Connect with us

করোনা পরিস্থিতি

‘রেড জোন ’ মানে পুরো এলাকা লকডাউন নয়

Avatar

Published

on

DentalTimes

সংক্রমণ বিবেচনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ৪৫টি এবং চট্টগ্রামের ১১টি এলাকাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা ‘রেড জোন ‘ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও এসব এলাকার পুরোটাজুড়ে লকডাউনের সম্ভাবনা নেই।

লকডাউন বাস্তবায়নের কাজে যুক্ত একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আজ রোববার প্রথম আলোকে বলেছেন, তাঁদের সিদ্ধান্ত হলো বড় এলাকা নয়, বড় এলাকার অধিক সংক্রমিত ছোট এলাকায় কার্যকর লকডাউন করা। আর এটি একযোগে আগামীকাল থেকেই শুরু হবে এমন নয়। পর্যায়ক্রমে তা হবে।

যেমন, ঢাকার রাজাবাজারের মধ্যে কেবল পূর্ব রাজাবাজার এলাকায় লকডাউন চলছে। আর যেসব এলাকা লকডাউন করা হবে সেখানে সাধারণ ছুটি থাকবে। ছুটির বিষয়ে আগামীকাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত হলো ঢাকা মহানগরীর যেসব এলাকায় প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ৬০ জন বা তার বেশি মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হবে ওই এলাকাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বা লাল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। আর ঢাকার বাইরে কোনো এলাকায় যদি প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ১০ জন বা তার বেশি করোনা রোগী থাকে তাহলে সেটি লাল এলাকা হবে।

আর ঢাকায় প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে তিন থেকে ৫৯ জন আক্রান্ত হলে সেটি হবে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা হলুদ এলাকা। ঢাকার বাইরে লাখে তিন থেকে ৯ জন রোগী থাকলে হলুদ এলাকা হবে। আর কোনো সংক্রমণ নেই বা এক লাখ মানুষের মধ্যে তিনজনের কম আক্রান্ত থাকলে সেই এলাকাটিকে নিম্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা সবুজ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

জানা গেছে, করোনা প্রতিরোধে গঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কারিগরি দলের (গ্রুপ) গতকাল শনিবারের এক সভায় প্রাথমিকভাবে লাল বা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে কতগুলো এলাকাকে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭টি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৮ এলাকা রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ১‌০টি এলাকা রয়েছে। এখানে তুলনামূলক বড় এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেমন, মিরপুর। কিন্তু এখন পর্যন্ত পুরো মিরপুর এলাকায় লকডাউনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সিটি করপোরেশন এলাকায় এবারের ভিন্নমাত্রার লকডাউন বাস্তবায়নের কাজটি হচ্ছে সিটি করপোরেশনের অধীনে। সিটি করপোরেশনগুলো স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে। এই লকডাউন বাস্তবায়নের কাজে যুক্ত আছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তিনি আজ প্রথম আলোকে বলেন, সীমিত এলাকা নিয়ে লকডাউনের চেষ্টা হচ্ছে। কারণ এই পরিস্থিতিতে মোকাবিলার জন্য সামর্থ্যও একটি বিষয়।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনেও বলেছেন রেড জোন চিহ্নিত কোনো বড় এলাকায় নিয়ে লকডাউন হবে না। একটি এলাকার সংক্রমণ বেশি থাকা অংশটিকে লকডাউন করা হবে। আর কাল থেকেই তা হবে এমন নয়। এটি পর্যায়ক্রমে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, যেমন ধরুন মোহাম্মদপুর এলাকা। সেই এলাকার যে অংশে অধিক সংক্রমণ রয়েছে কেবল সেটিই লকডাউন হবে। পুরো এলাকা নয়।

নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ১ জুন সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ এলাকায় ভাগ করে ভিন্নমাত্রায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। অধিক সংক্রমিত এলাকাকে বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সম্মতি দিয়েছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব রাজাবাজারে গত মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকে লকডাউন শুরু হয়। এখন ঢাকার বাইরেও কিছু কিছু এলাকায় তা শুরু হয়েছে।

আজ পঞ্চম দিনের মতো পূর্ব রাজাবাজারে লকডাউন চলছে। বেলা আড়াইটার দিকে এই এলাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য একমাত্র খোলা রাখা পথ গ্রিন রোড সংলগ্ন আইবিএ হোস্টেলের কাছের সড়কে সরেজমিনে দেখা গেছে, জরুরি কাজে জড়িত ছাড়া অন্যদের প্রবেশে ব্যাপক কড়াকড়ি। আগের চার দিনও কড়াকড়ি ছিল।

করোনা পরিস্থিতি

দেশে করোনায় মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়েছে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ১ হাজার ৬৩৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত আরও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করোনা সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন।

আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। গতকালের তুলনায় আজ দেশে নতুন রোগী, মৃত্যু, সংক্রমণ শনাক্তের হার সবই বেড়েছে।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল। রোগী শনাক্ত হয়েছিল এক হাজার ২৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ১৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন ও নারী ৭জন। ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আর একজনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে।

দেশে প্রথম করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্তের ঘোষণা আসে চলতি বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানানো হয় ১৮ মার্চ।

দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এর মধ্যে সরকার আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা আসার আগপর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। মাস্ক পরা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা। কিন্তু এই স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা ভাব দেখা যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

Continue Reading

জাতীয়

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ডেন্টাল সার্জনদের চিকিৎসা সহায়িকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

এই কোভিড-১৯ পেনডেমিক অবস্থায় বিশ্বজুড়ে আমাদের সকলের জীবনজীবিকারই অনেক পরিবর্তন এসেছে।সামাজিক, অর্থনৈতিক, পেশাগত এবং ব্যাক্তিগত অনেক পরিবর্তনের মুখোমুখি আমরা সবাই। আর এই পেনডেমিক অবস্থায় চরম ঝুকিতে আছেন দাঁত ও মুখগহ্বর বিশেষজ্ঞ গন। রোগীর দাঁত ও মুখগহ্বরের চিকিৎসায় ডেন্টাল সার্জনদের রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে কাজ করতে হয়। কাজ করতে গিয়ে রোগীর মুখ গহ্বরের লালার সংস্পর্শে আসা একজন ডেন্টাল সার্জনের জন্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। তবুও এই পেনডেমিক সিচুয়েশনে ডেন্টাল সার্জেনরা রোগীদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন এবং কোভিড-১৯ এ আক্রান্তও হচ্ছেন নিয়মিত।

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আন্তজার্তিকভাবে অনেক গাইডলাইন তৈরী হলেও বাংলাদেশের অর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন হওয়ার কারনে সর্বোচ্চ ঝুঁকি কমিয়ে স্বল্প ব্যয়ে যাতে চিকিৎসা সেবা শুরু করা যায় সেজন্য WHO, FDA, CDC, ADA সহ বিভিন্ন আন্তজার্তিক সংস্থার গাইডলাইন অনুসরন করে ও এদেশের বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির মহাসচিব ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ হুমায়ুন কবির বুলবুল এর ত্বত্তাবধানে ও সার্বিক সহযোগিতায় বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় গাইড লাইন প্রনয়ন করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি।

DentalTimes

গত রবিবার (১১ অক্টোবর) অনলাইনে ওয়েবইনারের মাধ্যমে চিকিৎসা সহায়িকাটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বাংলা ভাষায় লেখা গ্রন্থটির লেখক ঢাকা ডেন্টাল কলেজের পেরিওডন্টোলজি এন্ড ওরাল প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ অনুপম পোদ্দার এবং ইংরেজি গ্রন্থের লেখক সিটি ডেন্টাল কলেজের কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি ও এন্ডোডনটি্কস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ ইব্রাহীম খালিল।

ডাঃ অনুপম পোদ্দার জানান, গ্রন্থটি সহজ ও সাবলীল ভাষায় রচনা করা হয়েছে যেন সকল ডেন্টাল সার্জন এটি পড়ে অর্জিত জ্ঞ্যান প্রয়োগ করে কোভিড-১৯ সহ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে চিকিৎসা সেবা সুন্দর ভাবে চালিয়ে যেতে পারেন। ডাঃ অনুপম পোদ্দার আশা প্রকাশ করেন যে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে প্রাকটিস শুরু করার জন্য গাইডলাইনটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।

প্রকাশক সূত্রে জানা যায়, প্রাকটিসরত সকল ডেন্টাল সার্জনদের কাছে উক্ত বইগুলো অতি দ্রুততম সময়ে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ফাইরুজ হাফিজা হুমা
কুমুদিনী ওমেন্স মেডিকেল কলেজ (ডেন্টাল ইউনিট)

Continue Reading

জাতীয়

৫৩ দিনে করোনায় সর্বনিম্ন মৃত্যু

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

গত ৫৩ দিনের মধ্যে আজ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বনিম্ন সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ১৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট (একমাস ২৩ দিন) দেশে সর্বনিম্ন ২২ জনের মৃত্যু হয়। এরপর আজ (বৃহস্পতিবার) ১৪ অক্টোবরের আগে পর্যন্ত এত কম সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়নি।

দেশে গত আট মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ঠিক ১০ দিন পর এ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রথম রোগীর মৃত্যু হয়। সর্বশেষ বুধবার পর্যন্ত করোনায় সর্বমোট মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৩ জনের।

এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ৩০৫ জন (৭৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ২৮৮ জন (২৩ দশমিক ০৩ শতাংশ)।

করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯টি পরীক্ষাগারে ১৪ হাজার ১৬৯টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৪ হাজার ৪১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৬৮৪ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৮২ হাজার ৯৫৯ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ লাখ ১২ হাজার ৪৪৮টি।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৫৭৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৪৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৭ দশমিক ৬৭ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ।

Continue Reading

জনপ্রিয়