Connect with us

জাতীয়

দেশে অসংক্রামক রোগে ৬৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

দেশে ৬৭ শতাংশ মানুষ অসংক্রামক রোগে মারা যাচ্ছে। বিগত কয়েক বছরে বেড়েছে এই রোগে আক্রান্তের হার। সোমবার (৬ জুন) রাজধানীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানসের (বিসিপিএস) সুবর্ণজয়ন্তী এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এ তথ্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, অসংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। দেশে ক্যান্সার, কিডনি ও ডায়াবেটিস রোগে ৬৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে এই রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর কারণ আমাদের জীবনের অভ্যাসের পরিবর্তন। খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রসার, বায়ু এবং ধুলা দূষণ ও মানসিক চাপ।

এসব রোগের চিকিৎসায় আট বিভাগে হাসপাতাল করা হচ্ছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতি জেলায় ১০ বেডের ডায়ালাইসিস সেন্টার ও আইসিইউর ব্যবস্থা করা হয়েছে। চলমান রয়েছে এর কার্যক্রম। বিশেষায়িত হাসপাতালে যখন কার্যক্রম শুরু হবে তখন চিকিৎসক প্রয়োজন হবে। আমি আশা করি বিসিপিএস থেকে প্রশিক্ষিত ডাক্তাররাই এখানে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করবেন।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, পরিবেশকে দূষণমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে করোনা নিয়ন্ত্রণে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। করোনা নিয়ন্ত্রণ ও টিকা দান কর্মসূচি সফলতার জন্য সাউথ এশিয়ার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশ। আর বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। দেশে এরই মধ্যে প্রায় ২৬ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে এখন শূন্যের কোটায় রয়েছে করোনা। সংক্রমণ খুবই সামান্য।

চিকিৎসা খাতে বঙ্গবন্ধুর অবদান কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শাহবাগ হোটেলকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমানে বিএসএমএমইউ) রূপান্তরিত করেন বঙ্গবন্ধু। এছাড়া শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ চালু করেন। মেডিকেল ডেন্টাল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তিনিই বিসিপিএস প্রতিষ্ঠা করেন।

বিসিপিএসের উন্নয়নে প্রায়ই ২১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।

Advertisement
Click to comment

জাতীয়

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

Published

on

রাজধানীর রামপুরা থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিচয়ে তুলে নেওয়া সদ্য এমবিবিএস পাস করা শাকির বিন ওয়ালী নির্দোষ বলে দাবি করেছে তার পরিবার। তাদের বক্তব্য, শাকিরকে বেআইনিভাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি আড়াল করার জন্য তার বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হচ্ছে।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি হলে এক সংবাদ সম্মেলনে শাকিরের পরিবারের সদস্যরা এসব দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. শাকিরের বাবা চিকিৎসক এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ বলেন, আমার ছেলে শাকির বিন ওয়ালীকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর আজ (বুধবার) চতুর্থ দিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি, তাকে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তিনি বলেন, দেশবাসী বিগত দিনের ঘটনা প্রবাহ থেকে পরিষ্কার বুঝতে পারবেন, এভাবে যাদেরকে উঠিয়ে নেওয়া হয় তাদের ব্যাপারে কী ধরনের হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য অভিযোগ সাজানো হয়। 

তিনি আরও বলেন, শাকিরকে অন্যায়ভাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেব। আইনের মাধ্যমেই প্রমাণ করব আমার ছেলে নির্দোষ। 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শাকিরের স্ত্রী আয়শা বিনতে মুস্তাফিজ ও ছোট বোন লাবিবা বিনতে ওয়ালী।

শাকিরের বাবা এ কে এম ওয়ালীউল্লাহ জানান, গত রোববার দুপুর ৩টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে সাদা পোশাকে চারজন আমার ছেলেকে নিয়ে যান। এ সময় তারা সিআইডির লোক বলে পরিচয় দেন।

তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে রামপুরা থানায় গেলে পুলিশ সেটি নেয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, থানা থেকে বলা হয়, পুলিশ কিছুই জানে না। তারা জিডি নেয়নি, তবে নোট নিয়েছে।

এদিকে চিকিৎসক শাকিরকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। সংস্থাটি বলছে, শাকির নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য। 

Continue Reading

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাগানের সব ফুল কেটে ফেলা যায় কিন্তু বসন্ত ঠেকানো যায় না। ঠিক একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রমও কেউ ঠেকাতে পারবে না।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে হাসপাতালটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিএসএমএমইউয়ের সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতালের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় আর একটি মাইলফলক যুক্ত হলো। এ হাসপাতালের মাধ্যমে দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে। সব ধরনের জটিল চিকিৎসাসেবা এ হাসপাতালে দেওয়া হবে। রোগীদের আর বিদেশ যেতে হবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাস্থ্যসেবার সব দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তিনি মাত্র তিন বছর সরকার পরিচালনার সময়ে বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) স্থাপন করেছেন, বিসিপিএস (বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস), বঙ্গ হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা, স্যার সলিমুল্লাহ হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতে অনেক উন্নয়ন সাধন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আজ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। সেখানে ৩২ রকমের ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত মা ও শিশুরা সেখানে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। এর মাধ্যমে মা ও শিশুর মৃত্যুহারও কমছে।

তিনি বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণে করোনায় আমাদের দেশে মৃত্যু নেই বললেই চলে। করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম স্থান ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম স্থান লাভ করেছে। করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমে প্রায় ৩০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছে। করোনার সময়ে সবাই যখন সমালোচনা করছিল তখন প্রধানমন্ত্রী শক্তির স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল অসংক্রামক রোগের চিকিৎসায় বড় ভূমিকা রাখবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অসংক্রামক ব্যাধি যেমন- ক্যান্সার, কিডনি, হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসের কারণে প্রায় ৬৭ শতাংশ মৃত্যু ঘটে থাকে। এ হাসপাতালটি অসংক্রামক রোগের উচ্চতর চিকিৎসা দিতে পারবে। আমরা আশা করি এ হাসপাতালের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার হার কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক মো. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

Continue Reading

জাতীয়

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ হাসপাতালের উদ্বোধন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৭৫০ শয্যার হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে থাকবে ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ।

জরুরি বিভাগে থাকবে ১০০ শয্যা, ভিভিআইপি কেবিন ছয়টি, ভিআইপি কেবিন ২২টি এবং ডিল্যাক্স শয্যা থাকবে ২৫টি। সেন্টারভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে আটটি করে শয্যা।

এক্স-রে, এমআরআই, সিটি-স্ক্যানসহ অত্যাধুনিক সব পরীক্ষা নিরীক্ষার সুবিধা থাকবে এ হাসপাতালে।
হাসপাতালটিতে প্রথম পর্যায়ে থাকবে অটিজম সেন্টার, ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাস্কুলার সেন্টার এবং কিডনি সেন্টার।

দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকবে রেসপিরেটরি মেডিসিন সেন্টার, জেনারেল সার্জারি সেন্টার, অপথালমোলজি, ডেন্টিস্ট্রি, ডার্মাটোলজি সেন্টার এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন বা রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন, রোবোটিক অপারেশন, জিন থেরাপির ব্যবস্থাও থাকবে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোট ৩শ’ চিকিৎসক ও ১২শ’ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করার কথা রয়েছে। হাসপাতালটিতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৮০ জন চিকিৎসকসহ ১৪০ জন নার্স ও কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২২ জন চিকিৎসকসহ ৪৬ জন কর্মকর্তা কোরিয়া থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছেন। আরও একটি দল প্রশিক্ষণ নিতে যাবেন।

ছয়টি বিশেষায়িত সেন্টারের মাধ্যমে চলা এ হাসপাতালে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পাশাপাশি দু’বছরের জন্য ৫৬ জন কোরীয় কনসালট্যান্ট কাজ করবেন। যারা দেশীয় জনবল আরও দক্ষ করতে অবদান রাখবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য সেবার নব দিগন্ত উন্মোচিত হবে। চিকিৎসা গ্রহণে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমে আসবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপাবলিক অব কোরিয়ার মান্যবর রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

এক হাজার ৫শ’ ১১ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়েছে। হাসপাতালটি ৭৫০ শয্যা বিশিষ্ট।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এ হাসপাতালের উদ্বোধন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৭৫০ শয্যার হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে থাকবে ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ।

জরুরি বিভাগে থাকবে ১০০ শয্যা, ভিভিআইপি কেবিন ছয়টি, ভিআইপি কেবিন ২২টি এবং ডিল্যাক্স শয্যা থাকবে ২৫টি। সেন্টারভিত্তিক প্রতিটি ওয়ার্ডে থাকবে আটটি করে শয্যা।

এক্স-রে, এমআরআই, সিটি-স্ক্যানসহ অত্যাধুনিক সব পরীক্ষা নিরীক্ষার সুবিধা থাকবে এ হাসপাতালে।
হাসপাতালটিতে প্রথম পর্যায়ে থাকবে অটিজম সেন্টার, ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল কেয়ার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সেন্টার, কার্ডিও ও সেরিব্রো ভাস্কুলার সেন্টার এবং কিডনি সেন্টার।

দ্বিতীয় পর্যায়ে থাকবে রেসপিরেটরি মেডিসিন সেন্টার, জেনারেল সার্জারি সেন্টার, অপথালমোলজি, ডেন্টিস্ট্রি, ডার্মাটোলজি সেন্টার এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন বা রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন, রোবোটিক অপারেশন, জিন থেরাপির ব্যবস্থাও থাকবে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মোট ৩শ’ চিকিৎসক ও ১২শ’ স্বাস্থ্যকর্মী কাজ করার কথা রয়েছে। হাসপাতালটিতে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ৮০ জন চিকিৎসকসহ ১৪০ জন নার্স ও কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ২২ জন চিকিৎসকসহ ৪৬ জন কর্মকর্তা কোরিয়া থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছেন। আরও একটি দল প্রশিক্ষণ নিতে যাবেন।

ছয়টি বিশেষায়িত সেন্টারের মাধ্যমে চলা এ হাসপাতালে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পাশাপাশি দু’বছরের জন্য ৫৬ জন কোরীয় কনসালট্যান্ট কাজ করবেন। যারা দেশীয় জনবল আরও দক্ষ করতে অবদান রাখবেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য সেবার নব দিগন্ত উন্মোচিত হবে। চিকিৎসা গ্রহণে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমে আসবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল হাসান বাদল। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপাবলিক অব কোরিয়ার মান্যবর রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

Continue Reading

জাতীয়

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

Published

on

দাঁতের চিকিৎসার আধুনিক সব যন্ত্রপাতি, সুসজ্জিত কক্ষ, টেবিল, চেয়ার- সবই আছে; নেই শুধু দন্ত চিকিৎসক। তবে থেমে নেই ডেন্টাল ইউনিটের চিকিৎসাসেবা। দন্ত চিকিৎসকের অবসরের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে ওই চেয়ারে দিব্যি বসে গেছেন টেকনিশিয়ান সারমীন সুলতানা। তিনি দীর্ঘ তিন মাস নিয়মিত রোগীর দাঁত দেখছেন, লিখছেন ব্যবস্থাপত্রও! খোদ রাজধানীতেই ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালে চলছে এমন কাণ্ড।

এই হাসপাতালে টানা দু’দিন সরেজমিন দেখা যায়, টেকনিশিয়ান সারমীন সুলতানা দন্ত চিকিৎসকের চেয়ারে বসে রোগী দেখছেন। রোগীর দাঁত দেখে ব্যবস্থাপত্রও লিখে দিচ্ছেন। রোগীরা না জেনে তাঁর কাছ থেকে চিকিৎসাসেবা নিয়ে তুলছেন ‘তৃপ্তির ঢেকুর’। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দিনে ১০ থেকে ১৫ জনের মতো রোগী দাঁতের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসেন। টেকনিশিয়ান হয়ে কীভাবে এমন চিকিৎসা দিচ্ছেন- জানতে চাইলে সারমীন জানান, কর্তৃপক্ষের সম্মতি নিয়েই এই কাজ করছেন তিনি।

এ ব্যাপারে হাসপাতালটির পরিচালক আম্মতে নূর ওয়াহিদা সুলতানা বলেন, তিন মাস হয়েছে দন্ত চিকিৎসক অবসরে গেছেন।

নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সাময়িক সময়ের জন্য সারমীনকে দন্ত চিকিৎসকের চেয়ারে বসানো হয়েছে। দাঁত ব্যথাসহ কয়েকটি চিকিৎসা তিনি দিচ্ছেন। তবে দাঁতের জটিল কোনো চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন পরিচালক।

গত সোমবার দুপুর ১২টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, ভর্তি ও বহির্বিভাগে মিলছে না প্রয়োজনীয় সব ওষুধ। সেবা নিতে এসে রোগীদের ফিরতে হচ্ছে একরকম ওষুধ ছাড়াই। চিকিৎসক দেখিয়ে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে ফার্মেসিতে গেলে অধিকাংশ রোগীকে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট ও নাপা সিরাপ দিয়ে অন্য ওষুধ নেই বলা হচ্ছে। হাসপাতালটিতে সরকারি ওষুধ-ইনজেকশন বণ্টনে নানা অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলেন, যে ওষুধের কম দাম, সেটি এখান থেকে দেওয়া হচ্ছে, দামি ওষুধ কিনতে হচ্ছে বাইরে থেকে। সাত দিনের ওষুধ লিখে দিলেও মেলে দু’দিনের।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদার তুলনায় কম সরবরাহ থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অর্থবছরে একবার দেওয়া হয় ওষুধ। শেষ হয়ে গেলে নতুন ওষুধ পেতে বাজেট সংশোধন করে আবেদন করতে হয়। সেটিও পেতে তিন থেকে চার মাস সময় লেগে যায়।

এ ছাড়া হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ২২ বছরেও পূর্ণাঙ্গ সেবা এখনও চালু করা যায়নি। এখানে ‘নেই’ তালিকাটাও বেশ লম্বা। গাইনি ও প্রসূতি, মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগ ছাড়া বন্ধ অন্তঃবিভাগের অন্য সব সেবা। এ কারণে তিন তলার ১৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে সোমবার রোগী ভর্তি ছিল মাত্র ৩২ জন। ১০ শয্যার এসি ও নন-এসি কেবিন থাকলেও রোগী থাকার মতো পরিস্থিতি নেই। বন্ধ ব্লাড ব্যাংক। নেই এমআরই মেশিন, সিটি স্ক্যান। এক্স-রে মেশিনও অচল। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বেশির ভাগই করা হচ্ছে আশপাশে গড়ে ওঠা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার সকাল ৮টায় অফিস চালুর সিদ্ধান্ত নিলেও অর্ধেকের বেশি চিকিৎসক দেরিতে হাসপাতালে আসার অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্নিষ্টরা বলছেন, রাজধানীর পুরান ঢাকাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৮৯ সালে শ্রমজীবী হাসপাতাল নামে চিকিৎসাকেন্দ্রটি চালু হয়। পরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় এনে ১৫০ শয্যার এই চিকিৎসাকেন্দ্রটির নাম বদলে করা হয় ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতাল। শয্যা সংখ্যার বিপরীতে এখন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মচারী মিলে রয়েছে ১৬৬ পদ। তবে এর ৬০ শতাংশই খালি। জনবল চেয়ে দক্ষিণ সিটি করপোরেনের কাছে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও সাড়া মিলছে না।

মেডিকেল অফিসারের ১৯টি পদ থাকলেও চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন ১২ জন। স্টাফ নার্স ৩১ জনের বিপরীতে রয়েছেন আটজন। হাসপাতাল চালুর পর নতুন করে নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নার্সিং এইড ১০ পদ থাকলেও সেবা দিচ্ছেন মাত্র একজন। প্রতিনিয়ত চিকিৎসকরা অবসরে গেলেও নতুন করে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
গত রোববার সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, নিচ তলায় মেডিসিন, গাইনি ও প্রসূতি, প্যাথলজি, চর্ম ও যৌন, দন্ত এবং নাক, কান ও গলা বিভাগের সামনে অপেক্ষা করছেন ২০ থেকে ২৫ রোগী। তবে বেশির ভাগ চিকিৎসককে প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর হাসপাতালে ঢুকতে দেখা গেছে। হাসপাতালে মাত্র একজন সার্জারি চিকিৎসক। তিনি সকাল সাড়ে ৯টায় হাসপাতালে এসে অস্ত্রোপচার করতে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকেন। এদিকে বহির্বিভাগে তাঁর কক্ষের সামনে ১০ থেকে ১৫ জন রোগীকে অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে অনেকেই সেবা না নিয়ে ঘরে ফেরেন।

সাড়ে ৮টার দিকে বকুল নামের এক রোগীকে বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়ে বের হতে দেখা যায়। চিকিৎসক ৬ ধরনের ওষুধ লিখছেন ব্যবস্থাপত্রে। হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে শুধু প্যারাসিটামল দিয়ে বিদায় করা হয়। তিন দিন জ্বরে ভুগছেন আলী আজগর। সেবা নিতে এসেছেন এই হাসপাতালে। ডাক্তার চারটি ওষুধ লিখলেও তাঁকে একটি ওষুধ দেওয়া হয়। হাসপাতালটির ফার্মেসির সামনে ১ ঘণ্টা অবস্থান করে এমন একাধিক অনিয়ম চোখে পড়ে।

জানতে চাইলে দায়িত্বরত ফার্মাসিস্ট বলেন, ওষুধের সংকট রয়েছে। রোগীর ব্যবস্থাপত্রে যেসব ওষুধ লেখা হচ্ছে, সবগুলো নেই। সিটি করপোরেশনকে অনেকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও ওষুধ আসেনি।

এদিকে হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য ২০২০ সালের অক্টোবরে পাঁচটি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছিল। গত বছর এপ্রিলে ১৫টি হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ) স্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে আইসিইউ ও এইচডিইউ এখনও চালু করা যায়নি। জনবল সংকট থাকায় আইসিইউ ও এইচডিইউ সরিয়ে নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়। গত মাসেও একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক আম্মতে নূর ওয়াহিদা সুলতানা বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ সংকট আগামী মাস থেকে আর থাকবে না। চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সিটি মেয়র এ বিষয়ে অনেক আন্তরিক। আশা করি, জনবল সংকট দুই-এক মাসের মধ্যে কেটে যাবে।

Continue Reading

জাতীয়

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

Published

on

ঢাকার রামপুরার বাসা থেকে ছেলেকে সিআইডি পরিচয় দিয়ে চারজন তুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাবা। বাবা বলেছেন, তাঁর ছেলে শাকির বিন ওয়ালী একজন চিকিৎসক। তিনি সদ্য এমবিবিএস পাস করেছেন।

শাকিরের বাবা ডাঃ এ কে এম ওয়ালী উল্লাহও একজন চিকিৎসক। তিনি চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন। তিনি বলেন, প্রায় দুই যুগ ধরে পূর্ব হাজীপাড়ার ৬৮/১ নম্বর বাসায় তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন। গত রোববার বেলা তিনটার দিকে সিআইডি পরিচয়ে সাদাপোশাকে চার ব্যক্তি বাসায় যান। তখন পেশাগত কাজে তিনি (ওয়ালী উল্লাহ) বাইরে ছিলেন। তাঁরা শাকিরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে নিয়ে যান। তাঁরা নিজেদের নাম–পরিচয় না জানিয়ে শুধু বলেছেন, ‘আমরা সিআইডির লোক’।

বাবা ডাঃ এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ আরও বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি রামপুরা থানায় যোগাযোগ করেন। থানা থেকে বলা হয়, পুলিশ এ ব্যাপারে কিছু জানে না। সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চাইলে পুলিশ সেটি নেয়নি। পুলিশ ডায়েরিতে নোট নিয়েছে।

ডাঃ এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ বলেন, থানা থেকে ফেরার পর ওই দিনই রাত ১০টার দিকে চার থেকে পাঁচজনের একটি দল আবার বাসায় আসে। তাঁরা নিজেদের সিআইডির লোক বলে পরিচয় দেন। পরে শাকিরের ঘর তল্লাশি করে একটি মুঠোফোন নিয়ে যান। তখনো তাঁরা নিজেদের বিস্তারিত পরিচয় জানাননি। শাকিরের বিষয়ে জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, শাকির সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে আছেন। তদন্তের জন্য তাঁরা দ্বিতীয়বার বাসায় এসেছেন।

ডাঃ ওয়ালী উল্লাহ বলেন, ছেলের খোঁজে গতকাল সোমবার মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু ছেলের কোনো খোঁজ পাননি। সিআইডি কার্যালয়ে গিয়ে রিসেপশনে যোগাযোগ করলে সেখান থেকে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করা হয়। পরে আবারও রামপুরা থানায় জিডি করতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মাওলা বলেন, তিনি (গোলাম মওলা) নিশ্চিত, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার লোক শাকিরকে নিয়ে গেছেন। এ কারণে জিডি করা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন।

রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মওলা বলেন, সিআইডি পরিচয়ে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করতে এসেছিলেন শাকিরের বাবা। তখন সিআইডিতে খোঁজ নিতে বলা হয় তাঁকে। পরে আর তিনি থানায় যোগাযোগ করেননি।

তবে ডাঃ ওয়ালী উল্লাহ বলেছেন, সিআইডিতে খোঁজ নিয়ে ছেলের বিষয়ে তথ্য না পেয়ে তিনি রামপুরা থানায় এসে অভিযোগ দিতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মওলা বলেন, তিনি আর থানায় আসেননি। তিনি লিখিত অভিযোগ দিলে অবশ্যই নেওয়া হবে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading
জাতীয়21 hours ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর1 day ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়1 day ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়1 day ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়1 day ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়2 days ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়2 weeks ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ2 weeks ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়2 weeks ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

পড়ালেখা2 weeks ago

বাইরের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাস্টার্সে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে ঢাবি

শিক্ষাঙ্গন2 weeks ago

রংপুর মেডিকেলের ‘অসুখ’ সারবে কে?

জাতীয়2 weeks ago

কখনোই নিবন্ধন করেনি দেশের ১৪ শতাংশ হাসপাতাল: আইসিডিডিআর’বি

যাপিত জীবন2 weeks ago

ওরা ‘খুদে ডাক্তার’: স্বপ্ন দেখছে চিকিৎসক হওয়ার

জাতীয়2 weeks ago

রাতে ডাক্তারই মেলে না, ফার্মেসি কেন খোলা থাকবে: মেয়র তাপস

স্বাস্থ্য প্রশাসন2 weeks ago

ঝিনাইদহে ১০ ডেন্টাল ও শেরপুরে ৭ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা

জাতীয়2 weeks ago

বেসরকারি মেডিকেল ডেন্টালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:১০, সংসদে বিল পাস

BSMMU3 weeks ago

ত্রুটিযুক্ত আবেদনে নিয়োগ বিএসএমএমইউতে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর4 weeks ago

সিঙ্গাপুরে লাইফ সাপোর্টে সেব্রিনা ফ্লোরা

চট্রগ্রাম বিভাগ1 month ago

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

স্বাস্থ্য1 month ago

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের তথ্য কেন এনআইডিতে নয়, হাইকোর্টের রুল

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification