Connect with us

জাতীয়

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না

Published

on

স্বাস্থ্য বাজেট

আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না। করোনা মোকাবিলায় দুই-চারটি নতুন প্রকল্প নেওয়া; গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে। এ খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দূর করতে কাঠামোগত বড় সংস্কারের উদ্যোগ নেই। গতানুগতিকভাবেই স্বাস্থ্য বাজেট দেওয়া হচ্ছে।

করোনার কারণে স্বাস্থ্য বাজেট নিয়ে এবার বেশ আলোচনা হচ্ছে। ১৬-১৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বছরে মাত্র ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো খরচ করে, যা বাজেটের ৫ শতাংশের কম। আর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় ১ শতাংশের কম খরচ হয়। যা এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ৪৮টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম।

আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ চলতি বছরের চেয়ে কমে যাচ্ছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের মূল এডিপিতে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ খাতে ১৩ হাজার ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। আগামী এডিপিতে এই খাতে ১৩ হাজার ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খরচ করতে না পারায় অবশ্য চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ১০ হাজার ১০৮ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।

নতুন যা থাকছে

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্য খাতের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আড়াই হাজার কোটি টাকার দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অনুদানে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী সরাসরি কেনার কথা আছে। করোনাসংক্রান্ত প্রকল্প দুটি হলো বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকার কোভিড–১৯ ইমার্জেন্সি রেসপনস অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপার্ডনেস প্রকল্প এবং এডিবির সহায়তায় ১ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকার কোভিড–১৯ রেসপনস ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রকল্প। প্রকল্প দুটি গত সপ্তাহে পাস হলেও টাকা খরচ শুরু হবে আগামী অর্থবছর থেকে। চলমান প্রকল্প হিসেবে আগামী এডিপিতে যুক্ত হয়েছে। সব জেলা হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার বা সংঘ নির্মাণ এবং সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ইউনিট তৈরিই প্রকল্প দুটির মূল উদ্দেশ্য। চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীও কেনা হবে। এ ছাড়া আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের গবেষণার জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। জনবলসংকট কমাতে ইতিমধ্যে চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামোতেই আগ্রহ

এবার দেখা যাক, এডিপিতে কেমন প্রকল্প আছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ খাতে মোট ৬৭টি বিনিয়োগ প্রকল্প আছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৩১টি প্রকল্প। সার্বিকভাবে এডিপিতে থাকা প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৪৮টি প্রকল্পই হাসপাতাল ভবন, মেডিকেল কলেজ ভবন, নার্সিং ইনস্টিটিউট ভবনের মতো অবকাঠামো নির্মাণের প্রকল্প। বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের তিনটি প্রকল্প এবং একটি যন্ত্রপাতি কেনার প্রকল্প আছে। গবেষণা, প্রশিক্ষণ—এমন দক্ষতা বৃদ্ধির আলাদা কোনো প্রকল্প নেই। তবে কিছু প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবে প্রশিক্ষণ এবং সীমিত পরিসরে গবেষণার সুযোগ রাখা হয়েছে।

করোনায় স্বাস্থ্য খাতের সংকট প্রকট হয়েছে তবু গতানুগতিক স্বাস্থ্য বাজেট দেওয়া হচ্ছে

স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ৯টি প্রকল্প ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিএসের জাতীয় আয় শাখার আধুনিকায়ন; জিডিপির ভিত্তিবছর পরিবর্তনের জন্য সমীক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ পরিসংখ্যান শক্তিশালী করার মতো প্রকল্পও স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প হিসেবে দেখানো হয়েছে। আদমশুমারি ও প্রতিবন্ধী জরিপের প্রকল্পও স্বাস্থ্য খাতে অন্তর্ভুক্ত।

স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি হলো ৪৩ হাজার কোটি টাকার চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর উন্নয়ন কর্মসূচি। আগামী অর্থবছরে এই কর্মসূচিতে ৫ হাজার ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ছোট-বড় ২৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, এডিপির মাধ্যমে মানসম্পন্ন খরচ হয় না। আর স্বাস্থ্য খাতের কর্মকর্তাদের অবকাঠামো খাতেই খরচের আগ্রহ বেশি। কারণ এতে দুর্নীতি করার সুযোগ বেশি।

১০ বছরে বরাদ্দ তিন গুণ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটকেই সাধারণত স্বাস্থ্য বাজেট হিসেবে ধরা হয়। উন্নয়ন ও পরিচালন—এই দুই খাতের খরচ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট তৈরি হয়। বেতন–ভাতা, সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকের ওষুধ কেনা, নিয়মিত যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের মতো অবধারিত খরচ মেটানো হয় পরিচালন ব্যয় থেকে। উন্নয়ন বাজেট দিয়ে হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনসহ ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, প্রশিক্ষণ, সচেতনা বৃদ্ধি, গবেষণা—এসব কাজ হয়।

গত ১০ বছরে বাজেটের আকার যে হারে বেড়েছে, সেই হারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়েনি। এ সময়ে মন্ত্রণালয়টির বাজেট বেড়েছে তিন গুণ। বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় সোয়া চার গুণ। ফলে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের অংশীদারত্ব ক্রমশ কমেছে। বাজেট ঘোষণার সময় খাতওয়ারি বরাদ্দ ১৫টি ভাগে ভাগ করা হয়। দেখা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাত বাজেটের ৬ দশমিক ২ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছিল। ১৫টি খাতের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের অবস্থান ছিল নবম। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ নেমেছে বাজেটের মাত্র ৪ দশমিক ৯ শতাংশে। স্বাস্থ্য খাতের অবস্থান ১১তম।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য শামসুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, করোনা সংকটে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভঙ্গুর চিত্র ওঠে এসেছে। স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করায় ধনীরা উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন। অন্যদিকে গরিবদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তাই সর্বজনীন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আগামী কয়েক বছরে স্বাস্থ্য খাতের খরচ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।

টাকার অঙ্কে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়লেও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১ হাজার ৮৭১ জনের বিপরীতে আছেন একজন চিকিৎসক। এ ছাড়া প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে নার্সের অনুপাত ২ দশমিক ৯৯ এবং সরকারি হাসপাতালে শয্যার অনুপাত ২ দশমিক ৮৯।

অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাস্থ্য খাতের অসংগতিগুলো ধরিয়ে দিয়েছে। আগামী অর্থবছরে করোনা মোকাবিলায় বেশি নজর দিতে হবে। তবে সার্বিকভাবে কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে, যা এক দিনে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। আগামী অর্থবছর থেকেই তা শুরু করা উচিত।

Advertisement
Click to comment

জাতীয়

৪৩৩ জনের করোনা শনাক্ত, হার ৬.২৭ শতাংশ

Published

on

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ৪৩৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ঢাকায় শনাক্ত হয়েছে ৩৯৩ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৭ জনে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি। ফলে মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩১ জনই রয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ল্যাবরেটরিতে ৬ হাজার ৯০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এদিকে, একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৯৩ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ৭১১ জন।

দেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Continue Reading

জাতীয়

দন্তচিকিৎসক বুলবুল হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

Published

on

ঢাকায় দন্তচিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রিপন (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এই তথ্য জানিয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকেলে ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে অভিযান চালিয়ে রিপনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ডিবি।

গত ২৭ মার্চ ভোরে রাজধানীর মিরপুরের কাজীপাড়ায় ছিনতাইকারীদের হাতে সংঘটিত এই হত্যার ঘটনায় এ নিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মানস কুমার পোদ্দার আজ বৃহস্পতিবার সকালে গণমাধ্যমকে বলেন, এই হত্যার ঘটনায় আগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জবানবন্দিতে রিপনের নাম আসে। এই তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বুলবুল হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন রিপন। তিনি ছিনতাইকারী দলটির নেতা।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, বুলবুলকে হত্যার পর রিপন নলছিটিতে পালিয়ে ছিলেন। তাঁর বাড়ি ওই এলাকায়।

মানস কুমার বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে রিপন জানিয়েছেন, বুলবুলের সঙ্গে থাকা টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিতে তাঁরা পাঁচজন মিলে তাঁকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন। বুলবুলের সঙ্গে ১২ হাজার টাকা ছিল।

বুলবুল হত্যায় আগে গ্রেপ্তার চারজন হলেন আরিয়ান ওরফে হাফিজুল ওরফে হৃদয় (৩৯), সোলায়মান (২৩), রায়হান ওরফে আপন ওরফে সোহেল (২৭) ও রাসেল হোসেন হাওলাদার (২৫)।

হৃদয় ও সোলায়মান ইতিমধ্যে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, তাঁরা পাঁচজন গত ২৬ মার্চ দিবাগত রাত ২টা থেকে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে ঘোরাঘুরি করছিলেন। বুলবুল যখন রিকশায় করে পশ্চিম কাজীপাড়ার নাভানা ফার্নিচারের সামনে আসেন, তখন তাঁরা তাঁর গতিরোধ করেন। এ সময় দলনেতা রিপনসহ অন্যরা বুলবুলের কাছে যা আছে, তা দিয়ে দিতে বলেন। বুলবুল দিতে রাজি না হলে তাঁদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে বুলবুলকে ছুরিকাঘাত করেন রিপন।

ডিবি পুলিশের এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম অবস্থায় বুলবুল রাস্তায় পড়ে থাকেন। স্থানীয় লোকজনসহ বিহঙ্গ পরিবহনের বাসচালক আশিফ ও চালকের সহকারী সাগর মিলে বুলবুলকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। পরে তাঁকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

বুলবুল হত্যার ঘটনায় তাঁর স্ত্রী শাম্মী আক্তার বাদী হয়ে মিরপুর থানায় একটি মামলা করেন। এই মামলায় গত ৩০ মার্চ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরদিন আদালত তাঁদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Continue Reading

জাতীয়

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

Published

on

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ সহ রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হলো।

রোববার (১২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে এ অভিযোগ গঠন করেন। হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক এই মামলা করে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখিত অন্য আসামিরা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. দিদারুল ইসলাম।  

এর আগে গত ৬ জুন এ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন আসামিপক্ষে এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন করেন। অন্যদিকে দুদক অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুন দিন ধার্য করেন।  

২০২১ সাকের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেন। এছাড়া মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এ বদলির আদেশ দেন।

২০২০ সালের ২৩ বছরের সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এই মামলাটি দায়ের করেন। হাসপাতালের লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা করা হয়। সেখানে আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা হয়নি। তবে তদন্তে নাম আসায় অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত মামলার এজাহার গ্রহণ করেন। এসময় দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারীকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করার ব‌্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন‌্য রোগী প্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

Continue Reading

জাতীয়

ডেন্টাল ইউনিটের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি নষ্ট, সেবা ব্যাহত

Published

on

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিটের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে জনবল–সংকট। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে দাঁতের সমস্যা নিয়ে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাঁরা পাচ্ছেন না যথাযথ চিকিৎসাসেবা।

গত বছরের ৩১ অক্টোবর ডেন্টাল সার্জন মোছা. ফরিদা ইয়াসমিন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে ডেন্টাল ইউনিটের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অটোক্লেভ মেশিনের জন্য আবেদন করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিটের যন্ত্রপাতি অনেক দিন ধরে নষ্ট। এতে সাধারণ রোগীদের সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিটের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ অটোক্লেভ মেশিন দরকার। পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান গত ৬ জানুয়ারি ডেন্টাল ইউনিটের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের চিফ টেকনিক্যাল ম্যানেজার (উপসচিব) এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বরাবর চিঠি দেন।

ওই চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন দেড় থেকে ২ হাজার রোগী বহির্বিভাগে আসেন। এর মধ্যে ডেন্টাল বিভাগে প্রচুর রোগী আসেন। কিন্তু হাসপাতালের ডেন্টাল ইউনিটের যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা ঠিকমতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিমিউ অ্যান্ড টিসি বিভাগের সিনিয়র টেকনিশিয়ান (যান্ত্রিক) মো. হাফিজুর রহমান হাসপাতালে আসেন। তিনি ডেন্টাল ইউনিটের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। ওই সময় তিনি দেখতে পান, ডেন্টাল কক্ষের এয়ার কমপ্রেসর পাওয়ার কাজ করে না, মোটরটি পুড়ে গেছে, প্রেসার কন্ট্রোল সুইচ ও পাওয়ার সার্কিট নষ্ট।

গত মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ডেন্টাল কক্ষে সরেজমিনে দেখা গেছে, রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার ডেন্টাল চেয়ার, বাতি (লাইট) ও কমপ্রেসর অকেজো হয়ে গেছে। সেখানে পানির সংযোগও নেই। সকাল সাড়ে আটটা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ডেন্টাল সার্জন মোছা. ফরিদা ইয়াছমিন ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. নাজিম উদ্দিন মিলে ৯৭ জন রোগী দেখেছেন। এর আগের দিন সোমবার তাঁরা দুজন মিলে ১২৫ জন রোগী দেখেছেন। তবে এখানে দাঁতের সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের জন্য এক্স-রে করার যন্ত্র নেই।

এদিকে হাসপাতালে ডেন্টাল সার্জনের পদ রয়েছে একটি। আর মেডিকেল টেকনোলজিস্টের দুটি পদ থাকলেও কর্মরত আছেন একজন। ফলে এখানে প্রয়োজনীয় জনবলের সংকট আছে।

ডেন্টাল ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে আসা রোগীদের রুট ক্যানেল, দাঁত ফিলিং ও দাঁত তোলা হয়। সপ্তাহে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার শুধু শিশু ও বয়স্ক রোগীদের দাঁত তোলা হয়। রুট ক্যানেল ও দাঁতের ফিলিং করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টার মধ্যে দাঁতের সব ধরনের সমস্যা নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে আসেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতিসহ জনবল–সংকটে রোগীরা যথাযথ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জেলা শহরের কাজীপাড়া এলাকার ফারুক মিয়া বলেন, ‘প্রচণ্ড দাঁতের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে যাই। চিকিৎসক এক্স-রে করাতে বলেছেন। কিন্তু জেলার এত বড় হাসপাতালে দাঁতের এক্স-রে করার যন্ত্র নেই। এ ছাড়া ডেন্টাল ইউনিটের চেয়ার নষ্ট, বাতি কাজ করে না। নেই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও। তাই বাধ্য হয়ে বেসরকারি ডেন্টাল ক্লিনিকে গিয়ে দাঁত ফেলেছি।’

ডেন্টাল সার্জন ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, ‘প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় ডেন্টাল ইউনিটটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। নেই তেমন জনবল। শুধু শিশু ও বয়স্কদের দাঁত তোলার পাশাপাশি অন্য রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকি। ডেন্টাল ইউনিটের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার লিখেছি।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ডেন্টাল ইউনিটের বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

Continue Reading

জাতীয়

খুলনা ডেন্টাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ কতটুকু এগিয়েছে?

Published

on

খুলনার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে খুলনায় ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ এগিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য রূপসা সেতুর বাইপাস সড়ক ও লবণচরা থানার পাশে ২০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। ফিজিবিলিটি স্ট্যাডির কাজ শেষ পর্যায়ে। প্রথম পর্যায়ে কলেজে ১২০টি আসন এবং ৫০০ শয্যা করার প্রস্তাবনা দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের ব্যাপারে ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সরেজমিনে দেখে নগরী সংলগ্ন লবণচরা থানার পাশে জায়গা নির্ধারণ করা হয়। ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর ২০ একর জমি চিহ্নিত করে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠায় খুলনা জেলা প্রশাসন। জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৮ কোটি টাকা।

পরবর্তীকালে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ‘খুলনা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ নভেম্বর নিয়োগ করা হয় প্রকল্প পরিচালক। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)’ পরিচালিত সমীক্ষা কার্যক্রম বা ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সম্পন্ন হয়েছে ডিজিটাল সার্ভের কাজও।

খুলনা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক ডা. মোশাররফ হোসেন খন্দকার জানান, সমীক্ষা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ চূড়ান্ত করা হবে। পাশাপাশি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে একনেকে। একনেকে অনুমোদন পাওয়ার পর দরপত্র আহ্বান করা হবে। এরপর ঠিকাদার নিযুক্ত করা হলে তারা অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করবে। অবকাঠামো নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করবে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এই কলেজ হাসপাতালটি বিশ্ব মানের একটি প্রতিষ্ঠান হবে বলেও জানাচ্ছেন তিনি।

প্রকল্প পরিচালক জানান, কলেজে মোট ১২০টি আসন এবং হাসপাতালে ৫০০ শয্যা চালু করার জন্য তারা প্রস্তাবনা তৈরি করেছেন। একাডেমিক ভবনে মোট ২৮টি বিভাগ থাকবে। প্রশাসনিক ভবন হবে আট তলা। প্র্যাকটিক্যাল কক্ষ, বিভিন্ন ধরনের ল্যাব, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক বিভাগ ও ৪০০ আসনের একটি লাইব্রেরি নির্মাণ করা হবে। থাকবে অডিটোরিয়াম, লেকচার গ্যালারি, শ্রেণিকক্ষ, টিউটোরিয়াল কক্ষ, ছাত্রছাত্রীদের জন্য পৃথক কমন রুম, ক্যাফেটেরিয়া প্রভৃতি। কলেজে মর্গ ও মরচুয়ারি এবং ডিএনএ টেস্টের আধুনিক ল্যাব থাকবে। এর পাশাপাশি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, হোস্টেলসুপার ও হাসপাতাল পরিচালকের আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে।

তিনি জানান, হাসপাতালে ৫০০ শয্যার পাশাপাশি অপারেশন থিয়েটার, জরুরি বিভাগ, আউটটোর, ফার্মেসি প্রভৃতি থাকবে। নির্মাণ করা হবে হাসপাতাল ভবন, প্রশাসনিক ভবন। বৈদ্যুতিক সাব স্টেশন, হেলিপ্যাড, মসজিদ, পুকুর, মাঠ ও জিমনেসিয়াম তৈরি করা হবে।

সোমবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজে ‘খুলনা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা’ শীর্ষক প্রকল্পের মতামত জরিপ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতামত জরিপ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান।

সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার। বক্তৃতা করেন খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দ্বীন উল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, খুলনা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অসিম কুমার সাহা, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহীদুজ্জামান বাবলু, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা প্রমুখ।

সভায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা পুলিশ, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, বিআইএম, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় খুলনা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় যাতে দ্রুত কলেজ ও হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা যায়, সেজন্য গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় জানানো হয়, প্রস্তাবিত ডেন্টাল কলেজের জায়গার পাশেই শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় জেলা প্রশাসক জানান, দ্রুত জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করবে।

Continue Reading
চট্রগ্রাম বিভাগ15 hours ago

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

স্বাস্থ্য15 hours ago

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের তথ্য কেন এনআইডিতে নয়, হাইকোর্টের রুল

সংগঠন1 day ago

বিএফডিএস’র আয়োজনে ডেন্টিস্টদের পদ্মা সেতু ভ্রমণ

Campus News2 weeks ago

রংপুর মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ইউনিটের দশ বছর পূর্তি উদযাপিত

Campus News1 month ago

ঢামেকে “ওয়েগেনারস গ্রানুলোমেটোসিস” বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

BFDS1 month ago

বিএফডিএস কতৃক ইন্টার্ণ চিকিৎসকের নিয়ে কার্যকর আয়োজন

ক্যারিয়ার2 months ago

৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আন্তর্জাতিক2 months ago

ডেন্টাল রেকর্ডের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্রিটিশ সাংবাদিক শনাক্ত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

ঢাকায় ২৯ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

জাতীয়2 months ago

৪৩৩ জনের করোনা শনাক্ত, হার ৬.২৭ শতাংশ

নোটিশ2 months ago

৪০তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন

জাতীয়2 months ago

দন্তচিকিৎসক বুলবুল হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

জাতীয়2 months ago

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল ইউনিটের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি নষ্ট, সেবা ব্যাহত

Campus News2 months ago

আন্দোলনের তৃতীয় দিনে সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা

সিলেট বিভাগ2 months ago

পঞ্চম শ্রেণি পাশ না করেই তিনি অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট!

জাতীয়2 months ago

খুলনা ডেন্টাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ কতটুকু এগিয়েছে?

জাতীয়2 months ago

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেন্টাল ইউনিটে চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন

জাতীয়2 months ago

দেশে অসংক্রামক রোগে ৬৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Campus News2 months ago

বিডিএস ৩য় ফেজ এর শিক্ষার্থীদের জন্যে পেরিওডন্টোলজী এন্ড ওরাল প্যাথলজীর বই এর মোড়ক উন্মোচন

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification