Connect with us

জাতীয়

নকল মাস্ক দেওয়ার মামলা, ৩ দিনের রিমান্ডে শারমিন

Avatar

Published

on

নকল মাস্ক দেওয়ার মামলা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে গ্রেপ্তার শারমিন জাহানকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন।

আসামি শারমিন জাহানকে আদালতে হাজির করে তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে ডিবি পুলিশ। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন। শারমিন জাহানকে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই মাস্কের কারণে কোভিড-১৯ সম্মুখযোদ্ধাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

মামলার আসামি শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত তিনি। তাঁর বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের গোহালকান্দায়। তিনি মাস্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী।

মামলায় বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর মো. মোজাফফর আহমেদ বলেছেন, গত ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি; ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি এবং ১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

মামলায় বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিন জাহানকে ১৮ জুলাই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। শারমিন ২০ জুলাই দেওয়া জবাবে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন, যা দোষ স্বীকারের শামিল। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ করেছে।

গ্রেপ্তারের আগে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে শারমিন জাহান প্রথম আলোকে বলেছিলেন, তিনি নকল মাস্ক সরবরাহ করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী পরিচালক পণ্যগুলো যাচাই করে গ্রহণ করেছেন। এত দিন পর এসে তাঁরা বলছেন পণ্যে ত্রুটি ছিল। এটা ঠিক নয়। শারমিনের দাবি, মাস্ক তিনি প্রস্তুত করেন না। অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে এনে সরবরাহ করেন। সে ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি যদি থেকেও থাকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা বদলে দেওয়ার কথা বলতে পারত। কিন্তু তা না করেই তারা মামলা করে দিল। তিনি এখানে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশের বিষয়ে শারমিন বলেন, মাস্ক সরবরাহের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেননি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এমন একটি পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার জন্য।

Advertisement
Click to comment

করোনা পরিস্থিতি

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিঠি

DENTALTIMESBD.com

Published

on

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিঠি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশে সফলভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করায়, এর প্রশংসা করে চিঠি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যেখানে এই অতিমারি মোকাবেলায় নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকাকে বিশেষভাবে সাধুবাদ জানানো হয়েছে। 

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের মতো ভ্যাকসিন দেওয়ার কর্মসূচিতেও বাংলাদেশ ভালো করবে বলে আশাবাদ জানিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

সম্প্রতি দেয়া এই চিঠিতে সংস্থাটি আরো জানায়, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের চমকপ্রদ পদক্ষেপে জাতিসংঘসহ বিশ্বের নজর কেড়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া ভবিষ্যতে করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সার্বিক সহযোগিতার কথা জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

উল্লেখ্য গত ৮ই মার্চ, ২০২০ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় এবং ১৮ই মার্চ, ২০২০ দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রথম মৃত্যু রেকর্ড হয়। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫,২৯,০৩১ জন, করোনায় মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৭৯৪২ জন এবং মোট সুস্থ হয়েছেন ৪,৭৩,৮৫৫ জন।

প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গ প্রকাশিত ‘কোভিড রেজিলিয়েন্স র‌্যাংকিং’-এ ডিসেম্বরে ২০তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আর তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ। ভারত-পাকিস্তানের ঠাঁই হয়েছে র‌্যাংকিংয়ের নিচের সারিতে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর চেয়েও এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক আঘাত মোকাবেলায় সক্ষমতাসহ বিভিন্ন সূচকের ওপর ভিত্তি করে গত কয়েক মাস ধরে করোনা সহনশীল দেশের আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিং প্রকাশ করছে ব্লুমবার্গ। নভেম্বরে ২৪তম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু চমৎকার দক্ষতা দেখিয়ে ১ মাসের ব্যবধানে চারধাপ উপরে উঠে এসেছে।

Continue Reading

জাতীয়

করোনাভাইরাস ‘ধ্বংসকারী’ নাকের স্প্রে তৈরির দাবি বাংলাদেশি গবেষকদের

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

নাসারন্ধ্র, মুখ গহ্বর এবং শ্বাস ও খাদ্যনালীর মিলনস্থলে অবস্থান করা করোনাভাইরাস ‘ধ্বংস করতে সক্ষম’- এমন একটি ‘সলিউশন’ তৈরির দাবি করেছে বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিকেল মেজারমেন্টস-বিআরআইসিএম।

রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তাদের এই ওষুধ নাক ও মুখে স্প্রে হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। এর নাম তারা দিয়েছে ‘বঙ্গোসেইফ ওরো নেইজল স্প্রে’।

মঙ্গলবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে প্রথমবারের মত বিষয়টি সামনে আনে বিআরআইসিএম।

বৈঠকে বিআরআইসিএমের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০ জন কোভিড-১৯ রোগীর ওপর এই স্প্রের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে তা ‘নিরাপদ ও কার্যকর’ প্রমাণিত হয়েছে।

বঙ্গোসেইফ কোভিড-১৯ রোগীদের ‘ভাইরাল লোড কমিয়ে মৃত্যু ঝুঁকি হ্রাস’ করার পাশাপাশি ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন নিয়ন্ত্রণে’ ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিআরআইসিএম এর গবেষকদের ভাষ্য। 

সংসদীয় কমিটির সদস্য ডা. হাবিবে মিল্লাত বলেন, “কমিটি আরও বড় পরিসরে এই স্প্রেটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করতে বলেছে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনুমোদন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।”

এই স্প্রে কীভাবে কাজ করে জানতে চাইলে বিআরআইসিএম এর মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মালা খান বলেন, “করোনাভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য আমরা এখন যতকিছুই করছি, তার সবই প্রিভেন্টিভ। মাস্ক পরছি, বা যাই করছি না কেন।

“আমরা এখন পর্যন্ত যা জানি, তা হল, এই ভাইরাসটা আক্রমণ করে মুখ, চোখ ও নাকের মাধ্যমে। সেখানে ভাইরাস কিছুকাল অবস্থান করে। আমরা যে সলিউশন তৈরি করেছি, সেটা যদি কেউ ৩-৪ ঘণ্টা পর পর স্প্রে করে, তাহলে নাক, নাসিকারন্ধ্র, মুখ গহ্বর এবং শ্বাস ও খাদ্যনালীর মিলনস্থলে (ওরোফেরিংস) অবস্থান করা করোনাভাইরাস ধ্বংস হবে।”

মালা খান বলেন, “এতে দুটো সুবিধা হবে। এক, কেউ যদি সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি যান এবং সংক্রমণ ঘটে, তাহলে এই স্প্রে ভাইরাস ধ্বংস করবে। আক্রান্ত ব্যক্তি যদি ব্যবহার করেন, তার ভাইরাল লোড (ভাইরাসের পরিমাণ) কমে যাবে।”

গত মে মাসে ঢাকা মেডিকেলে ২০০ কোভিড-১৯ রোগীর ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “সেখানে আমরা খুবই প্রমিজিং রেজাল্ট পেয়েছি। এখন আমরা বিএমআরসিতে আবেদন করব। এটাকে জাতীয় পর্যায়ে নেওয়ার জন্য যে প্রক্রিয়া আছে, সেটার জন্য কাজ করব।”

এই সলিউশন তৈরিতে কী ধরনের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে খরচ কেমন হতে পারে বা কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে কি না- এসব প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর বিআরআইসিএমের কাছ থেকে মেলেনি।  

মালা খান জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ‘বঙ্গোসেইফ ওরো নেইজল স্প্রে’র পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছেন। আন্তর্জাতিক পেটেন্টের জন্য সিঙ্গাপুরেও আবেদন করা হবে।

বিআরআইসিএমের এই উদ্ভাবনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এরকম স্প্রে নিয়ে কাজ হচ্ছে বলে শুনেছিলাম। তবে সেটা যে উদ্ভাবন হয়েছে এটা আপনার কাছ থেকে শুনলাম। যারা করেছে তাদের উচিত এর বিস্তারিত নিয়ে একটা রিপোর্ট করা। তাহলে বিশেষজ্ঞরা আরও বিস্তারিত মতামত দিতে পারবেন।”

এর আগে কানাডীয় কোম্পানি স্যানোটাইজ একটি নাইট্রিক অক্সাইড স্প্রে উদ্ভাবনের কথা জানিয়ে বলেছিল, তাদের ওই স্প্রে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করতে পারে। যুক্তরাজ্যে ওই স্প্রের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে দুদিন আগে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।

এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি বিজ্ঞানীদের একটি দল করোনাভাইরাসের একটি টিকা নিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছিলেন, যেটা নাকে বা মুখে স্প্রে হিসেবে প্রয়োগ করা যাবে। চীনেও একই ধরনের টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছিল কয়েক মাস আগে।

তবে বিআরআইসিএম এর মহাপরিচালক মালা খানের দাবি, তারাই প্রথম এ কাজে সফল হয়েছেন।

“সারা পৃথিবীতে আমরাই মানবদেহে এই সলিউশন পরীক্ষা করেছি। আমাদের পরে ফ্রান্স একটা করেছে, কিন্তু সেটার স্যাম্পল সাইজ মাত্র ৫ জন।”

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এই স্প্রে উদ্ভাবনের জন্য বিআরআইসিএমকে ধন্যবাদ জানানো হয়। সেইসঙ্গে স্প্রেটি সম্পর্কে প্রচার বাড়ানো এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি আ ফ ম রুহুল হকের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে কমিটির সদস্য ইকবালুর রহিম, মো. হাবিবে মিল্লাত, মো. শফিকুল আজম খাঁন, নিজাম উদ্দিন হাজারী, মো. মোজাফ্ফর হোসেন, শিরীন আহমেদ এবং সেলিমা আহমাদ অংশ নেন।

Continue Reading

জাতীয়

বেসরকারিভাবে ৩০ লাখ ডোজ টিকা বিক্রি করবে বেক্সিমকো

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস আগামী মাস থেকেই দেশের বাজারে বেসরকারিভাবেও করোনাভাইরাসের টিকা বিক্রি শুরু করতে পারে বলে খবর দিয়েছে রয়টার্স।

আগামী মাসেই এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। এতে প্রতি ডোজের দাম পড়বে এক হাজার ১২৫ টাকার (১৩.২৭ ডলার) মতো।

এ লক্ষ্যে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রায় ৩০ লাখ ডোজ করোনা ভ্যাকসিন কিনছে বেক্সিমকো। প্রতি ডোজের জন্য সিরাম ইনস্টিটিউটকে আট ডলার করে পরিশোধ করবে তারা।

বেক্সিমকোর চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

রয়টার্সকে দেওয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে রাব্বুর রেজা জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান সরকারি টিকাদান কর্মসূচির বাইরে বেসরকারিভাবে বাজারে বিক্রির জন্য ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে প্রায় ৩০ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড টিকা কিনছে। এর প্রতি ডোজের জন্য সেরাম ইনস্টিটিউটকে আট ডলার করে পরিশোধ করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। সরকারকে দেওয়ার জন্য বেক্সিমকো সেরাম থেকে যে টিকা আনছে, এটি তার দামের প্রায় দ্বিগুণ।

সরকারি টিকাদান কর্মসূচির জন্য বেক্সিমকো বছরের প্রথমার্ধে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করবে। প্রতিষ্ঠানটির সিওও রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সরকারের কাছে ও বাজারে বিক্রির জন্য সেরাম ইনস্টিটিউট এ মাসের শেষ দিকেই টিকা সরবরাহ শুরু করবে। টিকা গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের মাঝে বিরতি দিয়ে ভ্যাকিসনটির দুইটি ডোজ নিতে হবে।

রাব্বুর রেজা জানান, বেসরকারিভাবে তারা যে ৩০ লাখ ডোজ টিকা বিক্রির পরিকল্পনা করছেন এর মধ্যে ১০ লাখ ডোজের জন্য এরইমধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এখন আরও ২০ লাখ ডোজ সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে তার প্রতিষ্ঠান।

তিনি জানান, ২০২০ সালের আগস্টে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশে সেরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ‘এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটর’ বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। এর বাইরে বায়োলোজিক্যাল ই ও ভারত বায়োটেকের মতো ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী অন্যান্য ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সরকার চাইলে বেক্সিমকো অন্যান্য টিকার বিষয়েও আলোচনা এগিয়ে নেবে।

উল্লেখ্য, সেরামের কাছ থেকে এক কোটি ১০ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহের জন্য এরইমধ্যে চুক্তি করেছে ভারত। ভারতের কাছে তারা প্রতি ডোজের দাম রাখছে ২ দশমিক ৭৩ ডলার। তবে বাংলাদেশের কাছে প্রতি ডোজের দাম রাখা হচ্ছে চার ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর দাম পড়বে প্রায় ৩৪০ টাকা। রয়টার্স বলছে, সেরামের কাছে ভারত যে মূল্যে এই টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশের জন্য সেই মূল্য প্রায় দেড়গুণ (৪৭ শতাংশ) বেশি।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৩০২ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে সাত হাজার ৮০৩ জনের। 

Continue Reading

জাতীয়

প্রথম দফায় করোনা ভ্যাকসিন পাবেন যারা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আগামী ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে দেশে আসবে। এর দুই দিন পর থেকে তা বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে। আর ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হবে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে। প্রথম মাসে ৫০ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজরি গ্রুপের নির্দেশনা অনুসারে প্রথম মাসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যারা ভ্যাকসিন পাবেন তাদের তালিকা তৈরি করেছেন দেশের বিশেষজ্ঞরা। ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছেন সম্মুখসারির যোদ্ধারা। এছাড়া প্রথম দয়ায় ভ্যাকসিন দিতে বিভিন্ন খাতের ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। এ সময় টিকা বিতরণ কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন এই কর্মসূচি কমিটির সদস্য অধ্যাপক শামসুল হক।

ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। এ নিবন্ধন করা যাবে অনলাইনেও। তবে অনলাইনটি এখনো সম্পন্ন হয়নি। জেলা-উপজেলায় ভ্যাকসিন সেন্টারেও এ নিবন্ধন করা যাবে।

স্বাস্থ্যসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত সকল সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী, করোনা স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত অনুমোদিত বেসরকারি ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী (তাদের মধ্যে প্রথম মাসে ৫০ শতাংশকে ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে), সামরিক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, রাষ্ট্র পরিচালনায় নিয়োজিত অপরিহার্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী (যেমন : মন্ত্রণালয় সচিবালয় জুডিশিয়াল এবং আরও যারা প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে নিয়োজিত), সম্মুখসারির গণমাধ্যমকর্মী ৫০ শতাংশ, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার সামনের কাতারের কর্মচারী, জরুরি পানি, গ্যাস ও পয়ঃনিষ্কাশন, মরদেহ সৎকারের কাজে নিয়োজিতরা, বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস, গণপরিবহন কর্মী, জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা, বিদেশ গমনেচ্ছু দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদেরকে প্রথম দফায় ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

এছাড়া বয়স্ক জনগোষ্ঠী যাদের বয়স ৮০ বছরের উপরে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে থেকে প্রদান করা হবে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক মানুষ বেশি মারা যায় বলে তাদেরকে আগে ভ্যাকসিন প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণের পর দ্বিতীয় ডোজ দুই মাস পর দিতে হবে।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

সময় নষ্টের অভিযোগে আইসিডিডিআর,বির সাথে চুক্তি বাতিল করেছে গ্লোব

DENTALTIMESBD.com

Published

on

সময় নষ্টের অভিযোগে আইসিডিডিআর,বির সাথে চুক্তি বাতিল করেছে গ্লোব

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরুর পর থেকে টিকার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষায় বিশ্ববাসী। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনের একমাত্র দাবিদার গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। প্রাণী দেহে সফলতার পর মানবদেহে পরীক্ষার জন্য সিআরও প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সঙ্গে চুক্তি করেছিল গ্লোব বায়োটেক। তবে আইসিডিডিআর,বি ইচ্ছা করে গ্লোব বায়োটেকের দুই মাস সময় নষ্ট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিসটেন্ট ম্যানেজার অ্যান্ড ইনচার্জ ড. আসিফ মাহমুদ।

এদিকে ইচ্ছা করে সময় নষ্টের অভিযোগে ইতোমধ্যে আইসিডিডিআর,বির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে গ্লোব বায়োটেক। নতুন সিআরও প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিআরও বাংলাদেশ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গ্লোব বায়োটেক চুক্তি করেছে। এতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর (ডিজিডিএ) থেকে বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা থাকবেন।

গ্লোব বায়োটেক টিকা উদ্ভাবন দাবির পরপরই আশা প্রকাশ করেছিল, ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারির মধ্যে তারা বাজারে টিকা নিয়ে আসবে। অথচ এখন পর্যন্ত তারা মানবদেহে টিকার ট্রায়ালই শুরু করতে পারেনি। তবে তারা আশা করছে, জানুয়ারির মধ্যেই তারা মানবদেহে ট্রায়াল শুরু করতে পারবে। এ অবস্থায় গ্লোবের টিকা বাজারে আসতে ছয় মাসের মতো সময় লাগবে।

এ বিষয়ে ড. আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের নিজেদের দেশের একমাত্র ভ্যাকসিন হিসেবে এটাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সবার সার্বিক সহযোগিতাই আমরা কামনা করেছিলাম। কিন্তু আইসিডিডিআর,বির সঙ্গে যে চুক্তি করেছিলাম, ওরা আমাদের দুই মাস সময় নষ্ট করেছে। আসলে তারা অগ্রগতি তেমন কিছুই করে নাই। আমরা তো চুক্তি করেছিলাম ওরা আমাদের হিউম্যান ট্রায়াল করবে। কিন্তু তাদের অভ্যন্তরীণ যে কিছু রেগুলেশন, পলিসি; সেগুলো দেখিয়ে তারা ইচ্ছা করে দেরি করেছে। এ কারণে আমরা ওদের সঙ্গে চুক্তিটা বাতিল করেছি।’

‘যারা আমাদের প্রয়োজনীয়তাটা বুঝতে পারছে না, দেশের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছে না, তাদের সঙ্গে কাজ করে লাভ হবে না। আইসিডিডিআর,বি যেহেতু বিদেশি অনুদানে চলে, ওরা আসলে দেশের ব্যাপারটা ওইভাবে গুরুত্ব দেয়নি’, যোগ করেন ড. আসিফ মাহমুদ।

Continue Reading

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks