Connect with us

Uncategorized

মেডিকেল/ডেন্টাল ভর্তি প্রশ্ন ফাঁসের নেতৃত্বে কর কর্মকর্তা

Published

on

            দিপঙ্কর চন্দ্র সরকার

শিশির মোড়ল ও আসাদুজ্জামান: মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের প্রধান সরকারের একজন সহকারী কর কমিশনার। অর্থের বিনিময়ে সহযোগীদের নিয়ে প্রশ্ন ফাঁস করেন তিনি। কয়েক বছর ধরে প্রশ্ন ফাঁস করে এই চক্রটি কয়েক কোটি টাকা আয় করেছে।

এই সহকারী কর কমিশনারের নাম দিপঙ্কর চন্দ্র সরকার। সরকারি চাকরির আড়ালেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্রটি গড়ে তুলেছেন তিনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁর অফিস থেকেই জব্দ করেছেন ১ কোটি ৭ লাখ টাকার চেক। আর তাঁর সহযোগীদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে আরও ৩ কোটি ৫০ লাখ ২৫ হাজার টাকার চেক।

চক্রটি এ বছরই কমপক্ষে ৬০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছ থেকে ৪ কোটি ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার চেক নেয়। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ওই সব চেকসহ ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে আদালতে ১৬৪ ধারায় একজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পলাতক বেশি

এ পর্যন্ত দিপঙ্করসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চক্রের প্রধান দিপঙ্কর গ্রেপ্তার হওয়ার ১০ দিনের মধ্যেই জামিনে বেরিয়ে আসেন। অন্যরা ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে জামিনে মুক্ত হন।

এ পর্যন্ত মেডিকেল প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের পাঁচজন আইনের আওতায় এসেছেন। গ্রেপ্তার হলেও তাঁরা এখন জামিনে আছেন। তাঁরা হলেন সামছুর রশীদ ওরফে দিপু (চিকিৎসক), সোলায়মান হোসেন ওরফে মেহেদি (চিকিৎসক), একরামুল ইসলাম ওরফে বাবু (বেকার যুবক), রাশেদুজ্জামান ওরফে রিপন (ছাত্র) এবং সাবিনা ইয়াসমিন ওরফে তিন্নী (রিপনের আত্মীয়)।

মামলার এজাহারে নাম আসা ১৫ জনই পলাতক। তাঁরা হলেন সাবিনার ভাই কলেজশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন, সুজন ওরফে রাজা বাবু (পঞ্চগড়ের একটি কলেজের শিক্ষক), ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থী সাইফুল আলম ওরফে বাদশা ও ফয়সাল আহমেদ ওরফে রাসেল, চিকিৎসক আসাদ ও অনিক, মোহাম্মদ লিটন (শুভেচ্ছা কোচিং সেন্টারের একজন মালিক) এবং তানজির হাসান ওরফে প্রেমেল (বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলের ছাত্র)। এ ছাড়া আবু তালেব, এস কে নূরুল ইসলাম, রোকোনুজ্জামান, সামিউল সোহান, রিয়াদ রহমান, পারভেজ হোসেন ও কামরুল ইসলামের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

র‍্যাব-১০-এর কর্মকর্তা মুহম্মদ মহিউদ্দীন ফারুকি প্রথম আলোকে বলেন, যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে।

চেক ও প্রশ্ন উদ্ধার

এ বছরের ৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় ছিল ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা। ওই দিন সকাল আটটায় র‍্যাব-৩ রাজধানীর গ্রিন রোড এলাকার একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাট থেকে দিপঙ্করকে গ্রেপ্তার করে। র‍্যাব দিপঙ্করের মুঠোফোন জব্দ করে। পরীক্ষা করে র‍্যাব দেখে, মুঠোফোন থেকে দিপঙ্কর তাঁর সহযোগী একরামুল ইসলামকে মেডিকেলের প্রশ্ন বিতরণ সম্পর্কে নির্দেশনা দিয়েছেন।

মুঠোফোনের সূত্র ধরে র‍্যাব যাত্রাবাড়ী থেকে একরামুলকে গ্রেপ্তার করে। একরামুলের কম্পিউটারে মেডিকেলের প্রশ্নপত্র পায়।

ওই দিন র‍্যাব দিপঙ্করকে নিয়ে সেগুনবাগিচার কর অঞ্চল-৬-এ যায়। রাজস্ব কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দিপঙ্করের অফিস থেকে ১ কোটি ৭ লাখ টাকার ১৪টি চেক, প্রশ্নপত্র, ১৬ জন পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের ফটোকপি উদ্ধার করে।

পরদিন ভোরবেলা র‍্যাব-১০ রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকায় সাবিনা ইয়াসমিনের বাসায় যায় এবং ওই বাসা থেকে ৩৫টি চেক, প্রশ্নপত্র, শিক্ষার্থীদের ১১টি সনদ উদ্ধার করে। এরপর মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডে সাবিনার আত্মীয় রাসেদুজ্জামানের বাসা থেকে প্রশ্নপত্র ও তিনটি চেক উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে আদাবরে একটি বিলাসবহুল ভবনে সামছুর রশীদের বাসায় যায়। র‍্যাব তাঁর কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের তিনটি চেক, ১০ পরীক্ষার্থীর মূল সনদ, পাঁচজন অভিভাবকের মূল জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রশ্নপত্র উদ্ধার করে।

এর পরদিন, অর্থাৎ ৮ অক্টোবর র‍্যাব গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক সোলায়মান হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের পাঁচটি চেক, প্রশ্নপত্র, নয়জন শিক্ষার্থীর মূল সনদ এবং পাঁচজন অভিভাবকের মূল জাতীয় পরিচয়পত্র জব্দ করে।

র‍্যাব তাঁদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করে। র‍্যাব বাদী হয়ে পাবলিক পরীক্ষা আইনে রাজধানীর কলাবাগান ও হাজারীবাগ থানায় যথাক্রমে ৭ ও ৮ অক্টোবর দুটি পৃথক মামলা করে।

তবে এ সম্পর্কে কিছু জানে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক এম এ রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষার দিন কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল কি না বা প্রশ্নপত্র উদ্ধার করেছিল কি না, তা র‍্যাব তাদের জানায়নি।

মেডিকেলে ভর্তির প্রশ্নপত্র ফাঁসে লেনদেন

কর কর্মকর্তার কারবার

‘দিপঙ্কর পারে না এমন কোনো কাজ নেই’—সহকারী কর কমিশনার দিপঙ্কর সম্পর্কে এমনই মন্তব্য তাঁরই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস করা দিপঙ্কর ২০০৬ সালে কর পরিদর্শক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর ১০ বছর পর ২০১৬ সালে সহকারী কমিশনার হিসেবে পদোন্নতি পান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর অঞ্চল-৭-এর একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘দিপঙ্কর ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলতে জানে। ওকে ঢাকার বাইরে পদায়ন করা কঠিন।’ প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ পর্যন্ত দিপঙ্কর এক মাস ছিলেন চট্টগ্রামে আর দেড় মাস ছিলেন ফরিদপুরে। বাকি সময় রাজধানীতে।

মানুষকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ আছে দিপঙ্করের বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তার অভিযানে অংশ নেওয়া র‍্যাব-৩-এর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, চাকরি দেওয়ার সূত্রেই দিপঙ্করের সঙ্গে যাত্রাবাড়ীর বেকার যুবক একরামুল ইসলামের সম্পর্ক তৈরি হয়। একরামুলকে দিয়ে দুটি ই–মেইল খোলান। তাঁকে দিয়ে প্রশ্ন সংগ্রহ ও প্রশ্ন বিতরণ করান। আদালতে দেওয়া জব্দ তালিকায় সেই ই–মেইল ও ই–মেইলে আসা প্রশ্নপত্র আছে।

এ ব্যাপারে দিপঙ্কর প্রথম আলোকে বলেন, একজন ভালো কর আদায়কারী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর সুনাম আছে। এ জন্য প্রতিবছর তাঁকে আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। পেশাগত কাজের কারণে সংক্ষুব্ধ পক্ষ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে ফাঁসিয়েছে। প্রশ্নপত্র ও চেক উদ্ধার সাজানো নাটক। দিপঙ্কর জানান, তিনি ছাত্রজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। পরে তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিরও সদস্য হয়েছিলেন।

কে কী অবস্থায়

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১১ অক্টোবর দিপঙ্করকে সাময়িক বহিষ্কার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের তদন্তেও দিপঙ্করের জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে র‍্যাব ধরে নিয়ে যাওয়ার পরপরই সোলায়মানকে চাকরিচ্যুত করা হয়। চিকিৎসক সামছুর রশীদও আর আগের জায়গায় কাজ করেন না। তাঁর নতুন কর্মস্থলে গেলে সামছুর রশীদ দাবি করেন, কেউ কারসাজি করে তাঁকে এ ঘটনায় জড়িয়েছে।

মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডে রাসেদুজ্জামানের বাসায় গিয়ে জানা যায়, তিনি ও তাঁর সহভাড়াটেরা বাসা ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁর একজন সহভাড়াটে অমিতাভ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, রাসেদুজ্জামানের কাছ থেকে তিনি কোনো প্রশ্নপত্র পাননি। তবে তিনি সিলেট ডেন্টালে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। র‍্যাব তাঁর উপস্থিতিতেই প্রশ্নপত্র উদ্ধার করেছিল।

ব্যাংককে নির্দেশ

পুলিশ, র‍্যাব ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নগদ টাকা আদায়ের জন্য চক্রটি চেক, জাতীয় পরিচয়পত্র বা শিক্ষার্থীদের মূল সনদ রেখে দিত। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নগদ টাকা দিয়ে সেসব ফেরত নেওয়ার অলিখিত চুক্তি ছিল।

জব্দ করা ৬০টি চেকের ১৪টি পাওয়া গেছে দিপঙ্করের অফিস থেকে। প্রথম আলো দিপঙ্করকে দেওয়া চেকের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে। চেকের সঙ্গে দেওয়া মেডিকেল পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও মূল সনদ জমা দেওয়া চারজন শিক্ষার্থীর সঙ্গেও প্রথম আলো কথা বলেছে। তাদের কেউ নিজ হাতে কাউকে চেক দেয়নি। তাদের বাবা, মামা বা পরিবারের অন্য সদস্য এটা করেছিলেন। তাদের একজন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

গত ৫ নভেম্বর কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক আলহাজ উদ্দীন দিপঙ্করের কাছ থেকে পাওয়া চেকগুলোর মালিকদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা যেন ব্যাংকগুলো দেয়, তার জন্য আদালতে আবেদন করেন। এরপর ১৩ নভেম্বর আদালত ব্যাংক ব্যবস্থাপকদের তথ্য দিতে নির্দেশ দেন। অপর মামলায় জব্দ হওয়া ৪৬টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করবে র‍্যাব-১০। মামলার তদারক কর্মকর্তা র‍্যাব-১০-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দীন ফারুকি প্রথম আলোকে বলেন, যাঁদের চেক পাওয়া গেছে তাঁদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

পুরো বিষয়টি শোনার পর বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক রশীদ-ই-মাহবুব প্রথম আলোকে বলেন, অর্থ নিয়ন্ত্রণ করছে সবকিছু। এক শ্রেণির অভিভাবকের বিশ্বাস, অর্থ ঢাললে প্রশ্নপত্র পাওয়া যাবেই। আবার প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যারা জড়িত তারা সবাই সৎ, এটা ভাবা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, ‘মেডিকেল শিক্ষায় মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না করলে প্রশ্নপত্র ফাঁস হতেই থাকবে। আর মানুষ বঞ্চিত হবে মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবা থেকে।’

কৃতজ্ঞতা : প্রথম আলো                                                                                                    

Advertisement

Uncategorized

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৩৭১ চিকিৎসক, শীর্ষে ঢাকা

Published

on

চিকিৎসক

রাজধানীসহ সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকরাই আক্রান্ত হচ্ছেন প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে। শীর্ষে ঢাকা ।

ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজের (এফডিএসআর) তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে মোট ৩৭১ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চসংখ্যক চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৩০৫ জন চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন।

অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে- বরিশালে ৯ জন, চট্টগ্রামে ১৫, সিলেটে ৫, খুলনায় ১০, রংপুরে তিন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২৪ জন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হন।

ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিজ নামক একটি সংগঠনটি সারাদেশের চিকিৎসকদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরিসংখ্যান তুলে ধরছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪৫ জনে। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪১৮ জন। এতে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৪১৬। এছাড়া নতুন করে সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১২২ জনে।

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

উত্তপ্ত ইউএসটিসি , ৩৪ স্বাস্থ্যকর্মীকে চাকুরিচ্যুতের প্রতিবাদে ধর্মঘট

Published

on

করোনাভাইরাসের থাবায় যখন সবাই দিশেহারা হয়ে স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিতদের দিকে চেয়ে আছে, ঠিক সেই সময়ে চট্টগ্রামের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউএসটিসির অধীন বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল থেকে ১৯ জন নার্স এবং ১১ জন ক্লিনার ও ৪ জন আয়াকে আকস্মিক চাকরিচ্যূত করেছে কর্তৃপক্ষ। চাকরিচ্যূতির কোন ব্যাখ্যা না দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে ‘কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে’।

চাকুরিচ্যুত করার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটিসি)’ প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা।

জানা গেছে, গত ৮ এপ্রিল ১৯ জন নার্স এবং ১৫ জন আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রতিষ্ঠানটি। নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে প্রথমে বেতন ভাতাও আটকে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে অবশ্য বেতন পরিশোধ করা হলেও চাকুরিচ্যুত করার নির্দেশনা জারি রাখা হয়।

ইউএসটিসি কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান চট্টগ্রামের একটি গণমাধ্যমে বলেন, ইউএসটিসিতে কোন শৃঙ্খলা নেই। এখানে দুই বার দুইজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডিরেক্টর হিসেবে এসেছিলেন। মালিকপক্ষের এসব অনিয়মের কারণে উনারা চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর থেকে মালিকপক্ষ তাদের পোষা লোকজনকে চেয়ারে বসায়, যাদের কোন ব্যক্তিত্ব নেই। মালিকের কথায় উঠবে, বসবে। এখন তারা অভিজ্ঞ নার্স, আয়া, স্টাফদেরকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বিদায় করার নোটিশ দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে অনেককে চাকরিচ্যূত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ৮ এপ্রিল চাকরিচ্যূতির নোটিশে আমরা অবাক হয়েছি। নোটিশে কোন কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এভাবে কাউকে চাকরিচ্যূত করা যায় না। চাকরিচ্যূতদের অনেকেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমরা এর প্রতিবাদে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর পুলিশের কমিশনার, জেলা প্রশাসক, খুলশী থানাসহ, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছি। করোনা পস্থিতিতে আমরা এই মুহুর্তে আন্দোলনে যেতে না পারলেও আমরা সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে অগ্রসর হবো।

চাকরিচ্যূত নার্স হামিদা আক্তার বলেন, ‘আমরা ডিপ্লোমাধারী না হলেও আমাদের দিয়েই ইউএসটিসি সৃষ্টি। সরকারতো ডিপ্লোমা ছাড়া নার্স নিয়োগ দিতে নিষেধ করেছে। আমাদেরকে তো চাকরি থেকে বাদ দিতে বলেনি।’

চাকরিচ্যূতির শিকার আরেক নার্স রেহানা আক্তার বলেন, ‘আমার চাকরির বয়স ১৯ বছর। আমি বাইরে ডিপ্লোমা করেছি। নার্সিং কাউন্সিলের নাম্বার ছিল না। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা করেছি তাদের নাম্বার ছিল। সেটা ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেনি।’

এদিকে হাসপাতালের পরিচালক ডা. কামরুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের মোট ৭৮ জন নার্স কর্মরত আছেন। যাদের বিদায়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী তাদের যোগ্যতায় ঘাটতি আছে। আগ থেকেই এদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আপত্তি ছিল। গত ডিসেম্বর থেকে তাদের বিদায় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিপরীতে ডিপ্লোমাধারী ২২ জন নার্স আমরা নিয়োগও দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, নার্স-আয়া-স্টাফ মিলে যে ৩৪ জনকে বিদায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের যাবতীয় পাওনা দিয়ে আমরা বিদায় দিচ্ছি। তাদের যে এসোসিয়েশনগুলো আছে ওগুলোর সাথে আমরা আগে বসেছি, তাদের সাথে বসেছি যে তারা কোন শর্তে যে চায়। সে সব শর্ত মেনেই তাদের আমরা বিদায় দিচ্ছি। তারা যাবতীয় পাওনা নিয়েই যাবেন। আর একমাস সময় আমরা হাতে রেখেছি। এই এক মাসের বেতনও তারা পাচ্ছেন।

জানা গেছে, ইউএসটিসির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ইফতেখার ইসলাম প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামের ছেলে। তার স্ত্রী ডা. সাবা কাশ্মীরের নাগরিক। ৬ মাস আগে একই প্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস পাস করে তিনিও ডিরেক্টর হিসেবে হাসপাতালে জয়েন করেছেন। এই আদেশের বিষয়ে অনেকে আঙ্গুল তুলছেন ডাঃ সাবা’uর দিকে। কিন্তু আরেক চিকিৎসক ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, এসব সিদ্ধান্ত চেয়ারম্যান, নার্সিং ইন্সটিটিউটসহ অন্য অথরিটির সম্মতিতে গ্রহণ করা হয়। একজনের ওপর চাপানোর কোন সুযোগ নেই।

এ ব্যাপারে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মিনহাজুর রহমান বলেন, কোন কারণ দর্শানো নোটিশ এবং যৌক্তিক কারণ ছাড়া কথায় কথায় চিকিৎসক, নার্স স্টাফ চাকরিচ্যূত করা ইউএসটিসির জন্মগত স্বভাব। করোনা সংকটে তারা অসচ্ছল স্টাফদের চাকরিচ্যূত করাটা অন্যায়। আমরা এই আদেশ প্রত্যাহার চাই।

বিষয়টিকে মানবাধিকারের লঙ্ঘন দাবি করে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু বলেন, করোনা সংকটে পুরো জাতি যখন একে অপরের পাশে দাঁড়াচ্ছে, সেখানে ইউএসটিসি তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নার্স, স্টাফ ছাঁটাই করছে— এটা অমানবিক, মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধও। কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যূতির এই আদেশ প্রত্যাহার না করলে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়াবে।

চট্টগ্রাম প্রতিদিন

Continue Reading

Uncategorized

তিন শর্তে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার নির্দেশ

Published

on

রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে শর্তসাপেক্ষে করোনা হাসপাতাল হিসেবে চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

২৫ এপ্রিল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সহকারী স্বাস্থ্য-১ শাখার উপসচিব মো. আবু রায়হান মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তিনটি শর্তসাপেক্ষে হাসপাতালটিতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসাসেবা চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা জারি করা হয়।

শর্ত তিনটি হলো-

১. হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের সাথে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে হাসপাতালটি শুধু করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবার জন্য পরিচালিত হবে।

২. হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য পরিচালনা ব্যয় নির্ধারণ করা যাবে
৩. রোগীর চিকিৎসার ব্যয়বাবদ খরচ সরকার বহন করবে

Continue Reading

Uncategorized

কিট আসুক না আসুক, কাউকে ঘুষ দেবে না গণস্বাস্থ্য

Published

on

করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র যে কিট উদ্ভাবন করেছে, সেটা সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর নেয়নি উল্লেখ করে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ব্যবসায়িক স্বার্থে জাতীয় স্বার্থের বিপক্ষে কাজ করছে। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে গণস্বাস্থ্যের কিট গ্রহণ করেনি। আমরা জনগণের স্বার্থে শুধু সরকারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে কিটটি কার্যকর কি-না, তা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকারিভাবে প্রতি পদে পদে পায়ে শিকল দেয়ার চেষ্টা হয়েছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেন।

এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে একই জায়গায় করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ হস্তান্তর করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আমন্ত্রণ জানানোর পরও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এ কিট গ্রহণের জন্য যায়নি সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান। পরদিনই এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কার্যালয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের করোনা কিটের উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীলসহ তিনজন এটি জমা দিতে যান। তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর তা গ্রহণ করেনি। এমনকি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের তিনজনের একজনকে ওষুধ প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রবেশও করতে দেয়া হয়নি।

‘কর্তৃপক্ষ জমা নেবেন না। আমরা গিয়েছিলাম, তারা জমা নেননি। বললেন যে সিআরও নিয়ে আসেন। তারপরে বললেন, এটা আপনারা ভেরিফিকেশন করে আনেন সিআরও থেকে। সিআরও হলো চুক্তিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ওখানে পয়সা দিতে হবে। কত খরচ লাগবে, তা উনারা (সিআরও) বাজেট দেবেন। পরে আইসিডিডিআর,বি থেকে ভেরিফিকেশন করিয়ে আনার কথা বলেন। আইসিডিডিআর,বি লকডাউন থাকায় তারা বিএসএমএমইউ, আইইডিসিআর কিংবা আর্মি প্যাথলজি ল্যাবরেটরি থেকে কার্যকারিতা আছে কি-না পরীক্ষা করে দেখার প্রস্তাব দিলেও তা মানা হয়নি।’

তিনি বলেন, জাতির এ দুর্যোগের সময় যুগান্তকারী আবিষ্কার এ কিট কাজে লাগানো যাচ্ছে না। যেখানে ইরানে এ ধরনের কিট প্রতিদিন ১০ লাখ তৈরি ও ব্যবহৃত হচ্ছে, সেখানে তারা কিট জমাই রাখেননি। যে কোনো ল্যাবরেটরি থেকে পরীক্ষাতে আপত্তি নেই। কিন্তু জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে তারা এখন বাজেট ঠিক করবেন, তারপর সিআরও’র মাধ্যমে রিপোর্ট নেবেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের বুঝতে হবে, কিভাবে তারা ব্যবসায়িক স্বার্থকে রক্ষা করছেন। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর অনৈতিক কাজ করছে, দেশের ক্ষতি করছে। তারা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে রেখে চলেন, তাতে তাদের লেনদেনে সুবিধা হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ প্রধান বলেন, প্রথমে আমাদের বললো, অনুমোদন নেই দেখে আমরা আসতে পারব না। আমরা তো আপনাদের হাতে দিতে চাই, যাতে আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আমাদের গতকাল বলা হলো, তারা আসবেন না। ঠিক আছে, আজকে আমরা গেলাম। আজকে গণস্বাস্থ্যের ড. বিজন কুমার শীলসহ তিনজন গেলেন। তারপরও দেখেন, কেমন আমলাতান্ত্রিকতা। দুজনকে ঢুকতে দেবে, আরেকজনকে দেবে না। অথচ বাইরের তিনজন লোককে ভেতরে বসিয়ে রেখেছেন। তাদের ব্যবসা সংশ্লিষ্ট লোকদের ভেতরে বসিয়ে রেখেছেন। ফিরোজ, তিনি হেড অব এ ডিপার্টমেন্ট অব নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পদমর্যাদায় ওই ডিজি সাহেবের সমতুল্য তিনি। এ জাতীয় লোককে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি যুক্তিতর্কে হেরে যাওয়ার ভয়ে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গতকাল আমরা এখানে কিট হস্তান্তরের একটি উদ্যোগ নিয়েছিলাম, এটার অনুমোদনের জন্য। এটা অনুমোদন করার দায়িত্ব হলো ওষুধ প্রশাসনের। দুর্ভাগ্যবশত, ওষুধ প্র্রশাসন এমনভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে, তারা না ফার্মাসিস্ট, না ফার্মাকোলজিস্ট। তার ফলে এই জিনিসগুলির গুরুত্ব সেভাবে তারা উপলব্ধি করতেই সক্ষম হচ্ছেন না। তারা সম্পূর্ণ ব্যবসায়ী স্বার্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন।

‘বিজ্ঞানীরা জনস্বার্থে এটি আবিষ্কার করেছেন। এটি ব্যবহারে যত দেরি হবে তত জনগণের ক্ষতি বেশি হবে। এ গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের গুরুত্ব আমরা ওষুধ প্রশাসনকে বোঝাতে পারছি না। সিআরও নামের এজেন্টকে পরীক্ষার জন্য ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। আমরা চাই এটির মূল্য ২৫০ থেকে ২০০ টাকা নামাতে, আর তারা ব্যবসায়িক স্বার্থে নানা অজুহাতে ৫০০ টাকা দাম করতে চায়। ওষুধ প্রশাসন থেকে বলা হয়, দাম বাড়লে বাড়বে। এটা কি জনস্বার্থে কথা হলো? আমার ধারণা একটা শ্রেণী সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’

আপনারা গতকাল কিট হস্তান্তর করা হবে বলেছিলেন কেন? এ প্রশ্নের জবাবে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, কিটটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে চেয়েছি। এখন আমার কাছে কিট থাকলেও সরকারের অনুমোদন ছাড়া আমরা পরীক্ষা করতে পারবো না।

তিনি বলেন, গত ১২ এপ্রিল কিটের যথার্থতা প্রমাণের জন্য সরকারের কাছে রক্ত চেয়েছি। কিন্তু পেয়েছি ২২ এপ্রিল, তাও আবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হস্তক্ষেপের পর। আমার মতো লোক ২৫ বার ফোন করেছি।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালকের উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আপনাদের সকল ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করে দেবো, তবে ঘুষ দেবো না। গণস্বাস্থ্যের ৪৮ বছরে কাউকে ঘুষ দেইনি, এতে প্রোডাক্ট বাজারে আসুক না আসুক, আমরা ঘুষ দেইনি, দেবো না। এই দুর্নীতির অংশীদার হইনি, হবো না। আমরা আন্দোলন করে যাবো।

Continue Reading

Uncategorized

দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত ৪১৮, মৃত ৫ জন

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪১৮ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ৪১৬ জনে। সেইসঙ্গে করোনায় আরো ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৪২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪৭৬ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে। ৪১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ডা. নাসিমা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ জন।  সুস্থ হয়েছে ৯ জন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হন ৮ মার্চ এবং এ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মত তিনজনের মধ্যে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের তথ্য জানায় আইইডিসিআর। 

এরপর ২৫ মার্চ প্রথমবারের মতো রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিকভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হচ্ছে।

Continue Reading
সংগঠন2 weeks ago

জিডিএফ বর্ষপূর্তি ও সাইন্টিফিক সেমিনারের পোস্টার উন্মোচন

জাতীয়3 weeks ago

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট

জাতীয়1 month ago

প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি করলে ফার্মেসির লাইসেন্স বাতিল

ক্যারিয়ার1 month ago

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজন -(নিপসম)

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়1 month ago

অ্যান্টিবায়োটিকের মোড়ক হবে লাল, যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে হচ্ছে আইন

জাতীয়1 month ago

দাউদকান্দিতে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের রমরমা বাণিজ্য

জাতীয়2 months ago

৭ ছাত্র নিরুদ্দেশ: চিকিৎসক শাকিরের সহযোগী ভিলার স্বীকারোক্তি

সিলেট বিভাগ2 months ago

চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে ডেন্টাল চেম্বারে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি!

সংগঠন2 months ago

ডা: মোত্তাকিন আহমেদ স্মরণে বিএসপিডি’র দোয়া মাহফিল

সংগঠন2 months ago

চিকিৎসকদের জন্য লিডারশীপ এক্সেলেন্সি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কলাম2 months ago

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব

জাতীয়2 months ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়2 months ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়2 months ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়2 months ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়2 months ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ2 months ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়2 months ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification