Connect with us

স্বাস্থ্য

১৩ ভাগ বরাদ্দ বাড়িয়ে স্বাস্থ্যখাত বদলানোর প্রতিশ্রুতি

Avatar

Published

on

DentalTimes

চলতি বাজেটে স্বাস্থ্যখাত কে সবচেয়ে অগ্রাধিকার পাওয়া খাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল৷ উন্নত স্বাস্থ্যসেবার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি৷ 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের জন্য মোট ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল৷ বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বেশি৷ এই বাজেটের বড় একটি অংশই অবশ্য খরচ হবে পরিচালন ব্যয়ে৷ যার পরিমান ১৬ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা৷ বাকিটা মূলত ব্যয় হবে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে৷

অর্থমন্ত্রী তার বক্তৃতায় চারটি খাতকে এবার সর্বাধিক অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন৷ তার শীর্ষে রয়েছে স্বাস্থ্য৷ তিনি বলেছেন, ‘‘স্বাস্থ্য খাতকে এবার সর্বাপেক্ষা অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে এবং করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে এখাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রণোদনা ও ক্ষতিপূরণ ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে৷’’ তবে মোট বাজেটে শতকরা হিসেবে স্বাস্থ্য খাত বরাদ্দ পেয়েছে পাঁচ দশমিক দুই ভাগ৷ তার চেয়েও বেশি বরাদ্দ আছে শিক্ষা ও প্রযুক্তি, সুদ পরিশোধ, স্থানীয় সরকার, পরিবহন ও যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা ও জনপ্রশাসনে৷

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে আমরা ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি৷ কোভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় বর্তমানে ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে৷” নতুন বাজেটে জরুরি চাহিদা মেটাতে ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দের প্রস্তাবও করেছেন তিনি৷

দেশের স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতা স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘‘কোভিড ১৯ মোকাবেলার অভিজ্ঞতা আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কিছু দুর্বলতা চিহ্নিত করেছে৷ এর ফলশ্রুতিতেত স্বাস্থ্য খাতে আমাদের দীর্ঘদিনের অর্জনসমূহ টেকসই করা এবং ভবিষ্যতে মহামারি/মরণব্যাধির প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও বেকাবেলাসহ সামগ্রিকভাবে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে উন্নত বিশ্বের কাতারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে৷’’

তবে বরাদ্দ বাড়লেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তার ব্যবহার কতটা করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে৷ গত বাজেটে ২৫ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা রবাদ্দ দেয়া হলেও পরবর্তীতে তা সংশোধন করে ২৩ হাজার ৬৯২ কোটি টাকায় কমিয়ে আনা হয়েছে৷ শেষ পর্যন্ত সেই বরাদ্দের পুরোটাও খরচ করতে পারছে না মন্ত্রণালয়৷

আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেটে সব মিলিয়ে মোট পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ের পরিকল্পনা করেছেন অর্থমন্ত্রী৷ যা বিদায়ী বছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে প্রায় ১৩ ভাগ বেশি৷ এরমধ্যে পরিচালন ব্যয়েই চলে যাবে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৮০ কোটি টাকা৷ বাকি ২ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে উন্নয়নে৷

করোনার কারণে চলতি অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৫.২ শতাংশ হবে বলে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী৷ তবে নতুন অর্থবছরের জন্য ঠিকই উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি ৷ ‘‘কোভিড পরবর্তী উত্তরণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে৷ এসময়ে মূল্যস্ফীতি ৫.৪ শতাংশ হবে মর্মে আশা করছি,’’ বলেন অর্থমন্ত্রী৷   

স্বাস্থ্য

সুবিধাবঞ্চিত মানুষের করোনা সচেতনতায় মেডিকেল ও ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের ক্যাম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes
ছবি : ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একাংশ

নিসা আলী

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে চিকিৎসা সেবা পৌছে দিতে এবং তাদের মাঝে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের সনামধন্য মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে অধ্যয়নরত কক্সবাজার জেলার শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গত ২২ অক্টোবর, রোজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত হলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।

করোনা পরিস্থিতিতে যেখানে তিন বেলা আহার জোটানো মুস্কিল, চিকিৎসা সেবা সেইখানে অপ্রত্যাশিত।কিন্তু চিকিৎসা সেবা পাওয়ার অধিকার, মৌলিক চাহিদা গুলোর মধ্য অন্যতম। এই অসহায় মানুষদের মধ্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তাই মেডিকেল শিক্ষার্থীদের এ আয়োজন।

আয়োজিত ক্যাম্পে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ,সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ,কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ এবং ডেন্টাল কলেজ গুলোর মধ্যে ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ডেন্টাল,রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিট সহ আরো অনেক স্বনামধন্য মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে মেডিকেলে পড়ুয়া এসব শিক্ষার্থীরা প্রায় ৩০০ জনের ব্লাড গ্রুপিং, ৯০ জনের রেন্ডম ব্লাড স্যুগার, ২০০ জনের মতো ব্লাড প্রেসার এবং প্রায় ৩০০ জন কে ফ্রি মাস্ক বিতরন করে।

তাদের এই আয়োজনে অসহায় মানুষের সুবিধার জন্যে চোখে পড়ার মতো দুইটি বুথ ছিল। যেখানে একটি বুথে ছিল করোনা সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার এবং অপর একটি বুথে গ্রামের অসচেতন নারীদের মাঝে নারী স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা নিয়ে কাউন্সিলিং।

