Connect with us

সম্পাদকীয়

ডেন্টিস্ট্রি হোক একটি ব্র্যান্ড , চিন্তাধারা বদলের সময় এখনই

Published

on

ডেন্টিস্ট্রি হোক একটি ব্র্যান্ড

বাংলাদেশে ডেন্টিস্ট্রি র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেশাগত গ্রুপ গুলোতে এখন রাজ্যের হতাশা দেখতে পাই। অবশ্য হতাশা আসাটাও অমূলক না। আমরা যখন ডেন্টালে ভর্তি হই আমাদের সবার চোখেই অনেক স্বপ্ন থাকে, অনুপ্রেরণা থাকে বড় কিছু হবার কিন্তু নানাবিধ বৈষম্য, সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির অভাব, পারিপার্শ্বিকতা সব মিলে ফাইনাল ইয়ার কিংবা ইন্টার্নি আসতে আমাদের সেই উদ্যমটা আর থাকে না। নতুন জেনারেশনের ডেন্টিস্টরা ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশ একদমই বাস্তব।

আমাদের একটা স্টেরিওটাইপ আছে আমরা নিজেদের ডেন্টিস্টের চেয়ে ডাক্তার পরিচয় দিতে বেশি স্বাছন্দ্যবোধ করি। আমাদের সামাজিক পরিবেশ আমাদের শেখায় ডাক্তার পরিচয় দিতে, প্রফেশন কি জিজ্ঞেস করলে কয়জন ডেন্টিস্ট বলতে চায় আমার সন্দেহ আছে! আমাদের সাইকোলজি। চাকরি, বাকরি, বিসিএস সবকিছুতে এমবিবিএসদের তুলনা করে স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করতে চায়। সমস্যাটা এখানেই, বিডিএসদের ক্যারিয়ার প্যাটার্ন কখনোই এমবিবিএসদের মতন হয় না, এটা হওয়া সম্ভবও না।

ডেন্টিস্ট এরিস্টোক্রেটদের প্রফেশন

আমার ইউরোপের অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে বলতে পারি বেশিরভাগ দেশেই ডেন্টিস্টরা ডাক্তার না, ডেন্টিস্ট মানে ডেন্টিস্ট। তারা সে পরিচয় নিয়ে গর্বিত। তারা কোন ধরণের চাকরিতে ঢুকতে চান না।নিজেদের ইনকামেই তারা খুশি। শুধু ইউরোপ না, বেশিরভাগ দেশেই ডেন্টিস্টরা নিজেরাই এন্টারপ্রেনার, তাদের স্বতন্ত্র কাউন্সিল আছে। সব কিছুতে ইন্স্যুরেন্সে থাকলেও থাকলে ডেন্টালে ইন্সুরেন্স থাকে না। ডেন্টাল ট্রিটমেন্ট এক্সপেন্সিভ এবং মানুষ বোঝে ডেন্টিস্ট কি? ডেন্টিস্ট এরিস্টোক্রেটদের প্রফেশন। একই সাথে প্রচুর টাকা ও মেধা না থাকলে ডেন্টিস্ট হওয়া সম্ভব না।

সমস্যাটা হচ্ছে আমাদের মতো নিম্ন মধ্যবিত্ত দেশে। এদেশে একটা সাধ্য চেম্বার দিতেই সাধারন ডেন্টিস্টরা হিমশিম খায়। তাই বেশিরভাগ ছাত্রের ধ্যান ধারণা বিসিএস গন্ডির বাইরে যেতে পারে না। কিন্তু সরকার বিডিএসকে সেভাবে মূল্যায়ন করে নি, তার প্রধান কারণ স্বাস্থ্যখাতে সরকারের কাছে এমবিবিএসরাই সামনেরসারির। ডেন্টিস্ট দরকার আছে কিন্তু কখনোই সরকারের কাছে মূখ্য হবে না। আমাদের দেশের জনগন যেখানে দাঁত নিয়ে সচতন না, সেখানে সরকারের দায়বদ্ধতা কম থাকবে এটাই স্বাভাবিক যদি না ডেন্টালের মহামারী কোন রোগ আসে।

