Connect with us

স্বাস্থ্য

মুখ গহ্বরের কিছু বিরল রোগ: Angina Bullosa Haemorrhagica

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

ANGINA_BULLOSA_HEMORRHAGICA

এটা খুব বিরল ধরনের মুখ গহ্বরের রোগ।শতকরা ০.৫%মানুষের এই রোগ হয়ে থাকে।এই রোগে হঠাৎ করে মুখ গহ্বরের soft tissu তে কিছু রক্তপূর্ণ ফোস্কা দেখা যায় যা কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়,তারপর স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ফেটে যায় যা খুবই কষ্টদায়ক।

এটা সাধারণত বয়ষ্ক মানুষদের (৪৫বছরের উপরে) বেশি হয়ে থাকে।নারী পুরুষ উভয়ের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা সমান।

এটা মূলত তালুতে(soft palate),গালে(buccal mucosa)এবং জিহ্বায় (tongue) এ দেখা যায়।

আক্রান্ত স্থানটিতে প্রথমে পোড়ারমত জ্বলতে থাকে,তারপর এতে রক্তপৃর্ণ ফোস্কা দেখা যায় যা কয়েক মিনিট বাদে নিজে থেকেই ফেটে যায়।এটা আক্রান্ত স্থানে ছোট্ট একটা ক্ষত রেখে যায় যা খুবই কষ্টদায়ক।

এটার প্রধান কারন….

  • *অ্যালার্জী জাতিয় খাবার খাওয়া।
  • *vitamin-B complex এবংvitC এর অভাবে।
  • *মাড়িতে বা গালে অসাবধানতাবশত কামড় লেগে গেলে।
  • *oral herpes virus এর জন্য।

Continue Reading
Click to comment

স্বাস্থ্য

আরব আমিরাতে সবার আগে টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল রহমান আল ওয়াইস দেশটিতে জরুরি ভিত্তিতে দেওয়া করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।এ টিকা তৈরি করেছে চীনা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম। টিকাটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে। সেখানকার হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরীক্ষা করার পর টিকার ডোজ তৈরি করা হয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার দেশটিতে চীনা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের তৈরি টিকা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়।করোনার টিকা পরীক্ষা শুরু করার ছয় সপ্তাহ পরই তা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমতি দিয়েছে দেশটি।গত জুলাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোভিড-১৯ টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু করে সিনোফার্ম। এখনো টিকাটির পরীক্ষা শেষ হয়নি।

দেশটির ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি এক টুইটে বলেছে, টিকাটি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রতিরক্ষাকাজে নিয়োজিত প্রথম সারির নায়কদের দেবে তারা। পরীক্ষাধীন থাকা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ২১ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরীক্ষা চালানোসহ কয়েকটি মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে।দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএম সোমবার জানিয়েছে, টিকাটি শুরুতে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে টিকাটি নেন।আল ওয়াইস বলেছেন, আরব আমিরাত সম্মুখসারির নায়কদের জন্য সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে থাকার কারণে যেকোনো বিপদ থেকে তাঁদের রক্ষা করা হবে।সোমবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাটি সম্পূর্ণ আইন ও নিয়ম মেনে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণ হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর পরীক্ষার এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।আরব আমিরাতে চালানো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৩১ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে যুক্ত করা হয়।আরব আমিরাতে বসবাসকারী ১২৫টি দেশের নাগরিকেরাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।দেশটির চিকিৎসক নাওয়াল আল কাব্বি বলেছেন, পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফল উৎসাহব্যঞ্জক। এতে খুব সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে দেখা গেছে।আরব আমিরাতের চিকিৎসকেরা বলছেন, টিকা পরীক্ষার সময় বিভিন্ন রোগ ও জটিলতায় ভুগতে থাকা এক হাজার ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

তাঁদের কোনো মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এতে কেবল সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের মতো গলাব্যথার মৃদু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সিনোফার্ম প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের টিকা পরীক্ষা চালিয়েছিল চীনে। পরের ধাপের পরীক্ষার জন্য আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানকে বেছে নেয়।

সিনোফার্মের পক্ষ থেকে গত জুলাই মাসে আরব আমিরাতে টিকা পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পরীক্ষামূলক টিকাটির প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ সফল হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ সময় ২৮ দিনের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পর শতভাগ স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়।সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন হিসেবে যে টিকা তৈরি করা হয়, এতে মৃত ভাইরাস বা ভাইরাস থেকে সংগৃহীত প্রোটিন ব্যবহৃত হয়। টিকা তৈরির এ প্রক্রিয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ও হামের বিরুদ্ধে পরীক্ষিত।

Continue Reading

জাতীয়

ডেন্টাল সার্জন পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক : দ্বিতীয় দফা জরিমানা

Avatar

Published

on

ডেন্টাল সার্জন পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক

ডেন্টাল সার্জন না হয়েও রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার অপরাধে বেসরকারি ক্লিনিক সান্ত্বনা ডেন্টাল হলের মালিক সৈয়দ মাকসুদুল ইসলাম মাসুদকে ফের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন উপজেলা সদরের কুমুদিনী হাসপাতাল রোডে অবস্থিত নিবন্ধনহীন ওই ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে তাকে জরিমানা করেন।

এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী ডেন্টাল সার্জন ডাঃ ফারহানা ও মির্জাপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) খবির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ক্লিনিক সিলগালা করে দেয়ার পরেও নিয়মতি রোগী দেখেতেন তিনি !!!

জানা গেছে, সৈয়দ মাকসুদুল ইসলাম মাসুদ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত রোগীদের দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনি সান্ত্বনা ডেন্টাল হলের মালিক সৈয়দ মাকসুদুল ইসলাম মাসুদকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং ক্লিনিকটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

DentalTimes

এর আগে ২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম আহমেদের নেতৃত্বে সান্ত্বনা ডেন্টাল হলে অভিযান চালিয়ে এক লাখ টাকা জরিমানা ও ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

ক্লিনিক মালিক সৈয়দ মাকসুদুল ইসলাম মাসুদ জানান, তিনি প্রাইভেট একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ডেন্টালে ডিপ্লোমা পাস করেছেন। তবে তিনি ডেন্টাল সার্জন নন। কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা পাস করেছেন- জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, জনস্বার্থে এ ধরণের প্রতারণা ও অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

নতুন সৃষ্ট পদে ৩৯তমের বঞ্চিত ডেন্টাল সার্জনরা নিয়োগ চান

Avatar

Published

on

DentalTimes

সাদিয়া ইসলাম রায়া, নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরোসের ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেবা দিতে চান ৩৯তম বিসিএসের নিয়োগ বঞ্চিত ২৫৩ জন নন-ক্যাডার ডেন্টাল সার্জন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন ২ হাজার চিকিৎসকের মধ্যে তাদের অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছেন ডেন্টাল চিকিৎসকরা । এ বিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ৩৯তম বিশেষ বিসিএস নন-ক্যাডার ডেন্টাল সার্জন ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তারা এ অহ্বান জানান। 

তারা বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের নন-ক্যাডার চিকিৎসকদের মধ্য থেকে ২ হাজার জনকে সহকারী সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে দুঃখজনভাবে সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। একই সময় সরকার ৫ হাজার ৫৪ নার্স নিয়োগ দিয়েছে এবং ৩ হাজার মেডিক্যাল টেকনোলোজিস্ট নিয়োগের পথে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও দুই হাজার চিকিৎসকের পদসৃষ্টির কথা জানিয়েছেন। এ অবস্থায় নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন ২ হাজার চিকিৎসকের মধ্যে তাদের অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানা নন-ক্যাডার ডেন্টাল সার্জনরা।

করোনায় ডেন্টাল সার্জনদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তার বলেন, করোনায় ডেন্টাল পেশা খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বতর্মান পরিস্থিতিতে উপজেলা হাসপাতালসহ সকল সরকারি হাসপাতালে কর্মরত ডেন্টাল সার্জনরা এই মহামারীতেও জনগণকে জরুরি দন্ত ও মুখগহ্বরের রোগের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন এবং করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডেও দায়িত্ব পালন করছেন। এরই মধ্যে করোনা আক্রান্ত শতাধিক উপজেলার ডেন্টাল সার্জনরা আইসোলেশনে, হোম বা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসাধীন আছেন এবং কয়েকজন মৃত্যুবরণ করেছেন। একদিকে ডেন্টাল সাজর্নের স্বল্পতা অন্যদিকে অসুস্থতার কারণে কেউ কেউ ছুটিতে থাকায় হাসপাতালে দন্ত চিকিৎসা সেবা দারুণ ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। 

এ অবস্থায় দন্ত চিকিৎসা সেবা যাতে ভেঙ্গে না পড়ে এই জন্য সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে জরুরি ভাবে ৩০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগের যৌক্তিকতা তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে গত ১৭ মে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা। 

এ সময় সারাদেশে ডেন্টাল সার্জনের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, ১৭ কোটি লোকসংখ্যার দেশে সকল পর্যায়ে সরকারি ডেন্টাল সার্জন আছেন মাত্র এক হাজর ২৯৬ জন, যা এই বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় খুবই কম। এই স্বল্পসংখ্যক ডেন্টাল সার্জনদের সিংহ ভাগই ঢাকা ডেন্টাল কলেজসহ বিভিন্ন বড় হাসপাতালে কর্মরত আছেন। দেশের ৬ থেকে সাড়ে ১৬ লাখ জনসংখ্যার একটি উপজেলার জনগণের জন্য ডেন্টাল সার্জনের পদ মাত্র একটি। এ অবস্থায় দেশের ক্রমবর্ধমান দাঁত ও মুখের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে ডেন্টাল সার্জনের পদ তৈরির আহ্বান জানান নিয়োগ বঞ্চিত ডেন্টাল সার্জনরা।

প্রসঙ্গত, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে সাড়ে নয় হাজার সহকারী সার্জন এবং ৫০০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জনসহ মোট ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে পদ স্বল্পতার কারণে ৪৫৪২ জন সহকারী সার্জন এবং ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জনসহ মোট ৪ হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসককে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেয়া হয় এবং ৮ হাজার ৩৬০ জনকে নন-ক্যাডার নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে ২৫৩ জন ডেন্টাল সার্জনও রয়েছেন। পরে করোনা পরিস্থিততে ৮ হাজার ৩৬০ জন নন-ক্যাডার থেকে ২ হাজার সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এতে কোন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

Continue Reading

জনপ্রিয়