এসময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুর রহিম এবং ভেন্যু স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ শফি উল্লাহসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

এদিকে কক্সবাজার জেলা থেকে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল এন্ড ডেন্টালে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের এমন মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয়রা। এছাড়া, অসচেতন গ্রামের মানুষকে সচেতন করে গড়ে তুলার লক্ষ্যে যতবেশি এই ধরনের আয়োজন করা যায় তত ভালো হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

আরব আমিরাতে সবার আগে টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আবদুল রহমান আল ওয়াইস দেশটিতে জরুরি ভিত্তিতে দেওয়া করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।এ টিকা তৈরি করেছে চীনা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম। টিকাটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা চলছে। সেখানকার হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরীক্ষা করার পর টিকার ডোজ তৈরি করা হয়েছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার দেশটিতে চীনা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মের তৈরি টিকা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়।করোনার টিকা পরীক্ষা শুরু করার ছয় সপ্তাহ পরই তা জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমতি দিয়েছে দেশটি।গত জুলাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোভিড-১৯ টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু করে সিনোফার্ম। এখনো টিকাটির পরীক্ষা শেষ হয়নি।

দেশটির ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ক্রাইসিস অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথোরিটি এক টুইটে বলেছে, টিকাটি ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রতিরক্ষাকাজে নিয়োজিত প্রথম সারির নায়কদের দেবে তারা। পরীক্ষাধীন থাকা টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ২১ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর ওপর পরীক্ষা চালানোসহ কয়েকটি মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে।দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএম সোমবার জানিয়েছে, টিকাটি শুরুতে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে টিকাটি নেন।আল ওয়াইস বলেছেন, আরব আমিরাত সম্মুখসারির নায়কদের জন্য সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে থাকার কারণে যেকোনো বিপদ থেকে তাঁদের রক্ষা করা হবে।সোমবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকাটি সম্পূর্ণ আইন ও নিয়ম মেনে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণ হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর পরীক্ষার এটি অ্যান্টিবডি তৈরি করে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।আরব আমিরাতে চালানো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৩১ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে যুক্ত করা হয়।আরব আমিরাতে বসবাসকারী ১২৫টি দেশের নাগরিকেরাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।দেশটির চিকিৎসক নাওয়াল আল কাব্বি বলেছেন, পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফল উৎসাহব্যঞ্জক। এতে খুব সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে দেখা গেছে।আরব আমিরাতের চিকিৎসকেরা বলছেন, টিকা পরীক্ষার সময় বিভিন্ন রোগ ও জটিলতায় ভুগতে থাকা এক হাজার ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

তাঁদের কোনো মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এতে কেবল সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের মতো গলাব্যথার মৃদু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সিনোফার্ম প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের টিকা পরীক্ষা চালিয়েছিল চীনে। পরের ধাপের পরীক্ষার জন্য আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানকে বেছে নেয়।

সিনোফার্মের পক্ষ থেকে গত জুলাই মাসে আরব আমিরাতে টিকা পরীক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। পরীক্ষামূলক টিকাটির প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ সফল হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এ সময় ২৮ দিনের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পর শতভাগ স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়।সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন হিসেবে যে টিকা তৈরি করা হয়, এতে মৃত ভাইরাস বা ভাইরাস থেকে সংগৃহীত প্রোটিন ব্যবহৃত হয়। টিকা তৈরির এ প্রক্রিয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ও হামের বিরুদ্ধে পরীক্ষিত।

Continue Reading

স্বাস্থ্য

মুখ গহ্বরের কিছু বিরল রোগ: Angina Bullosa Haemorrhagica

নিজস্ব প্রতিনিধি

Published

on

DentalTimes

ANGINA_BULLOSA_HEMORRHAGICA

এটা খুব বিরল ধরনের মুখ গহ্বরের রোগ।শতকরা ০.৫%মানুষের এই রোগ হয়ে থাকে।এই রোগে হঠাৎ করে মুখ গহ্বরের soft tissu তে কিছু রক্তপূর্ণ ফোস্কা দেখা যায় যা কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়,তারপর স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ফেটে যায় যা খুবই কষ্টদায়ক।

এটা সাধারণত বয়ষ্ক মানুষদের (৪৫বছরের উপরে) বেশি হয়ে থাকে।নারী পুরুষ উভয়ের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা সমান।

এটা মূলত তালুতে(soft palate),গালে(buccal mucosa)এবং জিহ্বায় (tongue) এ দেখা যায়।

আক্রান্ত স্থানটিতে প্রথমে পোড়ারমত জ্বলতে থাকে,তারপর এতে রক্তপৃর্ণ ফোস্কা দেখা যায় যা কয়েক মিনিট বাদে নিজে থেকেই ফেটে যায়।এটা আক্রান্ত স্থানে ছোট্ট একটা ক্ষত রেখে যায় যা খুবই কষ্টদায়ক।

এটার প্রধান কারন….

  • *অ্যালার্জী জাতিয় খাবার খাওয়া।
  • *vitamin-B complex এবংvitC এর অভাবে।
  • *মাড়িতে বা গালে অসাবধানতাবশত কামড় লেগে গেলে।
  • *oral herpes virus এর জন্য।

Continue Reading

জনপ্রিয়

Enable Notifications From DentalTimesBD    Ok No thanks