Connect with us

Uncategorized

ডেন্টিস্টদের এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতনতা – ডাঃ শওকত মামুন

DENTALTIMESBD.com

Published

on

এন্টিবায়োটিক রেসিসটেন্স আমাদের দেশের জন্য একটা বড় হুমকি।আমাদের যে স্বাভাবিক ইমিউনিটি আছে, আমরা যদি বেশি মাত্রায় এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করি তাহলে স্বাভাবিক এই ইমিউন সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা কমে আসে। এই ইমিউন রেসপন্সটা কমে আসে। এন্টিবায়োটিক লেখার উপর আমদের কোন কন্ট্রোল নাই। কে এন্টিবায়োটিক লিখতে পারবে কে পারবে নাহ সেটির সুনির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। কি পরিমান এন্টিবায়োটিক বানানো হচ্ছে কি পরিমান এন্টিবায়োটিক ডাক্তাররা লিখছে এ বিষয়ে আমাদের কোন নীতিমালা নাই এবং এমন কোন নীতিমালা নেই যে এই এন্টিবায়োটিকগুলো প্রেসক্রিপশন ছাড়া লিখা যাবে নাহ। উন্নত বিশ্বে সাধারন মানুষজন প্রেস্কিপশন ছাড়া ফার্মেসী থেকে কোন এন্টিবায়োটিক নিতে পারে নাহ এবং প্রেসক্রিপশনে যে পরিমাণ এন্টিবায়োটিক সেবনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এর বেশি পরিমান এন্টিবায়োটিক কাউকেই দেয়া হয় নাহ৷ পুনরায় একই এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন ব্যতীত কখনোই সাধারণ মানুষজনকে দেয়া হয় নাহ। কিন্তু আমাদের দেশে সাধারণ মানুষের মাঝে একটি প্রবণতা কাজ করে, অনেকেই আছেন যারা ডাক্তার এর কাছে না গিয়ে সরাসরি ফার্মেসীতে চলে যায় এবং ফার্মেসী তে বসা ফার্মাসিস্ট নিজের ব্যবসার সুবাদে তাকে দামী এন্টিবায়োটিক দিয়ে দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর ডোজ বা পরিমান এবং কোর্স সঠিক থাকে নাহ৷ রোগী সেই এন্টিবায়োটিক ইচ্ছে মত সেবন করলো এবং কিছু সময়ের জন্য আরোগ্য লাভ করলো৷ কিন্তু যে পরিমাণ সেবনের প্রয়োজন ছিল সেটি সঠিক পরিমানে না হওয়ায় সেই এন্টিবায়োটিক একটি সময়ের পর আর কাজ করে নাহ। যাকে মেডিক্যালীয় পরিভাষায় বলে এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্ট। উদাহরণস্বরুপ, কারো শরীরে ১০০০ ব্যাকটেরিয়া আছে, তার জন্য অবশ্যই ১০০০ এর সমপরিমান এন্টিবায়োটিক লাগবে৷ সেখানে ৪০০/৫০০ পরিমান এন্টিবায়োটিক সেবন করলো তাহলে কিছুদিন হয়তো রোগী ভাল থাকবে। কিন্তু বাকি ৪০০/৫০০ ব্যাক্টেরিয়া তারা মৃত ব্যাকটেরিয়ার জিনোম কোড মিউটেশন এর মাধ্যমে নতুনভাবে আক্রমন করবে৷ ফলে নতুন মিউটেশন হওয়া ব্যাক্টেরিয়াগুলো সেই এন্টিবায়োটিক দ্বারা ধ্বংস হবে নাহ। তখন সেই রোগীর শরীরে এন্টি বায়োটিক রেসিন্টেন্স তৈরী হবে৷ এছাড়া এন্টিবায়োটিক প্রদানে একজন হেলথ প্রফেশনাল এর অবশ্যই ইনফেকশন এর ধরন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে। রোগীর জন্য শুধু সঠিক এন্টিবায়োটিক নির্ধারন ই নয় বরং সঠিক পরিমানটিও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরুপ কোন রোগীর ৫০০ মিলিগ্রাম প্রয়োজন, অথচ সেখানে ২৫০ মিলিগ্রাম দেয়া হলো বা কোন রোগীর ৭ দিন সেবন করতে হবে তাকে ৫ দিন দেয়া৷ হলো। পাশাপাশি রোগীকে ৫ দিন দেয়া সত্ত্বেও সে ৩ দিন খেয়ে ভাল হয়ে আর খেল নাহ৷ এটিই মূলত ক্ষতির কারন। উদাহরণস্বরুপ – কোন রোগী দাঁতের গোড়ায় পূঁজ বা ওডোন্টোজেনিক কোন ইনফেকশন নিয়ে এসেছে তখন তাকে এন্টিবায়োটিক এর কোর্স সহ দিয়ে দেয়া হলো৷ সে কিছুদিন সেবন করার পর ভাল বোধ করার আর সেবন করলো নাহ৷ এই অসম্পূর্ণ কোর্সের পর যখন রোগী পরবর্তীতে ১/২ মাস পর পুনরায় একই ইনফেকশন নিয়ে আসে তখন আর সেই একই এন্টিবায়োটিক দেবার সুযোগ থাকে নাহ। সেই এন্টিবায়োটিক তখন ভালো কাজ করার সম্ভাবনা কমে আসে এবং নতুন আরো উন্নত উপরের গ্রেডে এবং আগের চেয়ে দামী কোন এন্টিবায়োটিক তাকে প্রদান করতে হয়৷ তখন রোগীর খরচ ও বৃদ্ধি পায় এবং তার চিকিৎসা আরো জটিল হয়। হয়তো প্রাথমিকভাবে এবসেস ড্রেইনেজ করে দিলেই হতো৷ কিন্তু এন্টিবায়োটিক এর এমন ব্যবহার প্রাথমিকভাবে তার ইনফেকশনকে স্বাভাবিক করলে ও পরবর্তীতে পরিবর্তিত হওয়া সেই ব্যাক্টেরিয়া সেই ইনফেকশকে আরো জটিল ভাবে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে দেয় এবং সেটির চিকিৎসার জন্য হয়তো বড় ধরনের কোন সার্জারীর প্রয়োজন হয়। একজন ফিজিশিয়ানকে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক পছন্দের ক্ষেত্রে সচেতন হতে এবে এবং কোথায় এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন, কোথায় এন্টিবায়োটিক না দিলেও চলবে সে জায়গাগুলো সঠিকভাবে নিরুপন করতে হবে৷ উদাহরণস্বরুপ, কোন দাঁত এর কাছাকাছি মাড়ি ফুলে গেছে, ব্যাথা আছে, এক্স-রে করে এবং ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সেখানে পুঁজ আছে সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে। কিন্তু এন্ডোডন্টিক চিকিৎসায় হরহামেশা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়৷ যেটি উচিত নয়। এন্ডোডন্টিক চিকিৎসায় যদি কোন ধরনের ইনফেকশন পাওয়া যায়, তাহলে সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের উপযোগিতা রয়েছে। অনেকে স্টেরিলাইজেশন এর দোহাই দিয়ে রোগিকে এন্টিবায়োটিক প্রদান করছেন৷ কিন্তু নিজে থেকেই স্টেরিলাইজেশন নিশ্চিত না করে বরং রোগীকে সেই স্টেরিলাইজেশন এর অভাবের দরুন কোন ইনফেকশন হবার সুযোগ আছে এরকম ধারণা প্রদান করে এন্টিবায়োটিক প্রদান করা কোনভাবেই উচিত নাহ। যেকোন প্রফেশনাল এর কোনভাবেই নিজে থেকে রোগীর মুখে অর্গানিজম কে ইন্টোডিউস করায় দেয়ার কোন যুক্তি থাকতে পারে নাহ। বরংচ স্টেরিলাইজেশনকে সুনিশ্চিত করে এন্টিবায়োটিক এর এমন অপব্যবহারকে কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব থাকা উচিত। যত্রতত্র অযোক্তিকভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার ই এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্স এর মূল কারন। আসলে উচিত হচ্ছে প্রতিটা সময়ই কালচার এবং সেনসেটিভিটি টেস্টের মাধ্যমে রোগীর জন্য সর্বাপেক্ষা কম মূল্যের সঠিক এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার।কিন্তু আমাদের ডেন্টাল এর ক্ষেত্রে স্টেফাইলোকক্কাল ও স্ট্রেপটোকক্কাল ইনফেকশন বেশি হয়। এগুলোর মধ্য বিটা ল্যাক্টাম রিং থাকে। এই রিং যেই এন্টিবায়োটিক ভাংতে পারে সেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলেই হয়। আমরা এমক্সিসিলিন ব্যবহার করে থাকি। উদাহরণস্বরূপ রোগী এমক্সিসিলিন আগে সেবন করেছে সেক্ষেত্রে আমরা যদি সরাসরি সেফুরক্সিম এ চলে যাই, সেটি ঠিক নয়, এমক্সিসিলিন এর পর ক্লাভুলানিক এসিড, সেফ্রাডিন, মেট্রোনিডাজল ব্যবহার করা যেতে পারে।আবার মেট্রোনিডাজল এবং এমক্সিসিলিন এর কম্বিনেশন ও করা যায়, ক্লাভুলানিক এসিড ও কম্বিনেশন করে ব্যবহার করা যায়৷ এন্টবায়োটিক ব্যবহারে জেনারেশন মেনে ঔষধ দেয়া উচিত। এন্ডোডন্টিক ট্রিটমেন্টে সবক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর প্রয়োজনীয়তা নেই। তাই লিখাও উচিত নাহ্৷ যেখানে ইনফেকশন আছে, পূঁজ আছে, সাইনাস আছে, ফোলা আছে, সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু যেখানে ক্যানেল খুলে দেখা গেল পূঁজ আছে দেখা যাচ্ছে, পর্যাপ্ত ইরিগেশন দরকার সেখানে পর্যাপ্ত সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড দিয়ে ইরিগেশন করে দিলেই হয়ে যায়। আর সার্জিকেল সাইট ইনফেকশনে আমরা রাবার ড্যাম ব্যবহার করি নাহ৷ এটি আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে নাহ৷ আর স্টেরিলাইজেশনের সাথে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কোন সম্পর্ক নাই। আরেকটি ব্যাপার আসলে না বললেই নয় এন্টিবায়োটিক কখনোই হিলিং করে নাহ। কাজেই হিলিং এর সাথে এন্টিবায়োটিক এর কোন সম্পর্ক নেই। উদাহরণস্বরুপ কোন ডায়াবেটিক রোগী দাঁতে ব্যাথা নিয়ে এসেছে। দাঁত ফেলে দিতে হবে৷ তার ইমিউনিটি কমপ্রোমাইজড। নিউট্রোপেনিয়া বা লেইজি নিউট্রোফিল থাকার কারনে তার শ্বেতরক্তকণিকা ভালভাবে কাজ করে নাহ। যার জন্য তার ইনফেকশন হবার সুয়োগ থাকে বেশি, সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও মুখে রক্তসঞ্চালন ভাল হবার কারনে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হিলিং হয়ে যায়। কিন্তু একজন স্বাভাবিক মানুষ কোন প্যাথলজী ছাড়া কোন দাঁত ফেলার ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর প্রয়োজন হয় নাহ। অর্থাৎ, এন্টিবায়োটিক এর সাথে হিলিং এর সাথে সম্পর্ক নেই। যদি কোন কারনে ইমিউনিটি কম থাকে, বয়ষ্ক রোগী হয়, কোমরবিডিটি থাকে, অন্য কোন কারনে দেরীতে হিলিং হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে এবং ইনফেকশন হবার সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা উচিত। কাজেই ইনফেকশন এর ধরন অনুযায়ী, নূন্যতম ৫ দিন থেকে শুরু করে ৭ দিন এবং ক্ষেত্রবিশেষে ১৪ দিনের জন্যও এন্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দিতে হবে। পাশাপাশি পেরিওডন্টোলজি তে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ও এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার রয়েছে। যেমন – ইনফেকটিভ এন্ডোকার্ডাইটিস এর জন্য প্রোফাইলেকটিক এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। যদি কারো এন্ডোকার্ডিয়ামে কোন ধরনের সংক্রমনের সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই এন্টিবায়োটিক দিতে হবে। কিন্তু স্বাভাবিক স্কেলিং এবং যদি ডিপ পকেট কিউরেট না করা হয় তাহলে সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার প্রয়োজন নেই। যেখানে ডিপ পকেট কিউরেট করা হবে বা প্রচুর রক্তপাত হবার সম্ভাবনা আছে সেখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার প্রয়োজনীয়। যেমন- এনাগ বা একিউট আলসারেটিভ জিনজিভাইটিস এর ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের এন্টিবায়োটিক রেসিসটেন্স এর পেছনে কিছুটা হলেও আমাদের দেশের ঔষধ কোম্পানীরা দায়ি। ওনাদের প্রতিনিধিরা দামী ঔষধ লেখার জন্য অনেক সময় ডেন্টাল প্রফেশনালদের অনুরোধ করে। যেখানে এমক্সিসিলিন কাজ করবে সেখানে সেফুরক্সিম লিখার জন্য তাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ আসে। তাই আমরা যারা ফিজিশিয়ান আছি তাদের অবশ্যই এই ব্যাপারে সতকর্তা অবলম্বন করা উচিত। তাই  আশা করি ফিজিশিয়ান, রোগী, ফার্মাসিস্ট সকলের সচেতনতার মাধ্যমে বাংলাদেশের সকল মানুষ এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহারে সচেতনতা অবলম্বন করবে।

DentalTimes

ডাঃ শওকত মামুন
এমএস(ওএমএস), বিডিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), ওটিসি(অস্ট্রেলিয়া)
সহকারী অধ্যাপক
ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী বিভাগ
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ, ঢাকা

Continue Reading

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়