Connect with us

Uncategorized

বিডিএস কোর্সের সময় বাড়ল কিন্তু পরিসর বাড়ল কি?

Published

on

Dental Times

বিডিএস কোর্সের সময় বাড়ানোর সাথে সাথে আশার সঞ্চার হয়েছিল এই বুঝি আমরা বিশ্বমানের ডেন্টিস্ট্রির কারিকুলাম পাবো। দাবী ছিল কিছু বাস্তবতার সাথে চিন্তা করার। কিন্তু আসলে কি হলো? ব্যবসায়ীদের দাবীতে ৫ বছর হলো যেন নেপাল থেকে ছাত্র- ছাত্রীরা পড়তে আসে। যাদের দাবীতেই হউক তাতে কিছু আসে যায় না, আমরা খুশি হয়েছিলাম এই জন্য যে এটা আমরা আগে থেকেই চেয়ে আসছিলাম বলে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে কি আমরা পারলাম?

কোথায় ওরাল রেডিওলজি? কনজারভেটিভ এর চিপা থেকে আর পেরিএপিক্যাল ভিউ ছাড়া আর কি ডেন্টালে পড়তে হবে না? যখন পৃথিবী হাটছে ইমেজিং এর দিকে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, সিটি স্ক্যান, সিবিসিটি, এম,আর,আই, নিউক্লিয়ার ইমেজিং, আর আমরা ‘এ’ ফর এ্যাপল’!

আন্ডারগ্র্যাজুয়েট লেভেল এ কেউ ইমেজিং এর মাস্টার হবে তা কেউই মনে করে না, কিন্তু সমান্তরাল কোর্সের সহপাঠী যখন আল্ট্রাসনোগ্রাম নিয়ে কিছু আলোচনা করবে তখন আমাদের কোর্সের স্টুডেন্টরা হীনমন্যতায় ভুগবে এটা নিশ্চিত। একটা পারোটিড সোয়েলিং, একটা এবসেস, একটা ভাস্কুলার লিসন কি আমাদের ডাক্তার রা ডায়াগনোসিস করার মত কনফিডেন্ট হবে না? একটি ওপিজি ও কি আমরা খুব ভালোভাবে পড়তে পারি, বিশেষ করে বিডিএস পাশ করার পর? সিটি স্ক্যান না পড়তে পারলে ও একটু ধারণা তো পেতে পারে। আমাদের কোর্স কি সেই সুযোগ দিবে?

কতজন ওরাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশে আছে? রোগী? মিউকোসাল লিসন, ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া নিয়ে যত রোগী বাংলাদেশে ঘুরছে তার ইয়ত্তা নেই। বাংলাদেশের এই রোগীরা কি সারা জীবন ওরাল সার্জন দের কাছ থেকেই চিকিৎসা নিবে নাকি কোন বিশেষজ্ঞ পাবে? আন্ডারগ্র্যাজুয়েটই যদি শক্ত না হয় তবে পোস্টগ্র্যাজুয়েশন খোলার দাবী সূদুর পরাহত ।

যখন কোন পুলিশ কেস এর রোগী আসে, রেজিস্ট্রার আর এসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার ঠেলাঠেলি শুরু করে কে নোট লিখবে? ইঞ্জুরী আইনী ভাষায় কিভাবে চিহ্নিত করে নোট করবে এই নিয়ে দুশ্চিন্তা। নিজেদের আত্মবিশ্বাস নস্ট হয়ে যায়। স্মার্টলি বিষয়টি হ্যান্ডেল না করার কারণ ফরেন্সিক ওডন্টলজি নামে আমরা যা পড়ি তা খুবই সামান্য। বিষয়টি ইনক্লুড করার প্রয়োজন ছিল, বিশেষ করে সামনে খারাপ সময় আসছে।

একটি সাবজেক্ট বাড়া মানে শুধু জ্ঞান বাড়াই না, নতুন পোস্ট গ্রাজুয়েট কোর্স খোলার সুযোগ, নতুন পদ সৃষ্টির সুযোগ এবং জনগণকে ভালো সেবা দেওয়ার সুযোগ।

পাবলিক হেলথ ফাইনাল ইয়ারের বারটা বাজাবে নিশ্চিত, এটা সেকেন্ড ইয়ারেই ভালো ছিল, ওরাল প্যাথলজি বুঝতে হলে প্রথমে জেনারেল প্যাথলজি ভালোভাবে বুঝতে হবে, তাই সমান্তরালে দুই সাব্জেক্ট পড়ালে স্টুডেন্টদের ভোগান্তি বাড়তে পারে। আর ক্লিনিক্যাল এক্টিভিটিজ শক্তিশালী করে কোর্স কে সাজানো উচিত।

নীতি নির্ধারকদের নিকট আবেদন বিষয় গুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ থাকলে তা হাত ছাড়া না করা।

…………….. লেখক……………………

Dental Times

ডাঃ আরিফুল ইসলাম
সহকারী অধ্যাপক ( ওরাল এবং ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী),
ডেন্টাল ইউনিট, রংপুর মেডিকেল কলেজ।

Advertisement

Uncategorized

‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে’ – জাহিদ মালেক

Published

on

Dental Times