Connect with us

Uncategorized

স্বাস্থ্য খাতের অর্থায়ন ও এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

Published

on

সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে রোগীর নিজস্ব অর্থ ব্যয় সবচেয়ে বেশি এবং এ ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের মাত্র ২৩ শতাংশ বহন করে সরকার; ১৯৯৭ সালে সরকারের অংশ ছিল ৩৭ শতাংশ। বেসরকারি এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলো ৩ শতাংশ এবং দাতা সংস্থাগুলো অবস্থাভেদে ৭ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় বহন করে থাকে। ফলে প্রতিদিন সাধারণ জনগণ আরো বেশি করে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় বাড়লেও তাতে সরকারের অংশ কমছে আর রোগীর খরচ বাড়ছে। নিজের পকেট থেকে খরচ করা টাকার ৭০ শতাংশ ব্যয় হয় ওষুধ কেনায়। হাসপাতালে নিরাময়মূলক চিকিত্সা পেতে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ খরচ হয়, বহির্বিভাগে ১০ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাবদ ব্যয় হয় ৮ দশমিক ২ শতাংশ। গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হেলথ ইকোনমিকস ইউনিট প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্টস ১৯৯৭-২০১৫’ শীর্ষক প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য ব্যয়ের এমন তথ্যই দেয়া হয়েছে।

গত কয়েক বছরে স্বাস্থ্য-বিষয়ক বেশকিছু সূচকে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৪ ও ৫ অর্জনে বাংলাদেশ অনেকের কাছেই অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত। পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশু মৃত্যুহার রোধে বাংলাদেশ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে গড় প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৬৫ থেকে বেড়ে ৭২ বছর হয়েছে। কিন্তু ঠিক একই সময়ে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে জনগণ ও স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের মধ্যে দূরত্ব ও মনোমালিন্য বেড়েছে। এখনো দেশের অধিকাংশ জনগণ মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা অর্জন থেকে বঞ্চিত। দিন দিন বাড়ছে চিকিত্সা ব্যয়। এ ব্যয়ের প্রায় ৭৭ শতাংশ খরচ জনগণের পকেট থেকেই বহন করতে হয়। এ খরচের ৫ ভাগের ৩ ভাগ ব্যয় হয় ওষুধ কিনতে। এই ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতি বছর দারিদ্র্যের সম্মুখীন হচ্ছে অনেক মানুষ। অনেকেই সঠিক সময়ে চিকিত্সা করাতে না পেরে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। অথচ এই পরিস্থিতির বিপরীতে, সরকারি বরাদ্দের মাধ্যমে নাগরিকদের চিকিত্সা ব্যয় কমানোর তেমন কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। প্রতি বছর বাজেটে গুরুত্বহীন খাতের মতো অবহেলিতই থেকে যায় স্বাস্থ্য খাত। এ খাতে অর্থায়নের পরিমাণ বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় শোচনীয়।

কয়েক বছর ধরেই স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বরাদ্দ বাড়ানোর ব্যাপারে বেশ কয়েক বছর ধরে জোর দাবি জানালেও বাজেটে সেই দাবির প্রতিফলন দেখা যায় না। বরং রেকর্ড আয়তনের বাজেটের অনুপাতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দও রেকর্ড পরিমাণ কমছে প্রতি বছর! ১৯৯০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে গড় বরাদ্দ হচ্ছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ। বর্তমান অর্থবছরে (২০১৭-২০১৮) স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২০ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৫ দশমিক ২ শতাংশ, গত অর্থবছরে যা ছিল মোট বাজেটের ৫ দশমিক ১ শতাংশ। শতকরা হিসাবে অনুপাত সামান্য বাড়লেও মূল্যস্ফীতি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় বরাদ্দ তেমন বাড়েনি। ফলে বলা যায়, বর্তমান বরাদ্দ আগের গড় বরাদ্দের চেয়েও কম।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একটি দেশের মোট বাজেটের অন্তত ১৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ থাকা উচিত। বাংলাদেশ সরকার ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নয়নশীল দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার প্রকল্প নিয়েছে। সে মানে পৌঁছতে স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের ১৫ শতাংশ না হলেও অন্তত ১০ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জনপ্রতি বার্ষিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়ের স্বীকৃত পরিমাণ ৫৪ ডলারের সমান হলেও বাংলাদেশে তা ২৭ ডলার (২ হাজার ১৬৭ টাকা মাত্র)। এর মধ্যে সরকারের অবদান মাত্র ৬ ডলার। অর্থাত্ কমবেশি ৫০০ টাকা। হিসাব করলে দেখা যায়, মাথাপিছু দৈনিক সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় মাত্র ১ টাকা ৩৭ পয়সা।

স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তি পর্যায়ের ব্যয় বৃদ্ধির বিপরীতে সরকারি বরাদ্দ দিন দিন কমছে। একটু পেছন ফিরে চলতি বছরের বাজেটের দিকে নজর দেয়া যাক। এ বছরের বাজেট বক্তব্যে আগামী অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় পরিকল্পনা নিয়ে দুটি সংক্ষিপ্ত অনুচ্ছেদে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী। এই দুই অনুচ্ছেদের কোনোটিতেই স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে নতুন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলা হয়নি। কমিউনিটি ক্লিনিক ও টেলিমেডিসিন সেবার সম্প্রসারণ এবং গরিব, দুস্থ ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য ‘মাতৃস্বাস্থ্য ভাউচার স্কিম’ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা বলা হয়েছে। অথচ এগুলোর সীমাবদ্ধতা ও যথার্থ প্রয়োগের ত্রুটি নিয়ে কোনো ধরনের আলোকপাত করা হয়নি।

মাতৃস্বাস্থ্য ভাউচার স্কিম নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এটা কার্যকর করা গেলে তা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর, বিশেষত সুবিধাবঞ্চিত মায়েদের স্বাস্থ্য উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। এ স্কিমের অধীনে মাতৃত্বকালীন ছুটির সময়ে কর্মজীবী মায়েদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিশেষ করে নারী পোশাক শ্রমিকদের এর আওতায় আনা গেলে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি লাভবান হবে। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত ১৩ হাজার ৩৩৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকের সঙ্গে আরো ৩৯২টি যোগ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যদিও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে কার্যকর করার মতো পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত জনবলের তীব্র অভাব রয়েছে। প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আমাদের তেমন কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। অথচ জনগণকে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবলের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে হলে এ খাতে পর্যাপ্ত দক্ষ জনবলের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি তথ্যমতে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে মোট পদের শতকরা ৩৪ ভাগই শূন্য। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী জনবল বিবেচনায় সংকটাপন্ন ৫৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এ দেশে এখনো রোগীর অনুপাতে চিকিত্সক ও নার্সের সংখ্যা অনেক কম। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মান হচ্ছে ১ অনুপাত ৩। অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা হচ্ছে ১ অনুপাত শূন্য দশমিক ৪৮, যা সত্যিই আশঙ্কাজনক। ১০ হাজার রোগীর জন্য এখানে চিকিত্সক আছেন মাত্র তিনজন। তাই পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল তৈরি ও তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগানোর ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গ্রাম ও শহরের মধ্যে জনবলের তীব্র বৈষম্য বিদ্যমান। শহরে চিকিত্সা পেশাজীবীদের আধিক্য থাকলেও গ্রামে তাদের সংখ্যা অনেক কম। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিরাপত্তার অভাব, যাতায়াতের অসুবিধা, বিদ্যুত্ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর প্রকট সংকটই উপজেলা পর্যায়ে চাকরির ব্যাপারে চিকিত্সকদের অনীহার প্রধান কারণ।

২০১৫ সালে সরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগে ১৭ কোটি ৮৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫৮ জন এবং জরুরি বিভাগে ৭৪ লাখ ২৫ হাজার ৫৪১ জন চিকিত্সাসেবা গ্রহণ করে। অপ্রতুল জনশক্তি ও স্বল্প বরাদ্দের কারণে এই বিশাল সংখ্যক রোগীকে মানসম্পন্ন ও পর্যাপ্ত চিকিত্সাসেবা দেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফলে চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে জনগণের অভিযোগ থেকেই যায়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবার এ ধরনের দুর্বলতায় জনগণকে বাধ্য হয়েই বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয়। এরই মধ্যে আমাদের চিকিত্সা ব্যবস্থা বেসরকারি হাসপাতালনির্ভর হয়ে উঠেছে। এটা স্বাস্থ্য খাতের গুরুতর অবনতি বোঝা যায়। সরকারি বাজেট যদি না থাকে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে মানসম্পন্ন সেবা ও ওষুধ সরবরাহ ঠিকমতো না থাকে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকে, তবে জনগণের স্বাস্থ্যসেবার মান গুরুতর হুমকির মুখে পড়ে যাবে। এসব কিছুর সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, আমাদের দেশে প্রতি বছর ৬৪ লাখ লোক চিকিত্সা ব্যয় বহন করতে গিয়ে গরিব হয়ে যাচ্ছে। এর কারণ বাংলাদেশে মোট চিকিত্সা ব্যয়ের ৭৭ শতাংশই জনগণ নিজের পকেট থেকে বহন করে আর সরকার খরচ করে মাত্র ২৩ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জনগণের নিজস্ব খরচ কোনোভাবেই ৩২ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়। আমাদের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত অন্যতম একটা পরিকল্পনা ছিল জনগণের চিকিত্সা ব্যয় কমিয়ে ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। সেক্ষেত্রে চিকিত্সা খাতে সরকারি ব্যয় বাড়ানো হবে। কিন্তু পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে আমাদের স্বাস্থ্য খাতের অর্থায়ন কখনই সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ২০১১ সালে গৃহীত জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে বলা হয়েছিল, ব্যক্তিগত চিকিত্সা ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে সরকারি চাকরিজীবীদের চিকিত্সাবীমা এবং গরিব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ‘স্বাস্থ্য কার্ড’ প্রচলন করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে এই ইস্যুগুলো পুরোপুরি উপেক্ষিতই থেকে যায়। দেশের জনসাধারণের সুস্থতা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই বিষয়গুলোয় বিশেষ নজর দিতে হবে। বিশেষ করে, প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পুষ্টির ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সমস্যা মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। 

স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে ওষুধনীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৮২ সালের পর এ দেশে ওষুধনীতির কোনো পরিবর্তন বা আধুনিকায়ন হয়নি। ২০০৫ সালে সরকার একটি খসড়া ওষুধনীতি তৈরি করে। কিন্তু গত ১০ বছরেও তা গৃহীত হয়নি। গত কয়েক বাজেটে অর্থমন্ত্রী নতুন ওষুধনীতি প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও তার কাঙ্ক্ষিত কোনো ফলাফল চোখে পড়েনি। গত বছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। অর্থবছরের শেষ দিকে এসে তড়িঘড়ি করে কয়েকটি মডেল ফার্মেসি স্থাপন ছাড়া এ বিষয়ে তেমন কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি। কার্যকর ওষুধনীতি প্রণয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণ নিয়েও আমাদের সচেতন হতে হবে। কারণ স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে এ বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্য সমস্যার মোকাবেলা এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে। কেননা জলবায়ুর পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত স্বাস্থ্য সমস্যা ও রোগবালাই বর্তমান বিশ্বে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য উদ্বেগজনক বিষয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশেও যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। ২০১১ সালে গৃহীত জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্য বিপর্যয় ও রোগব্যাধির গতি-প্রকৃতি লক্ষ রাখা ও তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় উদ্ভাবন’ করার কথা বলা আছে। কিন্তু পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও যথাযথ পরিকল্পনার অভাবে এগুলো নিয়ে বেশি দূর এগোনো যায়নি।

মনে রাখতে হবে, ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জনে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্ব একসঙ্গে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা’ নিয়ে কাজ করবে। এ সময়সীমার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে গেলে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের পরিমাণ বাড়াতে হবে। ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিত্সা ব্যয় কমাতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ও অপরিকল্পিত ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহারের দিকেও নজর দিতে হবে। তা না হলে অবহেলিত স্বাস্থ্য খাত একটি বিকলাঙ্গ জাতির পরিণতির দিকেই এগিয়ে নিবে আমাদের।

লেখক পরিচিতি

ডা: মো. শাহিনুল আলম,
সহযোগী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়;

ডা: আবু হেনা আবিদ জাফর,
মেডিকেল ডিরেক্টর, ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল;

ডা: তোফায়েল আহমেদ ভূঁইয়া  
ইন্টার্ন চিকিৎসক, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ।

Advertisement

Uncategorized

‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে’ – জাহিদ মালেক

Published

on

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখীতে দেশে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন আসতে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘আজই হয়তো এর ডিক্লিয়ারেশন আসতে পারে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিভিন্ন টাইপের লকডাউন আসবে।’

সেটা কেমন হবে জানতে চাইলে বলেন, ‘চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বান্দারবানে যাওয়া আসা বন্ধ হবে। বিয়ের অনুষ্ঠান, পিকনিক, ওয়াজ মাহফিল বন্ধ করার নির্দেশনা আসতে পারে। যেখানে জনসমাগম হয় সেসব জায়গায় রেস্ট্রিকশন আসতে পারে-এভাবেই বিভিন্ন ধরনের রেস্ট্রিকশন আসবে। আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রাণলয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ের প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে ২২ দফার যে প্রোপোজাল গেছে, সেখানে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব রয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দেখে যেটা ভালো মনে করবেন সে অনুযায়ী নির্দেশনা জারি করবেন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লকডাউন থাকবে।’

প্রস্তাবানার মধ্যে আছে:

১. সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। কমিউনিটি সেন্টার/কনভেনশন সেন্টারে বিয়ে/জন্মদিন/সভা/সেমিনার ইত্যাদি অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা।

২. বাড়িতে বিয়ে/জন্মদিন ইত্যাদি অনুষ্ঠানে জনসমাগম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

৩. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ন্যূনতম উপস্থিতি নিশ্চিত করা (ওয়াক্তিয়া নামাজে ৫-এর অধিক নয় এবং জুমার নামাজে ১০-এর অধিক নয়)।

৪. পর্যটন/বিনোদন কেন্দ্র/সিনেমা হল/থিয়েটার ও সব ধরনের মেলা বন্ধ রাখা।

Continue Reading

Uncategorized

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় এআই টুল ‘ বিটকরোনা ‘

Published

on

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ‘বিটকরোনা’ নামের করোনা শনাক্তকারী কৃত্তিম বৃদ্ধিমত্তা টুল তৈরি করেছে দেশি সফটওয়্যার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন । তাদের দাবি, করোনাবট এবং এক্স-রে ইমেজ অ্যানালাইসিস টুল উন্নত উপায়ে ও দ্রুতগতিতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত কি না, তা নিজে থেকে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করা যাবে।

ইজেনারেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যবহারকারী নিজেই কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত কি না, সেই সিদ্ধান্ত যাতে নিতে পারেন, এ জন্য ইজেনারেশন করোনাবটকে সেলফ-টেস্টিং টুলস হিসেবে তৈরি করেছে। এটি ব্যবহারকারীকে নিজে থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে আইসোলেশনে থাকতে উৎসাহ দেয়।

এটি স্বাস্থ্যকর্মীদের সময় বাঁচাতে পারে। ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন বুঝতে পারা এবং সেটির যথাযথ উত্তর দেয়ার জন্য করোনাবটটিতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ করা হয়েছে। বটটি ইংরেজি, বাংলা এবং বাংলা ভাষাকে ইংরেজি অক্ষরে লেখা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

এর পাশাপাশি ইজেনারেশন মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে এক্স-রে ছবি বিশ্লেষণী টুল তৈরি করেছে যা বুকের এক্স-রে ছবি দেখে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণে কার্যকর হতে পারে। এই টুল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা সুস্থ আছেন কিনা, মৃদু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত কিনা অথবা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটি জানা যাবে। ইজেনারেশন বিটকরোনা (http://beatcorona.egeneration.co/) ওয়েবসাইটে গিয়ে এক্স-রে ছবি আপলোড করলে টুলটি ফলাফল দেখাবে

ইজেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, ‘ইজেনারেশন বিগত দুই বছর ধরে স্বাস্থ্যসেবা সফটওয়্যার ও অ্যানালিটিক্স নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির যে সক্ষমতা আমাদের তৈরি হয়েছে, সেটি ব্যবহার করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের এই সল্যুশনগুলি আমরা স্বল্প সময়ে তৈরি করতে পেরেছি।’

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

মির্জাপুরে নারীসহ আরও দুইজনের করোনা পজিটিভ

Published

on

মির্জাপুরে নারীসহ আরও

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক নারীসহ আরও দুইজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন, উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের কামাড়পাড়া গ্রামের ৫৫ বছরের এক নারী ও জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা গ্রামের ৩০ বছরের এক যুবক।

আক্রান্ত ওই নারী ঢাকায় বোনের বাসায় এবং যুবক ঢাকায় জুয়েলারি দোকানে থাকতেন। ২৬ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মীরা ৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান। এরমধ্যে তাদের ওই দুইজনের করোনা পজিটিভ ও চারজনের নেগেটিভ আসে বলে স্বাস্থ্যকর্মী এজাজুল হক হাসান রাত সাড়ে এগারোটায় জানিয়েছেন।

এর আগে ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের পলি ক্লিনিকের সিনিয়র ওটি বয় অখিল চন্দ্র সরকারের করোনা পজিটিভ হলে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয়ে ২৪ এপ্রিল বাড়ি আসেন।

এ পর্যন্ত মির্জাপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা ১৫২ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন। এরমধ্যে ১৪৯ জনের করোনা নেগেটিভ ও ৩ জনের পজিটিভ আসে।

উপজেলা প্রশাসন রাতেই তাদের ঢাকায় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো এবং আশপাশের অর্ধশত বাড়ি লকডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

অন্যান্য

Continue Reading

Uncategorized

করোনা আক্রান্তের ১১ ভাগ স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা

Published

on

চিকিৎসক-নার্সসহ ৬৬০ জন স্বাস্থ্যকর্মী মরণব্যাধী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বৈশ্বিক করোনা মহামারীতে বাংলাদেশও গভীর সংকটের সম্মুখীন। আজ সোমবার পর্যন্ত দেশের করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৯১৩ জন এবং মারা গেছেন ১৫২ জন। 

এতে আরও বলা হয়েছে, করোনা যুদ্ধের সম্মুখ সারির যোদ্ধা চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টসহ সেবাদানকারীগণ আশঙ্কাজনকভাবে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত ২৯৫ জন চিকিৎসক, ১১৬ জন নার্স ও ২৪৯ জন অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬০, যা দেশের মোট আক্রান্তের ১১ ভাগ। 

চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবাদানকারী ব্যক্তিগণ এই হারে আক্রান্ত হতে থাকলে আগামীতে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। 

তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত প্রস্তাবনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানায় বিএমএ। এগুলো হলো:

১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোভিড হাসপাতালে নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য সঠিক মানের পিপিই, এন-৯৫ বা এর সমমানের মাস্ক প্রদান করা জরুরি। 
২. নন-কোভিড হাসপাতালের প্রবেশদ্বারে ট্রায়াজ সিস্টেম চালু করে সেখানে কর্মরত সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপযুক্ত পিপিই, এন-৯৫ বা সমমানের মাস্ক প্রদান নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। 
৩. সকল সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন, প্রয়োজনীয় খাদ্য সরবরাহ ও হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

Continue Reading

Uncategorized

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াল, আক্রান্ত আরও ৪৯৭

Published

on

অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

দেশে মহামাহারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে ১৫২ জনের মৃত্যু হলো। আক্রান্ত হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৯৭ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ১৯২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে তিন হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪০১টি। নতুন যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে তার মধ্যে আরও ৪৯৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৯১৩ জনে। আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে মারা গেছেন আরও সাতজন, এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫২ জনে। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন আরও নয়জন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৩১ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে ঘরে থাকার এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয় বুলেটিনে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস এখন গোটা বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে। চীন পরিস্থিতি অনেকটাই সামাল দিয়ে উঠলেও এখন মারাত্মকভাবে ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ সাত হাজার। তবে পৌনে নয় লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত রোগীর খবর মিললেও এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নিয়েছে আরও নানা পদক্ষেপ। এসব পদক্ষেপের মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে সামাজিক দূরত্ব বজায়, বিশেষত ঘরে রাখা। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশের টহল জোরদার করেও মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না বিধায় করোনাভাইরাসের বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

দেশে করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট (27.04.2020)

Continue Reading
চট্রগ্রাম বিভাগ13 hours ago

ইনসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময়

স্বাস্থ্য13 hours ago

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের তথ্য কেন এনআইডিতে নয়, হাইকোর্টের রুল

সংগঠন1 day ago

বিএফডিএস’র আয়োজনে ডেন্টিস্টদের পদ্মা সেতু ভ্রমণ

Campus News1 week ago

রংপুর মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ইউনিটের দশ বছর পূর্তি উদযাপিত

Campus News1 month ago

ঢামেকে “ওয়েগেনারস গ্রানুলোমেটোসিস” বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

BFDS1 month ago

বিএফডিএস কতৃক ইন্টার্ণ চিকিৎসকের নিয়ে কার্যকর আয়োজন

ক্যারিয়ার2 months ago

৪৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আন্তর্জাতিক2 months ago

ডেন্টাল রেকর্ডের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্রিটিশ সাংবাদিক শনাক্ত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর2 months ago

ঢাকায় ২৯ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

জাতীয়2 months ago

৪৩৩ জনের করোনা শনাক্ত, হার ৬.২৭ শতাংশ

নোটিশ2 months ago

৪০তম বিসিএসে উত্তীর্ণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ২৬ জুন

জাতীয়2 months ago

দন্তচিকিৎসক বুলবুল হত্যায় আরও একজন গ্রেপ্তার

জাতীয়2 months ago

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিচার শুরু

জাতীয়2 months ago

ডেন্টাল ইউনিটের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি নষ্ট, সেবা ব্যাহত

Campus News2 months ago

আন্দোলনের তৃতীয় দিনে সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা

সিলেট বিভাগ2 months ago

পঞ্চম শ্রেণি পাশ না করেই তিনি অভিজ্ঞ ডেন্টিস্ট!

জাতীয়2 months ago

খুলনা ডেন্টাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ কতটুকু এগিয়েছে?

জাতীয়2 months ago

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেন্টাল ইউনিটে চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন

জাতীয়2 months ago

দেশে অসংক্রামক রোগে ৬৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Campus News2 months ago

বিডিএস ৩য় ফেজ এর শিক্ষার্থীদের জন্যে পেরিওডন্টোলজী এন্ড ওরাল প্যাথলজীর বই এর মোড়ক উন্মোচন

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification