Connect with us

বিশেষ প্রতিবেদন

ডোপ টেস্টের কোনো নীতিমালা নেই : টেস্টে পজিটিভ মানে তাকে মাদকাসক্ত বলা যাবেনা’

Published

on

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের ডোপ টেস্ট নিয়ে কথা বলেছেন৷ এই টেস্ট কীভাবে হওয়া উচিত, উপকারিতা কী, এসব নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ৷

এখন তো মাদকাসক্ত চিহ্নিত করতে পুলিশে ডোপ টেস্ট হচ্ছে, প্রশাসনেও হবে৷ তাহলে মাদকের সংজ্ঞা কী? মাদক বলতে আমরা কোন জিনিসগুলোকে বুঝব?

ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ: প্রথমে বলে নিই যে ডোপ টেস্ট শব্দটি আমাদের ক্রীড়া পরিভাষার একটি অংশ৷ কোনো খেলোয়াড় যদি কোনো দ্রব্য ব্যবহার করে তাদের পারফরমেন্স বাড়ায় সেটা ডোপ টেস্টে ধরা পড়ে৷ এখন এখানে যেটা নিয়ে কথা হচ্ছে তা হলো কোনো ব্যক্তি মাদক গ্রহণ করছেন কিনা তা পরীক্ষা করা৷ তবে কেউ আসক্ত কিনা তা ডোপ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়না৷ আসক্তি আছে কিনা সেটা ক্লিনিক্যালি দেখতে হয়৷ চিকিৎসকের মাধ্যমে ইন্টারভিউ করতে হয়, লক্ষণ বিচার করতে হয়৷

চাকরি ক্ষেত্রে বা অন্য ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যেসব মাদকের পরীক্ষা করা হয় তা তিন ধরনের৷ স্টিমুলেট জাতীয় মাদক৷ যেমন: ইয়াবা, এম্পিটামিন৷ আছে ডিপ্রেশন মাদক৷ যেমন: অ্যালকহল, ঘুমের ওষুধ, গাঁজা৷ কিছু আছে নারকোটিকস বা চেতনা নাশক৷ যেমন: প্যাথেডিন, মরফিন৷ এছাড়া মাদকাসক্তরাও মিশ্র মাদক স্থানীয়ভাবে তৈরি করে।

ডোপ টেস্টে সাধারণত ইউরিন পরীক্ষা করা হয়৷ এই পরীক্ষায় গাঁজা, ইয়াবা, মরফিন ও হেরোইনের অস্তিত্ব জানা যায়৷ ব্রেথ টেস্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কেউ অ্যালকহল খেলে তা জানা যায়৷

 এই পরীক্ষায় ফল পেতে কি নির্দিষ্ট কোনো সময় আছে?

কেউ গাঁজা সেবন করলে তার উপস্থিতি শরীরে ছয় মাস পর্যন্ত থাকতে পারে৷ ইউরিন টেস্টে সেটা ধরা পড়বে৷ ফেনসিডিল, হেরোইন, মরফিন এই জাতীয় মাদক কিন্তু ২৪- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষা না করলে ধরা পড়েনা৷ আর ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে তিনি আসক্ত সেটা বলা যাবেনা৷ তিনি মাদক গ্রহণ করেছেন সেটা বলা যাবে৷ আবার নেগেটিভ হলেই নিশ্চিত হওয়া যাবেনা যে তিনি আগে মাদক গ্রহণ করেননি৷

এটা কীভাবে করা উচিত? গোয়েন্দাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে না চিকিৎসকদের পরামর্শে?

এটা অবশ্যই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপনায় করতে হবে৷ কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটা রোগ৷ এটা মস্তিস্কের ক্রনিক রোগ৷ এটা বার বার হতে পারে৷ তাই এটা চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপনায়ই করতে হবে৷ গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা হলে এটার অপব্যবহার হতে পারে, অতি ব্যবহার হতে পারে এবং কোনো কোনো সময় সত্যিকার মাদকাসক্তের ডোপ টেস্ট নেগেটিভ হয়ে যেতে পারে৷

ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্তকে আপনি কীভাবে দেখেন?
এটা এক দিক দিয়ে ভালো উদ্যোগ৷ তরুণদের মধ্যে, চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে একটা সচেতনা তৈরি হবে৷ তাদের মধ্যে ভীতি তৈরি হবে যে মাদক গ্রহণ করলে চাকরি হবেনা৷ তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে কিন্তু বিতর্ক থেকেই যায়৷ ডোপ টেস্ট দিয়েই কি সব মাদকাসক্তকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? না, সম্ভব হবেনা৷ আবার ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলেই কি সে মাদকাসক্ত? না, সে মাদক গ্রহণকারী৷ মাদকাসক্ত আর মাদক গ্রহণকারী এক নয়৷ আবার কেউ মাদকাসক্ত হলেই কি তাকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া ঠিক হবে? এটা তো একটা রোগ৷ চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন তার অধিকার৷

বাংলাদেশে অ্যালকোহল গ্রহণের লাইসেন্স পাওয়ার নিয়ম কী?

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ অ্যালকোহল গ্রহণের অনুমোদন পাওয়া যায়৷ তবে এখানে নীতিমালা স্বচ্ছ নয়৷ আরো স্বচ্ছ করা উচিত৷

ডোপ টেস্ট এড়াতে কি আবার অ্যালকহল গ্রহণের লাইসেন্স নেয়ার হিড়িক পড়ে যাবে?
প্রথমত, ডোপ টেস্টে অ্যালকোহল দেখা হয়না৷ ডোপ টেস্টে দেখা হয় ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল প্রভৃতি৷ অ্যালকহল বোঝা যায় গ্রহণের চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে ব্রেথ টেস্ট করে৷ ফলে চাকরিপ্রার্থীদের অ্যালকোহল টেস্ট করা হয়না৷

আর ডোপ টেস্টের কোনো নীতিমালা নেই৷ ব্যক্তিকে সনাক্ত করার বিধান নেই৷ একজনের নামে আরেকজন ডোপ টেস্ট করিয়ে নিতে পারে৷ নেগেটিভ ব্যাক্তির রেজাল্ট পজিটিভ ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারে৷ তাই আগে প্রয়োজন নীতিমালা৷ কোথায় ডোপ টেস্ট করা যাবে তাও নির্দিষ্ট করতে হবে৷

কোনো কোনো মাদক নিরাময় কেন্দ্রেই নাকি মাদকাসক্ত হয়? তারা নাকি মাদকের ব্যবসাও করে?

মাদক নিরাময় কেন্দ্র হলো চিকিৎসা কেন্দ্র৷ এই কেন্দ্রের সাথে চিকিৎসকদের জড়িত থাকতে হবে৷ কিন্তু আমরা দেখি বাংলাদেশের অধিকাংশ নিরাময় কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক নেই, কোনো নার্স নেই৷ সেগুলো পরিচালিত হচ্ছে সাবেক মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের দিয়ে৷ তাহলে ওইসব নিরাময় কেন্দ্রে মাদক ব্যবসার অভিযোগ অমূলক নয়৷

Advertisement
Click to comment

BSMMU

৬২৬ জন আবেদন করেছেন এমডি ও এমএস পরীক্ষায়

Published

on

আজ ১৭ ই ডিসেম্বর এম.এস ও এমডি প্রোগ্রাম ফেজ-১ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় শুরু হয়ে ১১ টা ৩০ পর্যন্ত সর্বমোট ১ঘন্টা ৩০ মিনিট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ১ম বারের মত এম এস ও এমডি একসাথে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুয়েটে কেন্দ্রে এবছর এম.এস ও এম.ডি পরীক্ষায় আবেদন করেছেন  ৬২৬ জন।

স্বাভাবিকভাবে এমএস পরীক্ষা হয় ২০০ মার্কের। করোনার কারনে গত বছর এবং এ বছর ১০০ মার্কের পরীক্ষা নেয়া হয়। ৯০ মিনিটে ১০০ প্রশ্নের জন্যে প্রত্যেক পরীক্ষার্থী প্রশ্নপ্রতি ৫৪ সেকেন্ড সময় পেয়েছেন। এমএস এ ৪৬টি এবং এমডি পরীক্ষায় ২০টি সিট মিলে সর্বমোট ৬৬ টি সিটের বিপরীতে পরীক্ষা হয়েছে।

৬৬ টি সিট পূরণের ক্ষেত্রে ৩ টি ক্যাটাগরীতে প্রার্থীরা আবেদন করে থাকেন।  সরকারী চাকুরীজীবী, বেসরকারী আবেদনকারী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার আবেদনকরীগণ আবেদন করে থাকেন।

সরকারী চাকুরীজীবী ও BSMMU এর মেডিকেল অফিসার পদের ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী ৬০ শতাংশ নাম্বার পেতে হয়। নাহলে সেক্ষেত্রে প্রার্থীকে অকৃতকার্য ধরা হয় এবং সেই সিটটি বেসরকারী ক্যাটাগরী থেকে পূরণ করা হয়।

ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল প্যাথলজী তে ৪ টি, পেরিওডন্টোলজি তে ৪ টি, ওরাল এনাটমী তে ৪ টি, ডেন্টাল ফার্মাকোলজি তে ৪ টি, সাইন্স অব ডেন্টাল ম্যাটেরিয়ালস এ ৪ টি সহ সবমিলিয়ে ২০ টি সিটের বিপরীতে পরীক্ষা হয়েছে৷

প্রতিযোগীতার ক্ষেত্রে এম.এস পরীক্ষায় প্রার্থীরা পছন্দের তালিকায় ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী পাশাপাশি অর্থোডন্টিক্সকেও এগিয়ে রাখেন।

এমডি তে ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল প্যাথোলজী এবং পেরিওডন্টোলজী বিষয়ে প্রার্থীরা বেশি পছন্দ দিয়েছেন। বাকি বিষয়গুলোতে প্রার্থীদের পছন্দের আগ্রহের ঘাটতি দেখা গিয়েছে।

এমডি কোর্স এ চান্স প্রাপ্ত ও ভবিষ্যতে পাসকৃত ১ম ব্যাচের সকলের জন্যেই চাকরীসহ অন্যান্য স্থানে অগ্রাধিকারমূলক সুযোগ সুবিধা অপেক্ষা করছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অভিমত দিয়েছেন।

অনেকেই মনে করছেন আগামী ৩/৪ বছর ব্যাপী এমএস এফসিপিএস এর তুলনায় প্রার্থীদের পছন্দের তালিকায় এমডি কোর্সটি অনেকাংশেই এগিয়ে থাকবে।

ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল প্যাথলজী বিষয়ে এমডি কোর্সের মাধ্যমে হিস্টোপ্যাথলজি ল্যাবসমূহে ডেন্টাল সার্জনদের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে বহুলাংশে এমনটি ই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ।

ডিডিএস ২ বছর, এম এস ৫ বছর এবং এমডি ৩ বছরের হওয়ায় সময় ব্যবধানকেই অনেক প্রার্থী গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছেন।

Continue Reading

অর্জন

চিকিৎসক পদক ২০২১ পেলেন অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা

Published

on

গত ৭ ই এপ্রিল ২০২১ এ বাংলাদেশ মেডিকেল টিচার্স ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও প্লাটফর্ম অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল সোসাইটি চিকিৎসক, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য পেশাজীবী বিভাগে  চিকিৎসক পদক ২০২১  এর তালিকা প্রকাশ করে। উক্ত তালিকায় ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এলায়েড বিষয়ে অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা নির্বাচিত হন।

গতকাল (১৩/১২/২১) রাজধানীর কুর্মিটোলায় অবস্থিত হোটেল লা মেরিডিয়ানে পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পদক গ্রহণপূর্বক বক্তৃতায় অধ্যাপক ডা.মতিউর রহমান মোল্লা বলেন – “মেডিকেল ও ডেন্টাল এর এত গুণীজনদের মাঝে আমাকে নির্বাচিত করায় আমি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ডেন্টিস্ট্রিতে এই প্রথম আমি নির্বাচিত হয়েছি বলে উচ্ছসিত। আশির দশকে দেশে এসে দেখি ডেন্টিস্ট্রির করুনদশা।

১৯৮৭ সালে দেশে আশার পরে আমার কয়েকজন সাথিকে নিয়ে আমি উদ্যোগ নেই যে দেশে ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী প্রতিষ্ঠা করার জন্য এবং ঢাকা ডেন্টাল কলেজে আমরা প্রথম ট্রেইনিং প্রোগ্রাম শুরু করি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ঢাকা ডেন্টাল কলেজে এম এস কোর্স  চালু করি।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দীতে ২০ বেডের ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী ইউনিট আমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এম এস কোর্স রিকগনাইজড করানো হয়।

এছাড়াও ২০০৪ সালে আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এও ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারীর ডীন ও চেয়ারম্যান ছিলাম। সেখানে ২০ বেডের ওয়ার্ডসহ ইউনিটটিকে পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেইনিদের জন্যে সুন্দরভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছি।

আমার জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আমার ছেলে-মেয়েকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা যাতে তারা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জানস এসোসিয়েশন(বামোস) এর অগ্রযাত্রা শুরু হয় অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লার মাধ্যমে। এ বিষয়ে তিনি ডেন্টাল টাইমসকে জানান – “ প্রথমদিকে আমার হাত ধরে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ থেকে বাামোস এর যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে ডা. এস এম ইকবাল শহিদ, ডা. রফিক আহমেদ ভূঁইয়া, ডা. কে এইচ আলতাফ এবং ডা. মহিউদ্দীন আহমেদ ওরাও যুক্ত হয়।”

অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা বর্তমানে আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ এর অনারারী অধ্যাপক এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে এভারকেয়ার হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন।

Continue Reading

জীবন ও কর্ম

সমাজকল্যাণের অগ্রযাত্রায় ফিমেল ডেন্টাল সার্জন অব বাংলাদেশ

Published

on

৩ ডিসেম্বর অত্যন্ত জাকজমক ভাবে, প্লাটিনাম ক্লাব,ধানমন্ডিতে উদযাপিত হলো, ফিমেল ডেন্টাল সার্জনস অব বাংলাদেশ ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী ডা.দীপু মনি,এম.পি,শিক্ষা মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ।


এই প্রথম সারা বাংলাদেশের সমগ্র ফিমেল ডেন্টাল সার্জনদের একত্রিত করার উদ্দ্যোগ নেন ক্লাবের প্রতিস্ঠাতা ডা. ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী। এই ক্লাবের যাত্রা শুরু হয় ১৫ জুন,২০১৯ সালে ফেইসবুকের একটি গ্রুপের মাধ্যমে।

কভিড ১৯ অতিমারীতে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী রাত দিন ২৪ ঘন্টা অনলাইন টেলিমেডিসিন, অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ, প্লাজমা সংগ্রহ, আই,সি,ইউ,বেড,এম্বুলেন্স সহযোগীতা করেছে এই এফ ডি এস বি ক্লাব।যা অসংখ্য মানুষের জীবন বাচাতে সাহায্য করেছে। এই গ্রুপের প্রতিস্ঠাতা ডা.ফারিয়া তাবাসসুম তন্বীকে মানবিক ডাক্তার বলে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে আখ্যায়িত করা হয়।এর পাশাপাশি ঘরে রেখে অতিমারীর সময় রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করে হাস্পাতাল সন্কট মকাবেলায় দেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য,তাকে আইডিয়া জেনেরেটর বলা হয়।এই ফেইসবুক গ্রুপের সকল সমাজ কল্যান মুলক কার্যক্রমকে পরবর্তীতে অব্যাহত রাখার জন্য ২১ জন ফিমেল ডেন্টাল সার্জনকে নিয়ে গঠন করা হয় ফিমেল ডেন্টাল সার্জন অব বাংলাদেশ ক্লাব(এফ ডি এস বি).

ডা.ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী

ফিমেল ডেন্টিস্ট সকলকে এক সাথে নিয়ে চলা,প্রফেশনে পিছিয়ে পড়া ডেন্টিস্টদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় সমস্যায় দেশের মানুষের পাশে দাড়ানো জন্য সমাজ কল্যাণ মুলক কাজে উদ্ভুদ্ধ করার জন্য, যে সকল উদ্দ্যোগ এই ক্লাব থেকে নেয়া হয়েছে তার প্রশংসা করেন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ড. দীপু মনি।তিনি তাদের ভালো ডেন্টিস্ট হওয়ার পাশাপাশি খুব ভালো মানুষ এবং ভালো নাগরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

পরিশেষে তার ভাষনে, ফিমেল ডেন্টাল সার্জনস অব বাংলাদেশ ক্লাবের উত্তরোত্তর উন্নয়ন কামনা করছেন।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

মলনুপিরাভিরঃ কোভিডের ১ম মুখে খাওয়ার ঔষধ এখন বাংলাদেশে

Published

on

বাংলাদেশের বাজারে এসেছে কোভিড চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম ঔষধ মলনুপিরাভির।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এই ঔষধটি ‘এমোরিভির ২০০’ নামে মঙ্গলবারই বাজারে এনেছে।

এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের বরাত দিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর বলছে, বুধবার নাগাদ তাদের তৈরি মলনুপিরাভির বাজারে চলে আসবে।

আর স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস জানিয়েছে, তারা দু-তিনদিনের মধ্যেই ঔষধটি বাজারে নিয়ে আসতে পারবে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের বিপনন বিভাগের পরিচালক আহমেদ কামরুল আলম জানিয়েছেন, তারা প্রতিটি পিলের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে রাখবেন বলে পরিকল্পনা করছেন।

তিনটি প্রতিষ্ঠানকেই মলনুপিরাভির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন এরই মধ্যে দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঔষধটির জরুরি ব্যবহার ও উৎপাদনের অনুমোদন দেয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, “কোভিডের চিকিৎসায় জরুরি ব্যবহারের জন্য অ্যান্টি-ভাইরাল হিসেবে মুখে খাওয়ার ঔষধ মলনুপিরাভিরকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।”

মোট ১০টি প্রতিষ্ঠান এই ঔষধটি প্রস্তুত ও বাজারজাত করার আবেদন করেছিল। বেক্সিমকো, স্কয়ার ও এসকেএফকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে, বাকী সাতটি প্রতিষ্ঠানও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

এর আগে মলনুপিরাভিরকে রোগীদের জন্য ব্যবহারের অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

মলনুপিরাভির কী?

মলনুপিরাভির একটি ট্যাবলেট বা বড়ি। করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এই ঔষধটি দিনে দুইবার ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদেরকে দেয়া হয়। মূলত এই ঔষধটি ফ্লু এর চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল অনুযায়ী, এই ঔষধটি রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেক কমিয়ে দেয়।

করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এটাই প্রথম ঔষধ যেটি শিরায় প্রয়োগ নয় বরং মুখে সেবন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক, শার্প এন্ড ডোম (এমএসডি) এবং রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিকস-এর তৈরি করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় এটিই মুখে খাওয়ার প্রথম ঔষধ।

যুক্তরাজ্য এরইমধ্যে ঔষধটির চার লাখ ৮০ হাজার কোর্স কিনতে সম্মত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে যে, নভেম্বরেই এর প্রথম চালান আসবে।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় গবেষণার আওতায় প্রাথমিকভাবে এই ঔষধটি টিকা নেয়া এবং না নেয়া-দুই ধরণের রোগীদেরকেই দেয়া হবে। তাদের থেকে পাওয়া তথ্যের বিশ্লেষণের পরই এই ঔষধটি সম্পর্কে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

রোগীর মধ্যে কোভিডের উপসর্গ দেখা দেয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে ঔষধটি দেয়া গেলে সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়া যায়।

Continue Reading

বিশেষ প্রতিবেদন

করোনার সংক্রমণ-উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন যে ৩৩ চিকিৎসক

Published

on

কাউকেই রেহাই দিচ্ছে না করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভয়াল ছোবল। এ ভাইরাসের সংক্রমণ বা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই হাসপাতালগুলোতে ভিড় বাড়ছে। সব বয়সী, সব শ্রেণির মানুষ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হচ্ছেন, হারাচ্ছেন প্রাণ। করোনার বিরুদ্ধে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীরাও আক্রান্ত হচ্ছেন উদ্বেগজনক হারে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিন শতাধিক চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মী। ৩৩ জন চিকিৎসক মারা গেছেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে বা এর উপসর্গ নিয়ে। এদের মধ্যে যেমন জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন, তেমনি তরুণ চিকিৎসকও রয়েছেন।

বিএমএ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে মারা যাওয়া ৩৩ চিকিৎসক হলেন

১. সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মঈন উদ্দীন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ এপ্রিল রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

২. রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হেমাটোলজিস্ট অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. মো. মনিরুজ্জামান। গত ৩ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান।

৩. রাজধানীর নদার্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আনিসুর রহমান। গত ১১ জুন করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

৪. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের একাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও রেডিওলজিস্ট মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) ডা. আবুল মোকারিম মো. মোহসিন উদ্দিন। গত ১২ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

৫. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ত্রয়োদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. মো. আজিজুর রহমান রাজু। গত ১৮ মে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

৬. স্বাস্থ্য অধিদফতরের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. এম এ মতিন। করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেট শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২২ মে মারা যান।

৭. ডা. কাজী দিলরুবা। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২২ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

৮. চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. এস এম জাফর হোসাইন। গত ২৫ মে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

৯. অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা. আমিনা খান। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১০. অ্যানেস্থেসিয়া ও আইসিইউ বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রহমান। করোনার উপসর্গ নিয়ে গত ২৬ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১১. বরিশালের শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. মোশাররফ হোসেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ মে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১২. শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (আর্মি মেডিকেল কোর) ডা. এ এফ এম সাইদুল ইসলাম। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৮ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান।

১৩. সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চতুর্দশ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদুজ্জামান আকন্দ বাবলু। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩১ মে মারা যান।

১৪. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কনসালট্যান্ট ডা. মনজুর রশিদ চৌধুরী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২ জুন রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৫. চট্টগ্রাম মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. এ এস এম এহসানুল করিম। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৩ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

১৬. রাজধানীর ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবিয়াল বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন। গত ৩ জুন রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৭. স্বাস্থ্য অধিদফতরের অবসরপ্রাপ্ত ইভালুয়েশন অফিসার ডা. কে এম ওয়াহিদুল হক। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৩ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

১৮. ফরেনসিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ জুন প্রাইমেট জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯. চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ইএমও) ডা. মুহিদুল হাসান। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৪ জুন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

২০. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (মেডিসিন) অধ্যাপক ডা. এন আই খান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ জুন মারা যান।

২১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এস এ এম গোলাম কিবরিয়া। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ৪ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

২২. রংপুর মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. এহসানুল কবির চৌধুরী। রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৪ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

২৩. অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র মেডিকেল অফিসার (সাভার ইপিজেড) ডা. আবুল কাশেম খান। করোনার উপসর্গ নিয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৬ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

২৪. রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিসেস) ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৭ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২৫. ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রাজিয়া সুলতানা। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৮ জুন মারা যান।

২৬. ময়মনসিংহের ল্যাবএইড হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (অ্যানেস্থেসিয়া) ডা. সাখাওয়াত হোসেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৮ জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২৭. বরিশালের রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ার হোসেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ৯ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

২৮. রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. জলিলুর রহমান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৯ জুন ইমপালস হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

২৯. রাজধানীর জেড এইচ শিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. তানজিলা রহমান। গত ১০ জুন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

৩০. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. গাজী জহিরুল হাসান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

৩১. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি বিভাগ) ডা. মাহমুদ মনোয়ার। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১২ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

৩২. রাজধানীর জেড এইচ শিকদার ওমেন্স মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল হক। করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন মারা যান।

৩৩. ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. আরিফ হাসান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন মারা যান।

Continue Reading
ক্যারিয়ার30 mins ago

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজন -(নিপসম)

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়3 days ago

অ্যান্টিবায়োটিকের মোড়ক হবে লাল, যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে হচ্ছে আইন

জাতীয়5 days ago

দাউদকান্দিতে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের রমরমা বাণিজ্য

জাতীয়2 weeks ago

৭ ছাত্র নিরুদ্দেশ: চিকিৎসক শাকিরের সহযোগী ভিলার স্বীকারোক্তি

সিলেট বিভাগ2 weeks ago

চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে ডেন্টাল চেম্বারে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি!

সংগঠন3 weeks ago

ডা: মোত্তাকিন আহমেদ স্মরণে বিএসপিডি’র দোয়া মাহফিল

সংগঠন3 weeks ago

চিকিৎসকদের জন্য লিডারশীপ এক্সেলেন্সি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কলাম3 weeks ago

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব

জাতীয়3 weeks ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর3 weeks ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়3 weeks ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়3 weeks ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়3 weeks ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়3 weeks ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়1 month ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ1 month ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়1 month ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

পড়ালেখা1 month ago

বাইরের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাস্টার্সে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে ঢাবি

শিক্ষাঙ্গন1 month ago

রংপুর মেডিকেলের ‘অসুখ’ সারবে কে?

জাতীয়1 month ago

কখনোই নিবন্ধন করেনি দেশের ১৪ শতাংশ হাসপাতাল: আইসিডিডিআর’বি

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification