই।

বিষয়টিকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন দাবি করে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু বলেন, করোনা সংকটে পুরো জাতি যখন একে অপরের পাশে দাঁড়াচ্ছে, সেখানে ইউএসটিসি তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নার্স, স্টাফ ছাঁটাই করছে— এটা অমানবিক, মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধও। কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যূতির এই আদেশ প্রত্যাহার না করলে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়াবে।

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

Continue Reading

Uncategorized

তিন শর্তে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার নির্দেশ

Published

on

রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে শর্তসাপেক্ষে করোনা হাসপাতাল হিসেবে চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

২৫ এপ্রিল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সহকারী স্বাস্থ্য-১ শাখার উপসচিব মো. আবু রায়হান মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তিনটি শর্তসাপেক্ষে হাসপাতালটিতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসাসেবা চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা জারি করা হয়।

শর্ত তিনটি হলো-

১. হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের সাথে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে হাসপাতালটি শুধু করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবার জন্য পরিচালিত হবে।

২. হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য পরিচালনা ব্যয় নির্ধারণ করা যাবে
৩. রোগীর চিকিৎসার ব্যয়বাবদ খরচ সরকার বহন করবে

Continue Reading

Uncategorized

কিট আসুক না আসুক, কাউকে ঘুষ দেবে না গণস্বাস্থ্য

Published

on

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র যে কিট উদ্ভাবন করেছে, সেটা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর নেয়নি উল্লেখ করে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ব্যবসায়িক স্বার্থে জাতীয় স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করছে। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে গণস্বাস্থ্যের কিট গ্রহণ করেনি। আমরা জনগণের স্বার্থে শুধু সরকারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে কিটটি কার্যকর কি-না, তা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকারিভাবে প্রতি পদে পদে পায়ে শিকল দেয়ার চেষ্টা হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেন।

এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে একই জায়গায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আমন্ত্রণ জানানোর পরও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এ কিট গ্রহণের জন্য যায়নি সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান। পরদিনই এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কার্যালয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিটের উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীলসহ তিনজন এটি জমা দিতে যান। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর তা গ্রহণ করেনি। এমনকি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তিনজনের একজনকে ওষুধ প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রবেশও করতে দেয়া হয়নি।

‘কর্তৃপক্ষ জমা নেবেন না। আমরা গিয়েছিলাম, তারা জমা নেননি। বললেন যে সিআরও নিয়ে আসেন। তারপরে বললেন, এটা আপনারা ভেরিফিকেশন করে আনেন সিআরও থেকে। সিআরও হলো চুক্তিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ওখানে পয়সা দিতে হবে। কত খরচ লাগবে, তা উনারা (সিআরও) বাজেট দেবেন। পরে আইসিডিডিআর,বি থেকে ভেরিফিকেশন করিয়ে আনার কথা বলেন। আইসিডিডিআর,বি লকডাউন থাকায় তারা বিএসএমএমইউ, আইইডিসিআর কিংবা আর্মি প্যাথলজি ল্যাবরেটরি থেকে কার্যকারিতা আছে কি-না পরীক্ষা করে দেখার প্রস্তাব দিলেও তা মানা হয়নি।’

তিনি বলেন, জাতির এ দুর্যোগের সময় যুগান্তকারী আবিষ্কার এ কিট কাজে লাগানো যাচ্ছে না। যেখানে ইরানে এ ধরনের কিট প্রতিদিন ১০ লাখ তৈরি ও ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে তারা কিট জমাই রাখেননি। যে কোনো ল্যাবরেটরি থেকে পরীক্ষাতে আপত্তি নেই। কিন্তু জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে তারা এখন বাজেট ঠিক করবেন, তারপর সিআরও’র মাধ্যমে রিপোর্ট নেবেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের বুঝতে হবে, কিভাবে তারা ব্যবসায়িক স্বার্থকে রক্ষা করছেন। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর অনৈতিক কাজ করছে, দেশের ক্ষতি করছে। তারা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে রেখে চলেন, তাতে তাদের লেনদেনে সুবিধা হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ প্রধান বলেন, প্রথমে আমাদের বললো, অনুমোদন নেই দেখে আমরা আসতে পারব না। আমরা তো আপনাদের হাতে দিতে চাই, যাতে আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আমাদের গতকাল বলা হলো, তারা আসবেন না। ঠিক আছে, আজকে আমরা গেলাম। আজকে গণস্বাস্থ্যের ড. বিজন কুমার শীলসহ তিনজন গেলেন। তারপরও দেখেন, কেমন আমলাতান্ত্রিকতা। দুজনকে ঢুকতে দেবে, আরেকজনকে দেবে না। অথচ বাইরের তিনজন লোককে ভেতরে বসিয়ে রেখেছেন। তাদের ব্যবসা সংশ্লিষ্ট লোকদের ভেতরে বসিয়ে রেখেছেন। ফিরোজ, তিনি হেড অব এ ডিপার্টমেন্ট অব নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পদমর্যাদায় ওই ডিজি সাহেবের সমতুল্য তিনি। এ জাতীয় লোককে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি যুক্তিতর্কে হেরে যাওয়ার ভয়ে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গতকাল আমরা এখানে কিট হস্তান্তরের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলাম, এটার অনুমোদনের জন্য। এটা অনুমোদন করার দায়িত্ব হলো ওষুধ প্রশাসনের। দুর্ভাগ্যবশত, ওষুধ প্র্রশাসন এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, তারা না ফার্মাসিস্ট, না ফার্মাকোলজিস্ট। তার ফলে এই জিনিসগুলির গুরুত্ব সেভাবে তারা উপলব্ধি করতেই সক্ষম হচ্ছেন না। তারা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ী স্বার্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন।

‘বিজ্ঞানীরা জনস্বার্থে এটি আবিষ্কার করেছেন। এটি ব্যবহারে যত দেরি হবে তত জনগণের ক্ষতি বেশি হবে। এ গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের গুরুত্ব আমরা ওষুধ প্রশাসনকে বোঝাতে পারছি না। সিআরও নামের এজেন্টকে পরীক্ষার জন্য ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা চাই এটির মূল্য ২৫০ থেকে ২০০ টাকা নামাতে, আর তারা ব্যবসায়িক স্বার্থে নানা অজুহাতে ৫০০ টাকা দাম করতে চায়। ওষুধ প্রশাসন থেকে বলা হয়, দাম বাড়লে বাড়বে। এটা কি জনস্বার্থে কথা হলো? আমার ধারণা একটা শ্রেণী সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’

আপনারা গতকাল কিট হস্তান্তর করা হবে বলেছিলেন কেন? এ প্রশ্নের জবাবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কিটটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে চেয়েছি। এখন আমার কাছে কিট থাকলেও সরকারের অনুমোদন ছাড়া আমরা পরীক্ষা করতে পারবো না।

তিনি বলেন, গত ১২ এপ্রিল কিটের যথার্থতা প্রমাণের জন্য সরকারের কাছে রক্ত চেয়েছি। কিন্তু পেয়েছি ২২ এপ্রিল, তাও আবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হস্তক্ষেপের পর। আমার মতো লোক ২৫ বার ফোন করেছি।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালকের উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আপনাদের সকল ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করে দেবো, তবে ঘুষ দেবো না। গণস্বাস্থ্যের ৪৮ বছরে কাউকে ঘুষ দেইনি, এতে প্রোডাক্ট বাজারে আসুক না আসুক, আমরা ঘুষ দেইনি, দেবো না। এই দুর্নীতির অংশীদার হইনি, হবো না। আমরা আন্দোলন করে যাবো।

Continue Reading

Uncategorized

দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত ৪১৮, মৃত ৫ জন

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪১৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ৪১৬ জনে। সেইসঙ্গে করোনায় আরো ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৪২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪৭৬ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। ৪১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ডা. নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ জন।  সুস্থ হয়েছে ৯ জন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মত তিনজনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য জানায় আইইডিসিআর। 

এরপর ২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

Continue Reading
সংগঠন2 weeks ago

জিডিএফ বর্ষপূর্তি ও সাইন্টিফিক সেমিনারের পোস্টার উন্মোচন

জাতীয়3 weeks ago

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট

জাতীয়1 month ago

প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি করলে ফার্মেসির লাইসেন্স বাতিল

ক্যারিয়ার1 month ago

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজন -(নিপসম)

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়1 month ago

অ্যান্টিবায়োটিকের মোড়ক হবে লাল, যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে হচ্ছে আইন

জাতীয়1 month ago

দাউদকান্দিতে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের রমরমা বাণিজ্য

জাতীয়2 months ago

৭ ছাত্র নিরুদ্দেশ: চিকিৎসক শাকিরের সহযোগী ভিলার স্বীকারোক্তি

সিলেট বিভাগ2 months ago

চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে ডেন্টাল চেম্বারে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি!

সংগঠন2 months ago

ডা: মোত্তাকিন আহমেদ স্মরণে বিএসপিডি’র দোয়া মাহফিল

সংগঠন2 months ago

চিকিৎসকদের জন্য লিডারশীপ এক্সেলেন্সি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কলাম2 months ago

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব

জাতীয়2 months ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়2 months ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়2 months ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়2 months ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়2 months ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ2 months ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়2 months ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification