Connect with us

করোনা পরিস্থিতি

নাসিমের অবস্থার অবনতি হয়নি: মেডিকেল বোর্ড

Avatar

Published

on

DentalTimes

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার নতুন করে অবনতি হয়নি। এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। এ ছাড়া করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নতুন করে তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান চৌধুরী গণমাধ্যমেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আজ সোমবার রাতে তিনি গণমাধ্যমেকে বলেন, রাত আটটার দিকে ৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে। বোর্ডের বক্তব্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার কোনো অবনতি হয়নি। এতে চিকিৎসকেরা আশাবাদী। তাঁর কিছু ওষুধ পরিবর্তন করা হয়েছে।

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত এই বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে আছেন মোহাম্মদ নাসিম। চিকিৎসকেরা পরবর্তী পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত এ অবস্থাতেই তাঁর চিকিৎসা চলবে।

মোহাম্মদ নাসিমের চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন বোর্ড নিয়মিত তাঁর চিকিৎসায় পরামর্শ দিচ্ছেন।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের পর মোহাম্মদ নাসিমের অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর থেকেই তিনি আইসিইউতে আছেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সে অবস্থাতেই আছেন তিনি। গত শনিবার মোহাম্মদ নাসিমের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

অস্ত্রোপচারের পর মোহাম্মদ নাসিমকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত দেয় পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড। আজ ৭২ ঘণ্টা শেষে একইভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা।

রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে ১ জুন হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওই দিনই তাঁর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ৪ জুন তাঁর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও ৫ জুন ভোরে তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। তাই দ্রুত অস্ত্রোপচার করে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিকবার নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল ও অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক রাজিউল হককে ফোন করে সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন বলে জানিয়েছে সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস।

মোহাম্মদ নাসিম বর্তমান সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয়ক তিনি।

২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। এর আগে ১৯৯৬-২০০১ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

করোনা পরিস্থিতি

দেশে করোনায় মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়েছে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ১ হাজার ৬৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করোনা সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকালের তুলনায় আজ দেশে নতুন রোগী, মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার সবই বেড়েছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল। রোগী শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ২৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন ও নারী ৭জন। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আর একজনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে চলতি বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানানো হয় ১৮ মার্চ।

দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

Continue Reading

জাতীয়

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ডেন্টাল সার্জনদের চিকিৎসা সহায়িকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

এই কোভিড-১৯ পেনডেমিক অবস্থায় বিশ্বজুড়ে আমাদের সকলের জীবনজীবিকারই অনেক পরিবর্তন এসেছে।সামাজিক, অর্থনৈতিক, পেশাগত এবং ব্যাক্তিগত অনেক পরিবর্তনের মুখোমুখি আমরা সবাই। আর এই পেনডেমিক অবস্থায় চরম ঝুকিতে আছেন দাঁত ও মুখগহ্বর বিশেষজ্ঞ গন। রোগীর দাঁত ও মুখগহ্বরের চিকিৎসায় ডেন্টাল সার্জনদের রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে কাজ করতে হয়। কাজ করতে গিয়ে রোগীর মুখ গহ্বরের লালার সংস্পর্শে আসা একজন ডেন্টাল সার্জনের জন্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। তবুও এই পেনডেমিক সিচুয়েশনে ডেন্টাল সার্জেনরা রোগীদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন এবং কোভিড-১৯ এ আক্রান্তও হচ্ছেন নিয়মিত।

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আন্তজার্তিকভাবে অনেক গাইডলাইন তৈরী হলেও বাংলাদেশের অর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হওয়ার কারনে সর্বোচ্চ ঝুঁকি কমিয়ে স্বল্প ব্যয়ে যাতে চিকিৎসা সেবা শুরু করা যায় সেজন্য WHO, FDA, CDC, ADA সহ বিভিন্ন আন্তজার্তিক সংস্থার গাইডলাইন অনুসরন করে ও এদেশের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির মহাসচিব ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ হুমায়ুন কবির বুলবুল এর ত্বত্তাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় গাইড লাইন প্রনয়ন করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি।

DentalTimes

গত রবিবার (১১ অক্টোবর) অনলাইনে ওয়েবইনারের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়িকাটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলা ভাষায় লেখা গ্রন্থটির লেখক ঢাকা ডেন্টাল কলেজের পেরিওডন্টোলজি এন্ড ওরাল প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ অনুপম পোদ্দার এবং ইংরেজি গ্রন্থের লেখক সিটি ডেন্টাল কলেজের কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডনটি্কস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহীম খালিল।

ডাঃ অনুপম পোদ্দার জানান, গ্রন্থটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় রচনা করা হয়েছে যেন সকল ডেন্টাল সার্জন এটি পড়ে অর্জিত জ্ঞ্যান প্রয়োগ করে কোভিড-১৯ সহ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে চিকিৎসা সেবা সুন্দর ভাবে চালিয়ে যেতে পারেন। ডাঃ অনুপম পোদ্দার আশা প্রকাশ করেন যে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে প্রাকটিস শুরু করার জন্য গাইডলাইনটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।

প্রকাশক সূত্রে জানা যায়, প্রাকটিসরত সকল ডেন্টাল সার্জনদের কাছে উক্ত বইগুলো অতি দ্রুততম সময়ে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ফাইরুজ হাফিজা হুমা
কুমুদিনী ওমেন্স মেডিকেল কলেজ (ডেন্টাল ইউনিট)

Continue Reading

জাতীয়

৫৩ দিনে করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

গত ৫৩ দিনের মধ্যে আজ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বনিম্ন সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ১৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট (একমাস ২৩ দিন) দেশে সর্বনিম্ন ২২ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আজ (বৃহস্পতিবার) ১৪ অক্টোবরের আগে পর্যন্ত এত কম সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়নি।

দেশে গত আট মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ঠিক ১০ দিন পর এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগীর মৃত্যু হয়। সর্বশেষ বুধবার পর্যন্ত করোনায় সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৩ জনের।

এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ৩০৫ জন (৭৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ২৮৮ জন (২৩ দশমিক ০৩ শতাংশ)।

করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯টি পরীক্ষাগারে ১৪ হাজার ১৬৯টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৪ হাজার ৪১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৬৮৪ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৮২ হাজার ৯৫৯ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ১২ হাজার ৪৪৮টি।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৭৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৪৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৭ দশমিক ৬৭ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ।

Continue Reading

জনপ্রিয়