Connect with us

কলাম

সরকারি পর্যায়ে দন্ত চিকিৎসা সেবা : একটি প্রস্তাবনা

Avatar

Published

on

DentalTimes

ডাঃ রায়হানুল আরেফীন

আমাদের আউটডোরে এখন চলছে SIE থেরাপি। SIE এর elaboration হচ্ছে Sefrad(S), Indomet(I) আর Esoral(E).যে সমস্যা নিয়েই রোগী আসুক এই একটাই প্রেসক্রিপশন। Gingivitis, Periodontitis, Pulpitis, Hypersensitivity, Pericoronitis, Abscess, Ulcer সহ যেকোনো রোগের জন্যই এ চিকিৎসা। রোগী ও খুশি মনেই বাড়ি চলে যায় আর ঔষধ ফুরিয়ে গেলে আবার ১০টাকার টিকেট কিনে ঔষধ নিতে আসে। কিছুদিন পরপর ঔষধের জেনেরিক ও ব্র‍্যান্ডের সামান্য চেঞ্জ হয় আর বাদবাকি চিত্র একই থাকে।

যুগযুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে ডেন্টাল কলেজ/ইউনিট গুলো বাদে বাকি সব সরকারি দন্ত চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো ; উপজেলা, জেলা, বিভাগ সবজায়গায়। এর সাথে বোনাস হিসেবে আছে দন্ত উৎপাটন। তো একজন সরকারি ডেন্টাল সার্জন এর জয়েনিং থেকে শুরু করে রিটায়ারমেন্ট পর্যন্ত এটাই মোটামুটি কাজ। উনার মেডিকেল লাইফে উনি কি শিখেছেন তার ১০ ভাগ ও তিনি সারাজীবন সরকারি কর্মক্ষেত্রে করতে পারেন না। উপযুক্ত অবকাঠামো ও লোকবলের অভাবই এর প্রধান কারণ।

সত্যি বলতে কি, এই কাজগুলো করতে একজন কোয়ালিফাইড ডাক্তারের কোন প্রয়োজনই নেই। একজন ৬ মাসের ট্রেনিং করা লোকই যথেষ্ট এ সার্ভিস টুকু দেয়ার জন্য। ডেন্টিস্ট্রি প্রফেশনের সরকারি সেক্টরের (এবং সামগ্রিক) সকল হতাশা ও অপ্রাপ্তির এটাই গোড়া। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আপামর জনসাধারণের কাছে ডেন্টিস্ট্রি বলতে মূলত এটাই। দাঁতের যেকোন সমস্যায় এন্টিবায়োটিক আর ব্যাথার ঔষধ খেতে হয় আর একটু বেশি সমস্যা হলে ফেলে দিতে হয়। কারণ সরকারি ভাবে এ মেসেজটুকুই যায় মানুষের কাছে। সরকারি হাসপাতাল প্রশাসন বা ব্যাবস্থাপনার ডেন্টিস্ট্রি সম্পর্কে সম্যক ধারণার অভাবেই এ পরিস্থিতির উদ্ভব।

অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি, উপজেলা পর্যায়ে সার্জারি, গাইনি, কার্ডিওলোজি, পেডিয়াট্রিক্স সহ অনেকগুলো স্পেশালিটি সার্ভিস সরকারি সেক্টরে পৌঁছে গেলেও মুখ ও দাঁতের চিকিৎসার প্রাথমিক সেবাটুকুও মানুষের কাছে এখনো পৌঁছাতে পারেনি। আমাদের নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিদের এবং যারা সরকারের খুব কাছের মানুষ তাঁদের প্রধান ব্যার্থতা এখানেই। সরকারকে আমরা এই দীর্ঘদিনেও বুঝাতে পারিনি মুখ ও দাঁতের রোগগুলো কি কি এগুলোর চিকিৎসা কি এবং প্রান্তিক পর্যায়ে এ সেবাগুলো পৌঁছানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ আর এ বুঝাতে না পারার কারণেই কোয়াক সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে ক্যান্সারের মত।

সাধারণ মানুষ যখন সরকারি হাসপাতালে দাঁতের কোন চিকিৎসা পায়না, স্বাভাবিকভাবেই প্রাইভেটে চিকিৎসা নিতে যায় নিকটস্থ কোয়াকদের কাছে। কোন ইউনিয়ন, উপজেলা এমনকি জেলা পর্যায়ের রোগীও নিশ্চয়ই এরকম সময়সাপেক্ষ চিকিৎসা সরকারি ভাবে করানোর জন্য বিভাগীয় শহর বা ঢাকা যেতে আগ্রহী হবেননা। উপজেলা বা প্রান্তিক পর্যায়ে কোয়ালিফাইড চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র‍্যাকটিস করার অনীহা ও কোয়াকদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ।

শুধু এটুকু সরকারের নীতিনির্ধারকদের বুঝাতে পারলেই প্রতিবছর বিসিএস এ পোস্ট নিয়ে আমাদের আর চিন্তা করতে হতোনা, প্রমোশন হতো অটোমেটিক, জব ডিমান্ড ও ক্রিয়েট হতো স্পন্টেনিয়াসলি
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামগ্রিক কাঠামো এমন হতে পারে।

পদ ও সেবা সংক্রান্ত প্রস্তাবনাঃ

১. উপজেলা হাসপাতাল :

  • কনসালটেন্ট – ১ জন (ষষ্ঠ গ্রেড)
  • ডেন্টাল সার্জন – ২ জন (নবম গ্রেড)
  • ডেন্টাল এসিস্ট্যান্ট – ২ জন (১১তম গ্রেড)
  • পিয়ন, ক্লিনার,
  • গার্ড ১ জন করে।

সেবা সমূহ – স্কেলিং, ফিলিং, এন্টেরিওর আরসিটি, নন সার্জিক্যাল এক্সট্রাকশন।

২. জেলা হাসপাতাল :

  • ডেন্টাল সুপারেনটেনডেন্ট- ১ জন
  • চীফ কনসালটেন্ট – ১ জন (চতুর্থ গ্রেড)
  • কনসালটেন্ট – ৩ জন (ষষ্ঠ গ্রেড)
  • কনজারভেটিভ, অর্থোডন্টিক্স,ওরাল সার্জারি ডেন্টাল সার্জন – ৫ জন (নবম গ্রেড)
  • ডেন্টাল এসিস্ট্যান্ট – ৫ জন (১১তম গ্রেড)
  • পিয়ন, ক্লিনার, গার্ড ১ জন করে।

সেবা সমূহ – স্কেলিং, পলিশিং, পেরিও সার্জারি, ফিলিং ইনক্লুডিং এস্থেটিক বিল্ডআপ, আরসিটি, নন সার্জিক্যাল ও সার্জিক্যাল এক্সট্রাকশন, মাইনর ওরাল সার্জারি, মেজর ওরাল সার্জারি, অর্থোডন্টিক্স।

অবকাঠামো এবং জনবল সহায়ক প্রস্তাবনা :

  • ক) উপজেলা পর্যায়ে ২ টি ডেন্টাল ইউনিট ও আনুসংগিক উপকরণ সহ মিনি ডেন্টাল ক্লিনিক স্থাপন।
  • খ) জেলা পর্যায়ে ৫ টি ডেন্টাল ইউনিট ও আনুসংগিক উপকরণ সহ পুর্নাঙ্গ ডেন্টাল ক্লিনিক স্থাপন।
  • গ) জেলা হাসপাতালগুলোতে ৫/১০ শয্যার ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি ওয়ার্ড চালু করা।
  • ঘ) বিভাগীয় পর্যায়ে এবং প্রত্যেকটি ডেন্টাল কলেজে /ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ প্রস্থোডন্টিক ল্যাব স্থাপন করা ও পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে চালু করা।
  • ঙ) ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট (DMTD) কোর্স পরিবর্তন করে ডিপ্লোমা ইন ডেন্টাল এসিস্ট্যান্সি (DDA) কোর্স নামকরণ করা। প্রয়োজনে IHT এর বদলে MATS এর আদলে DATS চালু করা। টেকনোলজিস্টদের সরকারি চাকুরিতে কর্মক্ষেত্র সীমিত কিন্তু এসিস্ট্যান্ট হিসেবে এধরণের প্রতিবন্ধকতা থাকবেনা বরং ডাক্তারদের পোস্ট বৃদ্ধির সাথেসাথে এসিস্ট্যান্টদের পোস্ট ও অটোমেটিক ক্রিয়েট হয়ে যাবে।

প্রান্তিক পর্যায়ে নিজেদের কাজের ক্ষেত্র ও সেবা দিয়ে নিজেদের প্রমাণ করতে না পারলে নিয়মিত নিয়োগ, পদোন্নতি সহ কোন কিছুই কখনো স্বাভাবিক ভাবে পাওয়া যাবেনা। হাসপাতালে বসে SIE therapy দেয়ার জন্য সরকার কখনোই প্রতিবছর শতশত নতুন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দিবেনা যতই বেকার ডেন্টিস্টের সংখ্যা দিনদিন বাড়তে থাকুক। সবাই যার যার জায়গা থেকে আওয়াজ তুলি, আমাদের নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে বারবার নক করি, এই একটা ইস্যু নিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করি।

তাহলেই কেবল পেশাজীবি হিসেবে নিজেদের আত্নমর্যাদার জায়গাটুকু বুঝে পাবো, ডেন্টিস্ট্রিতে দেখা যাবে আসল রেনেসাঁ।

লেখক:

DentalTimes

ডাঃ রায়হানুল আরেফীন

ডেন্টাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন,
২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নোয়াখালী

করোনা পরিস্থিতি

করোনায় প্রথম ৫০০ মৃত্যু ৬৯ দিনে, পরের ৫০০ জনের মৃত্যু ১৬ দিনে

DENTALTIMESBD.com

Published

on

DentalTimes

বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় করোনায় মৃত্যুহার এখনো কম বাংলাদেশে। তবে দেশে করোনা শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে শুরু করেছে। করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ায় দেশে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। যথাযথ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০১২ জন
  • যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারাই মৃত্যু বাড়ার প্রধান কারণ
  • সারা বিশ্বে প্রতিদিন মৃত্যু প্রায় ৩০০০

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণ করে এমনটাই দেখা গেছে। আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত অনলাইন বুলেটিন থেকে জানানো হয়েছে, দেশে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১২ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৭ জন। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এর ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরের ৬৯তম দিনে ৫০০ ছাড়ায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। আর এরপর মাত্র ১৬ দিনেই মারা গেছেন ৫১১ জন।

গত মার্চে সব মিলিয়ে করোনায় মারা যান মাত্র ৫ জন। এপ্রিলে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়ায় ১৬৩ জনে। এরপর মে মাসে মারা যান ৪৮২ জন। জুনে এটি লাফিয়ে বাড়তে থাকে। এ মাসের মাত্র এক ভাগ সময়েই মারা গেছেন ৩৬২ জন। আরও দুই ভাগ সময় এখনো বাকি।

মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, করোনা সংক্রমণ শুরুর মাস মার্চের প্রথম ১০ দিনে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। এপ্রিলের প্রথম ১০ দিনে মারা যান ২২ জন, আর মে মাসের প্রথম ১০ দিনে ৩ গুণ বেড়ে মারা যান ৬০ জন। জুনেও ৬ গুণ বেড়ে ৩৬২ জন মারা গেছেন করোনায়।

করোনাভাইরাস নিয়ে নিয়মিত তথ্য প্রদানকারী অনলাইন পোর্টাল ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য বলছে, বিশ্বে এক দিনে সাড়ে ৮ হাজার মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তবে এটি কমে এখন তিন হাজারে নেমে গেছে। অধিকাংশ দেশেই মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসছে। তবে বাংলাদেশে এখন বাড়ছে। করোনা শনাক্তের সংখ্যায় বিশ্বে ১৯তম অবস্থানে এখন বাংলাদেশ। আর মোট মৃত্যুর দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩২ নম্বরে। কিন্তু নতুন শনাক্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে শীর্ষ কয়েকটি দেশের মধ্যেই আছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে কোভিড-১৯–বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, শনাক্ত রোগী বাড়ছে, ‍মৃত্যুও বাড়ছে। যত রোগী বাড়বে, তত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে। এখনই হাসপাতালে শয্যা পাওয়া যাচ্ছে না, অক্সিজেন দেওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া বয়স্ক ও অন্যান্য রোগে ভুগতে থাকা ব্যক্তিরা আক্রান্ত হওয়ায় মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।

রোগী বেড়ে যাওয়া, চিকিৎসায় অব্যবস্থাপনা, রোগীর জন্য হাসপাতালে শয্যার অপ্রতুলতা, অক্সিজেন ঘাটতি এবং বয়স্ক ও অন্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় মৃত্যু বাড়ছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশে শুরুর দিকে ৬০ বছরের কম বয়সীদের মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে থাকলেও দিন দিন এটি বদলে গেছে। এখন সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছেন ৬০ বছরের বেশি বয়সীরা। এ বয়সীদের মধ্যে করোনা শনাক্তের হার কম হলেও মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি।

DentalTimes

৫ জুন মৃত্যুর বয়সভিত্তিক একটি হিসাব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৯ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ২৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ করোনা রোগী মারা গেছেন। ১০ বছরের কম বয়সীরাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। তবে এটি ১ শতাংশের কম।

চীনের উহানে প্রথম ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি যৌথ প্রতিবেদন বলছে, চীনে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের ৮০ শতাংশের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ভারতেও মৃত ব্যক্তিদের অধিকাংশ ৬০ বছরের বেশি বয়সী। ইতালি, জার্মানিতেও বয়স্ক ব্যক্তিরাই মারা গেছেন ৮০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মৃত ব্যক্তির বয়স ও লৈঙ্গিক পরিচয় দিলেও মৃত্যুর কারণ, উপসর্গ বা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। জেলাওয়ারি করোনা শনাক্তের সংখ্যা বলা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা বলা হয় শুধু বিভাগওয়ারি। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হচ্ছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় মৃত্যুর হার বেশি।

মৃত্যু বেড়ে যাওয়া নিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, সংক্রমণ বাড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও ব্যক্তির অসতর্কতায়। কিন্তু মৃত্যু বাড়ে রোগীর চিকিৎসার ঘাটতিতে। যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারাই মৃত্যু বাড়ার প্রধান কারণ।

মৃত্যুর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিস্তারিত তথ্য বলা হয় না। রোগীর উপসর্গ, অন্যান্য রোগ, অবস্থান না জেনে মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করা যায় না।

মহিউদ্দিন, ঢাকা

Continue Reading

জনপ্রিয়