Connect with us

জাতীয়

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না

Avatar

Published

on

স্বাস্থ্য বাজেট

আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বড় কোনো পরিবর্তন আসছে না। করোনা মোকাবিলায় দুই-চারটি নতুন প্রকল্প নেওয়া; গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে। এ খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দূর করতে কাঠামোগত বড় সংস্কারের উদ্যোগ নেই। গতানুগতিকভাবেই স্বাস্থ্য বাজেট দেওয়া হচ্ছে।

করোনার কারণে স্বাস্থ্য বাজেট নিয়ে এবার বেশ আলোচনা হচ্ছে। ১৬-১৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বছরে মাত্র ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো খরচ করে, যা বাজেটের ৫ শতাংশের কম। আর মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় ১ শতাংশের কম খরচ হয়। যা এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ৪৮টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম।

আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ চলতি বছরের চেয়ে কমে যাচ্ছে। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের মূল এডিপিতে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ খাতে ১৩ হাজার ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। আগামী এডিপিতে এই খাতে ১৩ হাজার ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খরচ করতে না পারায় অবশ্য চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ১০ হাজার ১০৮ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।

নতুন যা থাকছে

করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বাস্থ্য খাতের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আড়াই হাজার কোটি টাকার দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অনুদানে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী সরাসরি কেনার কথা আছে। করোনাসংক্রান্ত প্রকল্প দুটি হলো বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকার কোভিড–১৯ ইমার্জেন্সি রেসপনস অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপার্ডনেস প্রকল্প এবং এডিবির সহায়তায় ১ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকার কোভিড–১৯ রেসপনস ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রকল্প। প্রকল্প দুটি গত সপ্তাহে পাস হলেও টাকা খরচ শুরু হবে আগামী অর্থবছর থেকে। চলমান প্রকল্প হিসেবে আগামী এডিপিতে যুক্ত হয়েছে। সব জেলা হাসপাতালে আইসোলেশন সেন্টার বা সংঘ নির্মাণ এবং সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ইউনিট তৈরিই প্রকল্প দুটির মূল উদ্দেশ্য। চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীও কেনা হবে। এ ছাড়া আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের গবেষণার জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। জনবলসংকট কমাতে ইতিমধ্যে চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অবকাঠামোতেই আগ্রহ

এবার দেখা যাক, এডিপিতে কেমন প্রকল্প আছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত এডিপি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবারকল্যাণ খাতে মোট ৬৭টি বিনিয়োগ প্রকল্প আছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৩১টি প্রকল্প। সার্বিকভাবে এডিপিতে থাকা প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৪৮টি প্রকল্পই হাসপাতাল ভবন, মেডিকেল কলেজ ভবন, নার্সিং ইনস্টিটিউট ভবনের মতো অবকাঠামো নির্মাণের প্রকল্প। বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের তিনটি প্রকল্প এবং একটি যন্ত্রপাতি কেনার প্রকল্প আছে। গবেষণা, প্রশিক্ষণ—এমন দক্ষতা বৃদ্ধির আলাদা কোনো প্রকল্প নেই। তবে কিছু প্রকল্পের অঙ্গ হিসেবে প্রশিক্ষণ এবং সীমিত পরিসরে গবেষণার সুযোগ রাখা হয়েছে।

করোনায় স্বাস্থ্য খাতের সংকট প্রকট হয়েছে তবু গতানুগতিক স্বাস্থ্য বাজেট দেওয়া হচ্ছে

স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ৯টি প্রকল্প ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিবিএসের জাতীয় আয় শাখার আধুনিকায়ন; জিডিপির ভিত্তিবছর পরিবর্তনের জন্য সমীক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ পরিসংখ্যান শক্তিশালী করার মতো প্রকল্পও স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প হিসেবে দেখানো হয়েছে। আদমশুমারি ও প্রতিবন্ধী জরিপের প্রকল্পও স্বাস্থ্য খাতে অন্তর্ভুক্ত।

স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি হলো ৪৩ হাজার কোটি টাকার চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর উন্নয়ন কর্মসূচি। আগামী অর্থবছরে এই কর্মসূচিতে ৫ হাজার ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে ছোট-বড় ২৯ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, এডিপির মাধ্যমে মানসম্পন্ন খরচ হয় না। আর স্বাস্থ্য খাতের কর্মকর্তাদের অবকাঠামো খাতেই খরচের আগ্রহ বেশি। কারণ এতে দুর্নীতি করার সুযোগ বেশি।

১০ বছরে বরাদ্দ তিন গুণ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটকেই সাধারণত স্বাস্থ্য বাজেট হিসেবে ধরা হয়। উন্নয়ন ও পরিচালন—এই দুই খাতের খরচ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট তৈরি হয়। বেতন–ভাতা, সরকারি হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিকের ওষুধ কেনা, নিয়মিত যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের মতো অবধারিত খরচ মেটানো হয় পরিচালন ব্যয় থেকে। উন্নয়ন বাজেট দিয়ে হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনসহ ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, প্রশিক্ষণ, সচেতনা বৃদ্ধি, গবেষণা—এসব কাজ হয়।

গত ১০ বছরে বাজেটের আকার যে হারে বেড়েছে, সেই হারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট বাড়েনি। এ সময়ে মন্ত্রণালয়টির বাজেট বেড়েছে তিন গুণ। বাজেটের আকার বেড়েছে প্রায় সোয়া চার গুণ। ফলে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের অংশীদারত্ব ক্রমশ কমেছে। বাজেট ঘোষণার সময় খাতওয়ারি বরাদ্দ ১৫টি ভাগে ভাগ করা হয়। দেখা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাত বাজেটের ৬ দশমিক ২ শতাংশ বরাদ্দ পেয়েছিল। ১৫টি খাতের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের অবস্থান ছিল নবম। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ নেমেছে বাজেটের মাত্র ৪ দশমিক ৯ শতাংশে। স্বাস্থ্য খাতের অবস্থান ১১তম।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য শামসুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, করোনা সংকটে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভঙ্গুর চিত্র ওঠে এসেছে। স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ উন্মুক্ত করায় ধনীরা উন্নত চিকিৎসা পাচ্ছেন। অন্যদিকে গরিবদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তাই সর্বজনীন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আগামী কয়েক বছরে স্বাস্থ্য খাতের খরচ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।

টাকার অঙ্কে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়লেও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১ হাজার ৮৭১ জনের বিপরীতে আছেন একজন চিকিৎসক। এ ছাড়া প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে নার্সের অনুপাত ২ দশমিক ৯৯ এবং সরকারি হাসপাতালে শয্যার অনুপাত ২ দশমিক ৮৯।

অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাস্থ্য খাতের অসংগতিগুলো ধরিয়ে দিয়েছে। আগামী অর্থবছরে করোনা মোকাবিলায় বেশি নজর দিতে হবে। তবে সার্বিকভাবে কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে, যা এক দিনে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। আগামী অর্থবছর থেকেই তা শুরু করা উচিত।

জাতীয়

ভুয়া ডেন্টিস্ট : জামাই প্রেসক্রিপশন লেখে, শ্বশুর করে স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

ভুয়া ডেন্টিস্ট

শ্বশুর নূর হোসেন তৃতীয় শ্রেণি পাস, আর জামাতা জাহিদুল ইসলাম পড়েছেন দশম শ্রেণি পর্যন্ত। কিন্তু তাতে কী! যেন দেখার কেউ নেই। তৃতীয় ও দশম শ্রেণি পড়া শ্বশুর-জামাই মিলে রাজধানীর খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকায় গড়ে তুলেছেন ‘পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। যেখানে জামাই ও শ্বশুর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ রোগীদের দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।

শেষ রক্ষা হয়নি, পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বিশেষ অভিযানে ধরা পড়েছে তাদের এ অভিনব প্রতারণা।

পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’ পরিচালনার আড়ালে অন্য চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করা প্রেসক্রিপশন প্যাডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখে আসছিলেন তারা।

ভুক্তভোগী রোগীদের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাড়ার ওই ডেন্টাল কেয়ারে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-৩।

অভিযান শেষে শ্বশুর নূর হোসেনকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং জামাতা জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন র‍্যাব পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু ডেন্টাল টাইমসকে বলেন, অভিযানে দেখা যায় অন্য ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ডাক্তার অপারেশনসহ দাঁতের ট্রিটমেন্ট দিচ্ছেন নূর হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম।

DentalTimes

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ভুয়া চিকিৎসক নূর হোসেন ওষুধের নামও ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারছিলেন না। তখন সন্দেহবশত জানতে চাইলে মো. নূর হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, তিনি তৃতীয় শ্রেণি পাস। সম্পর্কে তিনি অপর ভুয়া চিকিৎসক জাহিদুল ইসলামের শ্বশুর। জামাতা জাহিদুল আগে পাথর কোম্পানিতে চাকরি করতো, সেটা ছেড়ে শ্বশুরের সঙ্গে ডেন্টাল ক্লিনিকে ভুয়া চিকিৎসা দেয়া শুরু করেন।

জিহান কবির নামের এক চিকিৎসকের প্যাডে তারা স্বাক্ষর করে চিকিৎসাপত্র দিয়ে আসছিলেন। জামাই জাহিদুল ওষুধের নাম লিখতেন আর শ্বশুর নূর হোসেন শুধু করতেন স্বাক্ষর। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া চিকিৎসা দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন।

অভিযানকালে বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, দালালদের মাধ্যমে তারা জেনেছেন, ওই ডেন্টাল কেয়ারে অভিজ্ঞ চিকিৎসক বসেন। অনেকে চিকিৎসাপত্রও নিয়েছেন। কিন্তু তারা এটা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি মাত্র তৃতীয় ও দশম শ্রেণিতে পড়া দুজন ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে এতদিন চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন!

ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, নূর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এ প্রতারণার সঙ্গে জড়িত। তিনি আগে চিকিৎসকদের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন। মাঝে মাঝে তিনি চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে চিকিৎসাপত্রও দিতেন! বছরখানেক আগে তিনি নিজেই বেশি লাভের আশায় এই ‘পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার’ নামক প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। জামাই-শ্বশুর মিলে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।

শ্বশুর নূর হোসেনকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং জামাতা জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পঞ্চগড় ডেন্টাল কেয়ার নামক প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

Continue Reading

করোনা পরিস্থিতি

দেশে করোনায় মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়েছে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ১ হাজার ৬৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করোনা সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকালের তুলনায় আজ দেশে নতুন রোগী, মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার সবই বেড়েছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল। রোগী শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ২৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন ও নারী ৭জন। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আর একজনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে চলতি বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানানো হয় ১৮ মার্চ।

দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

Continue Reading

জাতীয়

তিন দফা দাবিতে বিএমডিসির সামনে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

তিন দফা দাবীতে বিএমডিসি কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীরা। সারাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টালের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

সেশনজট মুক্ত শিক্ষাবর্ষ এবং করোনায় ১ম, ২য়,৩য় পেশাগত পরীক্ষা বাতিল করে অটোপ্রমোশনের দাবিতে এই মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০ টায় এই মানববন্ধন শুরু হয়৷

তারা মানববন্ধনে তিন দফা দাবি উপস্থাপন করে।
১. করোনা মহামারিতে প্রফ নয় প্রফের বিকল্প চাই
২. অনতিবিলম্বে সেশনজট দূরীকরণের পরবর্তী ফেজের অনলাইন ক্লাস শুরুর নির্দেশ দেওয়া হোক
৩. পরীক্ষা ও ক্লাস সংক্রান্ত সকল আদেশের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করতে হবে।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানায়, “এমবিবিএস/বিডিএস শিক্ষাব্যাবস্থা একটি দীর্ঘমেয়াদী কোর্স।একজন শিক্ষার্থীর ছয় বছর লেগে যায় এমবিবিএস সম্পন্ন করতে। এখন কোভিড-১৯ এর জন্য আমরা আরো পিছিয়ে পরেছি। ইতিমধ্যে ১ম, ২য়, ৩য় পেশাগত পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা মে-২০২০ এর পরীক্ষা মহামারী করোনার কারণে সময় মত অনুষ্ঠিত না হওয়ায় ৮ মাস পিছিয়ে গিয়েছি এবং যার ফলে আমরা ধেয়ে চলেছি এক ভয়াবহ সেশনজটের দিকে।”

তারা আরো জানান, “শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে জে এস সি এবং এইচ এস সি এর মত বিশাল পাব্লিক পরীক্ষাগুলোর পরীক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে অটোপ্রমোশন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও সেশনজট এড়াতে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু করা হচ্ছে। যেখানে শীতকালীন করোনার সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সব জায়গায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষাজীবনের কথা ভেবে আমাদের দাবি মেনে দেওয়া জন্য অনুরোধ করা হলো।”

Continue Reading

জনপ্রিয়

Enable Notifications From DentalTimesBD    Ok No thanks