Connect with us

Uncategorized

নিজ অবস্থানে থেকেই করোনা ভাইরাস মোকাবেলা সম্ভব

Published

on

বর্তমানে বিশ্বের চলমান আতঙ্ক করোনা ভাইরাস। যার উৎপত্তি ২০২০ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে চীনের উহান শহর থেকে। কোভিড-১৯ ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব প্রায় ১৬৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং মহামারী আকার ধারণ করেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সূত্রমতে প্রায় ২ লক্ষ লোক এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দশ হাজার। গত কয়েকদিনেই আমাদের দেশে প্রায় ২০ জন আক্রান্তকে সনাক্ত করা হয়েছে, মৃত্যুবরণ করেছে ১ জন , আর কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে হাজারেরও বেশী প্রবাসীকে, সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

করোনা ভাইরাস নিয়ে আমাদের এখনো সাধারণ কিছু বিষয়ে সঠিক ধারণা অভাব দেখা যাচ্ছে। আমরা আতঙ্কিত না হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকেই করোনা ভাইরাসের মোকাবেলা আমরা নিজেই করতে পারি। যার জন্য প্রয়োজন সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা।আজকে করোনা ভাইরাস এবং আমাদের যে সকল সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী তা নিয়ে কথা বলবো –

★ করোনা ভাইরাস কি?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের নিচে এই ভাইরাস ফেললে মনে হয় এরা মাথায় মুকুট পরে আছে। ল্যাটিন ভাষায় একে বলে ‘করোনাম’ (Coronam)। যে খোঁচাগুলি দেখা যায় সেগুলি আসলে স্পাইক গ্লাইকোপ্রোটিন (spike glycoproteins)। এদের মূল কাজ হল মানুষের শরীরে বন্ধু প্রোটিনকে খুঁজে নেওয়া। বাহক কোষের প্রোটিনের সঙ্গে জুটি বেঁধে এরা কোষের মধ্যে ঢুকতে পারে। SARS-CoV-2: এই ভাইরাসই করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত। করোনার CO, ভাইরাসের VI এবং ডিজিসের D নিয়ে হয়েছে COVID-19।

★ করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি কোথা থেকে?

২০১৯ সালে ভাইরাসটি প্রথম ধরা পড়ায় নাম দেয়া হয়েছে COVID 19। এটি প্রথম চিনের উহানে প্রদেশে আবির্ভূত হয়।

★ করোনা ভাইরাসের লক্ষন ও উপসর্গ কি কি?

রেসপিরেটরি লক্ষণ ছাড়াও জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ। এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ দেখা দেয়, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচদিন সময় নেয়। শুরুর দিকের উপসর্গ সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু’য়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ায় রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্থ হওয়া স্বাভাবিক।

★ করোনা ভাইরাসের টেস্ট সমূহ কি এবং কোথায় করা হয়?

আইইডিসিআর সূত্রে জানা যায়, মুখের লালা ও নাকের শ্লেষ্মা সংগ্রহ করা টিউব অতিমাত্রায় শীতল করে বরফের বাক্সে ভরে পাঠানো হয় ল্যাবরেটরিতে, সেখানে টেস্ট কিট দিয়ে আরটি- পিসিআর পরীক্ষা করা হয়। রোগীর নমুনায় যদি করোনা ভাইরাস থাকে, তাহলে এ পরীক্ষায় তার সংখ্যা বাড়বে। ফলাফল আসবে ‘পজেটিভ’। বাংলাদেশে কেবল আইইডিসিআরেই করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে।

★ আমার কি মেডিক্যাল মাস্ক পরা উচিত?

করোনা ভাইরাসসহ অন্যান্য রোগের বিস্তার সীমিত পর্যায়ে রাখতে মেডিক্যাল মাস্ক সাহায্য করে। তবে এটার ব্যবহারই এককভাবে সংক্রমণ হ্রাস করতে যথেষ্ঠ নয়। নিয়মিত হাত ধোঁয়া এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে মেলামেশা না করা এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর সর্বোত্তম উপায়।

★ কোয়ারেন্টাইন বলতে কি বোঝায় ? হোম কোয়ারেন্টাইন কিভাবে মেনে চলতে হবে?

কোয়ারেন্টাইন অর্থ একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পৃথক থাকা। তবে কোয়ারেন্টাইন মানে এই নয় যে, আপনাকে সম্পূর্ণ আলাদা করে দেয়া হলো। যদি কোনো ব্যক্তির করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে তাকে জনবহুল এলাকা থেকে দূরে রাখতে এবং ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কিছুদিন আলাদা থাকতে বলা হয়। ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার পর থেকে রোগের পূর্ণ প্রকাশ হতে ১৪ থেকে ৩৭ দিন সময় লাগে। সে জন্য হোম কোয়ারেন্টাইন করতে বলা হয়েছে ১৪ থেকে ৩৭ দিনের জন্য। |

হোম কোয়ারেন্টাইন মানে আপনি থাকবেন নিজের বাড়িতে। হোম কোয়ারেন্টাইন- অর্থাৎ সংক্রমিত সংস্পর্শে আসার কারণে বাধ্যতামূলক ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।এই ১৪দিন একটি নির্দিষ্ট ঘরে সকালের কাছ থেকে আলাদা থাকতে হবে।স্কুল, কলেজ, উপাসনালয়, বাজার বা কোন প্রকার জমায়েত হওয়া যাবেনা, গণপরিবহনে উঠা যাবেনা। সাক্ষাৎ জরুরী হলে কমপক্ষে ৩ ফুট দুরুত্ব রাখতে হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে কারা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন?

যেসব দেশে কোভিড-১৯–এর স্থানীয় সংক্রমণ ঘটেছে, সেসব দেশ থেকে যেসব যাত্রী এসেছেন এবং আসবেন (দেশি-বিদেশি যেকোনো নাগরিক), যাঁরা দেশে শনাক্তকৃত ৩ জন কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন এবং যার অথবা যাঁদের কোনো শারীরিক উপসর্গ নেই, তাঁদের ১৪ দিন স্বেচ্ছা/গৃহ কোয়ারেন্টিন পালন করতে হবে।

হোম কোয়ারেন্টাইনে আপনি যা করবেন ?

  • নিজের বেডরুমে থাকুন। একা থাকুন।
  • সম্ভব হলে নিজের আলাদা টয়লেট ব্যবহার করুন।
  • নিজের তোয়ালে, গামছা, ব্যবহার করুন। নিজের বিছানা আলাদা রাখুন।
  • যথাসম্ভব সাক্ষাৎ এড়িয়ে চলুন, এমনকি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও।
  • যে কারও সামনে মাস্ক পরে থাকুন।
  • অন্যের সঙ্গে যথাসম্ভব দূরত্ব বজায় রাখুন।
  • ঘন ঘন হাত ধুয়ে ফেলুন। যেসব জায়গায় বারবার স্পর্শের সম্ভাবনা আছে, সেগুলো দিনশেষে ভালো করে জীবাণুনাশক দিয়ে মুছে ফেলুন। যেমন দরজার হাতল, কম্পিউটার, ফোন, টয়লেট ইত্যাদি।

★ আইসোলেশন কি এবং কেন আইসোলেশনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ?

আইসোলেশন হচ্ছে, কারো মধ্যে যখন জীবাণুর উপস্থিতি ধরা পড়বে বা ধরা না পড়লেও তার মধ্যে উপসর্গ থাকবে তখন তাকে আলাদা করে যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে তাকে বলা হয় আইসোলেশন। ইতিমধ্যে ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে এবং চিকিৎসাধীন আছেন এমন ব্যাক্তিকে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত সকলের কাছ থেকে একবারে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে হবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে বলা যায়, আইসোলেশন হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা থাকার ব্যাবস্থা।

★ চিকিৎসকদের প্রতিরক্ষার জন্য কি কি পদক্ষেপগুলো পালন করতে হবে?

  • লম্বা পোশাক, লম্বা হাতার পোশাক পরিধান করা।
  • Latex অথবা Nitrile গ্লাভস ১৫-৩০মিনিট পর পর বদলাতে হবে, কারণ এরপর এটি এর প্রতিরক্ষামূলক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলে। প্রত্যেক পেশেন্টের জন্য অবশ্যই গ্লাভস বদলাতে হবে অথবা যদি গ্লাভস ছিড়ে যায় তখন ও গ্লাভস বদলাতে হবে।
  • প্রত্যেক পেশেন্টের জন্য মাস্ক বদলাতে হবে। মাস্ক কখনো পকেটে অথবা গলায় ঝুলিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকতে হবে। (যদি মাস্ক পেশেন্টের ফ্লুইডের সংস্পর্শে আসে), যদি মাস্ক ভিজা থাকে তাহলে এরা এদের প্রতিরক্ষামূলক বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলে,তাই অবশ্যই বদলে নিতে হবে।
  • সুরক্ষার জন্য সবসময় সেফটি গ্লাস পড়তে হবে।
  • টার্বাইন থেকে নিসৃত পানি এবং রোগীর লালার মিশ্রনকে প্রতিহত করতে রাবার ড্যাম ব্যবহার করতে হবে।
  • হাতের কাছে পাওয়া যায় এমন প্রতিরক্ষামূলক উপকরণ ব্যবহার যেমন: লম্বা পোশাক, ক্যাপ, গ্লাস, প্লাস্টিক এপ্রন, বিশেষ পুরু গ্লাভস।
  • Instruments উপযুক্ত জীবানুনাশক পদার্থে ডুবিয়ে রাখতে হবে ব্যবহারের সাথে সাথে। থার্মোডিসইনফেক্টর উত্তম সল্যুশন যেহেতু এটি সরাসরি পেশেন্টের মুখ থেকে আসে।ইন্সট্রুমেন্ট ম্যাশিনে দিলে এগুলো পরিষ্কার, শুকনা, থার্মোডিসইনফেক্টর হয়ে বের হয়। অবশ্যই ইন্সট্রুমেন্ট শুকিয়ে নিতে হবে, ভেজা থাকলে জীবানুমুক্তকরন প্রক্রিয়া অকার্যকর হয়ে যায়।
  • টাইপ B অটোক্লেভে জীবানুমুক্তকরণ করতে হবে।
  • Instruments অটোক্লেভের দেয়ালে লাগতে দেয়া যাবেনা । এতে বাস্প চলাচল করতে পারবে।
  • ব্যবহারের পর ফেলে দেয়া যায় এমন উপকরণ ব্যবহার করতে হবে (ডেন্টাল চেয়ারের কভার, রেডিওগ্রাফি ম্যাশিনের কভার)
  • ডেন্টাল চেয়ার জীবানুনাশক পদার্থ দিয়ে পরিস্কার করতে হবে। কাউন্টার টপ, ফার্নিচার, ফ্লোর এসব ব্লিচ দিয়ে জীবানুমুক্ত করতে হবে।

★ আক্রান্ত ব্যাক্তির মল থেকে আমরা কি covid-19 এ আক্রান্ত হতে পারি?

আক্রান্ত ব্যাক্তির মল থেকে COVID-19 সংক্রমণের সম্ভাবনা তেমন দেখা যায়নি। তবে প্রতিবার ওয়াশরুম ব্যাবহারের পর ভালো ভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

★ গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুকিতে কে আছে?

প্রবীণ ব্যাক্তি এবং প্রাক-বিদ্যমার চিকিৎসারত যেমন ( উচ্চরক্ত চাপ,হৃদরোগ,ফুসফুসের রোগ,ক্যান্সার অথবা ডায়াবেটিস) অন্যান্য ব্যাক্তিদের তুলনায় প্রায়ে COVID-19 এ সংক্রমিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হতে পারে।

করোনা ভাইরাস কি উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বাঁচতে পারে?

করোনা ভাইরাস ঠান্ডা ও শুস্ক আবহাওয়ার দেশের পাশাপাশি উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার দেশেও বিস্তার লাভ করেছে।

মশা কিংবা গৃহপালিত প্রাণীরা কি করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে?

মশার কামড়ে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। গৃহপালিত প্রাণীদের আক্রান্তের কোন তথ্যও পাওয়া যায়নি।

দোকানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার শেষ হয়ে গেলে কি করবো?

সাধারণ সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুলেও করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা সম্ভব।

★ শিশুরা কি ঝুঁকিতে?

যে কোন বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধানত: আগে থেকে অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে। তবে শহরাঞ্চলের দরিদ্র শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। এসব প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা, যা সম্প্রতি মঙ্গোলিয়ায় দেখা গেছে ।

★ প্রতিরোধ বা চিকিৎসায় অ্যান্টবায়েটিক কি কার্যকর?

অ্যান্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়, ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকরী। সুতরাং ভাইরাস প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিকের কোন কার্যকারিতা নেই।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং পরিসংখ্যান বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা- ওয়ার্ল্ডোমিটার এর হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬৮ হাজার ২৭ জন, যাদের মধ্যে গুরুতর ৬ হাজার ৮২ জন। বিশ্বব্যাপী ৭২  হাজার ৫শ’ ৩২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। সেই হিসাবে বলা যায়, প্রতি ১০০ জনে মারা যাচ্ছেন সাত জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন ৯৩ জন।

করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১২ হাজার আটাশি জন। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চার হাজার। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৫ হাজার ৫৪৭ মানুষ। রোগী না থাকায় হুবেই প্রদেশের চারটি অস্থায়ী হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বে বর্তমানে একটি আতঙ্কের নাম হলেও চীন প্রমাণ করেছে , সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতাই পারে করোনার আক্রমণ থেকে বাঁচাতে। শুধু প্রয়োজন নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা।

এতো কিছুর মাঝেও একটি ভালো খবর দিয়ে লেখাটি শেষ করছি, চীনের স্বাস্থ্য কমিশনের ঘোষণায় বলা হয়েছে – ”উহান শহরে নতুন করে কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। অর্থাৎ ১৯ ও ২০ মার্চ এই দুই দিনে নতুন একজনও করোনায় আক্রান্ত হয় নি। যেটা চীনের জন্য যুদ্ধ জয়ের চেয়েও অনেক বড় খবর।”

লেখক পরিচিতি

জেরিন প্রাচী
সাফেনা উইমেন্স ডেন্টাল কলেজ।

Advertisement
Click to comment

Uncategorized

‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে’ – জাহিদ মালেক

Published

on

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখীতে দেশে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন আসতে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘আজই হয়তো এর ডিক্লিয়ারেশন আসতে পারে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে।’

সেটা কেমন হবে জানতে চাইলে বলেন, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দারবানে যাওয়া আসা বন্ধ হবে। বিয়ের অনুষ্ঠান, পিকনিক, ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করার নির্দেশনা আসতে পারে। যেখানে জনসমাগম হয় সেসব জায়গায় রেস্ট্রিকশন আসতে পারে-এভাবেই বিভিন্ন ধরনের রেস্ট্রিকশন আসবে। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রাণলয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ের প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে ২২ দফার যে প্রোপোজাল গেছে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব রয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দেখে যেটা ভালো মনে করবেন সে অনুযায়ী নির্দেশনা জারি করবেন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন থাকবে।’

প্রস্তাবানার মধ্যে আছে:

১. সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। কমিউনিটি সেন্টার/কনভেনশন সেন্টারে বিয়ে/জন্মদিন/সভা/সেমিনার ইত্যাদি অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা।

২. বাড়িতে বিয়ে/জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

৩. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ন্যূনতম উপস্থিতি নিশ্চিত করা (ওয়াক্তিয়া নামাজে ৫-এর অধিক নয় এবং জুমার নামাজে ১০-এর অধিক নয়)।

৪. পর্যটন/বিনোদন কেন্দ্র/সিনেমা হল/থিয়েটার ও সব ধরনের মেলা বন্ধ রাখা।

Continue Reading

Uncategorized

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এআই টুল ‘ বিটকরোনা ‘

Published

on

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ‘বিটকরোনা’ নামের করোনা শনাক্তকারী কৃত্তিম বৃদ্ধিমত্তা টুল তৈরি করেছে দেশি সফটওয়্যার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন । তাদের দাবি, করোনাবট এবং এক্স-রে ইমেজ অ্যানালাইসিস টুল উন্নত উপায়ে ও দ্রুতগতিতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না, তা নিজে থেকে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

ইজেনারেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবহারকারী নিজেই কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত কি না, সেই সিদ্ধান্ত যাতে নিতে পারেন, এ জন্য ইজেনারেশন করোনাবটকে সেলফ-টেস্টিং টুলস হিসেবে তৈরি করেছে। এটি ব্যবহারকারীকে নিজে থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে আইসোলেশনে থাকতে উৎসাহ দেয়।

এটি স্বাস্থ্যকর্মীদের সময় বাঁচাতে পারে। ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন বুঝতে পারা এবং সেটির যথাযথ উত্তর দেয়ার জন্য করোনাবটটিতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করা হয়েছে। বটটি ইংরেজি, বাংলা এবং বাংলা ভাষাকে ইংরেজি অক্ষরে লেখা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

এর পাশাপাশি ইজেনারেশন মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এক্স-রে ছবি বিশ্লেষণী টুল তৈরি করেছে যা বুকের এক্স-রে ছবি দেখে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণে কার্যকর হতে পারে। এই টুল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা সুস্থ আছেন কিনা, মৃদু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কিনা অথবা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটি জানা যাবে। ইজেনারেশন বিটকরোনা (http://beatcorona.egeneration.co/) ওয়েবসাইটে গিয়ে এক্স-রে ছবি আপলোড করলে টুলটি ফলাফল দেখাবে

ইজেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, ‘ইজেনারেশন বিগত দুই বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা সফটওয়্যার ও অ্যানালিটিক্স নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির যে সক্ষমতা আমাদের তৈরি হয়েছে, সেটি ব্যবহার করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের এই সল্যুশনগুলি আমরা স্বল্প সময়ে তৈরি করতে পেরেছি।’

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

মির্জাপুরে নারীসহ আরও দুইজনের করোনা পজিটিভ

Published

on

মির্জাপুরে নারীসহ আরও

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারীসহ আরও দুইজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের কামাড়পাড়া গ্রামের ৫৫ বছরের এক নারী ও জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা গ্রামের ৩০ বছরের এক যুবক।

আক্রান্ত ওই নারী ঢাকায় বোনের বাসায় এবং যুবক ঢাকায় জুয়েলারি দোকানে থাকতেন। ২৬ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মীরা ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান। এরমধ্যে তাদের ওই দুইজনের করোনা পজিটিভ ও চারজনের নেগেটিভ আসে বলে স্বাস্থ্যকর্মী এজাজুল হক হাসান রাত সাড়ে এগারোটায় জানিয়েছেন।

এর আগে ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের পলি ক্লিনিকের সিনিয়র ওটি বয় অখিল চন্দ্র সরকারের করোনা পজিটিভ হলে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে ২৪ এপ্রিল বাড়ি আসেন।

এ পর্যন্ত মির্জাপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫২ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরমধ্যে ১৪৯ জনের করোনা নেগেটিভ ও ৩ জনের পজিটিভ আসে।

উপজেলা প্রশাসন রাতেই তাদের ঢাকায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো এবং আশপাশের অর্ধশত বাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

করোনা আক্রান্তের ১১ ভাগ স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা

Published

on

চিকিৎসক-নার্সসহ ৬৬০ জন স্বাস্থ্যকর্মী মরণব্যাধী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক করোনা মহামারীতে বাংলাদেশও গভীর সংকটের সম্মুখীন। আজ সোমবার পর্যন্ত দেশের করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১৩ জন এবং মারা গেছেন ১৫২ জন। 

এতে আরও বলা হয়েছে, করোনা যুদ্ধের সম্মুখ সারির যোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ সেবাদানকারীগণ আশঙ্কাজনকভাবে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত ২৯৫ জন চিকিৎসক, ১১৬ জন নার্স ও ২৪৯ জন অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬০, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। 

চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবাদানকারী ব্যক্তিগণ এই হারে আক্রান্ত হতে থাকলে আগামীতে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। 

তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত প্রস্তাবনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানায় বিএমএ। এগুলো হলো:

১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড হাসপাতালে নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য সঠিক মানের পিপিই, এন-৯৫ বা এর সমমানের মাস্ক প্রদান করা জরুরি। 
২. নন-কোভিড হাসপাতালের প্রবেশদ্বারে ট্রায়াজ সিস্টেম চালু করে সেখানে কর্মরত সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপযুক্ত পিপিই, এন-৯৫ বা সমমানের মাস্ক প্রদান নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। 
৩. সকল সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন, প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ ও হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

Continue Reading

Uncategorized

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াল, আক্রান্ত আরও ৪৯৭

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামাহারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৫২ জনের মৃত্যু হলো। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৯৭ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ১৯২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে তিন হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪০১টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪৯৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও সাতজন, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫২ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩১ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ সাত হাজার। তবে পৌনে নয় লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

দেশে করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট (27.04.2020)

Continue Reading
চট্রগ্রাম বিভাগ13 hours ago

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

স্বাস্থ্য13 hours ago

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের তথ্য কেন এনআইডিতে নয়, হাইকোর্টের রুল

সংগঠন1 day ago

বিএফডিএস’র আয়োজনে ডেন্টিস্টদের পদ্মা সেতু ভ্রমণ

Campus News1 week ago

রংপুর মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ইউনিটের দশ বছর পূর্তি উদযাপিত

Campus News1 month ago

ঢামেকে “ওয়েগেনারস গ্রানুলোমেটোসিস” বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

BFDS1 month ago

বিএফডিএস কতৃক ইন্টার্ণ চিকিৎসকের নিয়ে কার্যকর আয়োজন

ক্যারিয়ার2 months ago

৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আন্তর্জাতিক2 months ago

ডেন্টাল রেকর্ডের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্রিটিশ সাংবাদিক শনাক্ত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

ঢাকায় ২৯ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

জাতীয়2 months ago

৪৩৩ জনের করোনা শনাক্ত, হার ৬.২৭ শতাংশ

নোটিশ2 months ago

৪০তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন

জাতীয়2 months ago

দন্তচিকিৎসক বুলবুল হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

জাতীয়2 months ago

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল ইউনিটের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি নষ্ট, সেবা ব্যাহত

Campus News2 months ago

আন্দোলনের তৃতীয় দিনে সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা

সিলেট বিভাগ2 months ago

পঞ্চম শ্রেণি পাশ না করেই তিনি অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট!

জাতীয়2 months ago

খুলনা ডেন্টাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ কতটুকু এগিয়েছে?

জাতীয়2 months ago

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেন্টাল ইউনিটে চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন

জাতীয়2 months ago

দেশে অসংক্রামক রোগে ৬৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Campus News2 months ago

বিডিএস ৩য় ফেজ এর শিক্ষার্থীদের জন্যে পেরিওডন্টোলজী এন্ড ওরাল প্যাথলজীর বই এর মোড়ক উন্মোচন

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification