Connect with us

করোনা পরিস্থিতি

বাড়াবে করোনা পরীক্ষার ফি সাথে সংক্রমণের ঝুঁকি

Avatar

Published

on

Dental Times

করোনা পরীক্ষার মূল্য বা ফি নির্ধারণ মানুষকে সরকারি হাসপাতাল ও বুথ থেকে দূরে রাখবে। দরিদ্র মানুষ পরীক্ষার সুযোগ কম নেবে। এতে সংক্রমণ ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদেরা করোনা পরীক্ষায় মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এমন মতই প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারির শুরু থেকে করোনা পরীক্ষার ওপর জোর দিয়ে আসছে। তারা বারবার পরীক্ষা বাড়ানোর কথা বলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটিও করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর কথা বলেছে। সেখানে পরীক্ষায় মূল্য নির্ধারণ মানুষকে পরীক্ষা করাতে নিরুৎসাহিত করবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেবা বিভাগ ‘কোভিড-১৯ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ইউজার ফি’ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, বুথে ও হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা করে দিতে হবে। আর বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে। গতকাল এই পরিপত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহামারি পরিস্থিতিতে ২০০ বা ৫০০ টাকা নিম্নমধ্যবিত্ত বা দরিদ্র মানুষের কাছে অনেক বেশি টাকা। করোনার উপসর্গ থাকলেও অনেকে এই টাকা খরচ করে পরীক্ষা করাবেন না। পরীক্ষা না করিয়ে, চিকিৎসা না নিয়ে এরা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াবেন।’

করোনা শনাক্তকরণ হয় আরটি-পিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে। সরকার শুরু থেকে এই পরীক্ষা বিনা মূল্যে করে আসছে। বর্তমানে ঢাকা শহরে সরকারি ৫টি হাসপাতালে ও ৩০টি বুথে বিনা মূল্যে এই পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ হয়। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যকর্মীরা ঢাকা শহরের বাড়িতে গিয়েও নমুনা সংগ্রহ করছেন। জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন। এপ্রিল মাসে সরকার চারটি বড় বেসরকারি হাসপাতালকে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছিল। ফি নির্ধারণ করে সাড়ে তিন হাজার টাকা। সেই সুযোগ দরিদ্র মানুষের জন্য ছিল না। এখন ঢাকা শহরে ১৮টি, চট্টগ্রামে দুটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি ও বগুড়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নমুনা সংগ্রহ করে। এই ২২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নমুনা দিলে ফি সাড়ে তিন হাজার টাকা, আর এরা বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করলে সাড়ে চার হাজার টাকা ফি দিতে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘হাসপাতালের ফি আদায়ের নিজস্ব রসিদ আছে। কিন্তু বুথ বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহকারীদের কোনো রসিদ নেই। রসিদ ছাপার কাজ শেষ হলেই খুব শিগগির ফি আদায় শুরু হয়ে যাবে।’

কেন মূল্য নির্ধারণ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিপত্রে বলা হয়েছে, করোনা পরীক্ষা বিনা মূল্যে হচ্ছে, তাই করোনার উপসর্গ না থাকলেও অধিকাংশ মানুষ এই পরীক্ষার সুযোগ নিচ্ছে। 

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সরকারের ধারণা উপসর্গহীন এসব মানুষ বিনা কারণে ভিড় জমাচ্ছে। একধরনের আতঙ্ক বা ভয়ের কারণে ভিড় করছে। কিন্তু এই ভিড় হচ্ছে সরকারের যোগাযোগ কৌশলের ব্যর্থতার কারণে। সরকার মানুষকে ঠিক সময়ে ঠিক তথ্য দিতে পারেনি।’

অন্যদিকে কত মানুষ উপসর্গ ছাড়াই পরীক্ষা করাচ্ছে তার কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নেই। অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, প্রায় ৭৫ শতাংশ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ বা ঋণাত্মক আসছে। অর্থাৎ তাদের পরীক্ষা না করলেও চলত। তাঁদের কারণে যাঁদের দরকার তাঁরা পরীক্ষা করাতে পারছেন না।

পরীক্ষার ফি নির্ধারণের পেছনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আরও একটি যুক্তি দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, কারও বাড়িতে পরীক্ষার নমুনা আনতে গেলে একাধিক মানুষের নমুনা আনতে হয়। এদের অনেকেরই হয়তো প্রয়োজন নেই। এটি একটি সমস্যা। 

তবে জনস্বাস্থ্যবিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘একজন বস্তির মানুষ চাপ দিয়ে বা অনুরোধ করে বাড়তি পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন না। এটা সম্ভব হয় সমাজের প্রভাবশালী মানুষের পক্ষে। দরিদ্র মানুষ পরীক্ষার সুযোগ না পেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে।’

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, আরটি-পিসিআর যন্ত্রে কত শতাংশ পরীক্ষার ফল সঠিক হচ্ছে তা সরকার এখনো প্রকাশ করেনি। সেটা প্রকাশ করলে প্রকৃত ঋণাত্মকের হার কম হবে। দ্বিতীয়ত, উপসর্গহীন পরীক্ষাপ্রার্থীর মধ্যে কত মানুষ ধনী, মধ্যবিত্ত বা দরিদ্র, সেই তথ্যও তাদের কাছে নেই। বহু মানুষের সামর্থ্য আছে ২০০ টাকা খরচ করার। এদের একটি অংশকে বিরত রাখতে আরও সঠিক তথ্য-উপাত্ত দরকার। 

কারা বঞ্চিত হবে

সরকার বলছে, মুক্তিযোদ্ধা, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষ বিনা মূল্যে করোনা পরীক্ষা করাতে পারবে। অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, সমস্যা দেখা দেবে দরিদ্র মানুষকে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে।

অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর বলেন, দেশে এখন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি। এর প্রায় অর্ধেক নতুন দরিদ্র হয়েছে করোনার কারণে। গত এপ্রিলের একটি জাতীয় জরিপে তাঁরা এই তথ্য পেয়েছিলেন।

ওই জরিপ বলছে, দেশের ২৩ শতাংশের বেশি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। আর আগে ছিল ২০ শতাংশ দরিদ্র। এখন মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৩ শতাংশ দরিদ্র। 

দরিদ্র্য মানুষ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বেশ কিছু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে আছে। তাঁদের সেই ধরনের পরিচয়পত্র আছে। পরীক্ষার কাজে তাঁরা তা ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু নতুন তিন কোটি দরিদ্র মানুষ প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মধ্যে না থাকায় পরীক্ষা করাতে তাদেরই পরিচয়ের সমস্যা হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এতে দেশে সেবার ক্ষেত্রে বৈষম্য আরও বাড়বে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলেছে, স্বাস্থ্য ও সামাজিক খাতের বৈষম্য মহামারি পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলতে পারে।

এ ব্যাপারে অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘নতুন ব্যবস্থায় সাময়িক কিছু সমস্যা হয়তো দেখা দেবে। কিছুদিন পরেই এসব ঠিক হয়ে যাবে।’

বিকল্প প্রস্তাব

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ করার দায়িত্ব সরকারের। প্রতিরোধ সেবা অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিনা মূল্যেই হয়। করোনা পরীক্ষা প্রতিরোধ কর্মকাণ্ডেরই অংশ। এ ক্ষেত্রে সরকারের অর্থের অভাব নেই। বিশ্ব ব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা দিয়েছে করোনা মোকাবিলায় খরচ করার জন্য। এ ছাড়া সরকার ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দিয়েছে এই খাতে। পরীক্ষায় খরচ বাড়ালে করোনা চিকিৎসায় খরচ কম হবে।

নমুনা সংগ্রহের স্থানগুলোতে জ্বর, কাশি বা করোনার অন্য উপসর্গ দ্রুত পরীক্ষার একটি আয়োজনও করা যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সেই ব্যবস্থা থেকে কিছু মানুষকে বাদ দিলে নমুনা পরীক্ষার চাপ কমবে।

অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, ‘অতীতে সরকারি হাসপাতালে ফি চালু করে সরকার সুফল পায়নি। এই মহাদুর্যোগের সময় রাষ্ট্রকে তার নাগরিকের পাশে দাঁড়াতে হবে, প্রান্তিক মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারের উচিত পরীক্ষার ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।’

Advertisement
Click to comment

করোনা পরিস্থিতি

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল, সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল

চট্টগ্রামে করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকাদান কেন্দ্রগুলোয় আজ রোববার সকাল থেকে মানুষ ভিড় করেছেন। কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ায় নগরের মেমন জেনারেল হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করেন টিকা নিতে আসা মানুষ। অবশ্য কিছুক্ষণ পরে পুলিশ এসে তাঁদের সড়ক থেকে তুলে দেয়।

একইভাবে নগরের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রেও সকাল থেকে নারী-পুরুষ টিকার জন্য ভিড় করেন। টিকার স্বল্পতার কারণে সবাইকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে না বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়। তারপরও মানুষ টিকার জন্য বাইরে ভিড় করছিলেন।

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল

জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘টিকার সংকট রয়েছে। আজ দেওয়ার জন্য আমরা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ১০০ ভায়াল এনেছি। তাতে এক হাজার মানুষকে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু যাঁদের মোবাইলে কোনো এসএমএস যায়নি, তাঁরাও টিকা নিতে ভিড় করেছেন। এখন আমি তো তাঁদের দিতে পারব না।’

জানা গেছে, এখন টিকার ঘাটতি থাকায় মুঠোফোনে এসএমএস ছাড়া দ্বিতীয় ডোজ না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়। তারপরও নগরের বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে সকাল থেকে এসএমএস না আসা মানুষও ভিড় করতে থাকেন। সিটি করপোরেশন মেমন জেনারেল হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রে সকাল থেকে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে হাতাহাতিও হয় কয়েক দফা। এ ছাড়া বেলা ১১টার দিকে টিকাকেন্দ্রে ঢুকতে না দিলে ১৫ মিনিটের জন্য সড়ক অবরোধ করেন টিকা নিতে আসা মানুষ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, ‘টিকার সংকট আছে। এখন রেশনিং করে দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের এসএমএস যায়নি, তাঁদের টিকা দেওয়া সম্ভব নয়। এ নিয়ে কিছু মানুষ হট্টগোল শুরু করেছে। তাই আমাদের পুলিশ ডাকতে হয়েছে।’

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

করোনায় এক দিনে ৫৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৭৭

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১৭৭ জন। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২১ হাজার ৪৬ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ৫৯ হাজার ১৩২ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মারা গেছেন ১১ হাজার ৪৫০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৮১ হাজার ৪২৬ জন।

গতকাল বৃহস্পতিবার করোনায় ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ২ হাজার ৩৪১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।

গত জুন থেকে আগস্ট—এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র । মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছরের মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।

কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার। টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ দৈনিক শনাক্ত আবার হাজার ছাড়ায়। এরপর দৈনিক শনাক্ত বাড়ছেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম। কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই।বিজ্ঞাপন

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে। আগামী সোমবার থেকে সাত দিন এই লকডাউন বলবৎ থাকবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন।

আজ শনিবার নিজের বাসায় গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতির কারণে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন ছয় হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার একদিনে শনাক্ত সাত হাজারের কাছাকাছি পৌঁছায়

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

রেকর্ড ভেঙে একদিনে শনাক্ত ছাড়ালো ৬ হাজার, মৃত্যু ৫৯

Avatar

Published

on

Dental Times

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৪৬৯ জন। এটি দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। দেশে এই প্রথম ৬ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হলেন। নতুন শনাক্ত হওয়াদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সরকারি হিসাবে শনাক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ১৭ হাজার ৭৬৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৫৯ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেলেন ৯ হাজার ১০৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৫৩৯ জন, তাঁদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ৯৩৮ জন।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গত ২৯ মার্চ করোনাকালের সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড হয় বাংলাদেশে। সেদিন একদিনে শনাক্ত হন পাঁচ হাজার ১৮১ জন। ৩০ মার্চ শনাক্ত হন পাঁচ হাজার ৪২ জন।

দেশে গত তিন দিন ধরে একদিনে শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজারের ওপরে। গতকাল শনাক্ত হন পাঁচ হাজার ৩৫৮ জন। করোনাকালে বাংলাদেশে এটাই ছিল একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। আজ সেই রেকর্ডও ভেঙে গেলো।

গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার ৮৮ দশমিক ২১ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৪৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৮ হাজার ১৯১টি, আর গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৮ হাজার ১৯৮টি। দেশে এখন পর্যন্ত অ্যান্টিজেন টেস্টসহ মোট নমুনা পরীক্ষা করা হযেছে ৪৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭৭৪টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৮টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮৬টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫৯ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৫ জন, আর নারী ২৪ জন। করোনাতে আক্রান্ত হয়ে দেশে এখন পর্যন্ত পুরুষ মারা গেলেন ছয় হাজার ৮৪৭ জন, আর নারী মারা গেলেন দুই হাজার ২৫৮ জন। শতকরা হিসাবে পুরুষ ৭৫ দশমিক ২০ শতাংশ এবং নারী ২৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।

মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ্ব রয়েছেন ৩০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে আছেন ১৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে চার জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আছেন একজন।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৪০ জন, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাঁচ জন করে, রাজশাহী ও রংপুরের দুই জন করে, খুলনা বিভাগের চার জন এবং বরিশাল বিভাগের আছেন একজন।

মারা যাওয়া ৫৯ জনের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৫৭ জন, আর বাড়িতে মারা গেছেন দুই জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া দুই হাজার ৫৩৯ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন এক হাজার ৭৩৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৬৫২ জন, রংপুর বিভাগের ১৪ জন, খুলনা বিভাগের ৩৩ জন, বরিশাল বিভাগের ৯ জন, রাজশাহী বিভাগের ১৭ জন, সিলেট বিভাগের ৫৬ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন ২০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছে এক হাজার ৭৫০ জন, ছাড়া পেয়েছেন ৮১৩ জন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৫১ হাজার ৮৪০ জন, ছাড়া পেয়েছেন ছয় লাখ ১৩ হাজার ৬৬৫ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩৮ হাজার ১৭৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৪১৪ জন, ছাড়া পেয়েছেন ১৭০ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ২৭৫ জন, ছাড়া পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৩০৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১১ হাজার ৯৬৭ জন।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

মহামারিকালের সর্বোচ্চ শনাক্ত : ৪৫ জনের মৃত্যু

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

দেশে করোনাভাইরাস আসার পর ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছেন। পাঁচ হাজার ১৮১ জন শনাক্ত হয়েছেন গত একদিনে। দেশে করোনা মহামারির গত এক বছরে ২৪ ঘণ্টায় এত সংখ্যক রোগী শনাক্ত হননি এর আগে। আজ সোমবার (২৯ মার্চ) করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৪৫ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে অধিদফতর।

এর আগে গত বছরের ২ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতর চার হাজার ১৯ জনের করোনা শনাক্ত হওয়ার খবর জানিয়েছিল। করোনা মহামারিতে সেটাই ছিল বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।

দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে করোনা শনাক্ত হলেন ছয় লাখ ৮৯৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ জনের মৃত্যু নিয়ে সরকারি হিসাবে মারা গেলেন আট হাজার ৯৪৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৭৭ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা থেকে সুস্থ হলেন মোট পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার ১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দৈনিক রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য এক শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া দুই হাজার ৭৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন এক হাজার ৫৬৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৪১৭ জন, রংপুর বিভাগের ১০ জন, খুলনা বিভাগের ছয় জন, বরিশাল বিভাগের পাঁচ জন, রাজশাহী বিভাগের ২৭ জন, সিলেট বিভাগের ৩৯ জন, আর ময়মনসিংহ বিভাগের আছেন পাঁচ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৪৯ জন। আর ছাড়া পেয়েছেন ৭২৮ জন। এখন পর্যন্ত কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন ছয় লাখ ৪৭ হাজার ২৮৯ জন। আর ছাড়া পেয়েছেন ছয় লাখ ১১ হাজার ৪৫৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩৫ হাজার ৮৩৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৩৬৮ জন। আর ছাড়া পেয়েছেন ৯৩ জন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন এক লাখ চার হাজার ১২৫ জন। আর ছাড়া পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯২৫ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১১ হাজার ২০০ জন।

Continue Reading
Dental Times
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়14 hours ago

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি

Dental Times
স্বাস্থ্য প্রশাসন1 day ago

রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা

Dental Times
জাতীয়2 days ago

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা

Dental Times
জাতীয়2 days ago

ইনসেপ্টার কারখানায় সিনোফার্মের টিকা উৎপাদনের সংবাদ সঠিক নয়

Dental Times
জাতীয়3 days ago

টিকা তৈরির অনুমোদন পেল ইনসেপ্টা

Dental Times
জাতীয়6 days ago

ঈদের পর বিধিনিষেধ আরও এক দফা বাড়তে পারে

Dental Times
আন্তর্জাতিক6 days ago

দুই ধরনের দুই ডোজ টিকায় হতে পারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Dental Times
জাতীয়1 week ago

দেশে করোনায় প্রাণহানি আবারও বেড়েছে

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল
করোনা পরিস্থিতি1 week ago

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল, সড়ক অবরোধ

Dental Times
জাতীয়1 week ago

কোটি কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পথে!

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

দেশে শনাক্ত করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টঃ আইইডিসিআর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতীয়2 weeks ago

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করেন: প্রধানমন্ত্রী

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জাতীয়2 weeks ago

বেসরকারী মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ খসড়া আইন এর অনুমোদন

Dental Times
ছবি ও গল্প2 weeks ago

প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

Dental Times
জাতীয়3 weeks ago

ঈদের আগে গণপরিবহন চালুর কথা ভাবছে সরকার

Dental Times
জাতীয়3 weeks ago

ঈদ পর্যন্ত ‘লকডাউন’ পর্যালোচনায় সরকার

Dental Times
আন্তর্জাতিক3 weeks ago

অক্সিজেনের জন্য টেন্ডুলকারের ১ কোটি রুপি

Dental Times
আন্তর্জাতিক3 weeks ago

উন্নয়নশীল দেশে টিকার ফর্মুলা দিতে রাজি নন গেটস

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি3 weeks ago

করোনায় এক দিনে ৫৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৭৭

Dental Times
জাতীয়6 days ago

ঈদের পর বিধিনিষেধ আরও এক দফা বাড়তে পারে

Dental Times
স্বাস্থ্য প্রশাসন1 day ago

রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা

Dental Times
জাতীয়2 days ago

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল
করোনা পরিস্থিতি1 week ago

চট্টগ্রামে টিকাকেন্দ্রে হট্টগোল, সড়ক অবরোধ

Dental Times
আন্তর্জাতিক6 days ago

দুই ধরনের দুই ডোজ টিকায় হতে পারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Dental Times
জাতীয়3 days ago

টিকা তৈরির অনুমোদন পেল ইনসেপ্টা

Dental Times
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়14 hours ago

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি

Dental Times
জাতীয়1 week ago

কোটি কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পথে!

Dental Times
জাতীয়1 week ago

দেশে করোনায় প্রাণহানি আবারও বেড়েছে

Dental Times
জাতীয়2 days ago

ইনসেপ্টার কারখানায় সিনোফার্মের টিকা উৎপাদনের সংবাদ সঠিক নয়

Advertisement

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks