Connect with us

সাক্ষাৎকার

ফ্রান্সে ডেন্টিস্ট্রির উচ্চশিক্ষা: যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

Dental Times

বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা আজকাল অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে ও বাস্তব জ্ঞান না থাকার কারণে এই স্বপ্ন মাঝেমধ্যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। বিদেশে পড়াশোনা করতে চাইলে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা থাকতে হবে। ফ্রান্সে ডেন্টিস্ট্রিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের বিষয়ে ডেন্টাল টাইমসকে কিছু তথ্য জানিয়েছেন ডাঃ মো সাদমান সাকিব। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ডেন্টাল টাইমসের প্রতিনিধি মেরিয়ান রহমান ও মিনহাজ মুন।

ডেন্টাল টাইমস:

সাদমান,কিভাবে BDS শেষে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করতে ফ্রান্সে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন?

#ডা.সাদমান:

পোষ্ট গ্রাজুয়েশন এর জন্য সারা ইউরোপে এবং ফ্রান্সে মোটামুটি একই নিয়ম, তবে আলাদা কিছু কিছু শর্ত থাকে।

  • সবার আগে নূন্যতম ২ বছর কাজের অভিজ্ঞতা চায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। যদি বিভিন্ন জার্নালে গবেষণা বিষয়ক পাবলিকেশন থাকে, অগ্রাধিকার তারা বেশি পায়। সেক্ষেত্রে যেকোনো রিসার্চারের সহযোগী হিসেবে কাজ করলেও সেটা অনেকটা সহায়ক।
  • প্রাথমিক ভাবে IELTS এ সেভেন পেয়ে চান্স পাওয়া স্কলারশিপ এর জন্য জরুরী।
  • বেসরকারী ভাবে পড়লে French Language এ DELF Exam দিয়ে B2 পাস করতে হবে। এই কোর্সটা ফ্রান্সে আসার পর মেইন কোর্সের সাথে সাপ্তাহিক ২০ ঘন্টা নেয়া যায়।
  • B2 হয়ে গেলে সম্পূর্ণ কোর্সটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অবৈতনিক হয়ে যাবে।

ডেন্টাল টাইমস: কোন কোন ইন্সটিটিউট এ পড়ার সুযোগ আছে?

#ডা.সাদমানঃ সকল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল এবং ডেন্টাল ইন্সটিটিউটই বিদেশি ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেয়, বেসরকারীতে ভর্তি সহজ কারন সেটা সম্পূর্ন নিজ খরচে করতে হয়। পছন্দ মত ভার্সিটি এবং বিষয় খুজতে মাস্টার্স পোর্টাল খুব উপযোগী। www.mastersportal.comনিজেরই করতে হবে সব, কারন আমাদের দেশে, অন্য দেশের মত ফ্রান্সের জন্য কাজ করে এমন অথেনটিক এজেন্সি নাই ।

ডেন্টাল টাইমসঃ সেক্ষেত্রে কি কি যোগ্যতা থাকা আবশ্যক?

#ডা.সাদমানঃ

ব্যাচেলর ডিগ্রির সাথে ২ বছর কর্মঅভিজ্ঞতা থাকা লাগবে। আর IELTS ,পাবলিকেশনস এর কথাতো শুরুতেই বলা হয়েছে।

★ডেন্টাল টাইমসঃ কি কি ডিগ্রি নেয়ার সুযোগ রয়েছে ?

#ডা.সাদমানঃ MSC, MPH ,PHD. যদিও ডেন্টালের MSC এর সাবজেক্ট পাওয়া একটু কঠিন কারন এতে অনেক বেশি রিকুরমেন্টস থাকে, যেমন ভাষার ব্যাপারটা। এছাড়াও *Université de Sorbonne *Université de Paris *Descartes *Paris school of Orthodontist *Université de Clermont-Ferrand *Université de Lille 2 *Université de Nancy UFR *Université de Paris *Diderot *Université de Strasbourg *Louis Pasteur এই গুলো ফ্রান্সের কিছু বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়।এছাড়াও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে ।

★ডেন্টাল টাইমসঃ কোর্স ও খরচের ব্যাপারে বিস্তারিত যদি কিছু বলতেন?

#ডা.সাদমানঃ ♦কোর্স এবং খরচ দুটোই বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোর্সের উপর নির্ভর করে। French DELF B2 করলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এ কোর্স সম্পূর্ন ফ্রি। ভিসার জন্য কত টাকা ব্যাংক-ব্যালেন্স লাগবে তা France Embassy Dhaka website এ পাওয়া যাবে। এখানে জার্মানীর মত টাকা Block account করতে হয় না ,শুধু ব্যাংকে টাকা থাকলেই হয়। ♦মাসিক থাকা খাওয়া বাবদ নূন্যতম ৭৯০€ খরচ হয়, বাকিটা যার যার নিজেস্ব জীবনযাত্রার উপর নির্ভর করে।

★ডেন্টাল টাইমসঃ ফ্রান্সে post graduation এর পর বাংলাদেশে/ফ্রান্স/ অন্য দেশে জব এর opportunity কেমন?

#ডা.সাদমানঃ আমি যতটুকু জানি সরকারি নিয়মে বিদেশি MSc বাংলাদেশে গন্য হয় না। তাই MSC চলাকালীন ফ্রান্সে Concour exam দিয়ে এই দেশের লাইসেন্স এবং মেধাভিত্তিক নাগরিকত্ত পাওয়া যায় যেটা আমি গত ২৮ মে ২০২০ তে পেয়েছি। ♦Mph বিশ্বব্যাপী ক্যারিয়ার করা যায় UN ,Unicef সহ অন্যান্য সংস্থায়। ♦Phd এর পর ওই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক হয়ে যান অনেকে।

★ডেন্টাল টাইমসঃ কিভাবে একজন স্টুডেন্ট BDS পাশ করার পর স্কলারশিপ এর জন্য প্রিপারেশন নিবেন?

#ডা.সাদমানঃ আমি মনে করি বই খাতা ভিত্তিক না হয়ে গবেষনামুখী কাজে অংশ নেয়া, পরিচিত শিক্ষকদের সাথে এবং নিজের মন যে বিষয়ে সারা দেয় সেইটাই বিদেশে উচ্চতর শিক্ষার জন্য নেয়া উচিত। ফ্রান্সের শিক্ষা ব্যাবস্থা গবেষণামুখী, তাই যেই বিষয়ের উপর ভালবাসা আছে সেইটা নিয়ে পড়তে আসলে ভালো করার অনেক সুযোগ রয়েছে এখানে।

Advertisement
Click to comment

জীবন ও কর্ম

ভেবেছিলাম বড় হয়ে চিত্রকর হবো কিন্তু সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছে ছিলো অন্য

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times

বিখ্যাত চিত্রকর Paul Gauguin বলেছেন “Color! What a deep & mysterious language, the language of dreams ” সত্যিই তাই। সেই আদিমকাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত মানুষের মনের খোরাক এমন কি অপ্রকাশিত অনেক কথার এক আশ্চর্য মাধ্যম হলো চিত্রকর্ম। পরিচয় হয়ে যাক তেমন এক মানুষের সাথে, মেডিকেল নামক কারাগার বা গাইটন, নিটার এর মত ভারী ভারী বই যার চমৎকার এক প্রতিভাকে মেরে ফেলতে পারেনি।

ডেন্টাল টাইমস’র মুখোমুখি হয়েছিলেন এমন একজন মানুষের যিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটের প্রধান ও কলেজটির কনজারভেটিভ এবং এন্ডোডন্টিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডাঃ ‍মুমিনুল হক। এছাড়া, তিনি বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। এই অসাধারণ মানুষটি সম্পর্কে জানা অজানা অনেক কথা উঠে এসেছে আজকের সাক্ষাৎকারে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সিদরা ইকবাল। এবং সহযোগীতায় ছিলেন নিসা আলীডেন্টাল টাইমস পাঠকদের জন্য রয়েছে তার সাক্ষাৎকারের মূল অংশ।

আসসালামু আলাইকুম স্যার, কেমন আছেন?

ডাঃ মুমিনুল হক : আমি ভালো আছি। তোমরাও আশা করি ভালো আছো।

আপনার ছোটবেলার বেড়ে উঠার গল্প শুনতে আগ্রহী

ডাঃ মুমিনুল হক : সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করি। ছয় ভাই বোনের মধ্যে আমি ছিলাম ৫ম। সিলেট গভঃ হাইস্কুল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক এবং এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করি। বাবা পেশায় সিভিল সার্জন হওয়ার সুবাধে বাবা চাইতেন আমি ডাক্তার হই। ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা আর্ট কলেজে ভর্তির সুযোগও পেয়েছিলাম। বাবা মা’র ইচ্ছা শেষ পর্যন্ত ঢাকা ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হই এবং সেখান থেকেই বিডিএস শেষ করি। ছোটবেলা থেকেই ছবি আকার প্রতি ঝোঁক ছিল চরমে। ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে চিত্রকর হবো। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছে ছিলো অন্য।

ছবি আঁকার হাতেখড়ি কবে থেকে ?

ডাঃ মুমিনুল হক : একদম ছোট বেলা থেকেই ছবি আঁকা শুরু করি। হাতের কাছে কাগজ কলম পেলেই আঁকা শুরু করে দিতাম। যেমনই পারতাম তেমনটাই আঁকতাম।

আপনি কি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে কোথাও ছবি আঁকা শিখেছিলেন ?

ডাঃ মুমিনুল হক: না, আমার ছবি আঁকার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। আমাদের সময়টাতে এইরকম কোনো সুযোগও ছিলোনা। যা শিখেছি তা নিজের চেষ্টাতেই শিখেছি।

ডাঃ মুমিনুল হকের চিত্রকর্ম

Mominul Art 1
Mominul Art 2
Mominul Art 3
Mominul Art 4
Mominul Art 5
Mominul Art 6
Mominul Art 7
Mominul Art 8
Mominul Art 9
Mominul Art 10
Mominul Art 1 Mominul Art 2 Mominul Art 3 Mominul Art 4 Mominul Art 5 Mominul Art 6 Mominul Art 7 Mominul Art 8 Mominul Art 9 Mominul Art 10

বিশেষ কোন চিত্রকর বা তার হাতে আঁকা ছবি যা আপনাকে অনুপ্রাণিত করেছিলো ?

ডাঃ মুমিনুল হক : আসলে, আমি সবার ছবি আঁকাই খুব খেয়াল করে দেখতাম। প্রতিটা মানুষেরই তার নিজস্ব একটা স্টাইল আছে এবং প্রতিটা শিল্পীরই আঁকার ধরণ ভিন্ন। প্রতিটা মানুষেরই আঁকার ধারা চমৎকার। আমার কাছে কেউ ছোট বড় ছিলো না, সবার আঁকা ছবিই আমি মনোযোগ দিয়ে দেখতাম । ম্যাগাজিন, খবরের কাগজ যখন যা পেতাম দেখতাম। আমি আর্ট গ্যালারিতে যেতাম, ছবির প্রদর্শনীতে যেতাম। এখনকার সময়ে এই ব্যাপার খুব সহজ হয়ে গেছে। আমরা চাইলেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভালো ভালো শিল্পীর ছবি যখন তখন দেখতে পারি। আমাদের সময় এই সুযোগ ছিলো না।

কি ধরনের ছবি আঁকতে পছন্দ করেন?

ডাঃ মুমিনুল হক : আমি মূলত স্কেচ করতে পছন্দ করতাম। মানুষের মুখ ছবি (পোট্রেট) আমি খুব সহজেই একে ফেলতে পারতাম এবং ব্যাপারটি আমার কাছে খুব ভালো লাগতো। যদিও একটা সময় মা যখন বুঝিয়ে বলেছিলেন, মানুষের ছবি আঁকা ঠিক না, তখন স্কেচ কমিয়ে দিয়েছিলাম।

একটা ছবি শেষ করতে কেমন সময় প্রয়োজন হয় আপনার?

ডাঃ মুমিনুল হক : কোনো কোনো ছবি ১-২ ঘন্টাও লাগে, কোনো কোনো ছবি শেষ করতে ৫দিনও লেগে যায়। যেহেতু আমার কোনো প্রশিক্ষণ নেই, আমি তাই নিজের মত করেই আঁকি।

1
2
IMG_20200612_235229
IMG-20200509-WA0039
1 2 IMG_20200612_235229 IMG-20200509-WA0039

আমরা জেনেছি, আপনার আঁকা ছবি গুলো নিয়ে বেশ কিছু প্রদর্শনী হয়েছে। প্রদর্শনীর ব্যাপারে জানতে চাই এবং আপনার অনুভূতি কেমন ছিলো?

ডাঃ মুমিনুল হক : হ্যাঁ, এ পর্যন্ত ৪টি প্রদর্শনী হয়েছে ছবি গুলো নিয়ে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমার ছবি গুলো মানুষ কিনেও নেয়। তখন খুব ভালো লাগে এবং অবাক হই যে আমার আঁকা ছবিও বিক্রি হয়! যখন দেখি ছবিগুলো বিক্রি হয় তখন মনে করি, নিশ্চয়ই ছবিগুলো তাদের ভালো লেগেছে৷ এতেই আমি সন্তুষ্ট যে, দর্শক আমার ছবিগুলো পছন্দ করছে।

আপনি তো পেশায় একজন চিকিৎসক ও শিক্ষক। এত ব্যস্ততার মধ্যেও কিভাবে সময় বের করে নেন ছবি আকার জন্য?

ডাঃ মুমিনুল হক : ছবি আঁকা আমার প্যাশন। সময় করে নিতাম এর জন্য। রাতেই ছবি আঁকা হয়, চেম্বার থেকে এসে নামাজের পর ১-২ ঘন্টা করে আঁকা হয়। তবে এই কোয়ারেন্টাইনে অনেক সময় পেয়েছি। অনেক ছবি আঁকা হয়েছে। এছাড়াও, আমি হাতের কাছে যা পাই, তাই দিয়েই কিছু একটা বানানোর চেষ্টা করি। পুরনো জিনিসকে নতুন করে ব্যবহার করতে অনেক ভালো লাগে।

1
2
3
1 2 3

আমরা শুনেছি আপনার চেম্বারটাও বেশ অন্যরকম করে সাজানো, সবার থেকে আলাদা, কেন আলাদা বলে মনে হয়?

ডাঃ মুমিনুল হক : হ্যাঁ, এটা সত্য। আমার চেম্বারে আহামরি দামি কোনো জিনিস নেই। আমি চেষ্টা করি পুরোনো জিনিস কে নতুন বানাতে। আমার সব কিছু একটু গুছিয়ে রাখতে ভালো লাগে। তাছাড়া, আামরা সাবাই জানি ডেন্টালের চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ । একজন রোগী যখন আমার কাছে আসবে, তখন হয়তো সিরিয়াল দিয়ে অনেক সময় বসে থাকতে হয়। তারা যেন বিরক্ত না হয়, মন ভালো থাকে, টেনশন না হয়, তাই এই চেষ্টা।

Dental Times

সাম্প্রতিক সময়ে করোনা পরিস্থিতির সাথে মিল রেখে আপনার আঁকা কিছু ছবি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ ব্যাপারে কিছু বলুন

ডাঃ মুমিনুল হক : আমি চেষ্টা করেছি মানুষের কষ্ট অনুভব করে এবং সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ পাওয়ার আকাঙ্খা সম্পর্কিত কিছু ছবি তুলে ধরার। সবাই বেশ প্রসংশা করেছে।

ডেন্টাল-মেডিকেল শিক্ষার্থীরা মনে করে পড়ালেখার প্রেশারে এক্সট্রাকারিকুলার এক্টিভিটির জন্য সময় বা সুযোগ থাকেনা। আপনি এই ব্যাপারে কি মনে করেন?

ডাঃ মুমিনুল হক: আমি মনে করি পড়ালেখার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিস এ সবারই অংশগ্রহণ করা উচিত। এতে করে পড়ালেখার প্রতি একঘেয়ামি ভাবটা দূর হয়। আমার শিক্ষার্থীদের সাথে আমার খুব বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। আমি সবসময় ওদের উৎসাহিত করি এইসব করার জন্য। এতে করে পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।

আপনি কি ছবি আঁকার পাশাপাশি আপনার পছন্দের তালিকায় আর কি কি বিষয় রয়েছে যা আমাদের মাধ্যমে পাঠকদের জানাতে চান ?

ডাঃ মুমিনুল হক : না, ছবি আঁকা ছাড়া তেমন কিছু করিনা। তবে আমি গান শুনতে খুব পছন্দ করি। সবসময় গান শুনি। সব ধরনের গানই আমার ভালো লাগে, তবে রবীন্দ্রনাথ সংগীত আমার সবচেয়ে প্রিয়।

ডেন্টাল টাইমস নিয়ে কিছু বলুন

ডাঃ মুমিনুল হক : ডেন্টাল টাইমস মিডিয়া ইতিমধ্যে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তবে আমি আশা করব তোমাদের কাজ যেনো শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে,মানুষের উপকারও হয় এমন কাজ করবে আশা করি

ধন্যবাদ স্যার আপনাকে আপনার আপনার অত্যন্ত মূল্যবান সময় আমাদের দেয়ার জন্য

ডাঃ মুমিনুল হক : তোমাদেরও ধন্যবাদ। তোমাদের উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করছি।

Continue Reading

সাক্ষাৎকার

হ্যালো লিসনার্স আমি আরজে সাব্বির বলছি !

DENTALTIMESBD.com

Published

on

Dental Times
অনির্বাণ আবরার ও বিডি ইয়ুথ  :

মনে আছে ‘পিঁপড়াবিদ্যা’ মুভির অয়নকে? যে ভুল করে নিজের মোবাইল হারিয়ে ফেলে বলে নিজের প্রেমিকার ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হয়ে যায়? কিংবা ‘মনসুবা জংশন’ এর ঐ কথাবন্ধুকে মনে পড়ে? যার “লাইটহাউজ অফ লাভ” শো এর মাধ্যমেই নায়ক ডেকেছিল নায়িকাকে প্রতীক্ষিত স্থানে? চোখের চশমা আর মুখের মিষ্টি হাসি- একঝাঁক মানুষের মাঝেও যেন আলাদা করে চেনা যায় তাকে!

আরজে সাব্বির। পুরো নাম সাব্বির হাসান লিখন। ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ডি-৪৬ ব্যাচের ছাত্র। হঠাৎ রাস্তায় দেখা হলে যাকে কোন গ্রিক উপকথার চরিত্র ভেবে ভ্রম হয়। যার কণ্ঠের মাদকতা শ্রোতাদের রাতজাগা পাখি করে। বাস্তব জীবনে দাঁত আর মাড়ি নিয়ে কাজ করা লোকটা কি করে যে এত চমৎকার কথা বলতে পারে সেটা রহস্যই থেকে গেল! 

আমাদের পক্ষ থেকে ইন্টারভিউ নেবার শুরুতেই জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি কি জানতে চাই!’

বললাম “খুঁটিনাটি সব কিছু জানতে চাই”।

“আমার আবার খুঁটিনাটি কি?” বলে হেসে উড়িয়ে দিলেন কথা।

কিন্তু পাক্কা ১ ঘণ্টা ২৬ মিনিটের ইন্টারভিউতে সত্যিই উঠে আসল অনেক খুঁটিনাটি গল্প।

অন্তর্মুখী সেই ছেলেটা

ছেলেবেলা কেটেছে রংপুরে। বাবা ছিলেন হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ার। ইঞ্জিনিয়ার বাবার ছেলে দাঁতের ডাক্তার হবে! পরিবারের এরকম স্বপ্নের পেছনের গল্পটা কিন্তু মজার। সাব্বিরদের বাসায় জোবেদা বলে এক আপু কাজ করতেন। একদিন তিনি কাপড় নাড়ছিলেন ছাদে।

সেসময় ছোট্ট সাব্বির সিরিঞ্জে পানি ভরে আপুকে পিছন থেকে পায়ে পুশ করে দিল। আপু তো ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠল। আর সাব্বির খেলেন মায়ের হাতে প্রচুর মার। তবে তারপর থেকে পরিবারের সবাই ভাবতে লাগল “ছেলে সূচ, কাঁচি পছন্দ করছে খুব। ছেলেকে ডাক্তার বানাতেই হবে”। 

এর পরের গল্প সংক্ষেপে- রংপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি আর রংপুর ক্যান্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি। তারপর ঢাকায় এসে ভর্তি হলেন ঢাকা ডেন্টাল কলেজে।

ছোটবেলায় প্রচণ্ড অন্তর্মুখী ছিল ছেলেটা। কলেজ লাইফে এসে তার মনে হল “নাউ ইটজ টাইম টু এক্সপ্লোর”। টুকটাক গান গাওয়া, উপস্থাপনা আর বিতর্ক করা শুরু করলেন। ছোটবেলায় কালচারাল অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে লজ্জা পেতেন, তাহলে হুট করে কলেজে এসে এই বদল ঘটল কেন? “সে অনেক বড় গল্প, পরে একদিন বলব”। কিছু কি এড়িয়ে গেলেন সাব্বির?  

বড় ভাই রংপুর রেডিওতে কাজ করতেন। বড় ভাইয়ের কথা বলাতে একটা স্টাইল ছিল যেটা তাকে খুব টানত।একবার একজন অচেনা লোক ফোন করেছিলেন বাসায়, ফোনটা ধরেছিলেন সাব্বির। ফোনটা আসলে ছিল বড় ভাইয়ের জন্য। কিন্তু গলার স্বর আর কথাবার্তার মিল থাকার কারণে ঐ প্রান্ত বুঝতে পারেন নি ফোনটা কে ধরেছে!

পরে বড় ভাইয়ের কাছে সাব্বির ফোনটা দেওয়ার পর ফোনের ঐ প্রান্তে থাকা আঙ্কেল বলেন, “তোমার ছোটভাইয়ের গলাটাও খুব ভাল। ওকে রেডিওতে পারফর্ম করাও”। এই ছোট্ট প্রশংসাটা সাব্বিরকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করল। সেও তখন বড় ভাইয়ের মত রেডিওতে উপস্থাপনা করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেন।

আরজে হবার শুরুর দিনগুলি

ঢাকাতে ডেন্টাল কলেজে পড়তে এসে সাব্বিরের খুব বেশী এফএম রেডিওগুলো শোনা হত। সময়টা ২০১০ এর দিকে। তখন এফএমের যাত্রা মাত্র শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। এফএম শুনতে শুনতে একসময় সাব্বিরের মনে হতে লাগল, তিনিও এরকমভাবে কথা বলতে পারবেন। সেই অচেনা আঙ্কেলের প্রশংসা, নিজের আত্মবিশ্বাস আর স্বপ্নের জোরে তিনি বিভিন্ন রেডিও ষ্টেশনগুলোতে গিয়ে গিয়ে সিভি (হার্ড কপি) ড্রপ করে আসেন।

সাব্বির বলেন, “প্রত্যেক রেডিওতে বছরে দুইবার তিনবারের মত আরজে হান্ট হয়। এইচআর ডিপার্টমেন্টের কাছে সিভিগুলো পৌঁছালে তারা তাদের প্রয়োজন মত অডিশন নেবার জন্য ফোন করেন। অডিশনে ডাকার ক্ষেত্রে রেডিও মূলত ফ্রেশারদেরকেই প্রাধান্য দেয়। স্যালারি কম থাকার জন্য ফ্রেশারকেই তারা বেশী উপযুক্ত মনে করে। তবে অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে স্কুল ও কলেজ লাইফে অনস্টেজ আবৃত্তি, বিতর্ক ও উপস্থাপনা থাকলে সেটা আলাদা সুবিধা দেয়”।

রেডিও টুডে’র সাব্বির     

সাব্বিরের এই কথাবন্ধু হবার পথে মজার কিছু গল্প আছে। একবার চীন-মৈত্রী সম্মেলনে অনলাইন এক রেডিওর জন্য আরজে হান্ট হচ্ছিল। সাব্বির সিভি জমা দেন। ডাকও পান। বলা হয় তাকে ঐ দিন রাতের শোতেই বসতে হবে। কিন্তু আরজে হিসেবে সফটওয়্যার পরিচালনা করার মত কোন অভিজ্ঞতাই ছিল না তার।

তাই ঐ অনলাইন রেডিও থেকে তাকে নেওয়া হল না। এরপর সাব্বির সুযোগ পান রেডিও টুডেতে। একসময় নিয়মিত এবং তারকা কথাবন্ধু হয়ে উঠেন তিনি। ঠিক সেই সময়ের এক ঘটনা! যে ভাইয়া অনলাইন রেডিও তে তাকে চান্স দেননি তারই অডিশন নিতে হল সাব্বিরকে! এই ঘটনা মনে পড়ে এখনও হাসি পায় তার।

রেডিও টুডেতে একদিনে জনপ্রিয় হননি। তিন তিনটি মাস ট্রেনিং করতে হয়েছিল তাকে। এই তিনমাসে কোন খরচ তিনি পেতেন না। তারপরও স্থায়ী চাকরি পাবার সম্ভাবনা ছিল অনিশ্চিত। তিন মাস পরে রেডিও টুডেতে কথাবন্ধু হিসেবে স্থায়ীভাবে জয়েন করেন সাব্বির। কষ্টের বিষয় ছিল তখন তার প্রায় সব প্রোগ্রাম ছিল রাত ১টার পরে।

এমনও দিন গেছে রাত ৪টায় শো শেষ হলে ৬টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত। পরবর্তী আরজের হাতে অনুষ্ঠান দিয়ে আসার জন্য। সাব্বিরের ভাষায় “যখন ৬ টার সময় শো হ্যান্ডওভার করে হলে ব্যাক করতাম। তখন দেখতাম সবাই ক্লাস করার জন্য বের হচ্ছে। আর আমি মাত্র হলে ঢুকেছি”। এরপরেও খুব নিষ্ঠার সঙ্গে ক্লাস, এক্সাম সব ঠিকঠাক ভাবে করে গেছেন।

কোর্স করে আরজে হওয়া যায় না!

সাড়ে তিনবছর আরজে ছিলেন রেডিও টুডেতে। কথাবন্ধু হিসেবে ক্যারিয়ার ৬ বছরের। এই দীর্ঘ ক্যারিয়ার থেকে তিনি বুঝেছেন যে “কোর্স করে কেউ আরজে হতে পারেনা”। সাব্বির জানান “কারও যদি ইনার কোয়ালিটি না থাকে কথা বলার, তাহলে কোর্স করে তাকে কথাবন্ধু বানানো যাবে না। হ্যাঁ, গ্রামার কিছু আছে। কিভাবে শুরু বা শেষ করতে হয় এসব কোর্সে শেখানো হয়। কিন্তু আমি কোর্স করে একটা মানুষকে কথা বলা শিখাতে পারব না”।

তিনি মনে করেন, এসব আরজে কোর্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো চলছে অনেকটা ব্যবসা করার তাগিদে। কথাবন্ধু হবার ক্রেজ আছে তরুণদের মধ্যে। ব্যবসায়ীরা এই ক্রেজটাকে কাজে লাগাচ্ছেন। তাছাড়া কথাবন্ধু হিসেবে নিয়োগ দেবার পরে বিভিন্ন রেডিও ষ্টেশন নিজেরাই কোর্স করান তাদের আরজেদেরকে। তাই এসব কোর্সের কোন দরকার নেই।

কথাবন্ধু যখন ক্যারিয়ার

ক্যারিয়ার হিসেবে কথাবন্ধু কতটা নির্ভরযোগ্য? এই প্রসঙ্গে সাব্বির বলেছেন, “পার্ট টাইম হিসেবে কথাবন্ধু বেস্ট। একজন স্টুডেন্ট কথাবন্ধু হিসেবে যা আয় করেন তা তার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু ফুলটাইম জব হিসেবে কথাবন্ধু হওয়াটা ঠিক সঠিক সিদ্ধান্ত না। কারণ এখন একজন কথাবন্ধুকে যা বেতন দেওয়া হচ্ছে সেটা বর্তমান প্রেক্ষাপটে জীবন অতিবাহনের জন্য যথেষ্ট না। যদি এখনকার স্যালারি ৩ গুণ করা হয় ভবিষ্যতে, তাহলে মানুষ ক্যারিয়ার হিসেবে প্রফেশনাল আরজে হওয়াকে চয়েজ করতে পারবে”।

বাংলিশ ভাষায় আরজেরা কেন?

খুব দ্বিধা নিয়েই জিজ্ঞেস করলাম “আরজে ভাষাতে প্রচুর ইংরেজি শব্দের ব্যবহার, বাংলাকে বিকৃতি করা, র কে ঢ় বলা, কিভাবে দেখেন বিষয়টাকে?” প্রশ্ন শুনে একটু সিরিয়াস হয়ে গেলেন সাব্বির। তারপর বললেন “আমাদের ভাষা নিয়ে যত সমস্যা, তা কেবল বছরে এক মাসে উঠে আসে।

ফেব্রুয়ারি মাস এলেই “আরজেদের ভাষা এই সেই” এইসব কথা উঠে আসে। সারা বছর কিচ্ছু বলা হয় না। আরজে ভাষা পপুলার হচ্ছে। এবং পপুলার কিন্তু করেছে শ্রোতারাই”। মানে দাঁড়াচ্ছে, আরজে ভাষা শুনছে শ্রোতারা। ব্যবহার করছে। জনপ্রিয় করছে আবার একই সাথে তীক্ষ্ণ সমালোচনাও করছে।

তবে ইংরেজি শব্দের আধিক্য কি বাংলা ভাষাকে শ্রুতিকটু করে না? “দেখুন, আমাদের স্টুডেন্টদের প্রায় সবার কারিকুলাম ইংলিশে। তাদের সারাদিন ইংলিশে পড়াশুনা করতে হয়। তাই বাংলা ভাষার ফাঁকফোকরে ইংরেজি শব্দ আসাটা অস্বাভাবিক না। তবে বাংলাকে বাংলার মত বললে, এবং ইংলিশকে ইংলিশের মত করে বললেই কোন সমস্যা থাকে না। বাংলা শব্দকে ইংরেজি শব্দের সঙ্গে মিশিয়ে বিকৃত উচ্চারণ আমি নিজেও সমর্থন করি না”।

মনসুবা জংশন: ক্যামেরার সামনে প্রথম

“অভিনয় আমি ঠিক পারি না! এলাকায় বন্ধুরা মিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যে নাটকগুলো করতো তাতে বরাবর কেবল পুলিশের রোল পেতাম” হাসতে হাসতে জানালেন সাব্বির।

শিহাব শাহীনের ‘ভালবাসি তাই ভালবেসে যাই’ দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়ে একটা মেসেজও পাঠিয়ে রেখেছিলেন ফেসবুকে। কিন্তু শিহাব শাহীন তা আর দেখেননি। পরে দেড় বছর পর এক কুরবানি ঈদে ‘মনসুবা জংশন’ নাটকের আরজে চরিত্রের জন্য অভিনেতা খুঁজছিলেন। সেইসময় শিহাব শাহীন খুঁজে পান সাব্বিরকে। তিনি নিজেই ফেসবুকে মেসেজে পাঠান চরিত্রটি করার জন্য।

ততদিনে কথাবন্ধু হিসেবে শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছেন। কিন্তু ক্যামেরার সামনে অভিনয়! সেটা বরাবরই নার্ভাসের বিষয় তার জন্য। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতন, প্রথম অভিনয় পড়ল অভিনেতা তাহসানের সঙ্গে। তাহসানের সঙ্গে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা নিয়ে সাব্বির বললেন, “তুই-তুকারি করে তাহসান ভাই-ই আমাকে সহজ করলেন। বনানী আর গুলশানে রিহার্সেল করলাম। খুব ইজিলি হয়ে গেল কাজটা”।

পিঁপড়াবিদ্যার অয়ন

মনসুবা জংশনে অভিনেত্রী তিশা অভিনয় করেছিলেন। সাব্বিরের অভিনয় দেখে তার ভালো লাগল। আবার ২০১৩’র ভ্যালেন্টাইন ডে’তে রেডিও টুডের সাব্বিরের শোতে তিশা-ফারুকী গেস্ট ছিলেন। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পিঁপড়াবিদ্যাতে অয়ন চরিত্রের জন্য অভিনেতা খুঁজছিলেন। তিশা সাব্বিরের কথা বললেন। এইভাবে প্রথম চলচ্চিত্রটাও করে ফেললেন তিনি।

‘ইয়া ঢিসুম ঢিসুম’ ফর্মুলা নির্ভর ছবি করতে একদম আগ্রহী না সাব্বির। অন্যরকম, ভাল গল্পের, ভাল চরিত্রের ছবিগুলোই তিনি কেবল করবেন। দেশের অভিনেতার মধ্যে চঞ্চল চৌধুরী এবং মোশাররফ করিমের ভীষণ ফ্যান তিনি। টাইটানিকে ক্যাপ্রিওর অভিনীত জ্যাক আর ‘কাল হো না হো’তে শাহরুখ খানের অভিনীত চরিত্রটি তার স্বপ্নের চরিত্র। সালমান শাহের ভীষণ ভক্ত সাব্বির কভার করেছেন “ও আমার বন্ধুগো প্রিয় সাথী পথ চলা” গানটি। কভার করা গানটি লুফে নিয়েছে শ্রোতারা।

এছাড়াও আরএফএল হোমমেকার অফ দি ইয়ার এবং আরএফএল ঈদ বাজারে উপস্থাপনা করে ভীষণ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। সাব্বির রবি, জুঁই ব্র্যান্ডের টিভি বিজ্ঞাপনেরও মডেল হয়েছেন। 

স্বপ্নেরা উঁকি দেয় মনে

কথাবন্ধু, অভিনেতা এত এত পরিচয় থাকার পরেও  ডা: সাব্বির  পরিচয়ে পরিচিত হতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। সফল চিকিৎসক হতে চাওয়া এই তরুণ উত্তরাতে দিয়েছেন নিজের চেম্বার। আর রেডিও শো তো আছেই। ‘চল যাই’ নামের একটি মুভিতে অন্যরকম এক চরিত্রে অভিনয় করছেন।

কথাবন্ধু সাব্বিরের স্বপ্ন বাংলাদেশের সেরা উপস্থাপক হওয়া। গানটাকেও টুকটাক চালিয়ে যেতে চান তিনি।

“শর্টকাট চিন্তা না, সুদূরপ্রসারী একটি লক্ষ্য থাকা চাই। কাজ করার আগেই সময়সীমা নির্ধারণ করে নিতে হবে।আর সেই কাজ সফল করার জন্য ভীষণ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে”। তরুণদের জন্য এটাই সাব্বিরের পরামর্শ।

মেহেদী মার্টে বসেছিল আড্ডাটা। আড্ডা যখন ভাঙ্গল তখন প্রায় সন্ধ্যা। আবছা আলোছায়ার সন্ধ্যায়  আত্মবিশ্বাসী যুবকটিকে বিদায় জানিয়ে ফেরার পথ ধরলাম। ৩০০ ফিটের রাস্তাটা কিন্তু একদম ক্লান্তিকর লাগছিল না তখন। টের পেলাম, সাব্বির আসলে শুধু কথাবন্ধু না! কথাশিল্পী! যার বকবক ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুনলেও কখনই ক্লান্তি আসবে না ‘

(more…)

Continue Reading
Dental Times
ফিচার10 hours ago

দাঁত ব্যথা : নিদারুণ এক যন্ত্রণার ইতিহাস

Dental Times
আন্তর্জাতিক5 days ago

বাংলাদেশে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষা চালাতে চায় ভারত: রয়টার্স

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি1 week ago

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিঠি

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 week ago

দিল্লিতে করোনা টিকায় ৫২ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Dental Times
শিক্ষাঙ্গন1 week ago

স্যাসমেক ডেন্টাল ইউনিটে Intern Induction Program আয়োজন

Dental Times
আন্তর্জাতিক1 week ago

ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়ে ২৩ জনের মৃত্যুর দাবি নরওয়ের

Dental Times
ঢাকা2 weeks ago

পেরিওডোন্টোলজি ও ওরাল প্যাথোলোজি’র উপর ৫ দিনের হ্যান্ডস অন ট্রেনিং

Dental Times
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়2 weeks ago

২৭ জুনিয়র কনসালটেন্টকে (ডেন্টিস্ট্রি) বদলি করে প্রজ্ঞাপন

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

করোনাভাইরাস ‘ধ্বংসকারী’ নাকের স্প্রে তৈরির দাবি বাংলাদেশি গবেষকদের

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

বেসরকারিভাবে ৩০ লাখ ডোজ টিকা বিক্রি করবে বেক্সিমকো

Dental Times
জাতীয়2 weeks ago

প্রথম দফায় করোনা ভ্যাকসিন পাবেন যারা

মাথা ও গলার ক্যান্সারজনিত রোগ নিয়ে ডিডিসিতে ওএমএস হ্যান্ডস অন প্রোগ্রাম
ঢাকা3 weeks ago

মাথা ও গলার ক্যান্সারজনিত রোগ নিয়ে ডিডিসিতে ওএমএস হ্যান্ডস অন প্রোগ্রাম

Dental Times
Campus News3 weeks ago

ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আগুন নিয়ন্ত্রণে

Dental Times
ছবি ও গল্প3 weeks ago

মানুষের দাঁতের মতো পাখিরও ঠোঁট ইমপ্ল্যান্ট হয় ( ছবি গল্প)

সময় নষ্টের অভিযোগে আইসিডিডিআর,বির সাথে চুক্তি বাতিল করেছে গ্লোব
করোনা পরিস্থিতি3 weeks ago

সময় নষ্টের অভিযোগে আইসিডিডিআর,বির সাথে চুক্তি বাতিল করেছে গ্লোব

SSMC dental unit arranged CME PROGRAM 20
Campus News4 weeks ago

SSMC dental unit arranged CME PROGRAM 2020

Dental Times
করোনা পরিস্থিতি1 month ago

১৮ বছরের নিচে ভ্যাকসিন নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাইকোর্ট
জাতীয়1 month ago

ভুয়া চিকিৎসকের সর্বোচ্চ সাজা ‘মৃত্যুদণ্ড’ বিধান চেয়ে রিট

ডিজি খুরশীদ আলম
স্বাস্থ্য প্রশাসন1 month ago

দুই বছরের চুক্তিতে স্বাস্থ্য ডিজি ডাঃ খুরশীদ আলম

Dental Times
BCPS1 month ago

বিসিপিএস এ ‘ডেন্টিস্ট্রি’র স্বতন্ত্র অনুষদ চালু

Advertisement

সম-সাময়িক

Enable Notifications From DentalTimesBD    OK No thanks