Connect with us

জীবন ও কর্ম

সমাজকল্যাণের অগ্রযাত্রায় ফিমেল ডেন্টাল সার্জন অব বাংলাদেশ

Published

on

৩ ডিসেম্বর অত্যন্ত জাকজমক ভাবে, প্লাটিনাম ক্লাব,ধানমন্ডিতে উদযাপিত হলো, ফিমেল ডেন্টাল সার্জনস অব বাংলাদেশ ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী ডা.দীপু মনি,এম.পি,শিক্ষা মন্ত্রনালয়, বাংলাদেশ।


এই প্রথম সারা বাংলাদেশের সমগ্র ফিমেল ডেন্টাল সার্জনদের একত্রিত করার উদ্দ্যোগ নেন ক্লাবের প্রতিস্ঠাতা ডা. ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী। এই ক্লাবের যাত্রা শুরু হয় ১৫ জুন,২০১৯ সালে ফেইসবুকের একটি গ্রুপের মাধ্যমে।

কভিড ১৯ অতিমারীতে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী রাত দিন ২৪ ঘন্টা অনলাইন টেলিমেডিসিন, অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ, প্লাজমা সংগ্রহ, আই,সি,ইউ,বেড,এম্বুলেন্স সহযোগীতা করেছে এই এফ ডি এস বি ক্লাব।যা অসংখ্য মানুষের জীবন বাচাতে সাহায্য করেছে। এই গ্রুপের প্রতিস্ঠাতা ডা.ফারিয়া তাবাসসুম তন্বীকে মানবিক ডাক্তার বলে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে আখ্যায়িত করা হয়।এর পাশাপাশি ঘরে রেখে অতিমারীর সময় রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করে হাস্পাতাল সন্কট মকাবেলায় দেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য,তাকে আইডিয়া জেনেরেটর বলা হয়।এই ফেইসবুক গ্রুপের সকল সমাজ কল্যান মুলক কার্যক্রমকে পরবর্তীতে অব্যাহত রাখার জন্য ২১ জন ফিমেল ডেন্টাল সার্জনকে নিয়ে গঠন করা হয় ফিমেল ডেন্টাল সার্জন অব বাংলাদেশ ক্লাব(এফ ডি এস বি).

ডা.ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী

ফিমেল ডেন্টিস্ট সকলকে এক সাথে নিয়ে চলা,প্রফেশনে পিছিয়ে পড়া ডেন্টিস্টদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় সমস্যায় দেশের মানুষের পাশে দাড়ানো জন্য সমাজ কল্যাণ মুলক কাজে উদ্ভুদ্ধ করার জন্য, যে সকল উদ্দ্যোগ এই ক্লাব থেকে নেয়া হয়েছে তার প্রশংসা করেন মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ড. দীপু মনি।তিনি তাদের ভালো ডেন্টিস্ট হওয়ার পাশাপাশি খুব ভালো মানুষ এবং ভালো নাগরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

পরিশেষে তার ভাষনে, ফিমেল ডেন্টাল সার্জনস অব বাংলাদেশ ক্লাবের উত্তরোত্তর উন্নয়ন কামনা করছেন।

Advertisement
Click to comment

গুণীজন

Prof M Alauddin : Tribute to a silent philanthropist

Published

on

Dr Saad Sultan, FCPS

Death is always difficult to accept in some cases it is more. So, when the news of death of Prof M Alauddin spread on 4th April 2011 it not only afflicted his family but also all his friends, professional colleagues in the ENT department of various institutions, students and all his innumerable patients. He was suffering from a bout of lung cancer. In his demise his colleagues missed a dear whole hearted friend, ENT surgeons a proud example, the medicine society a well-known teacher and the country an ideal citizen, who worked relentlessly for its improvement. As stated in the Quran “kullu nafseen zaaikatul maut” (Every living unit must die). But it is not easy to accept so. To many he was a true philanthropist, who was courteous to the core, the first to volunteer for a collective cause, always exuding human qualities and even ready to extend a helping hand to who so ever needing it. Modesty was his trademark. His career was so multi-focal that it may take many columns to elaborate but I will try to discuss it is a nutshell.

Born in 1945 in Sylhet, Prof. M Alauddin was a medical graduate of the Sylhet Medical College 1968 batch. In a brief stint, he served as a senior registrar at royal Gwent Hospital, University Hospital on the Cardiff New Port rotation.

He advanced in the career to receive DLO (London, 1978), FRCS (Glasgow, 1975) and FCPS (BD,1994) FCPS (PAK 2005)

During his illustrious career he served as of the Professor and Chairman of the department of Otolaryngology- HNS at the Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU). Prior to joining the department, he was the Professor and Head of Otolaryngology-HNS at Dhaka Medical College (DMCH).

Prof M Alauddin was a member of over 10 prestigious speciality societies. He was author of over 34 scientific publications. He taught many postgraduate courses and his students including Prof Abul Hasnat Joarder, Prof Kamrul Hassan Taraffder, Prof Nasima Akhter, Prof A.F Mohiuddin Khan, Prof Belayat H Siddiquee, Prof M Sattar, Prof Zahurul Huq to name a few who took the dept. of Otolaryngology HNS to a new height. His bunch of students still are striving to leverage the standard of ENT services in our country to an international level as well as making basic treatment easily accessible and affordable to the less affluent section of the society.

What is less known about him was his ardent philanthropist attribute. Few of them are documented. But it needs no mention that the ENT and Head Neck Cancer Hospital Institute in Agargaon remains a firm testament to his strong philanthropist nature. It was his dream project. Built in Kala Bagan in 2003, It was transferred to its own premise in the year 2012.Guided by an efficient governing body it serves the ENT patients at a very cheap rate. Three consultants Dr Ali Imam Ahsan, Dr Md Asaduzzaman Rasel, Dr Md Baha Uddin are trying day and night to make the hospital a center of excellence with a bunch of young dedicated doctors. Major Dr Junnun Ishtiak is currently maintaining the hospital as its Deputy Director. Daily around 300 patients visit its outdoor and around 5-10 operations ranging from tonsillectomy, septoplasty to advanced FESS, Neck Dissections at a very affordable rate are hosted by it.

Specially it must be mentioned Prof Jahanara Alauddin, Wife of Alauddin sir, a successful Anesthetist by her own standards and an ideal successor is currently the secretary general of the institute propelling the institute to a new standard.

He left this world for his eternal abode on 4th April, 2011 after suffering from lung cancer for long 5 years. In a hadith our Prophet (SM) mentioned that 3 deeds (amals) continue after the demise of a person namely :1. Pious off springs 2. Social services (charity) 3. Useful knowledge. It can be undoubtedly said that Prof M Alauddin was supremely successful in all three criterions.

M Alauddin sir may not be with us physically anymore but his spirit would always guide us as we the aspiring ENT surgeons look forward for developing the Otolaryngology and Head Neck services of the country. On the occasion of his 11th death anniversary in this blessed month of Ramadan while commemorating Sir we pray that may Almighty Allah pardon all his deficits and grant him the highest place in the Jannatul Ferdous. Ameen, Summa Ameen.


Author

Dr Saad Sultan , 
FCPS (Otolaryngology)
Resident Surgeon , ENT and Head Neck Cancer Hospital and Institute, Agargaon

Continue Reading

ঢাকা

শেওড়াপাড়ায় ‘ছিনতাইকারীর’ ছুরিকাঘাতে চিকিৎসক নিহত

Published

on

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে এক চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার ভোর ৫টার দিকে শেওড়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর ডিভিশন উপকমিশনার মাহতাব উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আহমেদ বুলবুল ডেন্টিস্ট ছিলেন এবং দুর্বৃত্তরা ছিনতাইকারী ছিল বলে পুলিশ মনে করছে।

পুলিশ কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন জানান, ভোর ৫টার দিকে শেওড়াপাড়া এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে ডা. বুলবুল গুরুতর আহত হন।

তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি এবং কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে তা খুঁজে বের করছি।’

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান জানান, তারা এ ঘটনাকে ছিনতাইকারীর কাজ বলে সন্দেহ করছেন।

‘তবে হত্যাকারীরা তার কাছ থেকে টাকা নিতে পারেনি বলে জানতে পেরেছি,’ বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘হত্যার পেছনে পূর্ব শত্রুতা বা অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।’

নিহত চিকিৎসকের স্বজনরা হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, সকালে নোয়াখালীর উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন বুলবুল। পরেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

