Connect with us

Uncategorized

বাংলাদেশে এন্ডোডন্টিক্স এর পথিকৃৎ – অধ্যাপক ডাঃ ওসমান গনি খান

DENTALTIMESBD.com

Published

on

ওসমান গনি স্যার আপডেট ডেন্টাল কলেজ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সময় ২০০৯-২০১৯ অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি বাধ্যক্যজনিত কারনে অবসর গ্রহণ করেছেন।তিনি ঢাকা ডেন্টাল কলেজ এর D-10 ব্যাচ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি বাংলাদেশী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে নিউজিল্যান্ড এর ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে MDS ডিগ্রি লাভ করেছেন।কর্ম জীবনে তিনি বিসিএস ক্যাডার থেকে অবসর নিয়ে পরবর্তীতে বংবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটির কনজারভেটিভ ডেন্ট্রিস্টি ও এন্ডোডন্টিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এন্ডোডন্টিক সোসাইটি এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।গত ১৬.০৭.২০১৯ তারিখে আপডেট ডেন্টাল কলেজ বিদায়ী সংবর্ধনা আয়োজন করেছে।উক্ত অনুষ্ঠানে কলেজের চেয়ারম্যান ঊলফাত জাহান মুন,আলিম ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, অধ্যক্ষ ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ ও আপডেট এর নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ এস এম আব্দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।

DentalTimes

ডেন্টাল টাইমস এর সঙ্গে নতুন নিয়োগকৃত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ এম এম আব্দুল কাদের কথা বলেন। সেই বক্তব্য পাঠকের উদ্দেশ্যে উল্লেখ করা হলো।

ডেন্টাল টাইমসঃ স্যার অধ্যাপক ডাঃ ওসমান গণী স্যার সম্পর্কে আপনার অভিব্যক্তি কি?

অধ্যক্ষ ডাঃ এস এম আব্দুল কাদেরঃ ২০০৮ সালে আপডেট ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা পায়। তখন ক্যাম্পাস ছিল রাজধানীর কমলাপুরের মুগদায় ।ওখানে প্রথম তিন টি ব্যাচ ভর্তি হয়। তারপর পরে ওখানে রেজিস্ট্রেশন গত জটিলতার কারণে কলেজটা আর এগোতে পারেনি । তারপরে এইটা  আইচি মেডিকেল গ্রুপ ২০১০ সালে ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে অলরেডি তখন তিনটা ব্যাচ ভর্তি হয়ে গেছে, সুতরাং কলেজ যদি বন্ধ হয়ে যায় তো এই ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন এবং একাডেমিক ভবিষ্যৎ সব কিছু চিন্তা করে আলিম ফাউন্ডেশন বা আইচি মেডিকেল গ্রুপ এই কলেজ কে চলমান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তখন কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন অধ্যাপক ডাঃ ওসমান গনি খান। এই কথা চিন্তা করে আইচি মেডিকেল গ্রুপ নির্ধারণ করে তিনিই  এই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

DentalTimes

২০১০ সাল থেকে সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়ে আমি সেই কলেজে কাজ করা শুরু করি সেই থেকে স্যারের সাথে সম্পর্কটা তৈরি হয়। তার আগে ও স্যারের সাথে আমার পরিচয় সেই   ২০০০ সালে । তখন আমি পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজে শিক্ষকতা তে যোগ দেই । তখন স্যার কনজারভেটিভ ডিপার্টমেন্টের হেড ছিলেন। ২০০৩ সালে আমি সরকারী চাকরিতে যাই। তার আগ পর্যন্ত স্যার কে আমি দেখেছি। পোস্ট গ্রাজুয়েট এর মাস্টার্স এর পরীক্ষক ছিলেন স্যার। আমি যতদূর স্যার কে দেখেছি সেটা হচ্ছে স্যার খুবই সৎ, দায়িত্ববান এবং কর্তব্যনিষ্ঠ একজন শিক্ষক এবং পরীক্ষক। পাশাপাশি তিনি একজন ভালো অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। স্যার খুবই ভালো একজন মানুষ।তিনি আমার শিক্ষাগুরু ছিলেন।  কোন মানুষের উনি খারাপ চাইতেন না । ১৩ বছর স্যারের সঙ্গে আমি কাজ করেছি , আপডেট ডেন্টাল কলেজে প্রায় ১০ বছর  স্যার  অধ্যক্ষ ছিলেন। আমি উপাধ্যক্ষ ছিলাম।

DentalTimes

আমরা শিক্ষকতায় যে কাজগুলো করতে হয় সেগুলোতে স্যার কখনো হস্তক্ষেপ করতেন না অযৌক্তিক কিছু না দেখা পর্যন্ত। আমাদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি আপডেট ডেন্টাল কলেজকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে আসার। কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রথম ও হয়েছে। শিক্ষক হিসেবে তিনি একজন সফল শিক্ষক। পঁয়ত্রিশ বছর যাবৎ উনি পরীক্ষা নিচ্ছেন। আমিও দেখেছি ওনাকে পরীক্ষা নিতে। কখনো আমি ওনাকে দেখি নি পরীক্ষাতে কোন ধরনের ত্রুটি বা কোন পরামর্শ বা কোন অযৌক্তিক দাবি পূরণ করতে।

 

 

ডেন্টাল টাইমসঃ স্যার এর সঙ্গে কোন মজার স্মৃতি পাঠকদের উদ্দেশ্যে যদি জানাতেন।

অধ্যক্ষডাঃ এস এম আব্দুল কাদেরঃ স্যারের সাথে আমি এক বার বিদেশ ভ্রমণ করেছিলাম সেটা ছিল হংকং এবং আমরা এক রুমে ছিলাম। উনাকে দেখলে খুব রাশভারী মনে হয় কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে উনি অনেক চমৎকার একজন রসিক মানুষ। মানুষের সাথে খুবই গল্প করতে পারেন এবং মিশতে পারেন। মানুষকে খুব মজার মধ্যে রাখতে পছন্দ করতেন।একবার হংকংয়ে কনফারেন্সের পরে আমরা একটা পার্কে ঘুরতে গেলাম। এটা ২০১২ সালের কথা বলছি তখন হংকংয়ের ওশন পার্কে  আমরা ঘুরতে গিয়েছিলাম। স্যার ও ছিলেন আমার সঙ্গে। আরো সাত বছর আগের কথা। ওখানে একটা রাইড আছে, সেটির নাম হচ্ছে হেয়ার রেইজার। ওই রাইডে চড়লে মাথার চুল খাড়া হয়ে যায়।স্যারের হৃদযন্ত্র জনিত সমস্যা ছিল। তাই আমি স্যারকে বলেছিলাম- “ স্যার আপনি  এই রাইডে চড়তে পারবেন?” স্যার আমাকে বললেন- “আরে না আমার কিছু হবে না চলো রাইডে উঠি।” তো আমরা চাচ্ছিলাম না যে সার রাইডে উঠুক কিন্তু স্যার মানসিকভাবে চাচ্ছিলেন রাইডটি উপভোগ করবেন এবং যাবেন। তারপর স্যারকে আমার পাশে বসালাম। এই রাইডটি অনেক ভয়াবহ ছিল। একদম রোলার কোস্টার এর আপডেট ভার্সন এবং খুবই ভয়াবহ। মাথাকে প্রচন্ড ঘুরিয়ে দেয়ার মত।তো নামার পর আমাকে বলছেন – “ আমি কি পারলাম? ”। তো আমি বললাম যে – “ স্যার আপনি পারলে ” । স্যারের দেখি মুখ সব লাল হয়ে গেছে এবং স্যার আমাকে বললেন-“ চলো আবার যাই” এবং আমি বললাম যে স্যার আর দরকার নেই আমরা যতটুকু ওঠার উঠেছি আবার পরে হবে ইনশাল্লাহ।

DentalTimes

ডেন্টাল টাইমসঃ স্যার এর বিদায়ী সংবর্ধনা নিয়ে কিছু বলুন।

অধ্যক্ষ ডাঃ এস এম আব্দুল কাদেরঃ স্যার এর শিক্ষাগত জীবনে স্যার ঢাকা ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং প্রতিটা প্রফেই তিনি প্রথম হয়েছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা ডেন্টাল কলেজ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন এক্সট্রা মেরিটোরিয়াস স্টুডেন্ট হিসেবে এবং ওই সময় মাস্টার্স ডিগ্রী করতে তিনি নিউজিল্যান্ডে গিয়েছিলেন এবং ওই সময়ে এভাবে বাইরে মাস্টার্স করতে যাওয়া সচরাচর দেখা যেত না বাংলাদেশে। তো তিনি তখন নিউজিল্যান্ডের ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফল ভাবে কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিকস এ সফলভাবে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন  এবং বাংলাদেশে ফিরে এসে ঢাকা ডেন্টাল কলেজে যোগদান করেন। এরপর প্রায় ১০ বছরের মত উনি সৌদি আরবে ছিলেন। তার পরে এসে উনি পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজে যোগদান করেন। তারপর পাইওনিয়ারে অনেকদিন থাকার পরে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিট এ অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন এবং এটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এরপর উনি আপডেট ডেন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং আপডেট ডেন্টাল কলেজে ডিরেক্টরশীপ ও মালিকানা ছিল ওনার এবং পার্টনারশিপ ছিল। উনার বিশ্বাস ছিল এই ডেন্টাল কলেজ কে একটি উন্নত ডেন্টাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৈরি করবেন। কিন্তু তেমন ভাবে উনি সফলভাবে কাজটা করতে পারেননি বেশ কিছু জটিলতার কারণে। এরপর থেকেই আপডেট ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বেশ লম্বা একটা সময় উনি দায়িত্বরত ছিলেন। অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ৬৫ বছরের বেশি হলে অধ্যক্ষ হিসেবে থাকা যায় না এবং এই বার্ধক্যজনিত কারণ পূর্বক উনি অধ্যক্ষ পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করেন।

DentalTimes

পাশাপাশি স্যারের শারীরিক অসুস্থতার জন্য স্যার অবসর নিয়েছেন। আমরা আপডেট ডেন্টাল কলেজের সকল ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা সকলে মিলে চেষ্টা করেছি স্যারকে স্যার এর যথাযথ সম্মান টুকু প্রদর্শন করার। এ কারণে গত ১৬ ই জুলাই আমরা ( স্যার অবশ্য পহেলা জুলাই থেকে অবসরে) স্যারের জন্য একটি বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ গ্রুপ, আপডেট ডেন্টাল কলেজ সিনিয়র টিচার, বিভাগীয় প্রধান ফ্যাকাল্টি মেম্বার এবং এই অনুষ্ঠানে আমরা ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত যত জন শিক্ষক ছিলেন স্যার এর সংস্পর্শে এসেছেন তত জন শিক্ষককে দেশে-বিদেশে আমরা দাওয়াত দিয়েছি, যেন স্যারের ভালো লাগে। পাশাপাশি প্রথম ব্যাচ থেকে ষষ্ঠ ব্যাচ পর্যন্ত যারা এলামনাই ডাক্তারদের কেও আমরা দাওয়াত দিয়েছি যেন স্যারের ভালো লাগে। অনেকেই এসেছিলেন স্যার কে শুভেচ্ছা জানাতে।

DentalTimes

আমাদের মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ এর চেয়ারম্যান, পরিচালক, অধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান বৃন্দ সকলেই উপস্থিত ছিলেন স্যারকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য এবং সেই দিনটি আসলে স্যার এর জন্যই ছিল। আমরা চেষ্টা করেছিলাম স্যারকে স্যার এর যথাযথ সম্মান টুকু প্রদর্শন করার এবং শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মানপত্র, ক্রেস্ট প্রদান সহ স্যারের ভালো লাগার আমরা যতোটুকু জানতাম সে উপহার গুলো আমাদের পক্ষ থেকে স্যারের জন্য প্রদান করেছি। সেই সাথে ছিল অডিও ভিজুয়াল প্রেজেন্টেশন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে আমরা প্রোগ্রাম টিকে সাজিয়েছিলাম। এটি আমাদের দায়িত্বের মধ্যে ছিল এবং আমাদের মাথায় একটি বিষয় ছিল যাতে স্যার কে আমরা একটি যথাযথ বিদায় সম্বর্ধনা প্রদান করতে পারি।

DentalTimes

ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন উনি বলছিলেন- “স্যার কে আসলে বিদায় দিতে চাইনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী আজকে  স্যার কে অবসরে যেতে হল। যেহেতু উনি চিকিৎসক এবং তার পাশাপাশি শিক্ষক সুতরাং উনার বিদায় সত্যিকার অর্থে সম্ভব নয় । আমরা স্যারকে বিভিন্নভাবে আমাদের মাঝেই রাখার চেষ্টা করবো।

বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি  ই-লার্নিং এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  রাজধানীর কাকরাইলে একটি স্টুডিও আছে। সিনিয়র মেডিকেল প্রফেশনালস অর্থাৎ মেডিকেল শিক্ষক যারা আছেন বেসিক সাবজেক্ট এবং ক্লিনিক্যাল সাবজেক্ট এর সকল কিংবদন্তী শিক্ষকদের বিভিন্ন লেকচার রেকর্ড করে রাখা হবে এবং বিভিন্ন বিষয়ের যে মূল্যবান লেকচার সমূহ রয়েছে সেগুলো রেকর্ড আকারে সংগৃহীত হবে। সবগুলো মেডিকেল কলেজ এবং ডেন্টাল কলেজে যাতে এই লেকচার গুলো দেয়া যায় সে ব্যবস্থা করা হবে। যেহেতু ই-লার্নিং এর এত সুন্দর একটি ব্যবস্থা হচ্ছে সেখানে স্যারকে আমরা চাই। স্যারের ৪০ বছরের এই শিক্ষকতা জীবনের যত মূল্যবান লেকচার সমূহ রয়েছে সেগুলো এই স্টুডিওতে স্যার প্রদান করবেন।”

এবং এর পাশাপাশি তিনি বলেছেন-“ আপডেট ডেন্টাল কলেজে কোন ধরনের  সাইন্টিফিক সেমিনার বা স্পেশাল ক্লাস গুলো স্যার যদি নিতে চান যেহেতু এগুলো খন্ডকালীন সেহেতু স্যার আসতে পারবেন। আর যদি নিতে চান তাহলে আমরা সেভাবে স্যারের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা করব এবং এভাবে আমাদের ডাক্তারবৃন্দ এবং আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরাসহ সকলে উপকৃত হবে।”

স্যার যাতে এক্সট্রা কারিকুলার কার্যক্রম এ নিয়োজিত হন এবং ব্যস্ত থাকেন এবং এই অবসর সময়টাকে উপভোগ করেন এই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে অনুষ্ঠানে ।

DentalTimes

অধ্যাপক ডাঃ ওসমান গনি খান বিদায়ী বক্তব্যে বলেছেন- “ আমি চেষ্টা করেছি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে। কখনো দুর্নীতিকে আমি প্রশ্রয় প্রদান করিনি ।” আপডেট ডেন্টাল এ যারা কাজ করছেন, শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যে-“ সকল অবস্থাতে সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোন অবস্থায় যাতে সততা কে বিসর্জন না দেয়া হয়। আপডেট ডেন্টাল কলেজ আমার প্রানের কলেজ। এটি আমার প্রাণের জায়গা এবং এই আপডেট ডেন্টাল কলেজ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার অসংখ্য স্মৃতি এবং এই আপডেট ডেন্টাল কলেজের সঙ্গে আমি আজীবন সম্পৃক্ত থাকতে চাই। আমি চাই এই কলেজের দায়িত্বরত সকলেই যাতে আমাকে মনে রাখে। আপডেট ডেন্টাল কলেজের বিশেষত ডাক্তার কাদের খুব সুন্দর ভাবে সকল কিছু সংগঠিত করছে এবং শিক্ষকদের যে একটা দলগত প্রচেষ্টা এটি যাতে অব্যাহত থাকে।” কলেজের পরিচালক কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন-“ যে লক্ষ্য নিয়ে আপডেট ডেন্টাল কলেজ সামনে এগোচ্ছে সেটি যাতে সফল ভাবে সম্পন্ন হয়।” এছাড়া তিনি সকলের কাছে সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন সকলের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ।

DentalTimes

আপডেট ডেন্টাল কলেজের চেয়ারম্যান ঊলফাত জাহান মুন স্যারের সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন এবং স্যারের এই দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের সফলতার বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং প্রশংসা করেছেন এবং শারজাতে বাকিটা জীবন এভাবে আনন্দে বাকি দিনগুলো কাটান সেই কামনা করেছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যশোর : ২২ চিকিৎসক-নার্সসহ ২৮ জন কোয়ারেন্টাইনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে আসায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের ১১ চিকিৎসক, ১১ নার্স মোট ২৮ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের জারি করা অফিস আদেশে এই কথা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এসব ডাক্তার ও নার্স করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া রোগীদের কনটাক্টে এসেছিলেন। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পর্যায়ক্রমে এই হাসপাতালের সবার নমুনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেন, করোনা আক্রান্ত দুই রোগীর সংস্পর্শে যেসব ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারী এসেছিলেন তাদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। ১১ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়ার্ড বয় ও আয়া মিলিয়ে মোট ২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ হবে ১৪ দিন। এই সময়কালে তাদের সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে করোনারি কেয়ার ইউনিট ও মেডিসিন ওয়ার্ড লকডাউন করে দেন। গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট দুটি জীবাণুমুক্ত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়। ওই দুই স্থানে চিকিৎসাধীন রোগীদের স্থানান্তর করা হয় অন্য ওয়ার্ডে।

গত কয়েকদিনে শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভদের বেশ কয়েকজনকে যশোর টিবি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যারা ওই হাসপাতালে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাদের নিজ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

যশোর টিবি হাসপাতালকে অস্থায়ী করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে করোনাভাইরাস আক্রান্তদের সেবার কাজে নিয়োজিতরা পাশেই নাজির শঙ্করপুরে অবস্থিত শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ডরমেটরিতে অবস্থান করছেন।

Continue Reading

Uncategorized

যে চারটি বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

DENTALTIMESBD.com

Published

on

বেসরকারি হাসপাতালে হবে করোনাভাইরাস পরীক্ষা

দেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পরীক্ষার আওতা বাড়ানোর জন্য প্রথমবারের মত চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অনুমতি দিয়েছে সরকার।

এর মধ্যে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল (সাবেক অ্যাপোলা), স্কয়ার হাসপাতাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল শুধু তাদের ভর্তি রোগীদের নমুনা পরীক্ষা করবে।

আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতাল বাইরের রোগীদের নমুনাও পরীক্ষা করতে পারবে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “তারা যে নমুনা পরীক্ষা করবেন আমরা তা আগামীকাল থেকে অথবা যখন তারা কাজ শুরু করবেন তখন থেকে হিসাবে যুক্ত করব।”

তিনটি হাসপাতালকে বাইরের রোগীর নমুনা পরীক্ষার অনুমতি না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নাসিমা সুলতানা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে ফলোআপে সমস্যা হতে পারে, সে কারণে তাদের এখনও তাদের আউটডোর পেশেন্টের নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

এই চারটি বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে দেশে সব মিলিয়ে এখন ২৯টি মেডিকেল প্রতিষ্ঠানে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা হল।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে রেকর্ড ৬৪১ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে ৭১০৩ জন হয়েছে। এই সময়ে আরও আটজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬৩ জন হয়েছে।

Continue Reading

Uncategorized

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৬৪১

DENTALTIMESBD.com

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৪১ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা সাত হাজার ১০৩ জন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৭০১টি। নতুন যাদের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, তাদের মধ্যে আরও ৬৪১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ১০৩ জন। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও আটজন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৩ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫০ জন।

যারা নতুন করে মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ এবং দুজন নারী। ছয়জন ঢাকার বাসিন্দা এবং দুজন ঢাকার বাইরের। বয়সের দিক থেকে চারজন ষাটোর্ধ্ব, দুজন পঞ্চাশোর্ধ্ব এবং দুজন ত্রিশোর্ধ্ব।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

প্রায় চার মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার। তবে নয় লাখ ৬১ হাজারের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। যদিও এরই মধ্যে সীমিত পরিসরে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার কিছু পোশাক কারখানা সীমিত পরিসরে খুলতে শুরু করেছে। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে কি-না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যান্য

Continue Reading

জনপ্রিয়