Connect with us

কলাম

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব

Published

on

মো. ফারুক আহমেদ

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা নাগরিকের মৌলিক অধিকার। দেশে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং সেবাসুলভ মূল্যে পাওয়ার ব্যবস্থা উন্নয়নে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং বিপুলসংখ্যক প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি অনেক বেসরকারি উদ্যোক্তা প্রতিটি শহর ও জনবহুল স্থানে হাসপাতালসহ আনুষঙ্গিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলছে। দ্রুত সেবাপ্রাপ্তির কারণে জনসংখ্যার একটি বড় অংশ উচ্চমূল্যের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে। তবে এটিও বাস্তবতা যে, সরকারের একার পক্ষে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। করোনা উত্তরকালে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এ সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য খাতে উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ সরকারের পক্ষে বরাদ্দ করতে না পারা অসম্ভব নয়। এ ঘাটতি পূরণে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও দক্ষতা ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। পৃথিবীর উন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশই পিপিপি চুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং তাদের দক্ষতাকে ব্যবহার করে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি বিধান করেছে।

সরকারি অবকাঠামো, জনসেবা এবং অন্যান্য সম্পর্কিত পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিগত সম্পর্ক হলো পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)। এ ধরনের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব চুক্তির মাধ্যমে সরকার ও বেসরকারি অংশীদার উভয়পক্ষ পারস্পরিক সুবিধার জন্য বিনিয়োগ, ঝুঁকি, প্রতিদান এবং দায়-দায়িত্ব ভাগ করে নেয়। বর্তমান সময়ে অবকাঠামোগত চাহিদা পূরণ এবং সব আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি অর্জন, বিশেষ করে জাতীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) পূরণের ক্ষেত্রে পিপিপি একটি উল্লেখযোগ্য হাতিয়ার হিসাবে দেশে দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। যুক্তরাজ্য জনসেবামূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে (অবকাঠামো ও অন্যান্য সেবা) সর্বপ্রথম পিপিপি প্রকল্প গ্রহণ করে, পরবর্তী সময়ে অন্যান্য দেশ যেমন-জাপান, ভারত, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্কসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো এবং অন্য অনেক দেশ পিপিপি ধারণা ব্যবহার করে তাদের বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বেসরকারি অংশীদারের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকার সর্বনিু আর্থিক ঝুঁকিতে আধুনিক, কার্যকর, ব্যয়সাশ্রয়ী, পরিমাপযোগ্য নাগরিক সেবা প্রদান করতে সক্ষম হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সফলভাবে পিপিপি ধারণাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত উন্নয়ন ঘটিয়েছে। অন্যান্য খাতের উন্নয়নের জন্য একইভাবে সরকার ২০১০ সালে একটি পৃথক পিপিপি নীতিমালা প্রণয়ন করে এবং পরবর্তী সময়ে পিপিপি আইন-২০১৫ প্রণয়ন ও কার্যকর করেছে। বাংলাদেশের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জিডিপির ৩.৮ শতাংশ অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যার মধ্যে পিপিপিতে ছিল ১.৮ শতাংশ। পিপিপিতে উল্লিখিত লক্ষ্য অর্জনে সরকার আইন প্রণয়নসহ বিভিন্ন প্রকার গাইডলাইন, পলিসি ও বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো কার্যকর করেছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু মন্ত্রণালয় পিপিপি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

বর্তমানে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (এনআইকেডিইউ) এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (সিএমসিএইচ) পিপিপি প্রকল্পের হেমোডায়ালাইসিস সেন্টারের দুটি ইউনিট কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস সেবা প্রদান করছে, যা ইতোমধ্যে অনেকের নজর কেড়েছে। সাধারণ মানুষকে মানসম্পন্ন ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়ার জন্য এটি সরকারের একটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগ।

বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবা খাতের সক্ষমতা বাড়াতে অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অনেক নতুন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিদ্যমান হাসপাতালগুলোয় শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এমনকি বিভিন্ন ইউনিয়নে কমিউনিটি হেলথ সার্ভিস সেন্টার/ক্লিনিক খোলা হয়েছে। যোগ্য ডাক্তার ও নার্সের চাহিদা মেটাতে সরকার নতুন নতুন পাবলিক মেডিকেল কলেজ এবং নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছে। সরকারের নানা প্রচেষ্টার পরও কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করার সময় সবাই উপলব্ধি করেছে যে, স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা পূরণে আরও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। জনসংখ্যা অনুযায়ী সেবা পর্যাপ্ত না থাকায় দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর একটি অংশ প্রয়োজনীয় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে সক্ষম হচ্ছে না। অপরদিকে আর্থিকভাবে সমর্থ ব্যক্তিরা স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের জন্য বিদেশ গমন করে কষ্টার্জিত বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করছে। স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারের একার পক্ষে স্বাস্থ্য পরিষেবার দ্রুত সম্প্রসারণ সম্ভব না-ও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা কাজে লাগানো যেতে পারে।

সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রাথমিক বিনিয়োগ ব্যতীত অথবা Viability Gap Financing হিসাবে একটি ছোট তহবিল প্রদান করে বেসরকারি উদ্যোক্তার সঙ্গে অংশীদারত্ব করে জনগণের জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া যায়। এমনকি সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে সাফল্যের সঙ্গে পিপিপি মডেলে স্বাস্থ্য ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদান করা যেতে পারে। এতে করে সরকারের দিক থেকে কোনো পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত ঝামেলা থাকবে না, বরং স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান ও সেবাপ্রাপ্তির সময় হ্রাস করা সম্ভব। স্বাস্থ্যসেবায় পিপিপি মডেলের ব্যবহার ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অভীষ্ট-৩ অর্জনে সহায়ক হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ পিপিপি উদ্যোগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুবিধা সৃষ্টি করে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপ্তি ও গুণগতমান বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ স্বাস্থ্য খাতে যেরূপ পিপিপি পদ্ধতি অনুসরণ করেছে, বাংলাদেশও সেরূপ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে। স্বাস্থ্য খাতে পিপিপির সাফল্য বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ খাতে নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত প্রাসঙ্গিক ব্যয় (Out of pocket expenses) দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্যসেবা খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের ফলে পরিষেবাগুলো সহজপ্রাপ্য হবে এবং বেসরকারি অংশীদার সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে সব ধরনের পরিষেবা সরবরাহ করবে; যা রোগীদের প্রাসঙ্গিক ব্যয় হ্রাস করবে। এমনকি হাসপাতালগুলোয় অতিদরিদ্র রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। অধিকন্তু, পিপিপি মডেল স্বাস্থ্য খাতে বেশকিছু সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে পেতে এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।

যেহেতু পিপিপি চুক্তিতে বেসরকারি অংশীদারদের চুক্তিমূল্য পরিশোধ করা হয় ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে, তাই বেসরকারি অংশীদার এবং সরকারি উভয় সংস্থার পক্ষ থেকে কঠোর মনিটরিংয়ের ফলে পরিষেবার সঙ্গে জড়িতদের দায়বদ্ধতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। পিপিপি স্বাস্থ্য পরিষেবা রোগীদের অধিকতর উন্নত সেবা প্রদান নিশ্চিত করবে, সরকারি পরিষেবার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত করবে এবং স্বাস্থ্যসেবায় রোগীদের ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সাশ্রয় করবে। অপরদিকে পিপিপি মডেলের অধীনে সৃষ্ট স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাটি সরকারের মালিকানাধীন সম্পদ হিসাবে থাকবে। তাই এটি বলা যায়, স্বাস্থ্য খাতে পিপিপি গ্রহণ করা হলে তা উল্লেখযোগ্যভাবে সেবার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং পরিষেবার গুণমান বৃদ্ধি করবে, পরিষেবাপ্রাপ্তির বিদ্যমান সময়কে কমিয়ে দেবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় সরকারের অর্থও সাশ্রয় হবে। পিপিপি মডেলে বেসরকারি খাত তাদের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা খাতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটতে পারে।

পিপিপি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাগুলোর বেশিরভাগই নিম্মোক্ত মডেলের ওপর ভিত্তি করে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে-

অবকাঠামোভিত্তিক মডেল : জনস্বাস্থ্য অবকাঠামো নির্মাণ অথবা পুনর্নির্মাণ সংক্রান্ত কাজ সম্পাদন করতে।

ক্লিনিকাল পরিষেবা মডেল : কেবল বিদ্যমান হাসপাতালগুলোয় নতুন ক্লিনিক্যাল পরিষেবা যুক্ত করা অথবা বিদ্যমান সেবা সম্প্রসারিত করতে।

ইন্টিগ্রেটেড পিপিপি মডেল : স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো এবং পরিষেবা সরবরাহের একটি সমন্বিত প্যাকেজ প্রদান করতে।

সফল স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার এ তিনটি মডেলের মধ্যে একটি গ্রহণ করতে পারে অথবা এ মডেলগুলোর মধ্যে একটি অনন্য সমন্বয় বেছে নিতে পারে।

করোনা মহামারি এবং পরবর্তী সময়ে শুরু হওয়া যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি সংকটময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা অংশত হলেও পিছিয়ে পড়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। সরকারের আয় কমেছে এবং এর ফলে তাদের বিনিয়োগ ক্ষমতাও কমে গেছে। বাংলাদেশের অবকাঠামো থেকে শুরু করে অন্যান্য উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের ব্যবধান কমিয়ে আনতে এবং বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য নতুন নতুন পিপিপি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প গ্রহণের কথা বিবেচনা করতে পারে।

মো. ফারুক আহমেদ,
অতিরিক্ত সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

Advertisement
Click to comment

করোনা পরিস্থিতি

করোনায় প্রথম ৫০০ মৃত্যু ৬৯ দিনে, পরের ৫০০ জনের মৃত্যু ১৬ দিনে

Published

on

বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় করোনায় মৃত্যুহার এখনো কম বাংলাদেশে। তবে দেশে করোনা শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে শুরু করেছে। করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ায় দেশে মৃতের সংখ্যাও বাড়ছে। যথাযথ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০১২ জন
  • যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারাই মৃত্যু বাড়ার প্রধান কারণ
  • সারা বিশ্বে প্রতিদিন মৃত্যু প্রায় ৩০০০

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নিয়মিত তথ্য বিশ্লেষণ করে এমনটাই দেখা গেছে। আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত অনলাইন বুলেটিন থেকে জানানো হয়েছে, দেশে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ১২ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৭ জন। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। এর ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরের ৬৯তম দিনে ৫০০ ছাড়ায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। আর এরপর মাত্র ১৬ দিনেই মারা গেছেন ৫১১ জন।

গত মার্চে সব মিলিয়ে করোনায় মারা যান মাত্র ৫ জন। এপ্রিলে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়ায় ১৬৩ জনে। এরপর মে মাসে মারা যান ৪৮২ জন। জুনে এটি লাফিয়ে বাড়তে থাকে। এ মাসের মাত্র এক ভাগ সময়েই মারা গেছেন ৩৬২ জন। আরও দুই ভাগ সময় এখনো বাকি।

মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, করোনা সংক্রমণ শুরুর মাস মার্চের প্রথম ১০ দিনে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। এপ্রিলের প্রথম ১০ দিনে মারা যান ২২ জন, আর মে মাসের প্রথম ১০ দিনে ৩ গুণ বেড়ে মারা যান ৬০ জন। জুনেও ৬ গুণ বেড়ে ৩৬২ জন মারা গেছেন করোনায়।

করোনাভাইরাস নিয়ে নিয়মিত তথ্য প্রদানকারী অনলাইন পোর্টাল ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য বলছে, বিশ্বে এক দিনে সাড়ে ৮ হাজার মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। তবে এটি কমে এখন তিন হাজারে নেমে গেছে। অধিকাংশ দেশেই মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসছে। তবে বাংলাদেশে এখন বাড়ছে। করোনা শনাক্তের সংখ্যায় বিশ্বে ১৯তম অবস্থানে এখন বাংলাদেশ। আর মোট মৃত্যুর দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩২ নম্বরে। কিন্তু নতুন শনাক্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে শীর্ষ কয়েকটি দেশের মধ্যেই আছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে কোভিড-১৯–বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, শনাক্ত রোগী বাড়ছে, ‍মৃত্যুও বাড়ছে। যত রোগী বাড়বে, তত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে। এখনই হাসপাতালে শয্যা পাওয়া যাচ্ছে না, অক্সিজেন দেওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া বয়স্ক ও অন্যান্য রোগে ভুগতে থাকা ব্যক্তিরা আক্রান্ত হওয়ায় মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে।

রোগী বেড়ে যাওয়া, চিকিৎসায় অব্যবস্থাপনা, রোগীর জন্য হাসপাতালে শয্যার অপ্রতুলতা, অক্সিজেন ঘাটতি এবং বয়স্ক ও অন্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় মৃত্যু বাড়ছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশে শুরুর দিকে ৬০ বছরের কম বয়সীদের মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে থাকলেও দিন দিন এটি বদলে গেছে। এখন সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছেন ৬০ বছরের বেশি বয়সীরা। এ বয়সীদের মধ্যে করোনা শনাক্তের হার কম হলেও মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি।

৫ জুন মৃত্যুর বয়সভিত্তিক একটি হিসাব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৯ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের। ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী ২৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সী ৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ করোনা রোগী মারা গেছেন। ১০ বছরের কম বয়সীরাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। তবে এটি ১ শতাংশের কম।

চীনের উহানে প্রথম ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি যৌথ প্রতিবেদন বলছে, চীনে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের ৮০ শতাংশের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। ভারতেও মৃত ব্যক্তিদের অধিকাংশ ৬০ বছরের বেশি বয়সী। ইতালি, জার্মানিতেও বয়স্ক ব্যক্তিরাই মারা গেছেন ৮০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মৃত ব্যক্তির বয়স ও লৈঙ্গিক পরিচয় দিলেও মৃত্যুর কারণ, উপসর্গ বা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করে না। জেলাওয়ারি করোনা শনাক্তের সংখ্যা বলা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা বলা হয় শুধু বিভাগওয়ারি। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হচ্ছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহর এলাকায় মৃত্যুর হার বেশি।

মৃত্যু বেড়ে যাওয়া নিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, সংক্রমণ বাড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও ব্যক্তির অসতর্কতায়। কিন্তু মৃত্যু বাড়ে রোগীর চিকিৎসার ঘাটতিতে। যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারাই মৃত্যু বাড়ার প্রধান কারণ।

মৃত্যুর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বিস্তারিত তথ্য বলা হয় না। রোগীর উপসর্গ, অন্যান্য রোগ, অবস্থান না জেনে মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করা যায় না।

মহিউদ্দিন, ঢাকা

Continue Reading

কলাম

সরকারি পর্যায়ে দন্ত চিকিৎসা সেবা : একটি প্রস্তাবনা

Published

on

ডাঃ রায়হানুল আরেফীন

আমাদের আউটডোরে এখন চলছে SIE থেরাপি। SIE এর elaboration হচ্ছে Sefrad(S), Indomet(I) আর Esoral(E).যে সমস্যা নিয়েই রোগী আসুক এই একটাই প্রেসক্রিপশন। Gingivitis, Periodontitis, Pulpitis, Hypersensitivity, Pericoronitis, Abscess, Ulcer সহ যেকোনো রোগের জন্যই এ চিকিৎসা। রোগী ও খুশি মনেই বাড়ি চলে যায় আর ঔষধ ফুরিয়ে গেলে আবার ১০টাকার টিকেট কিনে ঔষধ নিতে আসে। কিছুদিন পরপর ঔষধের জেনেরিক ও ব্র‍্যান্ডের সামান্য চেঞ্জ হয় আর বাদবাকি চিত্র একই থাকে।

যুগযুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে ডেন্টাল কলেজ/ইউনিট গুলো বাদে বাকি সব সরকারি দন্ত চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো ; উপজেলা, জেলা, বিভাগ সবজায়গায়। এর সাথে বোনাস হিসেবে আছে দন্ত উৎপাটন। তো একজন সরকারি ডেন্টাল সার্জন এর জয়েনিং থেকে শুরু করে রিটায়ারমেন্ট পর্যন্ত এটাই মোটামুটি কাজ। উনার মেডিকেল লাইফে উনি কি শিখেছেন তার ১০ ভাগ ও তিনি সারাজীবন সরকারি কর্মক্ষেত্রে করতে পারেন না। উপযুক্ত অবকাঠামো ও লোকবলের অভাবই এর প্রধান কারণ।

সত্যি বলতে কি, এই কাজগুলো করতে একজন কোয়ালিফাইড ডাক্তারের কোন প্রয়োজনই নেই। একজন ৬ মাসের ট্রেনিং করা লোকই যথেষ্ট এ সার্ভিস টুকু দেয়ার জন্য। ডেন্টিস্ট্রি প্রফেশনের সরকারি সেক্টরের (এবং সামগ্রিক) সকল হতাশা ও অপ্রাপ্তির এটাই গোড়া। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আপামর জনসাধারণের কাছে ডেন্টিস্ট্রি বলতে মূলত এটাই। দাঁতের যেকোন সমস্যায় এন্টিবায়োটিক আর ব্যাথার ঔষধ খেতে হয় আর একটু বেশি সমস্যা হলে ফেলে দিতে হয়। কারণ সরকারি ভাবে এ মেসেজটুকুই যায় মানুষের কাছে। সরকারি হাসপাতাল প্রশাসন বা ব্যাবস্থাপনার ডেন্টিস্ট্রি সম্পর্কে সম্যক ধারণার অভাবেই এ পরিস্থিতির উদ্ভব।

অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি, উপজেলা পর্যায়ে সার্জারি, গাইনি, কার্ডিওলোজি, পেডিয়াট্রিক্স সহ অনেকগুলো স্পেশালিটি সার্ভিস সরকারি সেক্টরে পৌঁছে গেলেও মুখ ও দাঁতের চিকিৎসার প্রাথমিক সেবাটুকুও মানুষের কাছে এখনো পৌঁছাতে পারেনি। আমাদের নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিদের এবং যারা সরকারের খুব কাছের মানুষ তাঁদের প্রধান ব্যার্থতা এখানেই। সরকারকে আমরা এই দীর্ঘদিনেও বুঝাতে পারিনি মুখ ও দাঁতের রোগগুলো কি কি এগুলোর চিকিৎসা কি এবং প্রান্তিক পর্যায়ে এ সেবাগুলো পৌঁছানো কতটা গুরুত্বপূর্ণ আর এ বুঝাতে না পারার কারণেই কোয়াক সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে ক্যান্সারের মত।

সাধারণ মানুষ যখন সরকারি হাসপাতালে দাঁতের কোন চিকিৎসা পায়না, স্বাভাবিকভাবেই প্রাইভেটে চিকিৎসা নিতে যায় নিকটস্থ কোয়াকদের কাছে। কোন ইউনিয়ন, উপজেলা এমনকি জেলা পর্যায়ের রোগীও নিশ্চয়ই এরকম সময়সাপেক্ষ চিকিৎসা সরকারি ভাবে করানোর জন্য বিভাগীয় শহর বা ঢাকা যেতে আগ্রহী হবেননা। উপজেলা বা প্রান্তিক পর্যায়ে কোয়ালিফাইড চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র‍্যাকটিস করার অনীহা ও কোয়াকদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ।

শুধু এটুকু সরকারের নীতিনির্ধারকদের বুঝাতে পারলেই প্রতিবছর বিসিএস এ পোস্ট নিয়ে আমাদের আর চিন্তা করতে হতোনা, প্রমোশন হতো অটোমেটিক, জব ডিমান্ড ও ক্রিয়েট হতো স্পন্টেনিয়াসলি
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামগ্রিক কাঠামো এমন হতে পারে।

পদ ও সেবা সংক্রান্ত প্রস্তাবনাঃ

১. উপজেলা হাসপাতাল :

  • কনসালটেন্ট – ১ জন (ষষ্ঠ গ্রেড)
  • ডেন্টাল সার্জন – ২ জন (নবম গ্রেড)
  • ডেন্টাল এসিস্ট্যান্ট – ২ জন (১১তম গ্রেড)
  • পিয়ন, ক্লিনার,
  • গার্ড ১ জন করে।

সেবা সমূহ – স্কেলিং, ফিলিং, এন্টেরিওর আরসিটি, নন সার্জিক্যাল এক্সট্রাকশন।

২. জেলা হাসপাতাল :

  • ডেন্টাল সুপারেনটেনডেন্ট- ১ জন
  • চীফ কনসালটেন্ট – ১ জন (চতুর্থ গ্রেড)
  • কনসালটেন্ট – ৩ জন (ষষ্ঠ গ্রেড)
  • কনজারভেটিভ, অর্থোডন্টিক্স,ওরাল সার্জারি ডেন্টাল সার্জন – ৫ জন (নবম গ্রেড)
  • ডেন্টাল এসিস্ট্যান্ট – ৫ জন (১১তম গ্রেড)
  • পিয়ন, ক্লিনার, গার্ড ১ জন করে।

সেবা সমূহ – স্কেলিং, পলিশিং, পেরিও সার্জারি, ফিলিং ইনক্লুডিং এস্থেটিক বিল্ডআপ, আরসিটি, নন সার্জিক্যাল ও সার্জিক্যাল এক্সট্রাকশন, মাইনর ওরাল সার্জারি, মেজর ওরাল সার্জারি, অর্থোডন্টিক্স।

অবকাঠামো এবং জনবল সহায়ক প্রস্তাবনা :

  • ক) উপজেলা পর্যায়ে ২ টি ডেন্টাল ইউনিট ও আনুসংগিক উপকরণ সহ মিনি ডেন্টাল ক্লিনিক স্থাপন।
  • খ) জেলা পর্যায়ে ৫ টি ডেন্টাল ইউনিট ও আনুসংগিক উপকরণ সহ পুর্নাঙ্গ ডেন্টাল ক্লিনিক স্থাপন।
  • গ) জেলা হাসপাতালগুলোতে ৫/১০ শয্যার ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি ওয়ার্ড চালু করা।
  • ঘ) বিভাগীয় পর্যায়ে এবং প্রত্যেকটি ডেন্টাল কলেজে /ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ প্রস্থোডন্টিক ল্যাব স্থাপন করা ও পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে চালু করা।
  • ঙ) ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট (DMTD) কোর্স পরিবর্তন করে ডিপ্লোমা ইন ডেন্টাল এসিস্ট্যান্সি (DDA) কোর্স নামকরণ করা। প্রয়োজনে IHT এর বদলে MATS এর আদলে DATS চালু করা। টেকনোলজিস্টদের সরকারি চাকুরিতে কর্মক্ষেত্র সীমিত কিন্তু এসিস্ট্যান্ট হিসেবে এধরণের প্রতিবন্ধকতা থাকবেনা বরং ডাক্তারদের পোস্ট বৃদ্ধির সাথেসাথে এসিস্ট্যান্টদের পোস্ট ও অটোমেটিক ক্রিয়েট হয়ে যাবে।

প্রান্তিক পর্যায়ে নিজেদের কাজের ক্ষেত্র ও সেবা দিয়ে নিজেদের প্রমাণ করতে না পারলে নিয়মিত নিয়োগ, পদোন্নতি সহ কোন কিছুই কখনো স্বাভাবিক ভাবে পাওয়া যাবেনা। হাসপাতালে বসে SIE therapy দেয়ার জন্য সরকার কখনোই প্রতিবছর শতশত নতুন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দিবেনা যতই বেকার ডেন্টিস্টের সংখ্যা দিনদিন বাড়তে থাকুক। সবাই যার যার জায়গা থেকে আওয়াজ তুলি, আমাদের নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে বারবার নক করি, এই একটা ইস্যু নিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করি।

তাহলেই কেবল পেশাজীবি হিসেবে নিজেদের আত্নমর্যাদার জায়গাটুকু বুঝে পাবো, ডেন্টিস্ট্রিতে দেখা যাবে আসল রেনেসাঁ।

লেখক:

ডাঃ রায়হানুল আরেফীন

ডেন্টাল ও ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন,
২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নোয়াখালী

Continue Reading
জাতীয়4 days ago

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট

জাতীয়3 weeks ago

প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি করলে ফার্মেসির লাইসেন্স বাতিল

ক্যারিয়ার3 weeks ago

জনস্বাস্থ্য ডেন্টিস্ট্রি বিভাগে পদসৃজন -(নিপসম)

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়3 weeks ago

অ্যান্টিবায়োটিকের মোড়ক হবে লাল, যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে হচ্ছে আইন

জাতীয়4 weeks ago

দাউদকান্দিতে অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিকের রমরমা বাণিজ্য

জাতীয়1 month ago

৭ ছাত্র নিরুদ্দেশ: চিকিৎসক শাকিরের সহযোগী ভিলার স্বীকারোক্তি

সিলেট বিভাগ1 month ago

চিকিৎসককে ছুরিকাঘাতের হুমকি দিয়ে ডেন্টাল চেম্বারে ছাত্রলীগ নেতার চাঁদাবাজি!

সংগঠন1 month ago

ডা: মোত্তাকিন আহমেদ স্মরণে বিএসপিডি’র দোয়া মাহফিল

সংগঠন1 month ago

চিকিৎসকদের জন্য লিডারশীপ এক্সেলেন্সি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কলাম1 month ago

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব

জাতীয়1 month ago

সংস্থা বলছে জঙ্গি – পরিবারের দাবি ডাঃ শাকির নির্দোষ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর1 month ago

দেশে রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

জাতীয়1 month ago

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাতীয়1 month ago

বিএসএমএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়1 month ago

ডেন্টাল সার্জন অবসরে, কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে চিকিৎসা দিচ্ছে টেকনিশিয়ান

জাতীয়1 month ago

সিআইডি পরিচয়ে ‘চিকিৎসক’ তুলে নেওয়ার অভিযোগ

জাতীয়2 months ago

ওষুধের দাম বাড়ায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

পরামর্শ2 months ago

দাঁতের চিকিৎসার সময় যে তথ্যগুলো গোপন করবেন না!

জাতীয়2 months ago

হাসপাতালের ল্যাবে ইলিশ মাছ, সিলগালা করে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

পড়ালেখা2 months ago

বাইরের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাস্টার্সে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে ঢাবি

Advertisement

সম-সাময়িক

Subscribe for notification