Connect with us

জাতীয়

নকল মাস্ক দেওয়ার মামলা, ৩ দিনের রিমান্ডে শারমিন

Avatar

Published

on

নকল মাস্ক দেওয়ার মামলা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে গ্রেপ্তার শারমিন জাহানকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন।

আসামি শারমিন জাহানকে আদালতে হাজির করে তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে ডিবি পুলিশ। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন। শারমিন জাহানকে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই মাস্কের কারণে কোভিড-১৯ সম্মুখযোদ্ধাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

মামলার আসামি শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। এরপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। এর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত তিনি। তাঁর বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের গোহালকান্দায়। তিনি মাস্ক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী।

মামলায় বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর মো. মোজাফফর আহমেদ বলেছেন, গত ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি; ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি এবং ১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে। প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না। তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি। কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

মামলায় বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিন জাহানকে ১৮ জুলাই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল। শারমিন ২০ জুলাই দেওয়া জবাবে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন, যা দোষ স্বীকারের শামিল। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অভিযোগ করেছে।

গ্রেপ্তারের আগে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে শারমিন জাহান প্রথম আলোকে বলেছিলেন, তিনি নকল মাস্ক সরবরাহ করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী পরিচালক পণ্যগুলো যাচাই করে গ্রহণ করেছেন। এত দিন পর এসে তাঁরা বলছেন পণ্যে ত্রুটি ছিল। এটা ঠিক নয়। শারমিনের দাবি, মাস্ক তিনি প্রস্তুত করেন না। অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে এনে সরবরাহ করেন। সে ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি যদি থেকেও থাকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা বদলে দেওয়ার কথা বলতে পারত। কিন্তু তা না করেই তারা মামলা করে দিল। তিনি এখানে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশের বিষয়ে শারমিন বলেন, মাস্ক সরবরাহের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেননি। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এমন একটি পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার জন্য।

জাতীয়

ভুয়া ডেন্টিস্ট : জামাই প্রেসক্রিপশন লেখে, শ্বশুর করে স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

ভুয়া ডেন্টিস্ট

শ্বশুর নূর হোসেন তৃতীয় শ্রেণি পাস, আর জামাতা জাহিদুল ইসলাম পড়েছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। কিন্তু তাতে কী! যেন দেখার কেউ নেই। তৃতীয় ও দশম শ্রেণি পড়া শ্বশুর-জামাই মিলে রাজধানীর খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকায় গড়ে তুলেছেন ‘পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। যেখানে জামাই ও শ্বশুর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ রোগীদের দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।

শেষ রক্ষা হয়নি, পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বিশেষ অভিযানে ধরা পড়েছে তাদের এ অভিনব প্রতারণা।

পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’ পরিচালনার আড়ালে অন্য চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করা প্রেসক্রিপশন প্যাডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখে আসছিলেন তারা।

ভুক্তভোগী রোগীদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাড়ার ওই ডেন্টাল কেয়ারে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-৩।

অভিযান শেষে শ্বশুর নূর হোসেনকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং জামাতা জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন র‍্যাব পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু ডেন্টাল টাইমসকে বলেন, অভিযানে দেখা যায় অন্য ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ডাক্তার অপারেশনসহ দাঁতের ট্রিটমেন্ট দিচ্ছেন নূর হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম।

DentalTimes

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ভুয়া চিকিৎসক নূর হোসেন ওষুধের নামও ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারছিলেন না। তখন সন্দেহবশত জানতে চাইলে মো. নূর হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, তিনি তৃতীয় শ্রেণি পাস। সম্পর্কে তিনি অপর ভুয়া চিকিৎসক জাহিদুল ইসলামের শ্বশুর। জামাতা জাহিদুল আগে পাথর কোম্পানিতে চাকরি করতো, সেটা ছেড়ে শ্বশুরের সঙ্গে ডেন্টাল ক্লিনিকে ভুয়া চিকিৎসা দেয়া শুরু করেন।

জিহান কবির নামের এক চিকিৎসকের প্যাডে তারা স্বাক্ষর করে চিকিৎসাপত্র দিয়ে আসছিলেন। জামাই জাহিদুল ওষুধের নাম লিখতেন আর শ্বশুর নূর হোসেন শুধু করতেন স্বাক্ষর। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া চিকিৎসা দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন।

অভিযানকালে বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, দালালদের মাধ্যমে তারা জেনেছেন, ওই ডেন্টাল কেয়ারে অভিজ্ঞ চিকিৎসক বসেন। অনেকে চিকিৎসাপত্রও নিয়েছেন। কিন্তু তারা এটা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি মাত্র তৃতীয় ও দশম শ্রেণিতে পড়া দুজন ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে এতদিন চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন!

ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, নূর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এ প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তিনি আগে চিকিৎসকদের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন। মাঝে মাঝে তিনি চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে চিকিৎসাপত্রও দিতেন! বছরখানেক আগে তিনি নিজেই বেশি লাভের আশায় এই ‘পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’ নামক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। জামাই-শ্বশুর মিলে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।

শ্বশুর নূর হোসেনকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং জামাতা জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

দেশে করোনায় মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়েছে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ১ হাজার ৬৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করোনা সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকালের তুলনায় আজ দেশে নতুন রোগী, মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার সবই বেড়েছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল। রোগী শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ২৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন ও নারী ৭জন। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আর একজনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে চলতি বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানানো হয় ১৮ মার্চ।

দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

Continue Reading

জাতীয়

তিন দফা দাবিতে বিএমডিসির সামনে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

তিন দফা দাবীতে বিএমডিসি কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা। সারাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টালের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

সেশনজট মুক্ত শিক্ষাবর্ষ এবং করোনায় ১ম, ২য়,৩য় পেশাগত পরীক্ষা বাতিল করে অটোপ্রমোশনের দাবিতে এই মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০ টায় এই মানববন্ধন শুরু হয়৷

তারা মানববন্ধনে তিন দফা দাবি উপস্থাপন করে।
১. করোনা মহামারিতে প্রফ নয় প্রফের বিকল্প চাই
২. অনতিবিলম্বে সেশনজট দূরীকরণের পরবর্তী ফেজের অনলাইন ক্লাস শুরুর নির্দেশ দেওয়া হোক
৩. পরীক্ষা ও ক্লাস সংক্রান্ত সকল আদেশের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করতে হবে।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানায়, “এমবিবিএস/বিডিএস শিক্ষাব্যাবস্থা একটি দীর্ঘমেয়াদী কোর্স।একজন শিক্ষার্থীর ছয় বছর লেগে যায় এমবিবিএস সম্পন্ন করতে। এখন কোভিড-১৯ এর জন্য আমরা আরো পিছিয়ে পরেছি। ইতিমধ্যে ১ম, ২য়, ৩য় পেশাগত পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা মে-২০২০ এর পরীক্ষা মহামারী করোনার কারণে সময় মত অনুষ্ঠিত না হওয়ায় ৮ মাস পিছিয়ে গিয়েছি এবং যার ফলে আমরা ধেয়ে চলেছি এক ভয়াবহ সেশনজটের দিকে।”

তারা আরো জানান, “শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে জে এস সি এবং এইচ এস সি এর মত বিশাল পাব্লিক পরীক্ষাগুলোর পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে অটোপ্রমোশন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও সেশনজট এড়াতে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু করা হচ্ছে। যেখানে শীতকালীন করোনার সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সব জায়গায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষাজীবনের কথা ভেবে আমাদের দাবি মেনে দেওয়া জন্য অনুরোধ করা হলো।”

Continue Reading

জনপ্রিয়

Enable Notifications From DentalTimesBD    Ok No thanks