এর উপায় কি? আমার ব্যক্তিগত অভিমত ডেন্টিস্টদের শুধু সরকারি চাকরি কেন্দ্রিক চিন্তা পরির্বতন করা উচিত। মনে করলাম সরকার প্রতিবছর ১০০ করে ডেন্টিস্ট নিলো, প্রতিবছর পাশ করছে গড়ে ধরি ১৫০০ জন। তাহলে বাকি ১৪০০ জন কি করবে? এমবিবিএসদের মতন ব্রড স্পেকট্রামে কাজের সুযোগ নেই ডেন্টিস্টদের। দিন শেষে সবাইকে নিজের চেম্বার কেন্দ্রিকই হতে হবে। যেটা দরকার সবাই যাতে চেম্বার দিতে পারে এবং পর্যাপ্ত রোগী পায় সেটা সুনিশ্চিত করা।

দেশে ডেন্টাল রোগী আছে, কিন্তু কোয়াকদের দাপটে ডেন্টিস্টদের টেকা ভার সেখানে। আমরা কোয়াক নিধন অভিযান নিয়ে অনেক কিছু বলি। কিন্তু শুধু অভিযান চালিয়ে কি কোয়াক নিধন সম্ভব? সাধারনত প্রতিটা কোয়াক তার নিজের এলাকায় প্র্যাকটিস করে। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের একটা স্থানীয় ক্ষমতা থাকে। তাদের কোন সমস্যা হলেই তারা এলাকার প্রভাবশালীদের শরনাপন্ন হয়। তাই পুলিশ প্রশাসন চাইলে ও কিছু করতে পারে না।আর সর্ষের মধ্যে ভুতের কথা নাই বা বললাম।

এক্ষেত্রে কি আমরা কি একটু অন্য ব্যবস্থা নিতে পারি না। কোয়াক রা থাকুক তাদের মতন আমরা বরং এমন ব্যবস্থা নেই যাতে মানুষ যাতে কোয়াকদের কাছে না যায়। আমরা যদি প্রচার মাধ্যমে শুধু ১ টা বিজ্ঞাপন দেই যে হাঁতুড়ে দন্ত চিকিতসকের কাছে সেবা নিলে কি কি ক্ষতি হতে পারে এবং মানুষ কেন বিডিএস ডাক্তারের কাছে যাবে তাহলে কিন্তু আমরা খুব সহজেই মানুষকে আকর্ষণ করতে পারি।

তথ্য প্রযুক্তির অবাধ যুগে আমরা নিজেদের প্রফেশনকে প্রমোট করি। জনগনের মাথায় যদি এটা ঢোকানো সম্ভব হয় যে ডেন্টিস্টের কাছে না গেলে বিপদ আসন্ন, পাবলিক ডেন্টিস্টের কাছে ধর্ণা দিতে বাধ্য।

আমরা যদি দেশের অর্ধেক মানুষ কেও ডেন্টিস্ট মুখি করি আমার মনে হয় না কোন চেম্বারে রোগীর অভাব হবে। মানুষ যদি সচেতন হয় তাহলে প্রশাসনের ও টনক নড়বে। তখন আমাদের বার বার তাদের দ্বারস্থ হতে হবে না। তারা নিজে থেকেই আমাদের জন্য করবে। নিজেরা কিছু না করে শুধু নাই নাই বলে মনে হয় না লাভ হবে।

আরেকটা বিষয়, যেটা প্রয়োজন সেটা চেম্বারের সাথে সাথে প্রাইভেট ডেন্টাল হসপিটাল বানাতে কর্পোরেটদের আগ্রহী করা। চেম্বার গুলো যদি জয়েন্ট ভেঞ্জারে চেইন শপের মতন করে বিভিন্ন জায়গায় করা সম্ভব হয়, একদিকে যেমন খরচ কমবে অন্যদিকে ব্রান্ডিং হবে যেটা মানুষকে আকর্ষণ করবে। ডেন্টিস্ট্রিকে স্বতন্ত্র করে আলাদা ব্রান্ডিং করা প্রয়োজন, এমবিবিএস এর সাথে কমন তুলনা করে না।

আমাদের এমন ভাবে প্রচারণা করা উচিত একটা মানুষ তার এইম ইন লাইফ হিসাবে ডেন্টিস্ট্রি কে ভাবতে শুরু করে। যতদিন না আমরা এডমিশন টেস্টে ডেন্টালকে প্রথম অপশন না বানাতে পারব, আমরা যতই দাবী করি কান্নাকাটি করি প্রফেশনের ইন্টেলেকচুয়াল উন্নয়ন হবে না। সরকারী নিয়োগ সাময়িক মূর্ত উন্নয়ন, দীর্ঘমেয়াদী চৌকষ উন্নয়ন না।

Advertisement
Click to comment

ঢাকা

ময়মনিসংহ মেডিকেল হাসপাতালের ওএমএস বিভাগে নেই এনেসথেসিয়া

Published

on

২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট। ২০২২ সাল নাগাদ ১০ বছরে পদার্পন করেও ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী বিভাগে “ওয়ার্ড” সংযুক্ত হয় নি হাসপাতালটিতে। নেই দক্ষ জনবল।

ডেন্টাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগ হলো ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী বিভাগ। যেটিতে দূর্ঘটনাজনিত চোয়াল ভাঙাসহ মুখের অন্যান্য ভাঙা হাড়ের চিকিৎসা, সিস্ট ও টিউমারের জটিল অপারেশনসহ জনসাধারণ নানাবিধ সেবা পেয়ে থাকে।

ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী বিভাগের এই সেবাসমূহের জন্যে প্রয়োজন নারী ও পুরুষের পৃথক পৃথক ওয়ার্ড. দক্ষ জনবল এবং এনেসথেসিয়া সুবিধা। যেটির কোনটিরই সরবরাহ নেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে।

এবিষয়ে কথা বলতে চাইলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট এর ইউনিট প্রধান ডা. মো: মনোয়ারুল ইসলাম ডেন্টাল টাইমসকে জানান- “আমাদের দক্ষ জনবল নেই, ওয়ার্ড নেই। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। কিন্তু কবে নাগাদ এটি সমাধান হবে এ বিষয়ে আমার ধারনা নেই।”

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর পরিচালক ব্রিগে. জেন. মো. গোলাম কিবরিয়া ডেন্টাল টাইমসকে জানান – “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

Continue Reading

সম্পাদকীয়

গ্লোব বায়োটেক : রে অফ লাইট

Published

on

ডাঃ রায়হানুল আরেফীন

দেশের সবজায়গায় এখন “টক অফ দ্যা টাউন” গ্লোব বায়োটেক” আবিষ্কৃত করোনা ভ্যাক্সিন। এর আগে কোনোদিন নাম না শুনা, মাত্র কয়েক বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের অখ্যাত এক কোম্পানি হুট করে এখনকার সময়ে সবচেয়ে আকাংখিত এরকম একটা বস্তু আবিষ্কার করে ফেললে যা হয় আর কি। কেউ প্রশংসায় ভাসিয়ে দিচ্ছে, কেউ বা নিত্যনতুন ট্রল আর ভূয়া প্রমাণ করার উপায় বের করছে। যার সাথে যা যায়।

কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের প্রক্রিয়া

একটা ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের শুরু থেকে মানুষের হাতে পৌঁছাতে অনেকগুলো ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমে অনেকগুলো জটিল প্রক্রিয়া যেমন ভাইরাল এন্ড হোস্ট জিনোম এনালাইসিস, এন্টিজেন এক্সপ্রেশন, ভ্যাক্সিন ডিজাইন, ক্লোনিং, ইত্যাদি সম্পন্ন করার পর শুরু হয় প্রিলিমিনারি এনিমেল ট্রায়াল। এটা সফলভাবে শেষ হলে রেগুলেটেড এনিমেল ট্রায়াল এবং সবশেষে হিউম্যান ট্রায়াল। হিউম্যান ট্রায়াল ও আবার ফেইয ওয়ান, ফেইয টু, ফেইয থ্রি তে বিভক্ত। প্রত্যেকটা ট্রায়াল শেষ করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে শুরু করে কয়েক মাস এমনকি বছর ও লেগে যেতে পারে। এগুলো প্রত্যেকটা ধাপ সফলভাবে শেষ করতে পারলে একটা ভ্যাক্সিন চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। তাই একটা ভ্যাক্সিন বাজারে আসতে দীর্ঘসময় লেগে যায়।

করোনা ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে বিশ্বের অবস্থান

পুরো বিশ্বে এ পর্যন্ত ১৪০ টির মত কোম্পানি প্রাথমিকভাবে COVID19 ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করেছে। এর মধ্যে ২২টা কোম্পানির ভ্যাক্সিন হিউম্যান ট্রায়ালে আছে। ফেইয ওয়ানে আছে ১১টা, ফেইয টু তে ৮টা, ফেইয থ্রি তে ৩টা। বাকিগুলো এনিমেল ট্রায়াল করছে বা করতে যাচ্ছে। দ্রুততম সময়, মাত্র ৬৯ দিনে আবিষ্কার হওয়া আমেরিকান কোম্পানি “Moderna”এর ভ্যাক্সিন এখন ত্রিশ হাজার ভলান্টিয়ার নিয়ে ফেইয থ্রি ট্রায়ালের অপেক্ষায় আছে। এ মাসের ৯ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া সে ট্রায়াল প্রটোকল পরিবর্তনের কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেছে। তবে তারা এখনো জুলাইয়ের মধ্যে ট্রায়াল শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী। ভারতের কোম্পানি “ভারত বায়োটেক” উৎপাদিত ভ্যাক্সিন “COVAXIN” সব ট্রায়াল শেষ করে ১৫ আগষ্টের মধ্যে বাজারে আনার পরিকল্পনা করছে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিখ্যাত বিজ্ঞানী সারাহ গিলবার্ট আবিষ্কৃত বহুল আলোচিত ভ্যাক্সিনটি এখন ফেইয থ্রি ট্রায়ালে আছে। সানোফি, জনসন এন্ড জনসন, মার্ক, এরা বিভিন্ন ট্রায়াল লেভেলে আছে। তবে পুরো বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে প্রায় অজানা চাইনিজ একটি কোম্পানি “CanSino” একটি কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের দারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে এবং বড় পরিসরে চাইনিজ সৈন্যদের মধ্যে ভ্যাক্সিন প্রয়োগের অনুমোদন পেয়ে গেছে।

সময় সংবাদ

“গ্লোব বায়োটেক” এর অবস্থান

এখন দেখি আমাদের আশা “গ্লোব বায়োটেক” কোথায় আছে। আমাদের দেশে মার্চের ৮ তারিখে করোনা ধরা পড়ার পরপরই ওরা ভ্যাক্সিন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় জুন মাসের ১০ তারিখে তারা প্রিলিমিনারি এনিমেল ট্রায়াল শুরু করে তিনটি খরগোশের উপর। এ ট্রায়ালের রেজাল্ট অত্যন্ত সন্তোষজনক হওয়ায় তারা এখন ইঁদুরের ওপর রেগুলেটেড এনিমেল ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে শীঘ্রই এবং ছয় থেকে আট সপ্তাহের মধ্যে সেটার ফলাফল পাবে বলে আশা করছে। সে ফলাফল ও যদি পজিটিভ হয় তাহলে তারা BMRC এর অনুমোদনক্রমে হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করতে পারবে।

আশায় বাঁধি বুক

আমাদের দেশে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রম খুবই কম হয়। কিন্তু ওরস্যালাইনের মত অর্জন ও আমাদের একেবারেই কম নয়। করোনার বিরুদ্ধে সত্যিকারের কোনো প্রতিরোধের এটাই শুরু আমাদের দেশে। তাই যদিও গ্লোব বায়োটেকের ভ্যাক্সিন শেষ পর্যন্ত সফলভাবে আলোর মুখ দেখবে কিনা এখনই বলা মুশকিল, আমাদের সবারই উচিৎ এমন একটি মৌলিক আবিষ্কারের জন্য গর্ববোধ করা, তাদেরকে উৎসাহ ও সাহস যোগানো। বিশ্বে করোনা ভ্যাক্সিনের প্রয়োজন প্রায় ৭০০ কোটি। কিন্তু WHO এর তথ্যমতে উৎপাদন ক্ষমতা বছরে মাত্র ১৫০ কোটি। বাইরের কোনো কোম্পানি ভ্যাক্সিন বাজারে আনলেও আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশে কবে জনগণের জন্য তা সহজলভ্য হবে তা কোনভাবেই বলা যাবেনা। ততদিনে এ ভয়াল ভাইরাসে আমরা হারাবো আরো অগুনতি মা বাবা, ভাই বোন, আত্মীয় স্বজন।

তাই একটি দেশী কোম্পানি যদি শেষ পর্যন্ত একটা কার্যকর ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করে ফেলতেই পারে, তার চেয়ে আনন্দের কোন খবর এই দূর্যোগে আর হয়না। আসুন আমরা সবাই মিলে কায়মনোবাক্যে শুধু এই প্রার্থনা ই করি গ্লোব বায়োটেক যেন অতি দ্রুত করোনা ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে চূড়ান্ত সাফল্য পায়। এটা শুধু গ্লোবের অর্জন হবেনা এটা হবে আমাদের চিরদুঃখি বাংলাদেশের অর্জন, ১৮ কোটি অভাগা মানুষের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। Let’s PRAY, HOPE and SEE.

লেখক:

ডাঃ রায়হানুল আরেফীন

ডেন্টাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন,
২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নোয়াখালী

Continue Reading

সম্পাদকীয়

নতুন করিকুলাম নিয়ে তরুণ চিকিৎসক ডাঃ তৌহিদুর রহমানের ভাবনা

Published

on

ডাঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ

‘নতুন বোতলে পুরনো মদ’ কথাটা শুনে এসেছি এতদিন। ডেন্টাল পেশার মানু্ষ হিসেবে আজকে আবার সেই নতুন বোতলে পুরনো ভদকা দেখে ফেললাম বোধহয় আমরা।

ডেন্টাল কোর্স চার বছর থেকে পাঁচ বছরে যেদিন রূপান্তর করা হল, সেদিন খুশিতে জালালী কবুতরের মত বাকবাকুম বাকবাকুম হয়ে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, ইশ এবার পরিপূর্ণ হবার আক্ষেপটা বুঝি ঘুঁচে যাবে!

বায়োকেমিস্ট্রি নামক জিনিসে যে ফাঁকি পড়ত এবার সেটা চিবিয়ে চিবিয়ে খেতে পারবে ছেলেমেয়েরা, ফার্স্ট ইয়ারের মেডিক্যালীয় বাতাসে ‘সায়েন্স অব ডেন্টাল ম্যাটেরিয়ালস’ এর মত নিরস ওয়াক্স-পোর্সেলিন-ওয়্যার-ম্যালিয়েবিলিটি-ডাক্টিলিটি’র বিভ্রমের বুঝি সমন্বয় হবে ফাইনাল ইয়ায়ে গিয়ে।

এম্ব্রায়োলজিটা বুঝি এবার চুমুকের তৃপ্তি নিয়ে শেষ করবে সবাই। ফিজিওলজির সাথে ওরাল ফিজিওলজির স্যার ফার্গুসনের বইটা জমে যাবে। ক্লিনিক্যাল বিষয়ের আগে প্রি-ক্লিনিক্যাল বিষয়ের অবতারনা বুঝি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইশ, ফাইনাল ইয়ারটাই বুঝি এখন ক্রাউন প্রিপারেশন শিখে যাবার দারুণ সুযোগ হয়ে ধরা দেবে।

মাইক্রোবায়োলজির জীবাণুর জগৎটা একদম চেনাজানা জগৎ হয়ে যাবে। কক্কাই-ব্যাসিলাই থেকে এক্সোটক্সিন-এন্ডোটক্সিন ঘুরে ইমিউনোলজির টি-সেল,বি-সেল দিয়ে ইন্টারফেরন সুদ্ধো ঘুরে বেড়ানো যাবে পইপই করে।পুরো প্যাথলজিকে আলাদা করে ভালবাসতে পারবে শিক্ষার্থীরা। ‘ডেন্টাল পাবলিক হেলথ’ সাবজেক্টটা কেবল জমে উঠেছিল। এই সাব্জেক্টের সম্ভাবনার সব দুয়ার খুলে গিয়েছিল। উদ্যম পেয়েছিলাম আমরা নতুন করে।

ডেন্টাল রেডিওলজি’র মাধ্যমে অনেক কিছুই চাঁদের আলো হয়ে ধরাদেবে, আরভিজি-সিবিসিটি-সিটিস্ক্যান দিনের আলোর মত পরিস্কার হয়ে যাবে ডেন্টাল অপারেটিভ কেসে। ডেন্টাল ফার্মাকোলজির পরিসর বড় হয়ে এলে আমাদের দুচোখে চার চোখের পাওয়ার এসে যাবে।

ওরাল প্যাথলজিটাকে খুব বেশি ভালবাসা যাবে। সাথে পেরিওডোন্টোলজির দরজাটা আরও প্রশস্ত হয়ে গেলে পেরিওডোন্টাইটিস-পেরিওডোন্টাল এবসেসের বাইরে একশটা ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে।

প্রস্থোডন্টিকস এর সাথে মিলিয়ে মিলিয়ে মজা নেওয়া যাবে ইম্প্রেশান ম্যাটেরিয়ালস এর।ওয়াক্স-ওয়্যার এর সাথে আরপিডি, আর শ্যাম্ফার লাইনের সাথে এফপিডি জমিয়ে শিখবে সবায়।

সামনের সব দুয়ার খোলা।চিন্তার সব জগৎ খুলে যাবে আন্ডারগ্রাজুয়েশনে।পোস্ট গ্রাজুয়েনের আলো চোখে ঢুকলে ডেন্টিট্রিকে একেকজন নিয়ে যাবে আন্তর্জাতিক দুয়ারে।এখনই যা দিচ্ছে সবাই,মাথাটা পরিস্কার হলে আত্নবিশ্বাসটা আকাশছোঁয়া হবে।

বিধিবাম!
এভাবে ভাবলে তো! 
ভাবা হল সেই আগের ছবকই!

যাহ বাবা! হবি তো ডেন্টিস্টই, যা দাঁত তুলে খা! ডেন্টাল সার্জন হবার দরকারটা কী শুনি! এবার তোরা হাইজিনিস্ট হ। কেন শিখবি বাবা এত কিছু! যত বেশি সাবজেক্ট, তত বেশি ডিপার্টমেন্ট, তত বেশি জনবল, তত বেশি ইননভেস্ট! হবি তো সেই দাঁতের ডাক্তারই। বিদেশী স্ট্যান্ডার্ড দিয়ে কি হইব বাপজানেরা! দেশের দাঁত গুতাইতে এত কিছু লাগেনা! দেশের মানুষের ডেন্টাল হেলথ তো কোয়াক দিয়াই মিটি যাচ্ছে। খামোখা এত ভাবছ কেন বাপু! যাওতো গিয়ে,পাড়ার মোড়ে দোকান খুলে কিলিং-ফিলিং করোগা!

আহা! অর্ধেক এক্রাইলিক রেজিন তুমি, আর্ধেক কল্পনা!
ভাবো গিয়ে পাড়ার মোড়, কেন ভাবো প্যারিস, কর মিছে জল্পনা!

যে পাঁচবছর এর কোর্স আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখাইনি, নতুন কিছুর আলো দেখায়নি, যে পাঁচবছর প্রসারণের নামে সংকোচন করেছে সে পাঁচবছর লইয়া আমরা কি করিব!

ডেন্টাল টেকনোলোজির সিলেবাস দেখেছেন! অনেক সমৃদ্ধ।কলুর বলদের মতন পাঁচ বছরের ঘানি না টেনে তিন বছরে সব বগলদাবা করা যায়। খামোখা পাঁচ বছরের স্বপ্নে বিভোর হয়ে লাভ নেই। আমাদের দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা সেই অনাদিকাল থেকেই। এই কালো ক্যারিকুলাম আবারো আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

‘হারতে আসেনি লড়তে এসেছি’,এই মানসিকতা আমাদের আছে বলেই আমাদের ডেন্টিস্ট্রিকে আমরা সকল প্রতিকূলতার মাঝেও কোথায় গিয়ে ঠেকিয়েছি একটা অর্থোগন্যাথিক সার্জারি কিংবা ওরাল ক্যান্সার সার্জারির ডকুমেন্টারি কিংবা সদ্য পাশ করা কোন হাতে করা কার্ভড রুটের RCT তে চোখ বুলালেই পেয়ে যাবেন।

হারতে আসিনি, লড়ে জিততে এসেছি।

লেখক

ডাঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ
ডেন্টাল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
মহদেবপুর, নিয়ামতপুর (অতিরিক্ত দায়িত্ব), নওগাঁ।

Continue Reading

সম্পাদকীয়

ডেন্টাল চিকিৎসা, কোয়াক উৎপাত এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের ভবিষ্যত: দুটি কথা

Published

on

ডাঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ

শহর নগর উপশহর বাজার ঘাট এমন কোন জায়গা নেই যেখানে প্রাইভেট ক্লিনিক গড়ে ওঠেনি। মানুষের যাবতীয় ব্যাথার সরকারী আশ্রয়স্থলের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে এসব সেবাকেন্দ্র।এসব জায়গায় মানুষ চিকিৎসার পাশাপাশি অনেক ব্যাপারে স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছে।ঝাড়-ফুক কবিরাজদের মুলোৎপাটনে এসব গড়ে ওঠা ক্লিনিকে ভূমিকা অনস্বীকার্য। পেট ব্যাথায় যারা একসময় কেরোসিন তেল খেত তারাও আজ ‘আলট্রাসনোগ্রাম’ করতে চলে আসে ডাক্তার দেখানোর আগেই।

সব ব্যাথার জন্য বেসরকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ‘ক্লিনিক/হাসপাতাল’ গড়ে উঠলেও ‘দাঁত ব্যথার’ জন্য কিছু উন্নত চিকিৎসা করা ডেন্টাল চেম্বারের বিপরীতে এন্টিবায়োটিক সর্বস্ব কোয়াক চেম্বার গড়ে উঠেছে মাত্র। এর বাইরে সাধারণ মানুষকে সুচিকিৎসা দেবার মত কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি কিংবা গড়ে তোলার মত উদ্যোক্তাও পাওয়া যায়নি।সাধারণ মানুষ বলতে দিনমজুর থেকে শুরু করে কর্মজীবী এবং অন্যান্য নিম্ন আয়ের মানুষ বুঝাচ্ছি যারা ২০ টাকায় কোয়াক দেখিয়ে দিনের রোজগেরে টাকা এন্টিবায়োটিক কেনার পেছনে খরচ করে। আর ভিজিট কম হওয়া আমাদের গ্রামীন মনস্তত্ত্ব সেদিকেই ছুটছে বারেবার।

কোয়াকে আজ যার দাঁতে ভুল ফিলিং করে দিচ্ছ,সে দু মাস পরে ব্যথা নিয়ে তার কাছেই যাচ্ছে, সেখানে ভুল রুট ক্যানাল ট্রিটিমেন্ট দিচ্ছে, ছয়মাস পরে আবার ব্যথায় তার কাছেই গেলে দাঁত ফেলে দিচ্ছে। এভাবে ‘দাঁতের দুষ্টচক্র’ তে পড়ে ডিম বেচা মুরগী বেচা সব টাকাই খোয়াচ্ছে নিম্নবিত্তরা।

কোয়াক বিরোধী আন্দোলন চলছে। এটা খুব ভাল উদ্যোগ। কোয়াকরা মূলত এসবসব রোগীদের কথার ফাঁদে ফেলে আস্তে আস্তে সব হাতিয়ে নেবার পাশাপাশি ভুল ম্যাসেজ দেয় প্রতিনিয়ত। কোয়াক উচ্ছেদের পাশাপাশি গ্রামীন এসব জনগোষ্ঠী কীভাবে নূন্যতম ডেন্টাল সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা জরুরী। নইলে জনগণই তাদের প্রয়োজনে কোয়াক বানিয়ে নিবে।

এক্ষেত্রে সমস্যা নিরসনে প্রাইভেট ডেন্টাল প্রাক্টিসকে ‘ডেন্টাল হাসপাতাল/ ক্লিনিকে’ উপজেলা/জেলা পর্যায়ে রূপদান করতে হবে। যেখানে ইউনিট থাকবে তিনের অধিক, এক্সরে ব্যবস্থা থাকবে, পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা তথা মাইনর সার্জারী, অন্যান্য স্কিল্ড সেবা দেবার জন্য যন্ত্রপাতি এবং ইউনিটের ব্যবস্থাও থাকবে। যেখানে স্বল্প মূল্যে দাঁত তোলা, টেম্পোরারি ফিলিং দেয়া, সারারণ স্কেলিং, কিউরেটেজ, অপারকুলেক্টমি, সর্বোপরি কম টাকায় পরামর্শ দেবার ব্যবস্থা থাকবে। দাঁতের সমস্যায় ভুগেননি এমন কাউকে আতশী কাঁচ দিয়েও খুঁজে পাওয়া যায়না। গ্রামীন জনপদে এটি আরোরো প্রকট ওরাল হাইজিন খারাপ থাকার কারনে।

কথা হচ্ছে ডেন্টাল ক্লিনিক একটি ব্যয়বহুল।চাইলেও দিয়ে ফেলা যায়না। অনেক লগ্নি। এসব ক্লিনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে জুনিয়রদের প্রাইভেট চাকুরির কর্মসংস্থান ক্ষেত্র তৈরী হবে। যেটি এখন ক্রাইং নিড। এভাবে শুধু কোয়াক উচ্ছেদের ধোঁয়া তুলে আমরা পেশাকে বেশিদূর নিতে পারব বলে মনে হয়না। বিপুল এই জনগোষ্ঠী ব্যাতিরেখে প্রাণকেন্দ্রে বসে অতি আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার ঘটিয়ে বিশ্বমানের চিকিৎসা দিব ঠিকই কিন্ত ডেন্টিস্ট্রি তার আতুড়ঘরেই পড়ে রবে।

আমাদের সরকারী কর্মসংস্থান এর পাশাপাশি বেসরকারী কর্মসংস্থান নিয়েও ভাবতে হবে। নইলে অতি আধুনিক সব হ্যান্ড অন করে এসে উপজেলা জেলা লেভেলে এসে বসে ‘নুরু কোয়াকে’ এত রুগী কেন ভাবতে ভাবতে দিন চলে যাবে। এসব অতি আধুনিক হ্যান্ড অনের মাধ্যেমে যে মগজ বুঁদ হয়ে যাচ্ছে সে মগজ সাধারণ চিকিৎসা দিতে গিয়ে বারবার দ্বন্দে ভুগবে।এ দ্বন্দের বেড়াজাল ভাঙ্গা কঠিন।একটা মেধাবী প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে এই দ্বন্দের বেড়াজাল ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে।

ছড়িয়ে দিতে হবে, নয়তো গুটিয়ে নিতে হবে।

[অনেক আলোচনা চলতে পারে,এটা আমার একটা মতামতের সামান্য আলোকপাত। আরো অনেক মতামত আলোকপাত হবার জায়গা খোলা আছে।]

লেখক

ডেন্টাল সার্জন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,
মহদেবপুর, নিয়ামতপুর (অতিরিক্ত দায়িত্ব), নওগাঁ।

Continue Reading
জাতীয়9 hours ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর14 hours ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়14 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়19 hours ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়20 hours ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়1 day ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়2 weeks ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ2 weeks ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়2 weeks ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

পড়ালেখা2 weeks ago

বাইরের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাস্টার্সে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে ঢাবি

শিক্ষাঙ্গন2 weeks ago

রংপুর মেডিকেলের ‘অসুখ’ সারবে কে?

জাতীয়2 weeks ago

কখনোই নিবন্ধন করেনি দেশের ১৪ শতাংশ হাসপাতাল: আইসিডিডিআর’বি

যাপিত জীবন2 weeks ago

ওরা ‘খুদে ডাক্তার’: স্বপ্ন দেখছে চিকিৎসক হওয়ার

জাতীয়2 weeks ago

রাতে ডাক্তারই মেলে না, ফার্মেসি কেন খোলা থাকবে: মেয়র তাপস

স্বাস্থ্য প্রশাসন2 weeks ago

ঝিনাইদহে ১০ ডেন্টাল ও শেরপুরে ৭ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

জাতীয়2 weeks ago

বেসরকারি মেডিকেল ডেন্টালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:১০, সংসদে বিল পাস

BSMMU3 weeks ago

ত্রুটিযুক্ত আবেদনে নিয়োগ বিএসএমএমইউতে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর4 weeks ago

সিঙ্গাপুরে লাইফ সাপোর্টে সেব্রিনা ফ্লোরা

চট্রগ্রাম বিভাগ1 month ago

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

স্বাস্থ্য1 month ago

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের তথ্য কেন এনআইডিতে নয়, হাইকোর্টের রুল

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification