Connect with us

করোনা পরিস্থিতি

কোভিড -১৯ পরিস্থিতিতে দন্তচিকিৎসা সেবা একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পেশা

Avatar

Published

on

DentalTimes
ডাঃ দেবব্রত ঘোষ

গত ২০১৯ সালের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকে SARS-CoV-2 নামে অত্যন্ত সংক্রামক করোনাভাইরাসের উত্থান ঘটে যা ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী মহামারী আকার ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই মহামারিকে COVID-19 হিসেবে নামকরন করে এবং এটিকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বা পাব্লিক হেলথ ইমারজেন্সি হিসাবে ঘোষণা করেছে।

করোনার ভাইরাস হল একটি আবরণযুক্ত আর-এন-এ ভাইরাস। মানুষের মধ্যে করোনার ভাইরাস সংক্রমণ প্রধানত শ্বাসযন্ত্রের উপরের অংশে (অর্থাৎ নাক থেকে শ্বাসনালী পর্যন্ত) দেখা যায় এবং ক্ষেত্রবিশেষে এটি খাদ্যনালিকেও কিছুটা প্রভাবিত করে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ক্লিনিকাল লক্ষণগুলির মধ্যে তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর সমস্যা যেমন- সাধারণ সর্দি বা ঠান্ডাজনিত ব্যধি থেকে গুরুতর সমস্যা যেমন ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, এমনকি কিডনি রোগ পর্যন্ত হতে পারে।

হাঁচি-কাশি বা স্পর্শের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া এই COVID-19 রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে সাধারণ জনগণের তুলনায় ডেন্টাল সার্জন সহ স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীগণের আসার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষত, না জেনে COVID-19 রোগীর সংস্পর্শে আসা বা SARS-CoV-2 সংক্রমিত উপসর্গহীন ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা দন্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যমাত্রায় বাড়িয়ে দেয়, যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকে।

করোনার ভাইরাসের কণা গড়ে ৬০ থেকে ১৪০ ন্যানোমিটার (গড়ে ০.১২৫ মাইক্রন) হয়ে থাকে এবং এর গায়ে ৯ থেকে ১২ ন্যানোমিটার স্পাইক রয়েছে যা দেখতে সূর্যের চারপাশের রশ্নি (“করোনা”) সদৃশ। মানবদেহের শ্বাসযন্ত্রের বাইরের স্তরে এপিথেলিয়াল কোষগুলোতে ৯৬ ঘন্টা টিকে থাকার পরে এই ভাইরাসের কোষের মৃত্যু পরিলক্ষিত হয়।

আমাদের নাক সাধারণত ১০ মাইক্রনের চেয়ে বড় বায়ু কণাকে আটকে দিতে পারে। যদি কোনও কণা ১০ মাইক্রনের ছোট হয় তবে এটি নাকের ভেতর দিয়ে শ্বাসনালীতে প্রবেশ করতে পারে। এটি যদি ২.৫ মাইক্রনের চেয়ে ছোট হয় তবে এটি ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে। যেহেতু করোনা ভাইরাসের কণা প্রায় ০.১ মাইক্রন এর সমান তাই এই কণা রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করতে পারে, এমনকি হৃদপিন্ড ও মস্তিষ্কের মতো অঙ্গেও পৌঁছানোর সক্ষমতা রাখে।

বর্তমান গবেষণায় দেখা যায় যে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাতাসের চেয়েও বেশি হয় আমাদের হাঁচি-কাশির সাথে নির্গত সূক্ষ জলীয় কণার মাধ্যমে। ডেন্টিস্টদের ব্যবহৃত প্রায় সকল যন্ত্রাদি (আল্ট্রাসনিক স্কেলার, ডেন্টাল হ্যান্ডপিস, থ্রি-ওয়ে সিরিঞ্জ ইত্যাদি) এরোসল বা পানির সূক্ষ কণা তৈরী করে। যখন COVID-19 সংক্রমিত কোন রোগীর এই ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করে চিকিৎসা প্রদাণ করা হয় তখন যে এরোসল তৈরী হয়া তা রোগীর মুখ এবং শ্বাসনালী থেকে করোনা ভাইরাস বহন করে। এই এরোসোলগুলো ক্লিনিকের বাতাসে মিশে যায় এবং সেখানেই আবদ্ধ থাকে। যার মাধ্যমে চিকিৎসক, চিকিৎসা সহকারী, রোগীর স্বজন এবং ক্লিনিকে অবস্থিত অন্যান্য সকলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি এর মাধ্যমে সুস্থ হয়ে যাওয়া ব্যক্তিও নতুন করে সংক্রমিত হতে পারে। দেখা যায়, মাড়ি রোগের চিকিৎসায়, নকল দাঁত প্রতিস্থাপনের চেয়ে এরোসল পরিবহনের ঘটনা অনেক বেশি ঘটে।

সার্জিকাল পদ্ধতি ছাড়াও ননসার্জিকাল পদ্ধতিতে আল্ট্রাসনিক এবং সনিক (যেমন-এয়ার পলিশিং, থ্রি ওয়ে সিরিঞ্জ এবং হাই-স্পিড হ্যান্ডপিস ইত্যাদি) যন্ত্র ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি কণার সংক্রমণ ঘটে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, আল্ট্রাসনিক যন্ত্র ব্যবহারে ছয় ফুট অবধি এরোসল ছড়াতে পারে এবং প্রতি ঘনফুটে ১,০০,০০০ জীবাণু সংক্রমণ করতে পারে। যদি ঐ কক্ষে অপর্যাপ্ত বায়ুপ্রবাহ থাকে তবে জীবাণুগুলি ৩৫ মিনিট থেকে ১৭ ঘন্টা অবধি স্থায়ী হতে পারে। একারনেই পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য আইন (ওএসএইচএ) অনুসারে, কোভিড -১৯ পরিস্থিতিতে দন্তচিকিৎসা একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পেশা

অনুবাদ : শেখ জেরিন প্রাচী

করোনা পরিস্থিতি

দেশে করোনায় মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়েছে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ১ হাজার ৬৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করোনা সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকালের তুলনায় আজ দেশে নতুন রোগী, মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার সবই বেড়েছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল। রোগী শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ২৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন ও নারী ৭জন। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আর একজনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে চলতি বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানানো হয় ১৮ মার্চ।

দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

Continue Reading

জাতীয়

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ডেন্টাল সার্জনদের চিকিৎসা সহায়িকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

এই কোভিড-১৯ পেনডেমিক অবস্থায় বিশ্বজুড়ে আমাদের সকলের জীবনজীবিকারই অনেক পরিবর্তন এসেছে।সামাজিক, অর্থনৈতিক, পেশাগত এবং ব্যাক্তিগত অনেক পরিবর্তনের মুখোমুখি আমরা সবাই। আর এই পেনডেমিক অবস্থায় চরম ঝুকিতে আছেন দাঁত ও মুখগহ্বর বিশেষজ্ঞ গন। রোগীর দাঁত ও মুখগহ্বরের চিকিৎসায় ডেন্টাল সার্জনদের রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে কাজ করতে হয়। কাজ করতে গিয়ে রোগীর মুখ গহ্বরের লালার সংস্পর্শে আসা একজন ডেন্টাল সার্জনের জন্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। তবুও এই পেনডেমিক সিচুয়েশনে ডেন্টাল সার্জেনরা রোগীদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন এবং কোভিড-১৯ এ আক্রান্তও হচ্ছেন নিয়মিত।

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আন্তজার্তিকভাবে অনেক গাইডলাইন তৈরী হলেও বাংলাদেশের অর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হওয়ার কারনে সর্বোচ্চ ঝুঁকি কমিয়ে স্বল্প ব্যয়ে যাতে চিকিৎসা সেবা শুরু করা যায় সেজন্য WHO, FDA, CDC, ADA সহ বিভিন্ন আন্তজার্তিক সংস্থার গাইডলাইন অনুসরন করে ও এদেশের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির মহাসচিব ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ হুমায়ুন কবির বুলবুল এর ত্বত্তাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় গাইড লাইন প্রনয়ন করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি।

DentalTimes

গত রবিবার (১১ অক্টোবর) অনলাইনে ওয়েবইনারের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়িকাটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলা ভাষায় লেখা গ্রন্থটির লেখক ঢাকা ডেন্টাল কলেজের পেরিওডন্টোলজি এন্ড ওরাল প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ অনুপম পোদ্দার এবং ইংরেজি গ্রন্থের লেখক সিটি ডেন্টাল কলেজের কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডনটি্কস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহীম খালিল।

ডাঃ অনুপম পোদ্দার জানান, গ্রন্থটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় রচনা করা হয়েছে যেন সকল ডেন্টাল সার্জন এটি পড়ে অর্জিত জ্ঞ্যান প্রয়োগ করে কোভিড-১৯ সহ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে চিকিৎসা সেবা সুন্দর ভাবে চালিয়ে যেতে পারেন। ডাঃ অনুপম পোদ্দার আশা প্রকাশ করেন যে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে প্রাকটিস শুরু করার জন্য গাইডলাইনটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।

প্রকাশক সূত্রে জানা যায়, প্রাকটিসরত সকল ডেন্টাল সার্জনদের কাছে উক্ত বইগুলো অতি দ্রুততম সময়ে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ফাইরুজ হাফিজা হুমা
কুমুদিনী ওমেন্স মেডিকেল কলেজ (ডেন্টাল ইউনিট)

Continue Reading

জাতীয়

৫৩ দিনে করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

গত ৫৩ দিনের মধ্যে আজ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বনিম্ন সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ১৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট (একমাস ২৩ দিন) দেশে সর্বনিম্ন ২২ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আজ (বৃহস্পতিবার) ১৪ অক্টোবরের আগে পর্যন্ত এত কম সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়নি।

দেশে গত আট মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ঠিক ১০ দিন পর এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগীর মৃত্যু হয়। সর্বশেষ বুধবার পর্যন্ত করোনায় সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৩ জনের।

এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ৩০৫ জন (৭৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ২৮৮ জন (২৩ দশমিক ০৩ শতাংশ)।

করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯টি পরীক্ষাগারে ১৪ হাজার ১৬৯টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৪ হাজার ৪১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৬৮৪ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৮২ হাজার ৯৫৯ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ১২ হাজার ৪৪৮টি।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৭৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৪৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৭ দশমিক ৬৭ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ।

Continue Reading

জনপ্রিয়

Enable Notifications From DentalTimesBD    Ok No thanks