Continue Reading

অর্জন

চিকিৎসক পদক ২০২১ পেলেন অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা

Published

on

গত ৭ ই এপ্রিল ২০২১ এ বাংলাদেশ মেডিকেল টিচার্স ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও প্লাটফর্ম অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল সোসাইটি চিকিৎসক, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য পেশাজীবী বিভাগে  চিকিৎসক পদক ২০২১  এর তালিকা প্রকাশ করে। উক্ত তালিকায় ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এলায়েড বিষয়ে অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা নির্বাচিত হন।

গতকাল (১৩/১২/২১) রাজধানীর কুর্মিটোলায় অবস্থিত হোটেল লা মেরিডিয়ানে পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পদক গ্রহণপূর্বক বক্তৃতায় অধ্যাপক ডা.মতিউর রহমান মোল্লা বলেন – “মেডিকেল ও ডেন্টাল এর এত গুণীজনদের মাঝে আমাকে নির্বাচিত করায় আমি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। ডেন্টিস্ট্রিতে এই প্রথম আমি নির্বাচিত হয়েছি বলে উচ্ছসিত। আশির দশকে দেশে এসে দেখি ডেন্টিস্ট্রির করুনদশা।

১৯৮৭ সালে দেশে আশার পরে আমার কয়েকজন সাথিকে নিয়ে আমি উদ্যোগ নেই যে দেশে ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী প্রতিষ্ঠা করার জন্য এবং ঢাকা ডেন্টাল কলেজে আমরা প্রথম ট্রেইনিং প্রোগ্রাম শুরু করি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ঢাকা ডেন্টাল কলেজে এম এস কোর্স  চালু করি।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দীতে ২০ বেডের ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী ইউনিট আমার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এম এস কোর্স রিকগনাইজড করানো হয়।

এছাড়াও ২০০৪ সালে আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এও ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারীর ডীন ও চেয়ারম্যান ছিলাম। সেখানে ২০ বেডের ওয়ার্ডসহ ইউনিটটিকে পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেইনিদের জন্যে সুন্দরভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছি।

আমার জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আমার ছেলে-মেয়েকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা যাতে তারা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জানস এসোসিয়েশন(বামোস) এর অগ্রযাত্রা শুরু হয় অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লার মাধ্যমে। এ বিষয়ে তিনি ডেন্টাল টাইমসকে জানান – “ প্রথমদিকে আমার হাত ধরে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ থেকে বাামোস এর যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে ডা. এস এম ইকবাল শহিদ, ডা. রফিক আহমেদ ভূঁইয়া, ডা. কে এইচ আলতাফ এবং ডা. মহিউদ্দীন আহমেদ ওরাও যুক্ত হয়।”

অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লা বর্তমানে আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ এর অনারারী অধ্যাপক এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে এভারকেয়ার হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন।

Continue Reading

জীবন ও কর্ম

সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেলেন বাঁধন

Published

on

বাঁধনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন ইসরায়েলের আলেনা ওয়াইভি, রাশিয়ার ভ্যালেন্তিনা রোমানোভা সিসকাইরি, অস্ট্রেলিয়ার লিয়া পার্সেল ও নিউজিল্যান্ডের এসি ডেভিস

আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত “রেহানা মারিয়াম নূর” সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার “এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস”-এর ১৪ তম আসরে সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন। প্রথম কোনো বাংলাদেশি অভিনেত্রী হিসেবে এ অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেলেন তিনি।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) অ্যাওয়ার্ডসের পুরস্কার কর্তৃপক্ষ মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে।

এ তালিকায় বাঁধনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন ইসরায়েলের আলেনা ওয়াইভি, রাশিয়ার ভ্যালেন্তিনা রোমানোভা সিসকাইরি, অস্ট্রেলিয়ার লিয়া পার্সেল ও নিউজিল্যান্ডের এসি ডেভিস।

Continue Reading

বিশেষ প্রতিবেদন

ডোপ টেস্টের কোনো নীতিমালা নেই : টেস্টে পজিটিভ মানে তাকে মাদকাসক্ত বলা যাবেনা’

Published

on

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের ডোপ টেস্ট নিয়ে কথা বলেছেন৷ এই টেস্ট কীভাবে হওয়া উচিত, উপকারিতা কী, এসব নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ৷

এখন তো মাদকাসক্ত চিহ্নিত করতে পুলিশে ডোপ টেস্ট হচ্ছে, প্রশাসনেও হবে৷ তাহলে মাদকের সংজ্ঞা কী? মাদক বলতে আমরা কোন জিনিসগুলোকে বুঝব?

ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ: প্রথমে বলে নিই যে ডোপ টেস্ট শব্দটি আমাদের ক্রীড়া পরিভাষার একটি অংশ৷ কোনো খেলোয়াড় যদি কোনো দ্রব্য ব্যবহার করে তাদের পারফরমেন্স বাড়ায় সেটা ডোপ টেস্টে ধরা পড়ে৷ এখন এখানে যেটা নিয়ে কথা হচ্ছে তা হলো কোনো ব্যক্তি মাদক গ্রহণ করছেন কিনা তা পরীক্ষা করা৷ তবে কেউ আসক্ত কিনা তা ডোপ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায়না৷ আসক্তি আছে কিনা সেটা ক্লিনিক্যালি দেখতে হয়৷ চিকিৎসকের মাধ্যমে ইন্টারভিউ করতে হয়, লক্ষণ বিচার করতে হয়৷

চাকরি ক্ষেত্রে বা অন্য ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যেসব মাদকের পরীক্ষা করা হয় তা তিন ধরনের৷ স্টিমুলেট জাতীয় মাদক৷ যেমন: ইয়াবা, এম্পিটামিন৷ আছে ডিপ্রেশন মাদক৷ যেমন: অ্যালকহল, ঘুমের ওষুধ, গাঁজা৷ কিছু আছে নারকোটিকস বা চেতনা নাশক৷ যেমন: প্যাথেডিন, মরফিন৷ এছাড়া মাদকাসক্তরাও মিশ্র মাদক স্থানীয়ভাবে তৈরি করে।

ডোপ টেস্টে সাধারণত ইউরিন পরীক্ষা করা হয়৷ এই পরীক্ষায় গাঁজা, ইয়াবা, মরফিন ও হেরোইনের অস্তিত্ব জানা যায়৷ ব্রেথ টেস্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক কেউ অ্যালকহল খেলে তা জানা যায়৷

 এই পরীক্ষায় ফল পেতে কি নির্দিষ্ট কোনো সময় আছে?

কেউ গাঁজা সেবন করলে তার উপস্থিতি শরীরে ছয় মাস পর্যন্ত থাকতে পারে৷ ইউরিন টেস্টে সেটা ধরা পড়বে৷ ফেনসিডিল, হেরোইন, মরফিন এই জাতীয় মাদক কিন্তু ২৪- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষা না করলে ধরা পড়েনা৷ আর ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে তিনি আসক্ত সেটা বলা যাবেনা৷ তিনি মাদক গ্রহণ করেছেন সেটা বলা যাবে৷ আবার নেগেটিভ হলেই নিশ্চিত হওয়া যাবেনা যে তিনি আগে মাদক গ্রহণ করেননি৷

এটা কীভাবে করা উচিত? গোয়েন্দাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে না চিকিৎসকদের পরামর্শে?

এটা অবশ্যই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপনায় করতে হবে৷ কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটা রোগ৷ এটা মস্তিস্কের ক্রনিক রোগ৷ এটা বার বার হতে পারে৷ তাই এটা চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপনায়ই করতে হবে৷ গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা হলে এটার অপব্যবহার হতে পারে, অতি ব্যবহার হতে পারে এবং কোনো কোনো সময় সত্যিকার মাদকাসক্তের ডোপ টেস্ট নেগেটিভ হয়ে যেতে পারে৷

ডোপ টেস্টের সিদ্ধান্তকে আপনি কীভাবে দেখেন?
এটা এক দিক দিয়ে ভালো উদ্যোগ৷ তরুণদের মধ্যে, চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে একটা সচেতনা তৈরি হবে৷ তাদের মধ্যে ভীতি তৈরি হবে যে মাদক গ্রহণ করলে চাকরি হবেনা৷ তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে কিন্তু বিতর্ক থেকেই যায়৷ ডোপ টেস্ট দিয়েই কি সব মাদকাসক্তকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে? না, সম্ভব হবেনা৷ আবার ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলেই কি সে মাদকাসক্ত? না, সে মাদক গ্রহণকারী৷ মাদকাসক্ত আর মাদক গ্রহণকারী এক নয়৷ আবার কেউ মাদকাসক্ত হলেই কি তাকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া ঠিক হবে? এটা তো একটা রোগ৷ চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন তার অধিকার৷

বাংলাদেশে অ্যালকোহল গ্রহণের লাইসেন্স পাওয়ার নিয়ম কী?

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ অ্যালকোহল গ্রহণের অনুমোদন পাওয়া যায়৷ তবে এখানে নীতিমালা স্বচ্ছ নয়৷ আরো স্বচ্ছ করা উচিত৷

ডোপ টেস্ট এড়াতে কি আবার অ্যালকহল গ্রহণের লাইসেন্স নেয়ার হিড়িক পড়ে যাবে?
প্রথমত, ডোপ টেস্টে অ্যালকোহল দেখা হয়না৷ ডোপ টেস্টে দেখা হয় ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, ফেনসিডিল প্রভৃতি৷ অ্যালকহল বোঝা যায় গ্রহণের চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে ব্রেথ টেস্ট করে৷ ফলে চাকরিপ্রার্থীদের অ্যালকোহল টেস্ট করা হয়না৷

আর ডোপ টেস্টের কোনো নীতিমালা নেই৷ ব্যক্তিকে সনাক্ত করার বিধান নেই৷ একজনের নামে আরেকজন ডোপ টেস্ট করিয়ে নিতে পারে৷ নেগেটিভ ব্যাক্তির রেজাল্ট পজিটিভ ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারে৷ তাই আগে প্রয়োজন নীতিমালা৷ কোথায় ডোপ টেস্ট করা যাবে তাও নির্দিষ্ট করতে হবে৷

কোনো কোনো মাদক নিরাময় কেন্দ্রেই নাকি মাদকাসক্ত হয়? তারা নাকি মাদকের ব্যবসাও করে?

মাদক নিরাময় কেন্দ্র হলো চিকিৎসা কেন্দ্র৷ এই কেন্দ্রের সাথে চিকিৎসকদের জড়িত থাকতে হবে৷ কিন্তু আমরা দেখি বাংলাদেশের অধিকাংশ নিরাময় কেন্দ্রে কোনো চিকিৎসক নেই, কোনো নার্স নেই৷ সেগুলো পরিচালিত হচ্ছে সাবেক মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের দিয়ে৷ তাহলে ওইসব নিরাময় কেন্দ্রে মাদক ব্যবসার অভিযোগ অমূলক নয়৷

Continue Reading
চট্রগ্রাম বিভাগ13 hours ago

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

স্বাস্থ্য13 hours ago

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের তথ্য কেন এনআইডিতে নয়, হাইকোর্টের রুল

সংগঠন1 day ago

বিএফডিএস’র আয়োজনে ডেন্টিস্টদের পদ্মা সেতু ভ্রমণ

Campus News1 week ago

রংপুর মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ইউনিটের দশ বছর পূর্তি উদযাপিত

Campus News1 month ago

ঢামেকে “ওয়েগেনারস গ্রানুলোমেটোসিস” বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

BFDS1 month ago

বিএফডিএস কতৃক ইন্টার্ণ চিকিৎসকের নিয়ে কার্যকর আয়োজন

ক্যারিয়ার2 months ago

৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আন্তর্জাতিক2 months ago

ডেন্টাল রেকর্ডের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্রিটিশ সাংবাদিক শনাক্ত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

ঢাকায় ২৯ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

জাতীয়2 months ago

৪৩৩ জনের করোনা শনাক্ত, হার ৬.২৭ শতাংশ

নোটিশ2 months ago

৪০তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন

জাতীয়2 months ago

দন্তচিকিৎসক বুলবুল হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

জাতীয়2 months ago

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল ইউনিটের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি নষ্ট, সেবা ব্যাহত

Campus News2 months ago

আন্দোলনের তৃতীয় দিনে সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা

সিলেট বিভাগ2 months ago

পঞ্চম শ্রেণি পাশ না করেই তিনি অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট!

জাতীয়2 months ago

খুলনা ডেন্টাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ কতটুকু এগিয়েছে?

জাতীয়2 months ago

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেন্টাল ইউনিটে চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন

জাতীয়2 months ago

দেশে অসংক্রামক রোগে ৬৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Campus News2 months ago

বিডিএস ৩য় ফেজ এর শিক্ষার্থীদের জন্যে পেরিওডন্টোলজী এন্ড ওরাল প্যাথলজীর বই এর মোড়ক উন্মোচন

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification